ধর্মের নামে মানুষ খুন এবং খোকা বাবুর আস্ফালন ।

কিছুদিন আগে ফটিকছড়িতে কি ঘটেছে সবাই জানে। বিবেকবান মানুষ মাত্রই এই নির্মম ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। অবশ্যই বিবেকহীন বি এন পি এতদিন কিছুই বলেনি। অবশেষে তারা আজ তাদের স্বরুপে ফিরে আসল। আজ(১৮/০৪/২০১৩) ১৮ দলের এক সমাবেশে খোকা বাবু বলেন ,

“প্রত্যেক গ্রাম, উপজেলাকে ‘ফটিকছড়ির মতো সাহসী হতে হবে।”

তিনি ফটিকছড়ির সন্ত্রাসী বাহিনী যারা আল্লাহর নামে ,ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষ খুন করেছিল তাদের সালাম জানান।
খোকা বাবু সেসব সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
” ফটিকছড়ির সংগ্রামী বন্ধুদের সংগ্রামী সালাম জানাই।”
এই শুয়োরটাকে কি বলা যায় ?
এই পাগলা কুত্তাগুলো ক্ষমতার লোভে এত বেশি উম্মত্ত হযে গিয়েছে যে তাদের কাছে মানুসের জীবন এখন মুল্যহীন ।
আচ্ছা এটা কি শুধু ক্ষমতার লোভে বলা ?
নাকি এর পেছনে আরও কাহিনি আছে ?
এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জামাত-হেফাজতিরা জড়িত ।
তারাই আল্লাহু আকবর, নারায়ে তাকবীর বলে মানুগুলোরে কুপিয়ে হত্যা করেছিল যা মধ্যযুগীয় বললেও ভুল হবে ।
তাহলে বি এন পি কি এই বাংলাদেশকে সেই বর্বর মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়?
তারা কি চায় সেটা তাদের ব্যাপার।
কিন্তু এত বড় একটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে খোকাবাবু যেভাবে সাপোর্ট করলেন এবং সেইসব সন্ত্রাসীদের যেভাবে সংগ্রামী সালাম জানালেন , তাও প্রকাশ্যে ,এর জন্য কি খোকা বাবুর বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবেনা ?
আমরা এই বাংলার সাধারন মানুষ ফটিকছড়ির নির্মম হত্যাকান্ডের প্রকাশ্যে সমর্থনকারী খোকাবাবুর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।
তা না হলে বি এন পি’র প্রত্যক্ষ মদদে দেশে আরো বড় হত্যাকাণ্ড সংগটিত হবে এবং তা হবে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির উপর।
আমরা চাইনা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের একটা মানুষও বি এন পি-জামাত-হেফাজতিদের দ্বারা নির্মমতার শিকার হোক।
এই বাংলা একান্তই বাঙ্গালীর ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধি কোন শক্তির আস্ফালন আমরা আর দেখতে চাইনা।

আমরা চায় আওয়ামীলীগ দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে জঙ্গিমুক্ত, ধর্মান্ধতামুক্ত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজে হাত দিবে এবং ভারসাম্য রক্ষার নীতি থেকে সরে আসবে ।এবং সন্ত্রাসিদের প্রত্যক্ষ মদদ দানকারি সন্ত্রাসী সংঘটন বি এন পি-জামাত-হেফাজতিদের বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “ধর্মের নামে মানুষ খুন এবং খোকা বাবুর আস্ফালন ।

  1. যে দলের প্রতিষ্ঠাতা
    যে দলের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেছে ! সেই দলের নেতারা প্রকাশ্যে হত্যাযজ্ঞ চালানোর শোষনা দেয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা কেন হয় না ? এ দেশে কি কোন সরকার আছে ? যদি থাকে তবে কোন চিন্তা না করে এখনই এইসব দেশদ্রোহী, হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হোক। নইলে এদের থেকে বর্তমান সরকারি দলের নেতা-কর্মী ও এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লোকদের রেহাই নাই…..

    1. আমাদেরও একই প্রশ্ন । হেফাজতি
      আমাদেরও একই প্রশ্ন । হেফাজতি জঙ্গিরা দেশের অস্ত্বিত্ত বিরুদ্ধে হুমকি দিচ্ছে । জামাতিরা পুলিশ মারছে , সাধারন জনগণকে মারছে ।
      কিন্তু সরকার নীরব ।
      কেন সরকারের এই নীরবতা ?

    1. বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগকে
      বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগকে দেখে মনে হয় তাদের মাথা দরকার, মগজের দরকার নাই ।
      মগজের দরকার হ্লে তারা হেফাজতিদের এতো গুরুত্ব দিত্না ।

  2. প্রকাশ্যে খুনের মদত দেওয়ার
    প্রকাশ্যে খুনের মদত দেওয়ার চেয়েও ফেসবুকে লাইক শেয়ার দেওয়া এখন বাংলাদেশ পেনাল কোডে বড় অপরাধ বলেই বিবেচিত হবে বলে মনে হয়। দেশ এগিয়ে ডিজি-টাল হয়ে যাচ্ছে।

    1. আওয়ামীলীগ হেফাজতিদের ভোটের
      আওয়ামীলীগ হেফাজতিদের ভোটের বাক্স মনে করছে। এই হেফাজতিরা যে কি পরিমাণ হারামজাদা তা আওয়ামীলীগের মাথামোটারা বুঝলেই আমরা বাছি।

  3. সরকার এখন কিছু করবেনা কারন
    সরকার এখন কিছু করবেনা কারন তাঁরা কিছু করলেই হেফাযতিরা তাদেরকে আবার ইসলাম বিদ্বেষী ট্যাগ দিয়ে দেবে । সরকার নতুন করে ইসলাম বিদ্বেষী ট্যাগ পেতে আগ্রহী না ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

16 − = 9