আল্লামা আহমদ শফী সম্পর্কে পাঁচটি অযৌক্তিক প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর।

১) প্রশ্ন: আহমদ শফী সাহেবের বয়স ৯৬। কিন্তু দেশের মানুষের গড় আয়ু এতো নয়। তার মানে কি আহমদ শফী সাহেব শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ নন?
উত্তর: আহমদ শফী সাহেবের বয়স ৯৬। কিন্তু দেশের মানুষের গড় আয়ু এতো নয়। সুস্থ মস্তিষ্কে চিন্তা করে বলুন তো, ৯৬ বছর হলে শারীরিক সমস্যা আসতে পারে,তাই বলে মানসিক সমস্যা আসবে এমন কোনো যুক্তি আছে কি?
আহমদ শফী সাহেব এখনো কয়েক হাজার ছাত্রকে বুখারী শরীফ পড়ান। হেফাজতের কর্মসূচী ঘোষণার পরও পড়িয়েছেন। তবুও কি আপনি সন্দেহ করবেন তিনি অসুস্থ? লংমার্চের প্রস্তুতি সম্মেলনে চট্টগ্রামে তিনি প্রায় ১৫ মিনিট বক্তব্য দিয়েছেন। মানুষদেরকে তাসবীহ,জায়নামাজ নিয়ে লংমার্চে অংশ নেয়ার আহবান করেছেন। তবুও বলবেন তিনি অসুস্থ?

২) প্রশ্ন: তার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা রয়েছে। তার দাবীগুলো কি তাই প্রমাণ করে না?
উত্তর: আপনার মনে হচ্ছে কেন তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ সেটা বলবেন কি? আহমদ শফী সাহেব দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে যেসব দাবী নিয়ে ডাক দিয়েছেন এর মধ্য থেকে আপনার কাছে কোন দাবীটা অযৌক্তিক মনে হলো যে, তাঁকে আপনার মানসিকভাবে অসুস্থ মনে হলো?

৩) প্রশ্ন: তার ভীমরতি ধরেছে । এত বড় একজন আলেমের ভীমরতি হওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এ ভাবনার পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি আছে। তিনি জামায়াতের বিরোধিতা করছেন না কেন?
উত্তর: ভীমরতির প্রশ্ন! হেফাজতে ইসলামের দাবীগুলো আক্বিদা বা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের সাথে সংযুক্ত। এখানে জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা বলবেন কোন যুক্তিতে? জামায়াত নিষিদ্ধ তো রাজনৈতিক বিষয়। আক্বিদা আর রাজনীতি একত্রে মিশিয়ে একটা জগাখিচুড়ী মার্কা আন্দোলন করবেন এই কথা আপনার মাথায় আসতে পারে। আল্লামা আহমদ শফি এবং লাখো লাখো জনতা এমনটি মনে করে না। জামায়াতের বিরোধিতা তিনি দীর্ঘদিন থেকে করছেন। নতুন করে আপনাদের মতো তথাকথিত যুক্তিবাদীদের শিখিয়ে দিতে হবে না যে,শফী সাহেব হুজুর। আপনি জামায়াতের বিরোধিতা করুন। তাঁর শায়খ আল্লামা মাদানী (রহঃ) জামায়াতের বিরুদ্ধে ছিলেন,তিনিও শায়খের পথ ধরে জীবনভর জামায়াতের বিরোধিতা করেছেন। বই লিখে মানুষকে সচেতন করেছেন। এখনো দাবী করছেন আমরা জামায়েতের পক্ষে নই।
অথচ আপনাদের কথা শুনলে মনে হয় যেন তিনি জামায়াতের পক্ষে কাজ করছেন! একটা প্রমাণ দেখান যে,হেফাজতে ইসলাম জামায়াতের পক্ষে কথা বলেছে।

৪) প্রশ্ন: বৃদ্ধ বয়সে কেউ তাঁকে ব্যবহার করছে নাতো?
উত্তর: কেউ তাঁকে ব্যবহার করে কিছু করতে পারে। আপনি কি একথা বলে পরোক্ষভাবে বাকি সব আলেমদের নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছেন না? তবে সরাসরি বললেই পারেন। সিদ্ধান্ত কিংবা সবগুলো দাবী যে আহমদ শফী সাহেব বলেছেন এমন তো না। সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে দাবী ঠিক হয়েছে। আপনি ১৩ দফার যৌক্তিক সমালোচনা করুন। তবেই আপনার কথার যৌক্তিকতা ফুটে উঠবে।

৫) প্রশ্ন: তিনি কাদিয়ানীদের নিষিদ্ধ চাইতে পারলে জামায়াতের নিষিদ্ধ চাইতে পারবেন না কেন?
উত্তর: কাদিয়ানী ইস্যু রাজনৈতিক নয় মুসলমানদের বিশ্বাসগত বিষয়ের সাথে সংযুক্ত। আস্ত লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। ক্লিক করে প্রমাণ সহ দেখে নিন কেন কাদিয়ানীদের কাফির বলা হয়। http://www.alkawsar.com/article/821
জামায়াতের নিষিদ্ধ দাবী করাটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়। হেফাজতে ইসলাম গঠিত হয়েছে মুসলমানদের অরাজনৈতিক বিষয়াদি দেখার জন্য। এখানে রাজনীতি টেনে আনছেন কেনো? গণজাগরণ মঞ্চ যদি শুধু যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইতে পারে আর অন্য বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখতে পারে,তবে হেফাজত রাজনীতি থেকে মুখ বন্ধ রাখলে সমস্যা কী? কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা আমি করলে দোষ!

*কেউ চাইলে এসব বিষয়ে যৌক্তিক আলোচনা করতে পারেন। আমি তৈরি আছি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৬ thoughts on “আল্লামা আহমদ শফী সম্পর্কে পাঁচটি অযৌক্তিক প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর।

  1. ৯৬ বছর বয়সে সফি হুজুরের বউ
    ৯৬ বছর বয়সে সফি হুজুরের বউ কয়টা? আর এই পর্যন্ত কতজন সেবাদাসীর সেবা গ্রহন করেছেন? এই তথ্যটা আমার খুব দরকার। দয়া করে কি আপনি তথ্যটা আমাকে দিতে পারবেন? ফেসবুকে একজন বলেছে উনার নাকি পাঁচ বিবি ও ৫১জন সেবা দাসী আছে। আমি বিশ্বাস করি নাই। আমি বলেছি, উনি বুজর্গ মানুষ। বড় জোর সুন্নত রক্ষা করার জন্য চার বিবি থাকতে পারে। আর সেবাদাসী উনার আর্থিক ও দৈহিক ক্ষমতানুযায়ী আছে।

    আমি কি ভুল বলেছি?

    1. উনার বিবি একজন। সন্দেহ হলে
      উনার বিবি একজন। সন্দেহ হলে হাটহাজারিতে গিয়ে খবর নিয়ে আসুন। এভাবে যদি গুজবে কান পাতেন তবে আপনাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন চলে আসে।

      1. গুজবে কান পাতা ফাসেকি। আর
        গুজবে কান পাতা ফাসেকি। আর গুজবে কান পাতুম না। আচ্ছা ভাই, আলেম বা ইসলামী চিন্তাবিদ বা দার্ষনিক হিসাবে কে বড়? মাওলানা মওদুদী নাকি সফি হুজুর? নিশ্চয় অজানা কিছু জানতে চাওয়াটা মানসিক অসুস্থতার প্রশ্নটা চলে আসবেনা।

        1. আপনি সম্পূর্ণ ফালতু একটা
          আপনি সম্পূর্ণ ফালতু একটা প্রশ্ন করছেন। আপনি খুঁজে দেখেন কে বড় আর কে ছোট।
          মওদুদী সাহেব আদৌ আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন কি না আমার ব্যক্তিগতভাবে সন্দেহ আছে। ইসলাম সম্পর্কে তার অপব্যাখ্যা সর্বজন স্বীকৃত। আহমদ শফী সাহেবের বইয়ে ও ব্যাপারটা উল্লেখ আছে। তবুও কোন যুক্তিতে দুজনকে একত্রে মিলিয়ে দিচ্ছেন জানি না। ভালো থাকবেন।

      2. সন্দেহ হলে হাটহাজারিতে গিয়ে
        সন্দেহ হলে হাটহাজারিতে গিয়ে খবর নিয়ে আসুন।
        হাট হাজারী খুজে কি পাবে ? ওনার বিবিরা তো থাকে রাঙ্গুনিয়া।

  2. জামাত চলে মউদুদির ভ্রান্ত
    জামাত চলে মউদুদির ভ্রান্ত মতবাদকে আঁকড়ে ধরে। তাহলে কাদিয়ানী ইস্যু মুসলমানদের বিশ্বাসগত ইস্যু হলে, জামাত ইস্যু কেন বিশ্বাসগত ইস্যু হবে না? মউদুদির মতবাদ যে ভ্রান্ত সে বিষয়ে উপমহাদেশের অনেক বড় বড় আলেম ফতওয়া দিয়েছেন। আর হেফাজতে ইসলামের পূর্বের কাজকর্ম আর বর্তমান কাজকর্ম এক না এটা একটা পাগলেও বুঝে। হেফাজতের সমাবেশ থেকে জামাতের রাজাকার নেতাদের মুক্তির দাবী ওঠে কেন? জামাত নিয়ে কথা বলতে বললে বলবেন- এটা রাজনৈতিক ইস্যু। আর ঐদিকে সরকার পতনের ডাক দেওয়া কি রাজনৈতিক ইস্যু না? এসব নয়ছয় বুঝিয়ে আর কতো?

    1. ভালো বুঝছেন। মেলা জ্ঞান আছে
      ভালো বুঝছেন। মেলা জ্ঞান আছে আপনার। মৌদুদিকে কাফির বলেছেন কেউ? সে ফাসিক,পথভ্রষ্ট। কিন্তু কাদিয়ানীরা কাফির। জামাত ইস্যু বিশ্বাসগত হবে না; কারন তারা এখন মৌদুদির ধ্যান ধারণা প্রচারে ব্যস্ত না। তারা ক্ষমতার লোভে ব্যস্ত। কওমি ওয়ালারা একথা তো এখনো বলে জামায়াত ইসলামী দল না। কিন্তু নিষিদ্ধ করা না করা রাজনৈতিক বিষয় এই সহজ কথাটা আপ্নের মাথায় যায় না কেন বুঝি না!
      তারা মৌদুদির বই বাংলায় অনুবাদ করতে গিয়ে বিতর্কিত বিষয় বাদ দিয়ে অনুবাদ করেছে। কারন তারা বুঝে মৌদুদির আদর্শ এখনকার মানুষ গ্রহণ করবে না। খুঁজে দেখেন মৌদুদির বইয়ের বাঙলা অনুবাদ।
      আর হেফাজতের সভায় কবে জামায়াত নেতাদের মুক্তি দাবী করা হলো? ঢাকায় এতো বিশাল সমাবেশে একবারও তো শুনলাম না জামায়াতের নাম নিতে! মগের মুল্লুকে বাস করে কথা বলছেন মনে হয়! কোনো এলাকাভিত্তিক সমাবেশে যদি কেউ প্ল্যাকার্ডে জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবীর কথা লিখে আনে তবে হেফাজত এখানে কি দোষ করলো? হাজার জনতার ভিড়ে ২/৪ জন চোর,প্রতারককে আপনি কেমনে বাঁধা দিবেন?
      হেফাজত সরকার পতনের ডাক দিছে! এসব আজগুবি কথা কই পান! তাঁরা বলল, দাবী না মানলে আমরা সরকার পতনের আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। আপনার ভাবনায় কি এমনটা আসছিলো যে,তারা আন্দোলন করবে। সরকার না মানলে ঘরে ফিরে ঘুম দিবে। আপনে পাগল হতে পারেন তাঁরা পাগল হয়নি।
      হেফাজতের পূর্বের কাজকর্ম আর বর্তমান কাজকর্ম কেমনে এক না একটু ব্যাখ্যা দেন। অন্তত ২/৩ টা প্রমাণ দেন। কথা দিলাম আপ্নেরে মহাজ্ঞানী মেনে নেবো।

      1. জামাত ইস্যু বিশ্বাসগত হবে না;

        জামাত ইস্যু বিশ্বাসগত হবে না; কারন তারা এখন মৌদুদির ধ্যান ধারণা প্রচারে ব্যস্ত না। তারা ক্ষমতার লোভে ব্যস্ত।

        এইবার লাইনে আসছেন। এই কথা দিয়ে তো স্বীকার করলেন জামাত ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতেছে? তাহলে সেটা কেন ধর্ম অবমাননা হবে না? সেটা কেন ধর্মের জন্য ক্ষতিকর হবে না? একজন নাস্তিক ধর্ম নিয়ে বাজে কথা বললে ধর্মের যতোটা ক্ষতি হয়, তারচেয়ে বেশী ক্ষতি হয় একজন ফাসেক, পথভ্রষ্টের দলের দ্বারা। এইটুকু বুঝার মতন ঘিলু আপনার হেফাজতি মস্তিস্কে ধরবে না জানি। আপনারা পারেন খালি- ধরো, মারো, জবাই করো এইসব করতে। জামাত ইস্যু নিয়ে কথা বলতে গেলে সেখানে যুক্তি আসে এটা রাজনৈতিক ইস্যু, হেফাজতিরা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক না। কিন্তু সরকার পতনের ডাক দেওয়ার বেলায় দুই পায়ের জায়গায় চার পা খাড়া।

        নীচে একটা প্রশ্ন করেছেন একজন, পারলে ওইটার উত্তর দেন। এতদিন কই ছিল হেফাজতের ইসলাম হেফাজত? নাস্তিকরা তো এই ফেব্রুয়ারি মাসে হুট করে আকাশ থেকে পড়েনি। অনেক আগে থেকেই ছিল। এতদিন কোথায় ছিল ইসলামের হেফাজত? নাকি মালপানির অভাব ছিল? সেই অভাব পূরণ হয়েছে দেখেই ইসলাম নিয়ে মাঠে নামাটা এখন ঈমানি দ্বায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে?

        1. জামায়াত নিজেরাই যেখানে তাদের
          জামায়াত নিজেরাই যেখানে তাদের গঠনতন্ত্র থেকে ইসলামী আদর্শ মুছে দিয়েছে। নিজেদের কুৎসিত চেহারা জনতার সামনে মেলে দিয়েছে। তখন হেফাজতকে পৃথকভাবে কেন বলতে হবে জামায়াত ইসলামী দল নয়।
          (http://www.somewhereinblog.net/blog/Kishorenoroshunda/29781357)
          হাস্যকর একটা কথা বললেন।
          জামায়াত তাদের কাজ কর্ম দ্বারা বুঝিয়ে দিয়েছে তারা ইসলামী দল নয়। মানুষ কি আপনার মতো নাকি যে,কিছু বুঝে না। গঠনতন্ত্র সংশোধনের পর আর তারাও দাবী করতে পারবে না যে তারা ইসলামী দল। তবে এই সহজ কথাটা হেফাজতকে বুঝিয়ে দিতে হবে কেন? আপনার মতো তথাকথিত শিক্ষিতেরা বিষয়টি বুঝেন না? হেফাজত দাবী করলে বুঝে আসবে জামায়াত ইসলামী দল নয়! যুক্তি একটু বুঝে শুনে দিয়েন।

          কোন ফাসেক অমুসলিম নয়। তাকে পাপী বলা যায়। কোনোক্রমেই নাস্তিকের সাথে ফাসিকের তুলনা হতে পারে না। আমি বিষয়টা ব্যাখ্যা করলাম না। কষ্ট করে ফাসেক কাকে বলে পড়ে নেন। এরপর না বুঝলে প্রশ্ন করেন, উত্তর পেয়ে যাবেন।

          আর ক্ষতির প্রশ্ন। নাস্তিকদের ম্যাতকারে ইসলামের একবিন্দুও ক্ষতি হবে না! বিষয়টা মুসলমানদের আবেগের প্রশ্ন। বিশ্বাসের প্রশ্ন। আপনার মা বাবাকে গালি দিলে আপনার খারাপ লাগবে না? যদি লাগে তবে ধর্ম, আল্লাহ তায়ালা, নবীকে গালি দিলে মুসলমানদের শাস্তি দাবী করাটা কি অন্যায়?

          ফেফাজত কবে কোথায় মারামারি করলো? একটা প্রমাণ দেন। নইলে ছাগলের ম্যা ম্যা আর আপনার কথার মধ্যে পার্থক্য থাকলো কি?
          আমি একটা প্রমাণ দিলাম যে,হেফাজত মারামারি কাটাকাটি করে না। (http://ukbdnews.com/chittagongdivision/4435-2013-04-18-10-54-31.html)

          সরকার পতনের ডাক দিয়েছে হেফাজত! হা হা হা। পুরো বিষয়টা না বলে নিজ স্বার্থে যা লাগে তাই বলে বিভ্রান্তি ছড়াবেন! ভালো পথে হাঁটেন ভাই।
          হেফাজত সরকারের কাছে দাবী করেছে। সরকার দাবী মানলে তো ভালো। না মানলে তারা কি ঘরে বসে থাকবে? সরকার যেখানে তাদের মূল্যায়ন করেনি,তারা কেন সরকারের মূল্যায়ন করবে? সুস্থ মস্তিষ্কে বলুন, আপনি কারো কাছে কোনো কিছু দাবী করলে অতঃপর প্রত্যাখ্যাত হলে নপুংশকের মতো চুড়ি পড়ে ঘরে বসে থাকবেন নাকি বিকল্প পন্থায় দাবী আদায়ের চেষ্টা করবেন?
          দেখি কি উত্তর দেন।

          হেফাজতের আন্দোলন তো সব নাস্তিকদের বিরুদ্ধে না। তারা তো স্পষ্ট ভাষায় বলছে যেসব নাস্তিক ধর্মের অবমাননা করে, তাদের শাস্তি চাই।
          এতদিন কেন আন্দোলন করেনি? আপনার কাছে আমার প্রশ্ন আওয়ামীলীগ সরকার কেন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করেনি?
          আরেকটা উত্তর দেই। ইতিপূর্বে অনলাইনের মানুষ ছাড়া কেউ জানতো না যে,অনলাইনে এতোগুলো কুলাঙ্গার আছে। যারা নিজের ইচ্ছেমতো ধর্মকে গালি দিচ্ছে। থাবা বাবাকে শাহবাগে শহীদ উপাধি দেয়া হলো, জানাযা পড়া হলো। তখন সবাই জানতে পারলো মুক্তচিন্তার নামে কি চলছে।
          স্বাভাবিক যখন জানতে পেরেছে তখন আন্দোলনে নেমেছে। আগে কেন নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেনি এই কথাটা মূর্খ ছাড়া কেউ বলবে না। ৫২ থেকে পাকিস্তানের সাথে আমাদের বিরোধ। এখন কি এই প্রশ্ন রাখবেন আগে কেন স্বাধীনতা যুদ্ধ করেননি? কিছু মাথায় তেল ঢালেন। বুদ্ধি খুলবে আশা করি।

          1. জামাত তো নিজেদের ইসলামী দল
            জামাত তো নিজেদের ইসলামী দল বলে দাবী করে। আপনি নিজেই স্বীকার করলেন জামাত কোন ইসলামী দল নয়। তাহলে তো তারা মুনাফিক। মুনাফিক তো কাফেরের চেয়েও জঘন্য। আগে তাইলে মুনাফিক থেকে ইসলামকে হেফাজত করেন হেফাজতি ভাইসাব।

  3. এতদিন কোথায় ছিলেন শফি? কোথায়
    এতদিন কোথায় ছিলেন শফি? কোথায় ছিল তার ইসলামপ্রীতি? শাহবাগ আন্দোলন শুরু হতেই কেন তার উত্থান?

    1. এতোদিন তো তিনি সসম্মানে
      এতোদিন তো তিনি সসম্মানে ইসলামের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। আস্ত জীবনই তো ইসলামের সেবায় কাটিয়ে দিলেন। আর শাহবাগ আন্দোলন শুরু হতে কথাটা একটু কেমন শুনায় না। শাহবাগে আন্দোলন হওয়াতে তিনি কি আন্দোলন করতে পারেন না। আপ্নে মিয়া গনতন্ত্রের গ শিখেন নাই। আগে গনতন্ত্রের অর্থ শিখেন পড়ে কথা কইতে আইসেন।

      1. মুখে ইসলামের ফেনা তুলে
        মুখে ইসলামের ফেনা তুলে ফেলছেন, আবার আরেকজনকে উপদেশ দিচ্ছেন গনতন্ত্র শিখে আসতে। গনতন্ত্র কি ইসলামে জায়েজ?
        আর আপনার শফি হুজুররে বইলেন এতদিন সসম্মানে যেভাবে ইসলামের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন সেভাবেই থাকতে। রাজনীতি খুব খারাপ জিনিস। আমার ব্যক্তিগত ধারণা, শফি সাহেবের চেলারা যে জামাতের টাকা খেয়ে ফুলে ঢোল হয়ে গেছে সেটা শফি সাহেব নিজেও জানেন না। উনাকে টাকার ভাগ সাধবেন সেটুকু সাহস চেলাদের হয় নাই। কি বলতে চাইছি বুঝে নেন। নাম তো নিছেন যুক্তিবাদী, কিন্তু যুক্তির য ও তো বোঝেন বলে মনে হয় না। আচ্ছা এতো কিছুর উত্তর দেওয়ার দরকার নাই- শুধু বলেন ইসলামে কি গনতন্ত্র জায়েজ? যদি জায়েজ না হয়, তাহলে একজনকে নাজায়েজ কাজ করার উপদেশ দেওয়ায় ইসলামের অবমাননা হয়েছে বিধায় আপনারও বিচার দাবী করছি। :হাহাপগে:

        1. লম্বা আলোচনায় গেলাম না। শুধু
          লম্বা আলোচনায় গেলাম না। শুধু উত্তরটা দিচ্ছি। ইসলামে গনতন্ত্র হারাম। সরকার তো আর ইসলামিক নয়। সরকার কেন গনতন্ত্রের অবমাননা করছে?
          ইসলাম না বুঝে কথা বললে তো এমন উদ্ভট যুক্তি দিবেন! ইসলাম ধর্মে শুকর, মদ খাওয়া হারাম। কিন্তু কোনো খাদ্য পাওয়া না গেলে জীবন বাচানোর জন্য শুকরের গোশত হালাল। জীবন বাঁচাতে কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে মদ খাওয়া হালাল। ঠিক তেমনি ইসলামে গণতন্ত্র হারাম। কিন্তু দেশে তো ইসলামি শাসন চলছে না। সুতরাং দেশের মানুষকে দেশীয় আইন মানতে হবে। ইসলাম তো এই নির্দেশ দেয়নি যে, যেখানে ইসলামী শাসন নেই সেখানে মুসলমানগণ থাকতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হচ্ছে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা। সেই চেষ্টা গণতান্ত্রিক কিংবা রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে হতে পারে। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও হতে পারে। তাই ফালতু এইসব প্রশ্ন ছাড়েন।

    2. শফি এত দিন বিদেশ থেকে টাকা
      শফি এত দিন বিদেশ থেকে টাকা ভিক্ষার ধান্দায় ছিলেন এখন দেশি দেশি তাকার গন্ধ পেয়ে এক্তু ল্যাঞ্জা বের করছে।

  4. প্রকাশ্যে যখন গনজাগরন মঞ্চ
    প্রকাশ্যে যখন গনজাগরন মঞ্চ ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হল, এমনকি হামলা পর্যন্ত করা হল (যদিও তাদের তথাকথিত ঈমানী শক্তি আন্দোলনকারীদের হাতে বককাটা হয়া গেছে) তখন সেটা আর রাজনৈতিক. ইস্যু থাকে না? আমার মতে খুব বড় মাপের এক ভন্ড এই শফি। এইটা আমার পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া বন্ধুরাও বুইঝা গেছে।

    1. তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চ থেকে যখন
      তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চ থেকে যখন রাজিব হায়দারকে শহীদ বলে ধর্মের অবমাননা করা হলো; জানাযা পড়ে ধর্মকে নিয়ে বিদ্রুপ করা হলো; ধর্মীয় রাজীনিতির বিরুদ্ধে কথা বলা হলো, তখন কোথায় ছিলো আপনার এই বোধশক্তি। ইসলাম বিরোধী কাজ করবে গণজাগরণ মঞ্চ। আর হেফাজতে ইসলাম চুপ করে দেখবে! এই কথাটা আপনি ভাবেন কেমনে?
      অনেকে বলছেন শাহবাগ মঞ্চকে কেন নাস্তিকের মঞ্চ বলা হবে? থাবা বাবা ওরফে রাজীবের মতো কুখ্যাত নাস্তিককে যে মঞ্চ জাতীয় বীর ও শহীদের মর্যাদা দেয় তাদের কি বলবেন? আস্তিক নাকি নাস্তিক?
      আসিফের মতো কুলাঙ্গারের মুক্তি দাবী করে যে মঞ্চ তাদের আপনি কি বলবেন?
      আর আপনার নামাজী বন্ধুরা বুঝে গেছে বললেন! আমরা দেখেছি শাহবাগে কজন মানুষ যায়! হেফাজতের জেলাগুলোর সমাবেশে যতো মানুষ হয় শাহবাগে এখনো পর্যন্ত ততো মানুষ হয়নি। ০৬ এপ্রিলের লংমার্চের কথা বলে আপনাকে আর লজ্জা দিলাম না। ১৫০০/২০০০ মিলেই জাগরণ হয় না। হেফাজতের মতো জনসমাগম ঘটলেই গণজাগরণ বলা যাবে। হাজার খানেক মানুষের সমাগমকে গণজাগরণ বলে ভাষার অপমান কইরেন না।

      1. আর কতো মিথ্যা কথা কইবেন?
        আর কতো মিথ্যা কথা কইবেন? শাহবাগে ১৫০০/২০০০ মানুষ হইছে? চোখে কি হেফাজতিরা ঠুলি পড়ায়ে রাখছে? ভণ্ড কোথাকার।

  5. ফরহাদ মজাহারের মত একজন
    ফরহাদ মজাহারের মত একজন চীনপন্থী কমিউনিস্ট এবং স্বঘোষিত নাস্তিককে সাথে নিয়ে এক মঞ্চে বসে আল্লামা শফী যখন অন্য নাস্তিকদের ফাঁসি চায় তখনও কি প্রমাণ হয়না এটা ভন্ডামী নয় ??

    আপনি হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বলে দাবী করেছেন, কিন্তু যখন দেখি বরিশালে সমাবেশ করে হেফাজতের মঞ্চ থেকে সরকারকে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার হুশিয়ারি দেওয়া হয় তখনও কি প্রমানিত হয়না হেফাজতে ইসলাম একটা রাজনৈতিক দলের দাবী আদায়ে অরাজনৈতিক মুখোশে অগ্রবর্তী প্রক্সি টীম হয়ে কাজ করছেনা ??
    তত্বাবধায়ক সরকার তো রাজনৈতিক বিষয়, ইহার সাথে ইসলাম হেফাজতের সম্পর্ক কি ?? ইসলামের নাম বেচে বেচে অরাজনৈতিক ভান ধরে রাজনীতি-রাজনীতি খেলাটা কি ভন্ডামী নয় ??

    হে হেফাজতি যুক্তিবাদী, আপ্নের সদ্য প্রসব করা পোস্ট’টারে একটু আদর কইরা গেলাম। আপ্নে খুশি হইলে উত্তরটা আমার প্রশ্নগুলার তলায় রাইখা দিয়েন। 😀 😀

    1. ফরহাদ মজহারকে হেফাজত দাওয়াত
      ফরহাদ মজহারকে হেফাজত দাওয়াত দিয়েছিলো নাকি? আর ভুল তথ্য দিলেন; ফরহাদ মজহার স্বেচ্ছায় সমাবেশ দেখতে গেছিলো, মঞ্চে উঠে নাই। আপনি মিথ্যুক না হলে মঞ্চে বসে আছে এমন একটা ছবি দেন।
      হেফাজত অরাজনৈতিক সংগঠন। বিএনপি,জাতীয় পার্টি স্বেচ্ছায় গেছে। আওয়ামীলীগ যায়নি। কে গেলো আর কে গেলো না এটা হেফাজতের দেখার বিষয় না। ইসলামের পক্ষে কেউ স্বেচ্ছায় দাঁড়ালে কাউকে বাঁধা দেয়ারও অধিকার রাখে না।

      আর হেফাজতের মঞ্চে বিভিন্ন জায়গার মানুষ বক্তব্য দেন। কেউ যদি সরকার বিরোধী কথা বলেন সেটা কি হেফাজতের কথা! হেফাজতের দাবীগুলোতে আপনি রাজনৈতিক কিছু খুঁজে পেলে দেখান। হেফাজতের কেন্দ্রীয় কোনো নেতার বক্তব্যে আপনি এমন বিতর্কিত কিছু পেলে দেখান। ২/১ জন বক্তার কথাকে হেফাজতের কথা হিসেবে চালিয়ে দেয়া ভণ্ডামি।
      আর আপনার কথার স্বপক্ষে প্রমাণ ও দেননি। অন্তত এমন কথা বলেছেন এর স্বপক্ষে একটা পত্রিকার লিঙ্ক দেন। নইলে রাস্তা দেখেন। আপনি নিজে বানিয়ে বলছেন না কেমনে বলি?

      1. দেখছো .. ষ্যারে কি কইয়া
        দেখছো .. ষ্যারে কি কইয়া ফ্যালছে, খিয়াল কইরা কিন্তু। ফরহাদ মজাহারকে কি হেফাজত দাওয়াত দিছিলো নাকি? সে সমাবেশ দেখতে গেছিলো, মঞ্চে উঠে নাই। ফটু দ্যান।

        ফরহাদ মজাহারের সাথে হেফাজতের কি এমন পিরিতি যে লুংগী মজাহার পিরিতির টানে দৌড়াইয়া মতিঝিলে হেফাজতের খোমা দেখতে উপস্থিত হইবো ???!!! কুনু দলের চামচামি না কইরলে, বিরোধী দলের নেতানেত্রী চেয়ারপার্সনের লগে কিয়ের এত বৈঠক ???
        কেডা কেডা মঞ্চে উঠছে নাকি উঠে নাই হেইডা আমরা ভালা কইরা জানি চান্দু ..

        ফটুর কথা কইতেছো তো, হেফাজতিগো এইসব ভন্ডামী প্রকাশ হইয়া যাইবো বইল্যাই তো ডরে আমার দেশ, সংগ্রাম আর দিগন্ত টিভি চ্যানেল বাদে বাকিগুলারে কাছেও ঘেষতে দাও নাই। যতই চাপাচাপি কর চান্দু — প্রকৃত সত্য জনগণ থেইকা আড়াল কইরতে পারবানা। হেফাজত কই থিকা কত টাকা লইয়া কার কার কাছে বেচা হইয়া গেছিলো হেইডা সব’ডি কিন্তু অহন জনগণ ভালা কইরা জানে

        সোনার চাঁন পিতলা যুক্তিবাদী ঘুঘু, যখন হেফাজতের সমাবেশের মঞ্চ থেইকা কেউ বক্তব্য দেয় তখন ঐটা হেফাজতের কথা বইল্যা ধইরা নিতে হয়। খুলনায় যে রাস্তায় মিটিং কইরা কইলো, আগামী ৬মে হেফাজত সরকার হইয়া দেশ চালাইবো। তাইলে কি এইডা হেফাজতের কথা না বইল্যা ধইরা নিতে হইবোনি ??

  6. আপনি বললেন যে ফাসেক মানে পাপী
    আপনি বললেন যে ফাসেক মানে পাপী মুসলমান। কিন্তু তারপরও মুসলমান এবং কাদিয়ানী রা কাফের। তার মানে আপনি বললেন যে জামাত ফাসিক, তাদের বিচার না চাইলে তেমন কোন পাপ হবে না। এবং আপনি জামাত কে পাপী কিন্তু মুসলমান এর মর্যাদা দিলেন। ব্লগার রাজীব এর বিরুদ্ধে যে আজেবাজে কথা ছ​ড়ানো হয়েছে তার প্রমান ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। এরপর ও আপনি তাকে নাস্তিক বলে যাচ্ছেন এবং এর সাথে শাহবাগ এর সবাইকে নাস্তিক বলছেন।আচ্ছা বলেন দেখি, আমেরিকায় তালেবান ফাটাইলো বোম্ব ইসলামের নাম দিয়ে, তার মানে কি সব মুসলমান জঙ্গি? তেমনই, আপনার চোখে যদি কোন ব্লগার খারাপ হ​য়েও থাকেন(ঘটনার সত্যি মিথ্যার কথা পরে), সব শাহবাগের মানুষ নাস্তিক হ​য়ে গেল? রাজিব এর নামে মানানো নুরানি চাপা খোলার কাহিনী সবাই জানি আমরা। ইসলাম ধর্ম অনুসারে কেউ ভুল পথে গেলে তাকে ঠিক পথে ফেরানোর জন্য বোঝাতে হ​য়। আপনাদের কাছে কাউকে নাস্তিক মনে হলে তাকে বোঝানোর কথা, খুন করার কথা না। আল কুরআন অনুসারে- মানুষ শুধু মানুষের প্রতি অপরাধের বিচার করবে।আর আপনি নিজে কি বলছেন তা জানেন?

    1. উনি বিরাট যুক্তিবাদী। অন্য যে
      উনি বিরাট যুক্তিবাদী। অন্য যে কারো যুক্তি উনার কাছে ফাউল মনে হয়। কোপাকুপিই উনার ধর্ম প্রচারের হাতিয়ার। একটা হেফাজতি হুজুররেও দেখলাম না নাস্তিকদের জন্য হেদায়েতের দোয়া করতে। অথচ যেই রাসুলের মান রক্ষার নাম নিয়ে নামছে সেই রাসুলের জীবনী কি বলে? তায়েফের ময়দানের ঘটনা কি শিক্ষা দেয়? এইগুলা জিজ্ঞেস করলেই কইব- ফালতু কথা বাদ দেন।

  7. ভাই শফি নিজেও লোক হিসেবে এতো
    ভাই শফি নিজেও লোক হিসেবে এতো ভালো না । রাঙ্গুনিয়ার মানুষরে একটু আধটু জিগাইলেই ওনার চরিত্র সম্পরকে ধারণা পাওয়া যাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 − = 27