সুশীলতার আড়ালে প্রথম আলোর গোপন এজেন্ডা

প্রথম আলো আমাদের দেশের এক নম্বর পত্রিকা হিসেবে স্বীকৃত। তাদের সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতার কথা অনেকেই বলেন। ১১ জানুয়ারির সেনা সমর্থিত সরকারের ক্ষমতা দখলের প্রাক্কালে সংবাদ মাধ্যমের চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে তাদের পরিচিতি তৈরি হয়। যদিও মোল্লারা তখন পুরাই ফালতু একটা ইস্যুতে প্রথম আলোরে বেকায়দায় ফেলতে যাইয়া সাধারণ প্রগতিশীলদের কাছে তার গুরুত্ব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। যাই হোক, প্রথম আলো সম্পর্কে আমার কিছু জানা-শোনা শেয়ার করতেই আজকের এই লেখা।

আমরা জানি, নাম ভিন্ন হলেও প্রথম আলো, ডেইলি স্টার একই বাণিজ্যিক গ্রুপের পত্রিকা। ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামের স্ত্রীর নাম শাহিন আনাম। এই ভদ্রমহিলা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন নামক একটি এনজিওর প্রধান কর্তা। এই এনজিওটি আবার নিজেরা কোনো কাজ করে না। তারা বিদেশ থেকে ফান্ড আনে। এদেশের অন্য এনজিওদের বাজেট দিয়ে বিভিন্ন কাজ করায়।

২০০০ সালের পর থেকে আমাদের এনজিওরা দাতাগোষ্ঠীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে আনঅফিসিয়ালি মিডিয়াকে টাকা না দিলে তারা এনজিওদের নিউজ গুরুত্ব দিয়ে ছাপে না। আবার টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে মানুষ তা গ্রহন করে না। মানুষের কাছে বিজ্ঞাপনের চেয়ে সংবাদ বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু আনঅফিসিয়ালি টাকা না দিলে মিডিয়া এনজিওর হয়ে নিউজ করবে কেন? এতে করে সচেতনতা কার্যক্রম এগিয়ে নেয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। কাজ হওয়াটাই যেহেতু বড় কথা তাই মিডিয়াকে টাকা দিয়ে হলেও উদ্দেশ্য সফল করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দাতারা এটা মেনে নিয়েছেন। তাই এনজিওদের বাজেটে মিডিয়া বাজেট আলাদাভাবে তৈরি হয়। প্রথম আলোর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে এসিড বিরোধী ও মাদক বিরোধী প্রচারণার মধ্য দিয়ে। দুটোই এনজিও প্রজেক্ট। এই খাতে টাকা ঢেলেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী কিন্তু এমনি এমনি টাকা দেয় না। অনুন্নত বিশ্বে সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের কিছু প্রাপ্তির হিসেবও থাকে। প্রথম আলোকে সেই চাহিদাটাও পূরণ করতে হয় নিশ্চয়ই।

কিভাবে সেটা বলি। এই শাহিন আনাম ও মাহফুজ আনামের একটা মেয়ে আছে। তার নাম তাহমিমা আনাম। সে ইংরেজি ভাষায় বই লেখে। বাংলার কৃষ্টি-কালচার বিদেশিদের কাছে তুলে ধরার জন্য। কিন্তু বাংলা ভাষার অনন্য সব সাহিত্যকর্মকে ইংরেজিতে তারা অনুবাদ করায় না। যদি বিদেশিদের কাছে আমাদের ইতিহাস- ঐতিহ্য-অর্জনকে তুলে ধরাটাই মূল লক্ষ্য হয় তাহলে তো বাঙালীর জাতীয় বিকাশের ইতিহাস, বাঙালীর স্পিরিট, আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ে যে বিরাট সাহিত্যকর্ম ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তা অনুবাদ করানোটাই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই পথে তাহমিমা আনামরা হাটেননি। তারা প্রভাব খাটিয়ে বাংলা একাডেমিতে হে ফেস্টিভালের আয়োজন করেছিল। যেখানে পাকিস্তানি সাংবাদিকরা এসে বক্তব্য দিয়েছেন। আমাদের দেশের সাহিত্যিকরা ইংরেজিতে বক্তব্য দিয়েছেন। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা ইংরেজি ভাষার কবিতা পড়েছে। ইংরেজি গান গেয়েছে, ইংরেজি গানের সঙ্গে নেচেছে। আমি নিজে সেখানে গিয়েছিলাম। আয়োজকরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের এনেছিল ভলান্টিয়ারির জন্য। তাদের একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনাদের কোনো প্রেস রিলিজ থাকলে দেন। সে আরেকজনকে ডেকে বলল, ‘এই তোমার হ্যান্ডে ওটা কি? আমাকে দেখিয়ে বলল, দিস ভাইয়া নিড অ্যা প্রেস রিলিজ।’ কথা শুনেই বোঝা যায়, তাদেরকে ইংরেজিতে কথা বলার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। ভেবে দেখুন, এই সবই হয়েছে বাংলা একাডেমিতে। বুঝতেই পারছেন কিভাবে দাতাগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে।

এবার আসি প্রথম আলোর সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে। তখন আমি সবে সাংবাদিকতায় ঢুকেছি। বর্তমান সরকারের ক্ষমতার মাত্র বছরখানেক পার হয়েছে। একদিন আমার সম্পাদক আমাকে ডেকে বললেন, এই নিউজটা দেখে বলো তো কি বুঝলা! নিউজটা ছিল ঢাকায় আওয়ামী লীগের অবস্থা দুর্বল এই নিয়ে। আমি সম্পাদককে বললাম, সরকার এক বছরে জনপ্রত্যাশার তেমন কিছুই পুরণ করতে পারেনি। এর ফলাফলটা উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে। সম্পাদক কিছুক্ষণ হাসলেন। তারপর আমাকে বললেন, বর্তমানের সবচেয়ে গরম খবর কি? আমি বললাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সরকারের উদ্যোগ। তিনি বললেন, যে কোনো কারণেই হোক প্রথম আলো চায় না ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হোক। সেটা বিএনপির পক্ষ নিয়ে করতে পারে বা অন্য কোনো গোপন এজেন্ডা থেকেও করতে পারে। যেটাই হোক, আসল কথা হলো তারা এই মুহূর্তে নির্বাচনের বিপক্ষে। এজন্য এই নিউজ দিয়ে তারা আওয়ামী লীগকে ভয় দিল। ফলাফলটা আমরা সবাই জানি। আজো পর্যন্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়নি। আওয়ামী লীগ সাহস করেনি।

আরেকটা নমুনা দেই। আমাদের দেশে গ্যাস উত্তোলনের জন্য শেভরন, স্যান্সেটোর মতো বেশ কিছু বিদেশি কোম্পানি কাজ করে। আমরা নিজস্ব চুক্তির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট দাম দিয়ে তাদের কাছ থেকে গ্যাস নেই। এই বিদেশি কোম্পানিগুলো প্রায়ই তাদের আরো বেশি দাম দেয়ার জন্য রব তোলে। প্রথম আলো প্রায়ই এ বিষয়ক নিউজ ছাপে। নিয়ম করেই তারা সব সময় বিদেশি কোম্পানির হয়ে দাম বাড়ানোর পক্ষে সাফাই গায়। নানা ধরণের যুক্তি দেখায়। এটা কেন করে? কোনো সুবিধা ছাড়াই?

কিছুদিন আগে প্রথম আলো বেশ বড় সাইজের ফন্টে একটা নিউজ ছেপেছিল ‘গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি’ শিরোনামে। ট্রাইব্যুনাল নিয়ে এরকম নেতিবাচক একটা খবরের ভেতরে গিয়ে এক লাইনে তারা বলেছে এটা গোলাম আযমের আইনজীবির দাবি। দেখে হতবাক হইনি। বুঝতে পেরেছিলাম এটাও কোনো প্রকল্পের অংশবিশেষ। প্রথম আলোর এ ধরনের কর্মকান্ডের তালিকা করে পারা যাবে না। সুবিশালের চাইতেও বিশাল হয়ে যাবে।

এই তালিকায় এবারের পহেলা বৈশাখে তারা যোগ করল আরেকটা অনুচ্ছেদ। হাসনাত আব্দুল হাই এর লেখাটি প্রথম আলো অসাবধানতাবশত ছাপিয়েছে, এটা মানা যায় না। এটা অবশ্যই তাদের পূর্ব পরিকল্পিত। কারণ তাদের সব বিশেষ সংখ্যার দায়িত্বে থাকে আনিসুল হক। এই মাপের ঘাগু একটা লোক এটা ভুল করে ছেপেছেন এটা ছাগলকে বললে সে লজ্জায় কাঠাল পাতা চিবানো বন্ধ করে দেবে।

প্রথম আলো দীর্ঘ দিন ধরে নানা ধরনের কাজের মাধ্যমে নিজেদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের সচেতন জনগোষ্ঠীর বিরাট একটা অংশের সচেতনতার ভিত্তি হলো প্রথম আলোর সংবাদ। মানুষ খুব সহজে প্রথম আলোর সংবাদ গ্রহণ করে। এর ভিত্তিতেই কথা বলে। কিন্তু প্রথম আলোর গোপনেজেন্ডা সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকায় সহজেই তারা প্রতারিত হচ্ছে। খুব সহজে মানুষকে ভুল জিনিস হজম করায়। অন্যায়কে ন্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। কেউ টেরও পায় না, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে কিভাবে তারা দেশের বিরাট ক্ষতি করে ফেলছে। এর বেশি বলার দরকার আছে বলে মনে করি না। একটু গভীরভাবে দেখলে যে কেউ বুঝবেন, প্রথম আলো সাংবাদিকতা করে না। যা করে পুরোটাই দালালি। এজেন্ডা সাংবাদিকতা। অন্যরা ভালো তা বলছি না। কিন্তু এরাই আসল হোতা, পালের গোদা। এদের বর্জন করুন। এরা আমাদের কেউ নয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৮ thoughts on “সুশীলতার আড়ালে প্রথম আলোর গোপন এজেন্ডা

  1. প্রথম আলো দীর্ঘ দিন ধরে নানা

    প্রথম আলো দীর্ঘ দিন ধরে নানা ধরনের কাজের মাধ্যমে নিজেদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের সচেতন জনগোষ্ঠীর বিরাট একটা অংশের সচেতনতার ভিত্তি হলো প্রথম আলোর সংবাদ। মানুষ খুব সহজে প্রথম আলোর সংবাদ গ্রহণ করে। এর ভিত্তিতেই কথা বলে। কিন্তু প্রথম আলোর গোপনেজেন্ডা সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকায় সহজেই তারা প্রতারিত হচ্ছে। খুব সহজে মানুষকে ভুল জিনিস হজম করায়। অন্যায়কে ন্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। কেউ টেরও পায় না, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে কিভাবে তারা দেশের বিরাট ক্ষতি করে ফেলছে।

    এটাই সবচেয়ে আশংকার বিষয়। প্রথম আলো খুব কৌশলে তার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যায়। আস্তে আস্তে মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে। এরা সব পারে। নিজ স্বার্থে দেশকে বিক্রি করে দিতেও দ্বিধা করে না।

  2. খাইছে!!!! ২০০০ সাল থিকা বাসায়
    খাইছে!!!! ২০০০ সাল থিকা বাসায় এই পত্রিকাটা রাখা হয়। বলতে গেলে এই পত্রিকা দিয়াই পত্রিকা পড়া শিখছি। গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নের এই ঘৃণ্য চক্রান্ত ছোট মাথায় কখনো খেলে নাই। চোখ খুইলা দিলেন।
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  3. প্রথম আলোর একজন সাংবাদিক
    প্রথম আলোর একজন সাংবাদিক একবার আমারে জিগাইছিলো প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আপনাদের আসলে কি কি পয়েন্টে অভিযোগ সেটা বলেন। তাদের নাকি মতি কাক্কুর সাথে মিটিং
    আছে,সেখানে তারা পয়েন্টগুলা রেইজ করবে। আমি কয়েকটা পয়েন্ট বললালাম, যেমন

    ১.ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান এবং ছাত্ররাজনীতি মানেই মারামারি,হলদখল,ট্যান্ডারবাজি এইসব ব্যাপারগুলো তারা এস্টাবলিস করেছে। কিন্তু আসল ছাত্র রাজনীতি কি তা? অপসংস্কৃতির চর্চা হলে কি সংস্কৃতিকেই বিসর্জন দিতে হবে নাকি অপসংস্কৃতি রোধ করতে হবে?

    ২.কর্পোরেট হাউজগুলার দালালী। কর্পোরেট সোস্যাল ওয়েলফেয়ার নামক বালছাল কর্মসুচিকে প্রমোট করা যা অল্প বয়সি ছেলে-মেয়েদের আরো বিভ্রান্ত করে এবং রাজনীতিবিমুখ করে।

    ৩.ত্যাল গ্যাস ইস্যুতে বিদেশী কোম্পানিদের দালালী করা।

    ৪.খেলার পাতায় উৎপল শুভ্র এ্যান্ড কোং এর পাকিস্তানপ্রীতি যেটা রাজাকারদেরকেও হার মানায়।

    আরো বলার আগেই তিনি বললেন,থাক ভাই দরকার নাই। এইগুলার একটাই মতি কাক্কু শুনবেনা। উনি টাকা ছাড়া দুনিয়ার আর কিছুই বুঝেনা। কি আর কইতাম।

  4. লেখককে একইভাবে যথাযথ সম্মান
    লেখককে একইভাবে যথাযথ সম্মান দিয়েই জিজ্ঞেস করছি, আপনি যে প্রথম আলো তথা বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষের বিরুদ্ধে কোন গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন না, তা কিভাবে বিশ্বাস করবো? লেখাটি হয়তো তারা নিছকই গল্প হিসেবে ধরে নিয়ে ছেপে দিয়েছিল, পরে হয়তো বুঝতে পেরেছে যে এটা একটি নিছক গল্প থেকেও মানুষের কাছেও একটা বড় কিছু প্রতিক্রিয়া রাখতে যাচ্ছে, তাই তারা ঐ গল্প পরে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আপনি বাংলাদেশের প্রকাশ্য অথবা অপ্রকাশ্য বিরোধীতাকারীদের মিডিয়াগুলোর প্রকাশিত তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী খবরগুলো নিয়ে লাখবা প্রতিবাদ জানালেও কি তারা সেগুলো প্রত্যাহার করে নিবে? আমি তো আজ পর্যন্ত এমন কিছু হতে দেখলাম না।
    তাই আপনাকেও একইভাবে কোন না কোন বিশেষ দিকের এজেন্ড বাস্তবায়নকারী হিসেবে দেখতে দ্বিধাবোধ করছি না।

  5. খাড়ান .. খাড়ান, আগে চশমা
    খাড়ান .. খাড়ান, আগে চশমা লাগাইয়া ভালো কইরা দেইখ্যা লই। — :-B

    কোন সন্দেহ নাই। আলুর ভিত্রে যে পোকা থাকবো সেইটা ওভার-সিওর হইলাম লেখাটার উপরের অংশ পইড়া, যাই হোক আলুর পোকা দেখাইয়া দেওনের লাইজ্ঞা আনিস রায়হান সাহেব’রে ধন্যবাদ

  6. মতি দাদুর মতিভ্রম হয়েসে। সে
    মতি দাদুর মতিভ্রম হয়েসে। সে তাই অনেক কিছু করে টরে আরকি। নাহ, সে লোক ভাল, এই এট্টু পিয়াইজ খায় মাঝে মইদ্দ্যে।

  7. আসলে মাঝে মাঝে পত্রিকা আর
    আসলে মাঝে মাঝে পত্রিকা আর ব্লগ পইড়া খটকা লাগে। মতির আলু কিভাবে আবদুল এর এই লেখাটা ছাপল। যেখানে আছে আনিসুল হক এর মত মানুষ। পত্রিকার মানুষগুলোই বিক্রি হয় বেশী।

  8. এবারের পহেলা বৈশাখে তারা যোগ

    এবারের পহেলা বৈশাখে তারা যোগ করল আরেকটা অনুচ্ছেদ। হাসনাত আব্দুল হাই এর লেখাটি প্রথম আলো অসাবধানতাবশত ছাপিয়েছে, এটা মানা যায় না। এটা অবশ্যই তাদের পূর্ব পরিকল্পিত।

    প্রথম আলোর মত পত্রিকার এটা ভূল হতেই পারে না! এটা অবশ্যই তাদের পূর্ব পরিকল্পিত এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নাই…

  9. গ্রামীন ফোনের হয়ে প্রথম আলোর
    গ্রামীন ফোনের হয়ে প্রথম আলোর দালালীর একটা ঘটনা পড়েছিলাম ইমরানুল কবিরের লেখায়, নাগরিক ব্লগে। বিটিআরসি তথা বাংলাদেশের পাওনা কয়েকশত কোটি টাকা পাওনা চেয়ে দেয়া নোটিশে তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে গ্রামীন ফোনের পক্ষে আর বাংলাদেশের বিপক্ষে সম্পাদকীয় লিখেছিলেন। এই কাজে তারা ডঃ ইউনুসকে টেনে এনেছিলেন সরকারের প্রতিহিংসা প্রমাণ কড়ার জন্য। তাদের ভাষায় সরকার ডঃ ইউনুসের প্রতি প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে গ্রামীণ ফোনকে হেরাস করছে। ইমরানূল কবিরের ঐ লেখায় আমরা দেখতে পেয়েছিলাম যে গ্রামীন ফোনের মালিকানা নিয়ে ইঊনুসের সাথেই টেলিনরের বিরোধ আছে, এমনকি তারা ডঃ ইউনুসের মত নোবেল বিজয়ীকে কোর্টের নেয়ার হুমকী দান করে। এই টেলিনরের দালাল প্রথম আলো টেলিনরেরই স্বার্থে ইউনুসের জন্য মায়া কান্না কেদেছিল সেদিন। লেখাটার রেফারেন্স দিতে পারছিনা ‘পরিণত বয়সের’ নাগরিক ব্লগ ব্ল্যাক আউটে আছে বলে.

  10. কলম সন্ত্রাসীর চেয়ে বড়
    কলম সন্ত্রাসীর চেয়ে বড় সন্ত্রাসী বাংলাদেশে আর নেই। এইসব কলম সন্ত্রাসীরাই বিভিন্ন আজগুবি লেখার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে শিদ্ধহস্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না….

  11. যতই আপনারা চেচিয়ে মরেন তাতে
    যতই আপনারা চেচিয়ে মরেন তাতে কোনই লাভ নেই, কেননা প্রথম আলো সুশীল সমাজের প্রতিনিধি।
    সে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে, তার অবস্থান এখন অন্যরকম।

  12. প্রথম আলোর সাথে পরিচয় ২০০৬
    প্রথম আলোর সাথে পরিচয় ২০০৬ সাল থেকে। ঘুম থেকে উঠে এই পেপারটি না পড়লে ভালই লাগত না। কিন্তু প্রথম আলোর বর্তমান অবস্থা দেখে খারাপ লাগল। প্রথম আলো কি তাঁদের নীতি থেকে সরে গেছে!! ভাবনার বিষয়। :ভাবতেছি:

  13. ইসব নয়া কিছু না, বিডি ব্লগে
    ইসব নয়া কিছু না, বিডি ব্লগে পরথম আলুর অইন্যতম ফার্টনামের বিরুদ্ধে ল্যাখতে গিয়া বিডি ব্লগ ছাইড়া দিলাম, ভায়া পরথম আলুর চ্যানেল কিন্তু এতো সহজ নয় যে তারে তুড়িতেই নড়ানো যাবে তারা সুশীলতার মুখোশ চড়িয়ে ভেতরে ভেতরে তাদের কূট অবস্থান পাক্কা করে নিয়েছে।
    এখন তাদের এইসকল ভন্ডামীর মুখোশ উন্মোচন করতে তাদের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গিয়ে “আগে নিজে বদলান তারপর অন্যকে বদলাবার কথা বলুন” এই জাতীয় প্ল্যা-কার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দরকার।

  14. দুর্নিতি আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে
    দুর্নিতি আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম নাকি একটি সাহসী হাতিয়ার আর সেই কলমই যদি ইরাম করে তাইলে কেমনে হবে। :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:

  15. পুরো কাপড় খুলে দিলেন।
    প্রথম

    পুরো কাপড় খুলে দিলেন।
    প্রথম আলোর দালালি অনেকেই বুঝে। কিন্তু প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। আর যারা প্রতিবাদ করার সামর্থ্য রাখে,তারা এই একটা ব্যাপারে নীতিহীন হয়ে পড়ে। গোলটেবিল বৈঠক, সাহিত্য পুরষ্কার সহ বিভিন্ন লোভনীয় অফার প্রত্যাখ্যানের সাহস আমাদের সুশীলদের এখনো হয়নি।

  16. ভাই সব সকলকে একটা খবর দেই,
    ভাই সব সকলকে একটা খবর দেই, সেটা হলো বগুড়া থেকে আঞ্চলিক ভাবে প্রথম আলো পত্রিকা প্রকাশের অনুমোদন পেয়েছে……

  17. prothom alo is the only daily
    prothom alo is the only daily which showed the progressive path to banglsdeshi youth when there was no sign of these so called on line writers. It is easy to melign but hard to achive. Sorry to say Banglee used to search for enemy whether it is british , pakistsni or even my own brother.stop the enemy searching mission and let us think for our development.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

26 + = 33