অনেক ছাগলের ভীড়ে অনুসারীসমেত আরেকটি ছাগল

বিএনপির আন্ধা সমর্থক মানে কিনা যারা জামাতের সাথেও সহবত করতে এক পা উঁচা করে খাঁড়া সেগুলোকে আমি ছাগু বলিনা, বলি নিম্নমানের ছাগল। নিম্নমানের ছাগল দুধ কম দেয় এবং মাংস কম দেয়।

এরকম একজন ছাগল একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। তার ফেসবুক একটিভিটি দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসতেছি, তার ফেসবুক অনুসারী নেহায়েত কম না, ভালই লাইক পায় ছাগলটা। বর্তমান এবং সাবেক ছাত্রদল এবং শিবির কর্মীদের হৃদয়ের আয়না সে, যে আয়নায় সমাজের সব পর্যায়ের ছাগু এবং ছাগলদের ছাগলামি প্রতিফলিত হয়, চারপাশে শুধু চ্যানার গন্ধ।

তার সব লেখায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আওয়ামী লীগ খারাপ, বিএনপি ভালো। ত্যানা পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে মাহমুদুর রহমান ভালু, আন্ডালিভ ভালু, মাহী বি ভালু, বড় গণতন্ত্র তারেক ভালু, মানে সবই কেমন জানি ভালু ভালু।

তার একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস,

”ব্যারিষ্টার আন্দালিব পার্থর বক্তব্যকে কুরুচিপূর্ন বলে সমালোচনা করেছেন এমন এক ব্যক্তি যার প্রায় প্রতিটি স্ট্যাটাস আর কমেন্টেই থাকে ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য ধর্ষকামী ও মর্ষকামী শব্দ সম্ভার!

উপদেশ: ‘আপনি আচারি ধর্ম অন্যরে শিখাও”

চিনি চোরের পুলা, সর্বকালের সেরা সুবিধাবাদী (মৌদুদও ফেইল মারে যেখানে) যে কিনা ব্লগারদেরকে কান ধরে উঠবস করানোর আহবান জানায় তার পক্ষ নিয়ে ফেসবুকে চ্যানা নি:সরণ করে বেড়াচ্ছে।

এই ভদ্রলোকররুপী ছাগলের কাছে মিরপুরের এমপি আসলামুল হকের বাপ সবচেয়ে বড় রাজাকার, আর সাইদী তার কাছে হুজুর।

এই ছাগল সাগর-রুনি-বিশ্বজিত নিয়ে কথা বলে, কিন্তু তার লেখায় ফটিকছড়ির কথা আসেনা, পটিয়া-বাঁশখালী-বেগমগঞ্জ-বগুড়া-কানসাটের কথা আসেনা।

আরেকটি উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস তার,

”শাহরিয়ার কবীর বলছেন, “ইসলাম রক্ষার জন্য হেফাযতে ইসলামের প্রয়োজন নাই”।
আমিও বলছি, “স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আপনাদের মত চেতনার বেপারীদের দরকার নাই”।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করে অর্জিত স্বাধীনতা ভারতের হাত হতে কী ভাবে রক্ষা করতে তা এই দেশের জনগণ জানে।”

এই নিকৃষ্ট শ্রেনীর ছাগল সবকিছুতেই ভারত জুজু কেন দেখায় আর আবাল বিএনপি সমর্থকরা এখনো সেটা গিলে কিভাবে। একজন দেশপ্রেমিকের গলা দিয়ে এমন নোংরা বিষবাষ্প প্রবেশ করে কিভাবে।

এই ছাগলের লিস্টে কাদের সিদ্দিকী, শাহজাহান ওমর বা অলি আহমদ ছাড়া আর কোন মুক্তিযোদ্ধা নাই; ড। ইউনূস ছাড়া আর কোন দেশপ্রেমিক, খ্যাতিমান বাঙালি নাই।

শাহবাগের প্রজন্ম চত্ত্বরের প্রতিটি কর্মসূচী নিয়ে সে চালিয়েছে অপপ্রচারণা, সে আর্মি নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়, হাঁটুবাহিনীকে তেল দেয় কিন্তু শাহবাগের কথা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা তার লেখায় আসেনা।

এমন একজন খাসি করানো ছাগল কিভাবে একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের তরুণ সমর্থকদের আদর্শ হয় আমি জানিনা। এই বিষয়টা নিয়ে যখনি ভাবতে যাই বাংলাদেশের আগামী প্রজন্ম নিয়ে শঙ্কিত হই, আমি জানি কোটি সচেতন তরুণ আছে, আবার কোটি অসচেতন তরুণও আছে। প্লাস মাইনাসএ জিরো, দেশ সামনে আগাবে কিভাবে?

এসব ভাবতে ভাবতে আমি চোদনা হয়ে যাই, একসময় নেতিয়ে পড়ি, ঘুমিয়ে যাই। এরপরও স্বপ্নদোষ ছাড়া স্বপ্ন দেখার চেষ্টা করি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “অনেক ছাগলের ভীড়ে অনুসারীসমেত আরেকটি ছাগল

  1. ছাগুদের বেশী পাত্তা দিতে নেই।
    ছাগুদের বেশী পাত্তা দিতে নেই। পাত্তা দিলে ভাবে, সে খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। এইগুলারে লাত্থির উপরে রাখবেন।

  2. এই ছাগলের লেখা আমি ফেসবুকে
    এই ছাগলের লেখা আমি ফেসবুকে নিয়মিত পরে দেখি।ও যে একটা খাসী তা আমি প্রথম দিকে বোঝতে পারিনি।নাহ লোকটা যে জানে না তা না ।সে অনেক কিছুই জানে এবং জেনে বুঝেই সে ছাগল। আপনি তার দিক গুলো তুলে ধরলেন। যাই হোক কথা হল এই,দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য

  3. এসব নিম্নমানের ছাগলদের পাত্তা
    এসব নিম্নমানের ছাগলদের পাত্তা না দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এসব ছাগল ইচ্ছা করেই ঐরুপ আচরণ করে যাতে আমরা তার পিছে সময় দেই। তাতে কাজের কাজটি তাদেরই হবে। কারণ এরা যতই বিএনপি নামধারী হোক না কেন, ওরাতো আসলে জামাতের অঙ্গ সংগঠন! সময়ের প্রয়োজনে তারা বিএনপি নাম ধারণ করে আছে! বিএনপি’র জন্ম ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে….

  4. ইস্টিশনে এটা আমার প্রথম পা
    ইস্টিশনে এটা আমার প্রথম পা রাখা, আশা করি নিয়মিত ফ্লাগ হাতে দাঁড়িয়ে যাবো, ঘন্টা বাজাবো।
    সবাইকে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

    আর হ্যা, ছাগুদের গদামের উপর রাখতে হবে, এছাড়া কোন বিকল্প নাই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

11 − = 10