জামাত শিবিরের এবারের টার্গেট রাউজান!

চট্টগ্রামের বাঁশখালী, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ির নৃসংসতা ঘটনার পর এবার জামাত শিবিরের টার্গেটে রয়েছে রাউজান। কয়েকদিন ধরে এলাকায় ফিরে আসছে পলাতক সন্ত্রাসীরা। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। দেশের মধ্যে আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীরা রাউজানের পাহাড়ি এলাকা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কাউখালী এলাকার গহীন অরণ্যে আস্তানা গড়ে তুলেছে । যে কোন দিন যে কোনো মুহুর্তে হামলার জন্য এ এলাকাকে বেছে নিতে পারে। আর এসব কাজে বিএনপির স্থানীয় নেতারা মদদ দেবেন।

বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় গোপনে সভা করছেন। তাদের সঙ্গে নব্য আওয়ামী লীগ ও সুবিধাবাদী নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। ফটিকছড়ির মতো সংগঠিত হামলা চালানোর জন্য ইতোমধ্য বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছে জামাত শিবিরের নেতা কর্মীরা। গোয়েন্দা সুত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ অতিরিক্ত সতর্কাবস্তায় আছে।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে রাউজান থেকে আত্মগোপনে চলে যায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হক, বিধান বড়ুয়া, আবু তাহের, রমজান আলী, ফরিদ, বজল। যৌথবাহিনীর কাছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রসহ ধরা পড়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজুল হক, রফিক বাচাইয়্যা, ডাকাত শাহ আলম শাহাইয়্যা। কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ওমানে পাড়ি জমায় শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজুল হক।

এদিকে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসী রফিক বাচাইয়্যা, ডাকাত শাহ আলম শাহাইয়্যা, মনিক্যা, নুরুল ইসলাম, জহুর মিয়া, এয়ার খান, কাদের, জমির, দুলাল, জাহেদ, এরফান, পারভেজ, জমির, কাগতিয়ার বজল, রিপন, আজম ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন অপহরণ ও হত্যা মামলার আসামি রাউজানের উত্তর সর্তার শফি। এছাড়া আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসী ফজল হক, আজিজুল হক মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত ৮ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের হরতাল চলাকালে রাউজানে হেফাজতের নাম দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডাররা ভাংচুর চালায় । যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত কারাগারে আটক বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ টাকার বিনিময়ে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারদের ব্যবহার করে বাঁশখালী, ফটিকছড়ির ভুজপুরে সহিংসতা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই এবারের হামলার পরিকল্পনায়ও রাজাকার সাকার পরিবার টাকা ঢালছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৮ thoughts on “জামাত শিবিরের এবারের টার্গেট রাউজান!

  1. এ ভাবে তো চলতে দেয়া যেতে
    এ ভাবে তো চলতে দেয়া যেতে পারেনা,এই মানুষরুপী হায়েনাদের রুখতে হবে নাহলে দেশের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

  2. প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেছেন
    প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেছেন ফটিকছড়ির ঘটনা যেন আর না ঘটে। গোয়েন্দারা আগেই খবর পেয়েছে। দেখা যাক, প্রশাসন এবার আগাম কি ব্যাবস্থা নিতে পারে। তবে প্রতিরোধ গড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রামে যারা য়াছে তাদের সর্বোচ্চ সাবধানে থাকতে হবে

  3. উনি যদি দুই নৌকায় পা দিয়ে
    উনি যদি দুই নৌকায় পা দিয়ে নির্বাচনের পথ পাড়ি দিবার আশায় চুপ মেরে বসে থাকেন তাতে নিজে পায়ে কুড়াল মারা বৈ কিছুই হবেনা।তবে এখন শুধু দেখার অপেক্ষায়…

  4. কিন্তু কথা হইলো সময় মতো এরা
    কিন্তু কথা হইলো সময় মতো এরা তো কিছুই করতে পারে না। চট্টগ্রামের প্রতিটা ঘরে ঘরে বাশ দেয়ার যন্ত্রপাতি থাকা দরকার

  5. ইনশাআল্লাহ এবারে আর সুবিধা
    ইনশাআল্লাহ এবারে আর সুবিধা করতে পারবেনা। প্রশাসনের পাশে এলাকাবাসীরও সচেতন হওয়া উচিত। তাদের সচেতন করতে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?

  6. সাকার কুত্তাগুলো রাউজানের
    সাকার কুত্তাগুলো রাউজানের জনপথকে নরক বানানোর আগে সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা উচিত। স্থানীয় প্রসাশনকেও অগ্রীম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

    ইস্টিশনে ‘শামীমা মিতু’র এই ধরনের অগ্রীম খবরগুলোর সত্যতা প্রমাণিত। তাই সরকারের উচিত রাউজানের বিষয়ে সর্তক হওয়া।

  7. দরকার এখন উক্ত এলাকায়
    দরকার এখন উক্ত এলাকায় প্রচারনা চালানো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা। আমরা যারা ব্লগার আমাদের উচিত এইসকল তথ্যগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া। প্রয়োজনে উক্ত এলাকায় আত্মীয়-স্বজন থাকলে তাদেরকে এই ব্যাপারে বুঝিয়ে বলা এবং প্রতিরোধ করতে ব্যবস্থা নিতে বলা। সবচেয়ে কার্যকরী ভুমিকা রাখবে স্থানীয় পত্রিকা এবং জনপ্রতিনিধিগণ। এসবের স্বমন্বয়ে প্রতিরোধ করা খুব একটা বড় ব্যাপার না। যতদূর জানি উক্ত এলাকাতে একটি তাপ বিদ্যুৎ উতপাদন কেন্দ্র এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, এদের উভয়কেই সজাগ থাকতে হবে।

  8. রাউজানে বেশকিছু হিন্দু পাড়া
    রাউজানে বেশকিছু হিন্দু পাড়া আছে, এরা কিন্তু সংখ্যায় নেহাতই কম না, তবে সাহস আছে কিনা সেটাই কথা যদি হামলা হয় সেইটা ঠেকাইতে।

  9. পুজিবাদ পুষ্ট প্রশাসনে
    পুজিবাদ পুষ্ট প্রশাসনে সবকিছুই কেনা বেচা হয়। সমস্যা এখানেই, যারা জঘণ্য হত্যাকান্ডের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চায় তারা কিন্তু আমাদের মত বসে নেই। ওরা ফিজিক্যালী সক্রিয়।

  10. সাকা কাক্কা তাইলে গ্রিলের
    সাকা কাক্কা তাইলে গ্রিলের ওইপারে বইসাও শক্ত হাতে নিজের রাজ্য সামলাইতাসে। বাহ। রঙ্গভরা বঙ্গদেশ, বেশ বেশ।

  11. সন্ত্রাসীরা গহীন অরণ্যে বসে
    সন্ত্রাসীরা গহীন অরণ্যে বসে পরিকল্পনা করে, আর আমাদের দেশের সরকারি দল এসি রুমে বসে ভোটের হিসাব মিলাতে থাকে !

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 34 = 42