১৪ ফেব্রুয়ারী : ছাত্রসমাজের রক্তেস্নাত ‘‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’’, ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’র ছ্যাবলামো নয়

সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের এক অগ্নিঝরা দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি । স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম বড় ধরনের আন্দোলন, যা মধ্য ফেব্রুয়ারির আন্দোলন হিসেবে পরিচিত। সেই থেকে দিনটি ‘‘স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবস’’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

কিন্তু ১৯৯২ সাল ছাত্র সমাজের আত্মত্যাগের গৌরবোজ্জ্বল এই সফল আন্দোলনের দিবসটিকে ভালোবাসা দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে এগিয়ে আসেন যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক শফিক রেহমান। দেশবাসীকে তিনি লাল গোলাপ হাতে অবিস্মরণীয় এই দিবস ভুলে ভালোবাসার জয়গানে মাতোয়ারা হতে আহ্বান জানান। ব্যাস শুরু হয়ে গেলো ইউরোপীয় সংস্কৃতির আদলে ভালোবাসা দিবস বা ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ নিয়ে মাতামাতি।

যে ১৪ ফেব্রুয়ারীতে দেখা যেতো প্রভাতফেরী, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো এবং নতুন করে সব ধরণের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় দীপ্ত শপথ গ্রহণের দৃশ্য, দেখা যেতে লাগলো জুটি বদ্ধ হয়ে প্রেমিক প্রেমিকাদের ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ পালন। একই সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রভাবে দেশ ছেয়ে গেলো হল মার্ক, আর্চিসে। ক্রমবর্ধমান ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ পালনের প্রভাবে নতুন প্রজন্মের চেতনায় দিবসটি নাড়া দিতে পারছিল না। একটা পর্যায়ে এসে অত্যন্ত দুঃখজনক ভাবে নতুন প্রজন্ম প্রায় ভুলেই গেলো ফাল্গুনের এই অগ্নিঝরা দিনের সাথে মিশে আছে ১৯৮৩ সালে স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ জাফর, জয়নাল, দীপালী সাহার রক্তস্নাত আত্মত্যাগের এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। যদিও সম্প্রতি দিবসটি সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে আশাবাদী হওয়ার মতো।

কি ঘটেছিল ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী : এটা জানতে একটু পিছনে যেতে হবে। মাত্রই এক বছর আগে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল জিয়ার দেখিয়ে দেয়া পথে এক রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হলেন লেঃ জেনারেল হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ। জারি করা হলো সামরিক শাসন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপরে একের পর এক জারি হতে থাকলো নিষেধাজ্ঞা। এমন এক পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো পারলো না বন্দুকের নলের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজনৈতিকভাবে অবৈধ ক্ষমতা দখলদার এরশাদকে মোকাবেলা করতে, এক প্রকার বিনা বাক্য ব্যয়ে বাধ্য হলো সামরিক স্বৈরশাসন মেনে নিতে। তবে বরাবরের মতোই গর্জে উঠলো ছাত্র সমাজ। সারাদেশে যখন প্রকাশ্য রাজনীতি নিষিদ্ধ, সামরিক আইনের বিরুদ্ধে কথা বললেই সাত বছরের কারাদণ্ড নিশ্চিত, তেমনই এক সময়ে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ মিছিল করলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। বলে রাখা দরকার, এরশাদের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম ঐ বিক্ষোভ মিছিলটা করেছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (মুনীর-হাসিব)।

ক্ষমতা দখলের তিন মাসের মধ্যে যখন দেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে, তখন শুরু হলো এরশাদের সিভিলাইজেশন প্রক্রিয়া। আর এই পরিবর্তনের ধারায় প্রথম আঘাত আসলো শিক্ষা ব্যবস্থার উপরে। কারণ, ধুরন্ধর এরশাদ জানতেন শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। শুরু হলো শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করার মাধ্যমে জাতির মেরুদণ্ড ভাঙার প্রক্রিয়া। যার ধারাবাহিকতায় ১৯৮২ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাথে মতবিনিময় সভার বক্তৃতায় এরশাদ জানিয়ে দিলেন দেশের শিক্ষার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বংশধরদের চরিত্র গড়ে তোলার জন্য তার সরকার নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করবে। আর এই কর্মযজ্ঞে তিনিই নেতৃত্ব দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন। কয়েক দিনের মধ্যেই নজিরবিহীণভাবে এক জন পেশাদার সামরিক অফিসার শিক্ষক না হয়েও বনে গেলেন শিক্ষক সমিতির চেয়ারম্যান!! বিশ্বে আরও কোথাও এমন নজির আছে কি না জানা নেই আমার।

মজিদ খানের শিক্ষানীতি ঘোষণা ও ছাত্র সমাজের প্রত্যাখ্যান : পরিকল্পনা মাফিক সামরিক সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডঃ এমএ মজিদ খান ‘৮২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পেশ করেন একটি নতুন শিক্ষানীতির প্রস্তাব। সেই প্রস্তাবে প্রথম শ্রেণী থেকেই আরবি ও দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে ইংরেজি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়। তবে সবচেয়ে বিতর্কিত প্রস্তাবটি ছিল উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষা অর্জনের মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয় মেধা অথবা পঞ্চাশ শতাংশ ব্যয়ভার বহনের ক্ষমতা! এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো ছাত্র সমাজ। প্রতিবাদ জানালো শিক্ষক সমাজ। শুরু হলো এই শিক্ষানীতি বাতিলের দাবীতে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম। চললো আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব। এদিকে এই শিক্ষানীতিকে আইয়ুব খানের শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্টেরই বাংলাদেশী সংস্করণ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন শিক্ষাবিদগণ।

মজিদ খানের শিক্ষানীতি বাতিল এবং সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ১৯৮২ সালের সেপ্টেম্বরে মৌন মিছিল করে জাসদ সমর্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (মুনির-হাসিব), বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ঐক্য ফোরামসহ কয়েকটি সংগঠন। সেই সব মৌন মিছিলে সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার দমননীতি না চালালো হলেও একই বছর জাসদ সমর্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (মুনির-হাসিব) ‘৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে পরের দিন ৮ নভেম্বর বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ মিছিলের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায় এবং লাঠিচার্জ করে। শুরু হয়ে যায় ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এসে যোগ দিলে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদের তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। কয়েক ঘন্টাব্যপী চলা এই সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশ কলা ভবনের ভেতরে ঢুকে ছাত্র এবং শিক্ষকদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নুরুল আমিন বেপারীসহ ছাত্র, কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ। ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেদিনই ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও দৃঢ় হয় এবং ১৪টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। পরিষদের তাত্ক্ষণিকভাবে নেয়া সিদ্ধান্তে পরদিন দেশব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়। অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ। আন্দোলন যাতে দানা বাঁধতে না পারে সেই জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এদিকে সদ্য গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৩ ডিসেম্বর বিক্ষোভ-সমাবেশ কর্মসূচি আহ্বান করে।

ষষ্ঠ দিনের মাথায় ১৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সাথে সাথেই ১৪টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শিক্ষানীতি বাতিল, হামলা নির্যাতন বন্ধ এবং সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকে। পাশাপাশি একই দাবীতে ছাত্রদল আলাদাভাবে কর্মসূচী পালন করে। অপর দিকে আন্দোলনকারীদের উপরে নেমে আসে ভয়াবহ দমন নিপীড়ন। তার মধ্যেও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ২৯ ডিসেম্বর দাবি দিবস ও ১১ জানুয়ারি সচিবালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করে। অনুরূপ কর্মসূচী গ্রহণ করে ছাত্রদলও।

ছাত্রদের ন্যায় সঙ্গত দাবী দাওয়া উপেক্ষা করে এরশাদের সামরিক সরকার সুদূর প্রসারী কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ১৯৮৩ সালের জানুয়ারী মাসের প্রথম ভাগে দেশের ১৪২টি থানার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোয় বাধ্যতামূলক আরবি শিক্ষা শুরুর আদেশ জারি করে। পাশাপাশি ছাত্রদের পূর্ব আহুত ১১ জানুয়ারি সচিবালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচির বিরুদ্ধে হুমকি দেয়া হয় সরকারী প্রেসনোটের মাধ্যমে। কিন্তু ছাত্ররা তাঁদের অবস্থান থেকে পিছপা না হলে আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠকের প্রস্তাব দেয় এরশাদ। কিন্তু ৭ জানুয়ারি সেই প্রস্তাবিত বৈঠক প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারীরা।


(ছবি-নিহত এক শহীদ, ১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩)

এরশাদের সমঝোতা প্রস্তাব আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঘোষণা করে-

‘‘শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষায় অতিরিক্ত দুইটি বিদেশী ভাষা বাধ্যতামূলক করে মূলত বাংলা ভাষাকেই আঘাত করা হয়েছে। শিক্ষা সংস্কারের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা জীবনে এক অরাজক ও নৈরাজ্য জনক অবস্থার সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং শিক্ষাকে উচ্চবিত্ত শ্রেণীর ব্যয়বহুল বিনিয়োগ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। ছাত্রসমাজের উপর চলছে চাপ ও নিপীড়ন। এই পরিস্থিতিতে সংগ্রাম পরিষদ শিক্ষা, গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকারসহ শোষণ মুক্তির দাবি নিয়ে অমর একুশ পালনের আহ্বান জানায়।’’

অন্য দিকে সরকারী প্রেসনোটে বলা হয় –

‘‘গত নভেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেসব গণ বিরোধী ও সমাজবিরোধী ঘটনা ঘটছে সরকার তা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করে আসছে। … … … … …। সরকার এসব বিপথগামী ব্যক্তিদের ধ্বংসাত্মক পথ পরিত্যাগ করার জন্য হুঁশিয়ার করে দিচ্ছে। অন্যথায় তাদের গুরুতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।’’

অবশেষে আসে ১১ জানুয়ারি। প্রস্তাবিত সচিবালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালনের জন্য হাজার হাজার ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবেশে সমবেত হয়। অপর দিকে অস্ত্র সজ্জিত প্রচুর দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয় এলাকায় । ব্যাপক সংঘর্ষ এড়াতে ছাত্ররা সচিবালয়ে না গিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে আন্দোলন তীব্রতর করার শপথ গ্রহণ করে। ১১ জানুয়ারী তেমন কিছু না হলেও একুশে ফেব্রুয়ারিকে আবারও উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি , আন্দোলন নতুন করে দানা বাঁধতে শুরু করে। এরশাদ এবার একুশের চেতনায় আঘাত হানতে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারী করে। এদিকে ১১ জানুয়ারির সচিবালয়ে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি কেন রদবদল করা হলো এই ইস্যুতে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচী রদবদলের প্রতিবাদে ছাত্ররা ডাকসু অফিস ভাংচুর করে। তবুও শান্তিপূর্ণ পথেই দাবি আদায়ের সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়ার পথে অবিচল থাকেন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি বিরোধী আন্দোলন যখন বিস্তৃত হয়েছে দেশব্যাপী তেমনই এক সময় জেনারেল এরশাদ শিক্ষা মন্ত্রী মজিদ খানকে নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম উদ্বোধন করতে গেলে ছাত্ররা তা বর্জন করে। একই ভাবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসব বাতিল করতে বাধ্য হয় সরকার ছাত্রদের প্রতিবাদ ও বর্জনের কারণে। দি দুই ঘটনায় পর পরই ব্যাপক হারে ছাত্র নেতাদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়ে যায়। গ্রেপ্তার করা হয় ছাত্রলীগের (মুনির-হাসিব) কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক মোহন রায়হান, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউল করিম ফারুক ও খোন্দকার আব্দুর রহীম এবং ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও ইকসুর ভিপি খন্দকার মোহাম্মদ ফারুকসহ অনেককে।

ঠিক এই সময় দীর্ঘ তিন চার মাস থেকে চলে আসা শিক্ষানীতি বিরোধী আন্দোলনে প্রথম থেকে নিশ্চুপ থাকা সদ্য পুনর্গঠিত জামাতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের বাংলাদেশী ভার্সন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাইফুল আলম খান মিলন ও সাধারণ সম্পাদক তাসনীম আলম এক যুক্ত বিবৃতিতে ঘোষিত শিক্ষানীতিকে ‘‘আদর্শহীন’’ উল্লেখ করে শিক্ষানীতির আদর্শ হিসেবে দেশের শতকরা ৮৫ জন মানুষের আদর্শ ইসলামকে গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।


(ছবি- এরশাদের চকিদার বাহিনীর অবস্থান)

আসলে সরকারের সাথে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সংগঠিত হতে থাকা ছাত্র শিবিরের এটা ছিল আই ওয়াস বিবৃতি মাত্র। যা প্রমাণিত হয় ৮৩’র ৬ ফেব্রুয়ারী। এদিন ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ শুরু করেই মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ বিরোধী আপত্তিকর বক্তব্য দিতে থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে রুখে দাঁড়ায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে থাকা সশস্ত্র শিবির কর্মীদের সাথে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হয় শিবির। এই ঘটনায় আহত হয় অর্ধ শতাধিক। ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে স্বাধীনতার মূল্যবোধ বিরোধী আপত্তিকর বক্তব্য ও এর প্রেক্ষিতে সংঘর্ষের খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী সংঘর্ষ হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও শিবিরের মধ্যে।

এই ঘটনা ছাত্রদের মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় করে এবং শিক্ষানীতি বিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, ছাত্রদল তথা ছাত্র সমাজের কঠোর অবস্থানের কারণে খানিকটা বিচলিত হয়ে এরশাদ সামরিক সরকারের পক্ষ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির ব্যাপারে একটি জনমত যাচাই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্দোলন অব্যাহত রাখে।

ডেট লাইন ১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩ : আসে কাঙ্ক্ষিত সেই দিন, ১৪ ফেব্রুয়ারী। সকাল থেকেই বিভিন্ন হল থেকে হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রী সমবেত হতে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে অংশ নেয় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও। শিক্ষানীতি বাতিল এবং সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মুহুর্মুহু শ্লোগানে কম্পিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় ও আসে পাশের এলাকা। এক পর্যায়ে কয়েক হাজার ছাত্র ছাত্রীর একটি মিছিল স্মারকলিপি প্রদান করতে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে সচিবালয়ের দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলটি যখন হাইকোর্ট এলাকায় পৌঁছে ঠিক তখনই আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে থাকা পুলিশ বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মিছিলে হামলা করে। নিরস্ত্র ছাত্র ছাত্রীদের ওপর পুলিশ লাঠি, টিয়ারগ্যাস, জল কামান ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হয়নি, গুলিও চালায়। গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এক পর্যায়ে ছাত্ররা আশ্রয় নেয় শিশু একাডেমীতে যেখানে তখন শিশুদের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিলো। অস্ত্রহাতে পুলিশ সেখানেও ঢুকে যায়। কোমল মতি শিশুরাও সেদিন রক্ষা পায়নি এরশাদের পেটোয়া বাহিনীর হাত থেকে। প্রায় সারা দিনব্যাপী এই অসম সংঘর্ষে জাফর, জয়নাল, দীপালী সাহা, আইয়ুব, ফারুক, কাঞ্চন প্রমুখ নিহত হন। দশ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, আহত হয় কয়েক শত ছাত্র। গ্রেফতার করা হয় অনেককে। কিন্তু সরকারি প্রেসনোটে মাত্র ১ জনের মৃত্যুর কথা দাবী করা হয়।

এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পরদিন, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি ছাত্রজনতা রাস্তায় নেমে আসে। সংঘর্ষ হয় মিরপুর, আমতলী, তেজগাঁ, বাহাদুর শাহ পার্ক, ইংলিশ রোড, মতিঝিল এবং অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। শুধু ঢাকাতেই না, আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। পুলিশ গুলি চালায়। চট্টগ্রামে নিহত হন মোজাম্মেলসহ আরো কয়েকজন। যদিও এদিনও সরকারী প্রেসনোটে নিহতের সংখ্যা ১জন দাবী করা হয়। ভীত সন্ত্রস্ত জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার কর্তৃক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় জাহাঙ্গীরনগর ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় । ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। এদিন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে গত দুই দিনে শহীদদের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয় দেশব্যাপী।

সামরিক স্বৈরাচার কর্তৃক সংবাদপত্রের ওপর এতই কড়াকড়ি ভাবে সেন্সরশিপ আরোপ করা হয় যে, এই বিক্ষোভ এবং ছাত্র হত্যার ঘটনার বিষয়ে পরদিন কোনো পত্রিকা সরকারের প্রেসনোটের বাইরে অন্য কোনো খবর প্রকাশ করতে পারেনি। ১৪ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সারাদেশে প্রচুর গ্রেফতার অভিযান চলে। আন্দোলনকে দমাতে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, রাশেদ খান মেনন, আব্দুল জলিল, কর্নেল অলি, তোফায়েল আহমেদ, আব্দুল মান্নান, আব্দুস সামাদ আজাদ থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় প্রায় সকল ছাত্রনেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এরশাদ সরকারের সকল দমন নীতি উপেক্ষা করে অব্যাহত থাকে আন্দোলন। ছাত্র আন্দোলন রূপান্তরিত হয় গণআন্দোলনে। অবশেষে আন্দোলনের তীব্রতার কাছে নতি স্বীকার করতেই হয় সামরিক সরকারকে।


(ছবি-লিফলেট)

অবশেষে ১৭ ফেব্রুয়ারি এরশাদ বলতে বাধ্য হন – ‘‘জনগণের রায় ছাড়া শিক্ষা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’’ গ্রেফতারকৃত ১২২১ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় এক সরকারি প্রেসনোটে। সফল পরিসমাপ্তি ঘটে জেনারেল এরশাদের জলপাই সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজের প্রথম আন্দোলনের। এর থেকে অনুপ্রাণিত হয় গণ সংগঠনগুলো। তাই একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে মূলত ‘৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারীর আন্দোলন থেকেই। এদেশে সেদিন সামরিক শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দেয় সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র সমাজ। ধীরে ধীরে যা গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সবশেষে ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের পতন ঘটে। বস্তুতপক্ষে মুক্তিযুদ্ধের পর মধ্য ফেব্রুয়ারির এই আন্দোলনই ছিল বাংলাদেশের প্রথম গণ আন্দোলন যা থামেনি বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত।

এই হচ্ছে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারীর ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন যা পরবর্তীতে মধ্য ফেব্রুয়ারীর আন্দোলন হিসেবে পরিচিত হয়।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার হাতে, ১৪ ফেব্রুয়ারী শহীদ জাফর, জয়নাল, দীপালী সাহা, মোজাম্মেলদের রক্তস্নাত ছাত্র সমাজের এক গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলনের বার্ষিকী হিসেবে পালন করবেন, নাকি পালন করবেন ‘‘ভ্যালেন্টাইন ডে’’র ছ্যাবলামো হিসেবে।

কৃতজ্ঞতা :মধ্য ফেব্রুয়ারী আন্দোলনের কর্মী এ্যাডঃ শাহ্‌ আতিক আনোয়ার রুপম, কর ভবন, রংপুর।

ফটো ক্রেডিটঃ আবু ই মনসুর ভাই। কয়েকটা ছবি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

তথ্যসূত্র:
গণআন্দোলন ১৯৮২-৯০: সৈয়দ আবুল মকসুদ
তিন দাগে ঘেরা : হাসানুল হক ইনু
দৈনিক ইত্তেফাক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭২ thoughts on “১৪ ফেব্রুয়ারী : ছাত্রসমাজের রক্তেস্নাত ‘‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’’, ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’র ছ্যাবলামো নয়

  1. উত্তর বাংলা,
    আপনার প্রতি

    উত্তর বাংলা,
    আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই । অনতিবিলম্বে এই পোস্টটি স্তিকি করার দাবী জানাচ্ছি । ছাত্র জীবনে আমরাও দিবসটি পালন করতাম ” স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবস’’ হিসেবে।

    কিন্তু অত্যন্ত বেদনার সাথে দেখতাম পুঁজিবাদী ষড়যন্ত্রের শিকার তরুণ ছাত্রী – ছাত্র দের মধ্যে তথাকথিত ভালবাসা দিবস পালনের বিজাতীয় উৎসাহ ! বর্তমান প্রজন্মের খুব কম মেয়ে – ছেলে ( পড়ুন ছেলে – মেয়ে অর্থে ) জানে এই গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে । আমাদের পাঠ্য ইতিহাস বইতেও লেখা থাকেনা এইসব ইতিহাস ।

    সামগ্রিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে আমাদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে । সেই স্থলে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে সাম্রাজ্যবাদের পদলেহি ভণ্ড শফিক রেহমান দের ” ভ্যালেন্টাইন দিবস ” এর ইতিহাস । সেই সাথে আপোষ – রফা করা হয়েছে খুনী স্বৈরাচার এরশাদের সাথে । আজ পতিত স্বৈরাচার দিচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষার মূল্যবান ছবক !!!

    এই দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে সবার কাছে । সবাইকে অনুরোধ করবো এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য । আমি প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম । উত্তর বাংলা ভাই আপনাকে জানাই শত কোটি লাল :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  2. একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
    একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট গুলো শেয়ার করে আপনি শুধু ইস্টিশনের নয়, বাংলা ব্লগের ভি আই পি ব্লগার হয়ে উঠছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা, আর :স্যালুট:
    পোস্ট প্রিয় করে নিলাম।

    :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট: :স্যালুট:

  3. ইনফরমেশনগুলোর জন্য
    ইনফরমেশনগুলোর জন্য :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: …… হাজার বার দিলেও কম পড়বে।

  4. ভাই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা
    ভাই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপনের ভাষা নেই। অসাধারণ সব লেখা দিয়ে আমাদের গৌরবময় ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে সবার জানার পরিধি বাড়িয়েই চলেছেন। ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ বিষয় গুরুত্ব বিবেচনায় লেখাগুলো স্টিকি করায়। আমরা অনেকেই জানিনা আজকের লেজুড় বৃত্তিক ছাত্র রাজনৈতিক দলগুলো একসময় ছাত্রদের এবং দেশের প্রয়োজনে জীবন দিতেও পিছপা হয়নি। যেই এরশাদের জন্য এতগুলো ছাত্রের প্রাণ গিয়েছিলো আজ আমাদের দুইদল সেই এরশাদকে নিয়ে রাজনীতির নোংরা খেলা খেলে প্রতিবার ভোটের আগে। আজো দেখলাম বিএনপি এরশাদকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার অফার দিয়েছে। থুতু দেই এইরকম ক্ষমতা লোভী রাজনীতিবিদদের মুখে।

    1. ধন্যবাদ আতীক ভাই। নীতি
      ধন্যবাদ আতীক ভাই। নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত রাজনীতি আজ এমন একটা জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে এখান থেকে সঠিক অবস্থানে ফেরাটা দিন দিন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে।

  5. আপনাকে আপনার প্রতি পোস্টের
    আপনাকে আপনার প্রতি পোস্টের জন্যই সেলুট । প্রত্যেক টা পোস্টই যেন জানার নতুন আধার ।
    ১৪ ফেব্রুয়ারি যে এমন একটা দিন জানাই ছিল না !

    আমি কেন অনেকেই হয়তো জানেন না, আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।

    1. আমি তখন স্কুলে পড়ি নিচু
      আমি তখন স্কুলে পড়ি নিচু ক্লাসে। টিভিতে তাও বিটিভিতে দেখেছিলাম সচিবালয়ের দেয়াল ভেঙে ফেলেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা। আমি যাকে কৃতজ্ঞতা দিয়েছি লেখায় সেই ভাইটা এই মুভমেন্টে এ্যারেস্ট হয়ে দীর্ঘ দিন জেইলে ছিলেন।

        1. তা বলা যায়। কারণ আমাদের
          তা বলা যায়। কারণ আমাদের পরিবারটা পুরোপুরি একটা রাজনৈতিক পরিবার। একদিক দিয়ে আমি ভাগ্যবান এই কারণে যে, যাদের কোলে পিঠে চরে বড় হয়েছি তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই বিএলএফ (মুজিব বাহিনী) এর এই অঞ্চলের প্রথম সারীর যোদ্ধা।

          1. রাজনীতি করা উচিত।অপছন্দের
            রাজনীতি করা উচিত।অপছন্দের বিষয় নয়। ভালো মানুষ গুলো যদি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যায় তবেই গাধাদের হাতে দেশের ভার বর্তাবে। তাই রাজনীতি করা উচিত।

          2. রাজনীতি থেকে কেউ কি আলাদা?
            রাজনীতি থেকে কেউ কি আলাদা? আপনি নিজেও কি রাজনীতি থেকে আলাদা? মনে হয় না। শিশুর ক্ষুধা লাগলে কান্নাকাটি করে সে দাবী জানায় দুধ খাওয়ার কারণ সেটা তাঁর অধিকার।

    1. ও ভাই, ধন্যবাদ বললেই হবে।
      ও ভাই, ধন্যবাদ বললেই হবে। কৃতজ্ঞ হওয়ার দরকার নাই। আমি তো এই পরিবারেরই একজন। তাই না? আপনারা লেখটা পড়েছেন এতেই আমার পরিশ্রম সার্থক হয়েছে নিঃসন্দেহে, ধন্যবাদ আপনাকেও।

  6. উত্তর বাংলা ভাই আপনাকে এই
    উত্তর বাংলা ভাই আপনাকে এই অসাধারণ পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং স্যালুট জানাই।

    1. ধন্যবাদ। আমাকে তো আর্মি বানায়
      ধন্যবাদ। আমাকে তো আর্মি বানায় ফেলা হচ্ছে এখানে স্যালুট দিয়ে দিয়ে। প্রথম দিকে তো রাহাত মুস্তাফিজ ভাই বানাইছিলেন বাংলা ভাই!! আপনাদের পছন্দ হয়েছে এতেই আমি খুশী। আর কিছুর দরকার নাই। এখানে আমরাই তো।

      1. আপনি কি মাইন্ড খেয়েছিলেন তাতে
        আপনি কি মাইন্ড খেয়েছিলেন তাতে ? যদি খেয়ে থাকেন তার জন্য সরি ! আমি কিন্তু ভালোবেসে বাংলা ভাই বলেছিলাম :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :দেখুমনা:

      2. আসলে বাঙলার মানুষকে ভালবেসে
        আসলে বাঙলার মানুষকে ভালবেসে বাঙলা ভাই তো বলাই যায় :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: , তাই না?? :থাম্বসআপ: সমস্যাটা করছে শালার ঐ জঙ্গি :দেখুমনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: … আপনে আবার মাইন্ড খায়েন না কিন্তুক… :দেখুমনা: :ভাবতেছি: :কেউরেকইসনা:

  7. এক কথায় অসাধারণ লেখা। ফেসবুকে
    এক কথায় অসাধারণ লেখা। ফেসবুকে আপনার লেখার লিংক পেয়ে এই ব্লগে আইডি করেছিলাম,যা এখন পর্যন্ত আমার একমাত্র ব্লগ আইডি। এখনও কোন ব্লগ পোস্ট লেখা হয়নি। কোন দিন হবে কি না তাও জানিনা। তবে আমার এখানে আসাটা যে কত বড় একটা কাজ হয়েছে তার প্রমাণ পাচ্ছি আপনার, আনিস রায়হান ভাই, তারিখ লিংকন ভাই, চন্দ্রবিন্দু ভাইসহ অন্যান্যদের পোস্টগুলা পড়ে। এখন আমার রুটিন হয়ে গেছে এই ব্লগে বেশ খানিকটা থাকা। আপনাকে ধন্যবাদ এমন একটা বিষয় তুলে আনার জন্য। আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

    :salute: :salute: :salute:

    1. ধন্যবাদ রাইসউদ্দিন ভাই। লিখতে
      ধন্যবাদ রাইসউদ্দিন ভাই। লিখতে পারবেন না কেন? ফেসবুকে আপনার লেখা সব সময় আমার ভালো লাগে। তাই এখানেও শুরু করে দিন।

  8. আইডি যদি প্রিয়তে রাখার
    আইডি যদি প্রিয়তে রাখার সিষ্টেম থাকত তাইলে আপনার আইডিটাই প্রিয়তে নিয়া রাখতাম। আর কিছু বলার নাই।

  9. অসাধারণ পোস্ট, কত কিছুই আমরা
    অসাধারণ পোস্ট, কত কিছুই আমরা জানিনা, আবার নিজেদেরকে রাজনীতি সচেতন মানুষ বলে দাবী করি। আমাদের ক্ষমা কর ১৪ ফেব্রুয়ারীর শহীদ ভাইয়েরা। আমরা তোমাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রাখতে পারি নাই। ……… আর উত্তরবাংলা ভাই পুরা :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:

  10. ভাই আপনি কি
    ভাই আপনি কি জিনিস!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
    ইস্টিশনের আপনি একজন রত্ন।
    এই ইতিহাস অনেকেই জানে না। আগে কিছুটা জানতাম ভাষা ভাষা। আজ বিস্তারিত জেনেছি।
    কিন্তু দুখের বিষয় এই স্বৈরাচারকে নিয়ে আমাদের নেত্রী সরকার চালাচ্ছেন।

  11. ভাই,
    শফিক রেহমানের( ) এই ১৪

    ভাই,
    শফিক রেহমানের( :তুইরাজাকার: ) এই ১৪ ফেব্রুয়ারী’র সংক্রান্ত বদমাইশীর কথা জানলেও,এতো কিছুর কিছুই জানতাম না।
    আপনাকে নতুন করে কিছুই বলার নাই,অসাধারণ এবং অসাধারণ পোস্ট হয়েছে…
    অনেক অনেক এবং অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আমাকে এই বিষয়ে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য…
    আপনাকে :salute: :salute: :salute:

  12. ইস্টিশনে সর্বোচ্চ স্যালুটকারী
    ইস্টিশনে সর্বোচ্চ স্যালুটকারী আমি। এই মহান রেকর্ডের সার্টিফিকেট চাই। নয়তো খেলবো না। :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

    1. এখন আমি
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

      এখন আমি :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      1. চলে আসছে আরেকজন স্যালুটকারী
        চলে আসছে আরেকজন স্যালুটকারী :-B :শয়তান: :হাহাপগে: :ভেংচি: … ইনারা আজকা মনে হয় সব রেকর্ড ভাইঙ্গালাইব… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :নৃত্য: :নৃত্য: :হাসি: 😀

          1. এত কষ্ট করে বুকে গুলি নিয়ে
            এত কষ্ট করে বুকে গুলি নিয়ে বাংলা ভাষা অর্জন করেছে কি উর্দু আর হিন্দি বলার জন্য। আপনাকে দিয়ে এমনটি আশা করি নাই।
            (চান্সে একটু ভাব মাইরা বয়ান দিলাম 😉 )

          2. হা হা হা ……… মাঝে মধ্যে
            হা হা হা ……… মাঝে মধ্যে বলি তো। কোন প্রকার রাখ ঢাক ছাড়াই বলি। এই বিষয়ে আমার কোন ফিলিংস নাই। বাংলা ফন্টে ইংরেজী লেখার থেকে বরং এটাই অনেক ভালো।

          3. এত কষ্ট করে বুকে গুলি নিয়ে
            এত কষ্ট করে বুকে গুলি নিয়ে বাংলা ভাষা অর্জন করেছে কি উর্দু আর হিন্দি বলার জন্য। আপনাকে দিয়ে এমনটি আশা করি নাই।
            (চান্সে একটু ভাব মাইরা বয়ান দিলাম 😉 )

  13. মনে পরে ২০০২ সাল পর্যন্তও
    মনে পরে ২০০২ সাল পর্যন্তও আমরা এই দিবসের কর্মসূচী পালন করতাম। তারপরে আর ধারাবাহিকতা থাকলো না। বাট গত দুই বছর আমারা রংপুরে এই দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা করছি। ইনশাল্লাহ আগামীরাব আরও ভালো করে এই দিবস পালন করা হবে। চেষ্টা থাকবে সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার। আর লেখা নিয়ে কিছু বলার নাই। যতক্ষণ চিনতে পারি নাই মন্তব্য করছি এখন তো আর ভাষা পাইতেছি না। ………

  14. অনেক কিছু জানা হলো। এসবের
    অনেক কিছু জানা হলো। এসবের কিছুই তো জানতাম না। ছাত্রজীবনে আমার কলেজে কোন সংগঠনকে এই দিবস পালন করতে দেখি নাই। জানার পরে আর ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের প্রশ্নই উঠে না। আপনাকে অভিবাদন জানাই এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখার জন্য। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। :bow: :bow: :bow:

  15. এই পোস্টটা অনেকবার চেষ্টা
    এই পোস্টটা অনেকবার চেষ্টা করেও আমার ওয়ালে শেয়ার দিতে পারলাম না ।
    সমস্যা কোথায় ? কেউ বলবেন ?

    1. আমিও পারতেছি না। প্রথমে
      আমিও পারতেছি না। প্রথমে ভাবলাম আমারই কোন সমস্যা হবে। এখন তো আপনারও একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। কারও সমাধান জানা থাকলে জানান প্লিজ।

    2. আমি তো শেয়ার দিতে পেরেছিলাম।
      আমি তো শেয়ার দিতে পেরেছিলাম। অনেক সময় পোস্টের হেড লাইন বড় হলে ফেসবুক শেয়ারিং এ সমস্যা হয়।

        1. উপায় হচ্ছে, শেয়ার বাটনে ক্লিক
          উপায় হচ্ছে, শেয়ার বাটনে ক্লিক করলে যে বক্স আসে, সেখানে টাইটেলের জায়গায় ক্লিক করে সেটা ছোট করে দেয়া। যেমন এই পোস্ট “১৪ ফেব্রুয়ারী : ছাত্র সমাজের আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক দিবস” এটুকু পেস্ট করে দিন। তাহলে হয়ে যাবে।

  16. কুখ্যাত চটিলেখক রসময় গুপ্তের
    কুখ্যাত চটিলেখক রসময় গুপ্তের এই চমৎকার কারসাজিটা আগেই জানতাম। :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: কিন্তু সেটা যে এতটা ভয়াবহ, সে সম্পর্কে কোন ধারনা ছিল না। এখন আফসোস হয় আর নিজেকে ধিক্কার দিতে মনে চায় যে ছোটবেলায় এর লালগোলাপ অনুষ্ঠানটা দেখে এক সময় এর ভক্তও হয়ে গিয়েছিলাম :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: … কি অদ্ভুত… উত্তর বাঙলাকে আসলে হাজার স্যালুট দিলেও তার এ কাজের পরিপূর্ণ মূল্যায়ন সম্ভব না :bow: :bow: … চালিয়ে যান জনাব… :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. ভালোবাসা দিবস পালন করা যেতেই
      ভালোবাসা দিবস পালন করা যেতেই পারে। কারণ দেশে হাজারো দিবস পালিত হয়। কিন্তু ব্যাপারটা যখন হয় একটাকে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটাকে আড়াল করার জন্য তখন সেটা মেনে নেয়া যায় না। শফিক রেহমানের ভক্ত এক সময় দেশে অনেকই ছিল। সাপ্তাহিক যায়যায়দিন এর শেষ পাতায় তাঁর কলাম তো এক সময় খুবই জনপ্রিয় ছিল।

  17. আমি খুবই ছোট একজন মানুষ।।
    আমি খুবই ছোট একজন মানুষ।। জন্ম ৯৪ এ আর মোটামুটি সবকিছু বুঝতে শেখা ২০০৫ এর দিকে।। মফস্বল এলাকায় বড় হই।। এই সুবাদে ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর কীর্তি কলাপ খুব একটা জানা হত না।। ছোটবেলায় এলাকার ছোটখাট মিছিলে যেতাম বিস্কুট লাভের আশায়।। তেমনি এক ১৪ই ফেব্রুয়ারীতে এলাকার সরকারী কলেজ থেকে মিছিলে গিয়েছিলাম।। বড় ভাইয়াদের সাথে সাথে ছোটখাট স্লোগান দিতাম।। ঐদিন পাবলিক হলে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী নামে একটা সংঘটন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।। খুব সম্ভবত সালটা ২০০৩ হবে।। ঐদিন স্বৈরাচারী এরশাদের কুকীর্তি সম্পর্কে কিছু জেনেছিলাম।। আবৃত্তি করতাম ভালো বলে অনেক কঠিন একটা কবিতা দেওয়া হয়েছিল আমাকে।। আবৃত্তি করেছিলাম ঐদিন।।

    কিন্তু এরপর যখন বুঝতে শিখলাম তখন দিনটির কথা ভুলেই গেলাম।। তার বদলে মাথায় ঢুকে গেলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে।।

    ধন্যবাদ উত্তর বাংলা ভাইকে।। এতদিন পর আবার দিনটির আসল ইতিহাসটা মনে করিয়ে দিয়েছেন।।

    1. যদি ঢাকায় থেকে থাকেন, তাহলে
      যদি ঢাকায় থেকে থাকেন, তাহলে নব্য রাজাকার ফরহাদ মজহারের “লেঃ জেনারেল ট্রাক” কবিতাটা ম্যানেজ করে নিয়েন। দারুণ কবিতা। ৮৪’র ২৮ ফেব্রুয়ারী এরশাদের পুলিশ বাহিনী ছাত্র মিছিল ট্রাক তুলে দেয়। শহীদ হন সেলিম ও দেলোয়ার। তারপরে এই কবিতা লেখা হয়।

  18. বাঙালির প্রত্যেক সাহসিকতার
    বাঙালির প্রত্যেক সাহসিকতার ইতিহাসই এভাবে মার্কামারা রংচঙা শাক দিয়ে ঢেকে ফেলা হ​য়। বহুবার, শতবার। এই রং কবে শেল হয়ে বিঁধবে তা দেখতে বেশিদিন বাকি নেই। পোস্টের জন্য স্যালুট আপনাকে।

    1. চমৎকার বলেছেন রাইন আপু
      চমৎকার বলেছেন রাইন আপু :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: … এর চেয়ে বড় কষ্টের আর কিছু হয় না… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

23 + = 31