লেখাটি অশালীন, না পড়ার অনুরোধ করছি

বর্তমান বাংলাদেশে লেখক প্রকাশকগণ কে কি লিখবেন, কে কি প্রকাশ করবেন তা রাষ্টের প্রতিষ্ঠান তথা রাষ্ট্র কর্তৃক নির্দেশিত করে দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, পুলিশের প্রধান, মন্ত্রী মহোদয়গণ থেকে শুরু করে বাংলা একাডেমীর প্রধান পর্যন্ত লেখকদেরকে তাদের লেখালেখিতে সীমা লংঘন না করা, উস্কানীমূলক এবং অশ্লীল লিখা না লিখার সবক দিচ্ছেন। হ্যা, এটা অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে উস্কানিমূলক এবং অশ্লীল কোন লিখা মননশীলতার পরিচয় বহন করে না। দুঃখের বিষয় এই যে, কি লিখলে সীমা লংঘন হবে না, কি প্রকাশ করলে তা উস্কানি হবে কিংবা কি প্রকাশ করলে তা অশ্লীল হবে সেটা কেউ স্পষ্ট করে বলছেন না বা বলতে পারছেন না। আমরাও কিছু বুঝতে পারছি না।

যারা বেহেস্তে হুর পাবার লোভে লেখনীর বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ তুলছেন, আসুন দেখি হুর সম্পর্কে তাদের কোরানে কি বলা আছে। কোরানে একাধিক সুরার বিভিন্ন আয়াতে হুরদের কথা পাওয়া যায়।

কোরানের সর্ববহুল পরিচিত একটি সূরা হলো আর রাহমান(৩৭)। এই সূরার ৫৬ নং আয়াতে বেহেস্তের হুরদের সম্পর্কে বলা হয়েছে,

“তথায় থাকবে আনত নয়না রমনীগন, যাদেরকে জীন ও মানুষ কখনো স্পর্শ করেনি” – ৩৭:৫৬
৭০ নং আয়াতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বেহেস্তের লোভ দেখাচ্ছেন এই বলে যে,
“সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমনীগণ”- ৩৭:৭০

কাউকে এমনভাবে আনত নয়না, কুমারী যোনি সম্পন্ন সুন্দরী রমনীর লোভ দেখানো অশ্লীলতার পর্যায়ে পড়ে না কী? আবার একই সূরার ৭২ নং আয়াতে বলা হচ্ছে,

“(বেহেস্তে থাকবে)তাবুতে অবস্থানকারী হুরগন” ৩৭:৭২

তৎকালীন আরবের যৌনকর্মীদের একটা অংশ ছিলো ভ্রাম্যমান, যারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে ঘুরে ক্ষুন্নিবৃত্তি করতো। তারা শহর বা কোন বসতির আশেপাশে তাবু টানিয়ে অবস্থান করতো। কোন গ্রন্থে যদি কাজের বিনিময়ে এমন করে তাবুতে অবস্থানকারী যৌনকর্মীদের লোভ দেখনো হয়, তাহলে সেই গ্রন্থ কি অশ্লীলতা মুক্ত হবে?

জান্নাত সম্পর্কে কোরানে সূরা বাকারার ২৫ নং আয়াতে বলা হচ্ছে,

“ আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে” – ০২:২৫

জান্নাতের বর্ণনা খুঁজতে গেলে কোরানের ৫৬ নং সূরা আল ওয়াকিয়ার কয়েকটি আয়াতে যা পাওয়া যায়ঃ

“ আর সেখানে তাদের সাথে থাকবে পবিত্র দৃষ্টিসম্পন্ন সাথিরা, ঝিনুকের ভেতরে সংরক্ষিত মুক্তোর ঔজ্জ্বল্য নিয়ে” – ৫৬:২২-২৩
“ উঁচু আসনে তাদের সাথে থাকবে তাদের সাথিরা, সম্পূর্ণ নতুন করে সৃষ্টি করবো তাদের, অনন্ত যৌবনের বিকশিত সৌন্দর্যে তারা হবে প্রেমময় অনুগত সমকক্ষ”- ৫৬:৩৪-৩৭

ভাবতে অবাক লাগে, মুসলমানেরা ঝিনুকের মুক্তো রঙা, অনন্ত যৌবনা নারীর প্রলোভনকে অশ্লীল মনে করে না। কারণ, তা কোরানের কথা! আর এই সুরাটির ১৭-১৯ নং আয়াতে যে চিরকিশোর দ্বারা মদ পরিবেশনের কথা বলা হয়েছে তা না হয় নাই বললাম।

একইভাবে ৩৭ নং সূরা সফের ৪৮ নং আয়াতে বলা হচ্ছে,
“তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ”-৩৭:৪৮

৫২ নং সুরার ২০ নং আয়াতে দেখুন,
“তারা শ্রেণীবদ্ধ সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। আমি তাদেরকে আয়তলোচনা হুরদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে দেব” ৫২:২০
৭৮ নং সূরা আন নাবার ৩১-৩৩ নং আয়াতে আছে,
“৩১। পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য ৩২। উদ্যান, আঙ্গুর, ৩৩। সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী” ৭৮:৩১-৩৩

৩৮ নং সূরা সোয়াদ এর ৫২ নং আয়াতের সরলার্থ,
“তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না সমবয়স্কা রমণীগণ”-২৮:৫২

কি চমৎকার! জান্নাত মানেই রমনী, অনন্ত যৌবন। কাউকে চিরকুমারী রমনীর লোভ দেখানো কি অশ্লীলতা নয়?

কোরানে বেহেস্তের লোভ দেখানোর জন্য হুরদের কথা কেবলমাত্র এ কারণে বলা হয়েছে যে এরা হচ্ছে মুমিনদের যৌনসংগী। যৌন প্রলোভন এবং যৌনসংগীদের বর্ণনা কি অশ্লীলতার দায়ে দুষ্ট নয়! আর হাদীস অনুসারে ৭২ জন নারীর সাথে গ্রুপ সেক্স করার প্রলোভন কোন ধরনের শালীনতার দৃষ্টান্ত!

ইসলাম বিতর্ক বইটির বিরুদ্ধে অভিযোগ যে এটি অশ্লীল এবং অশালীনতায় পূর্ণ। আমি ঠিক জানি না, রাষ্ট্রীয় আইনে অশ্লীলতার কি সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে শ্লীল কিংবা অশ্লীলতায় বিশ্বাস করি না। তবে যেহেতু বইটির শেষ অংশ নিয়েই অভিযোগটা বেশি জোরালো হচ্ছে, এবং যেহেতু সেখানে মুসলমানদের নবী মোহাম্মদের যৌন জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, সেহেতু ধরে নেয়া যায় যৌনতা নিয়ে শব্দ চয়ন করাটা অশ্লীলতা। যৌনতা নিয়ে শব্দ চয়নকে যদি অশ্লীলতা ধরে নিই, তাহলে যৌনশিক্ষা ও প্রজনন বিদ্যাকে অশ্লীলতার দায়ে বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলে, অশ্লীলতা কী? ধরে নিলাম, শুধু যৌনতাপূর্ন শব্দই নয়, সাথে যৌনক্রিয়ার বর্ননা কিংবা যৌনাবেদনময় শব্দ কিংবা প্রলোভন যুক্ত বাক্যগুলো অশ্লীল। যদি তাই হয়, এবং এ কারণে ইসলাম বিতর্ক বইটি বন্ধ করে দেয়া হয়, এবং এই যুক্তিতে কেউ যদি যৌনাবেদন ও যৌনতার প্রলোভনে পূর্ণ কোরান ও হাদীস গ্রন্থগুলো নিষিদ্ধ করার দাবী করে, তাহলে তার দাবী অগ্রহনযোগ্য কিংবা অযৌক্তিক হবে কি?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৭ thoughts on “লেখাটি অশালীন, না পড়ার অনুরোধ করছি

  1. “লেখাটি অশালীন, না পড়ার
    “লেখাটি অশালীন, না পড়ার অনুরোধ করছি”– এই বাক্যটার কমাটা একটু পরিবর্তন করে দিয়ে এইভাবে হোক,
    “লেখাটি অশালীন না, পড়ার অনুরোধ করছি”

  2. এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে
    এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে জনসমক্ষে চুমু ; দেহলেহনের আহবান জানিয়ে ফেসবুক; ব্লগ মাত করেছেন। সমকামিতার মত অশ্লীল আচরনের পক্ষে কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন; নিয়মিত ইউরোপের স্ট্রিপ ক্লাবগুলোতে রাত কাটাতে যান।– আপনাদের প্রাত্যাহিক এসব আচরন যদি আশ্লীল না হয়; তাহলে কোরান পরকালে নারী সংগীর কথা বললে সেটি অশ্লীল হতে যাবে কেন রে ভাই। একটু বুঝিয়ে বলবেন।

    1. এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে

      এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে জনসমক্ষে চুমু ; দেহলেহনের আহবান জানিয়ে ফেসবুক; ব্লগ মাত করেছেন। সমকামিতার মত অশ্লীল আচরনের পক্ষে কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন; নিয়মিত ইউরোপের স্ট্রিপ ক্লাবগুলোতে রাত কাটাতে যান।- – See more at: https://istishon.blog/node/15903#sthash.BR6g9UyB.dpuf

      রাইট, হাবশী গোলাম ভাই। নাস্তিকতা মানেই যেন প্রকাশ্যে সেক্স, লিভ টুগেদার, অন্ধভাবে, ঢালাওভাবে সমকামিতা ও উভয়কামীতার সবটুকুকে সমর্থন, বাপ-মেয়ে, মা-ছেলের সেক্সকে সমর্থন ইত্যাদি। যেমন, ব্লগার রাজীব হায়দার বাপ-মেয়ের সেক্সকে সমর্থন করে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলো। এসব নীতি-নৈতিকতাহীন কাজকর্ম, অর্বাচীনতা, অন্ধত্ব, উগ্রতা, সীমালংঘনের কারণেই আমি নিজে নাস্তিক হয়ে বাংলাদেশের এইসব নাস্তিকদের চেয়ে মুসলমানদের সঙ্গই বেশী পছন্দ করি; তাদেরকেই এইসকল নাস্তিকদের চাইতে উন্নত মানুষ মনে করি। দুই-একজন বাদে বাংলাদেশের বেশিরভাগ নাস্তিকই মার্কামারা আর স্টুপিড; এদের পতন তাই অনিবার্য।

      1. হ্যা শেহজাদ ভাই;নাস্তিক
        হ্যা শেহজাদ ভাই;নাস্তিক আস্তিক আর সুশীল সমাজের সব সুস্থ্যধারার মানুষের উচিত হবে এই উগ্র আর ভন্ড গ্রুপটার বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়া।
        সুশীল সমাজের অনেকেই এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন। আমি খুব আশাবাদী।

        1. হ্যা শেহজাদ ভাই;নাস্তিক

          হ্যা শেহজাদ ভাই;নাস্তিক আস্তিক আর সুশীল সমাজের সব সুস্থ্যধারার মানুষের উচিত হবে এই উগ্র আর ভন্ড গ্রুপটার বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়া। সুশীল সমাজের অনেকেই এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন। – See more at: https://istishon.blog/node/15903#sthash.1g84jkwK.dpuf

          আমি ওদের বিরুদ্ধে একাট্টা বলেই ব্লগের অনেক সিনিয়র ব্লগারসহ অনেকেই আমাকে দেখতে পারেন না এবং আমার ব্যাপারে অনেক সন্দেহ পোষণ করেন। পারলে আমাকে উগ্রবাদী ফারাবীদের দোসর বানাতেও দ্বিধা করেনা।

          আমাকে নাস্তিক বলে এমন লোকের সংখ্যা কম নয়; কিন্তু ব্লগে আর ফেসবুকে নাস্তিক পরিচয়ে কিছু মানুষ যে অশ্লীলতা, সীমালংঘন আর নীতি-নৈতিকতাহীন কাজকর্ম করেন, তার বিরোধীতা করি বলে তারা আমার উপর বেজার। প্রকৃতপক্ষে, মানবতাহীন, নীতি-নৈতিকতাহীন, উগ্র ও অশ্লীল নাস্তিকদের চেয়ে অন্ধবিশ্বাসী কিন্তু মানবিক, নীতিবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন, মধ্যপন্থী মুসলমানরাই আমার কাছে বেশী প্রীতিকর।

      2. আমি ব্যক্তিগতভাবে শ্লীল কিংবা

        আমি ব্যক্তিগতভাবে শ্লীল কিংবা অশ্লীলতায় বিশ্বাস করি না।


        আপনার পক্ষে তো শ্লীলতা বা অশ্লীলতা নির্ধারন করা সম্ভব নয়। কারন আপনাদের জীবনে ধর্ম নির্ধারিত কোন সীমারেখা নেই। বরং জীবনে যাচ্ছে তাই করার ফ্রী লাইসেন্স আছে।

    2. // আপনাদের প্রাত্যাহিক এসব
      // আপনাদের প্রাত্যাহিক এসব আচরন যদি আশ্লীল না হয়; তাহলে কোরান পরকালে নারী সংগীর কথা বললে সেটি অশ্লীল হতে যাবে কেন রে ভাই। একটু বুঝিয়ে বলবেন। //

      আমি পোস্টেই বলেছি যে অশ্লীলতায় বিশ্বাসী না। পোস্টের মূল বক্তব্য হলো, যৌনতা প্রলোভন যদি অশ্লীল হয় তাহলে কোরানে যে প্রলোভনের কথা বলা হয়েছে তা কেন অশ্লীল নয়।

      1. আসলে সেটাই। উপরের প্রথম
        আসলে সেটাই। উপরের প্রথম কমেন্ট টিতে মনে হয় ভদ্রলোক কিছুটা বুঝতে ভুল করেছেন । অর্থাৎ উনার প্রশ্ন ছিলঃ

        “এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে জনসমক্ষে চুমু ; দেহলেহনের আহবান জানিয়ে ফেসবুক; ব্লগ মাত করেছেন। সমকামিতার মত অশ্লীল আচরনের পক্ষে কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন; নিয়মিত ইউরোপের স্ট্রিপ ক্লাবগুলোতে রাত কাটাতে যান।– আপনাদের প্রাত্যাহিক এসব আচরন যদি আশ্লীল না হয়; তাহলে কোরান পরকালে নারী সংগীর কথা বললে সেটি অশ্লীল হতে যাবে কেন রে ভাই। ”

        কিন্তু আসলে প্রশ্নটি যদি একটু ঘুরিয়ে করা হয়, যেমন এরকমঃ

        “কোরান পরকালে নারী সংগীর কথা বললে সেটি যদি অশ্লীল না হয়, তাহলে এই দুদিন আগেই বান্ধবীকে জনসমক্ষে চুমু ; দেহলেহনের আহবান জানিয়ে ফেসবুক; ব্লগ মাত করা, সমকামিতার মত অশ্লীল আচরনের পক্ষে কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া ; নিয়মিত ইউরোপের স্ট্রিপ ক্লাবগুলোতে রাত কাটাতে যাওয়া– প্রাত্যাহিক এসব আচরন অশ্লীল হতে যাবে কেন রে ভাই। ”

        তাহলেই আর্টিকেল এর বক্তব্যটি বুঝতে সুবিধা হয় । লেখক কিন্তু অস্বীকার করেন নাই যে চুমু খাওয়া, দেহলেহন ইত্যাদি ব্যাপারগুলো । কিন্তু উনার প্রশ্ন ছিলঃ এই ব্যাপার গুলি যদি অশ্লীল হয়, তবে কোরআনে বর্ণিত উল্লেখিত বিশয়গুলি কেন অশ্লীল হিসাবে গন্য হবেনা ?

        ঠিক বললাম কি?

        ধন্যবাদ।

        1. @পৃথু স্যন্যাল এবং
          @পৃথু স্যন্যাল এবং বাবাজীবন

          আমি পোস্টেই বলেছি যে অশ্লীলতায় বিশ্বাসী না। পোস্টের মূল বক্তব্য হলো, যৌনতা প্রলোভন যদি অশ্লীল হয় তাহলে কোরানে যে প্রলোভনের কথা বলা হয়েছে তা কেন অশ্লীল নয়।

          প্রশ্নটা হচ্ছে যৌনতার প্রলোভন কে দেখাচ্ছে। যদি উত্তরটা হয় আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা তাহলে সেটি আদৌ অশ্লীল নয়। যে কোন আচরনের অনুমোদন দান বা নিষিদ্ধ করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর বা সৃষ্টিকর্তারই আছে। এবং এটা সম্পুর্ন তার ইচ্ছাধীন। সেটা আপনার কাছে অশালীন মনে হলেও কোন লাভ নাই রে ভাই।

  3. কুরআন ভালোভাবে না পড়ে, না
    কুরআন ভালোভাবে না পড়ে, না বুঝে বিকৃত-লেখার দ্বারা লেখক হওয়া যায় না। আল্লাহ-রাসুল-ইসলাম কিংবা যেকোনো ধর্মবিরোধী লেখা বাদ দিয়ে ভণ্ডদের বিরুদ্ধে লেখা উচিত।
    আল-কুরআন আল্লাহর বাণী। তাকে কোনোভাবেই হেয়প্রতিপন্ন করা সমীচীন নয়।
    মহান আল্লাহ সবাইকে শুভবুদ্ধি দিন।

  4. পৃথ্যু
    পরকালে স্বর্গবাসীদের

    পৃথ্যু
    পরকালে স্বর্গবাসীদের অবাধ যৌনতার স্বাদ দেয়া হবে এটাই স্বাভাবিক। এতে দোষের কিছু নাই। কারন আমরা যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেই ঈশ্বর আছেন তাহলে শ্লীলতা আর অশ্লীলতার সীমারেখা নির্ধারনের অধিকার শুধু ঈশ্বর বা আল্লাহর। আমার কিম্বা আপনার নয়।
    তাই কোরানের আল্লাহ পরকালে অবাধ যৌনতার লোভ দেখিয়েছেন যেটা স্বর্গবাসীর জন্য স্বাভাবিক। কিন্তু একই আচরনকে পৃথিবীর মানুষের অশ্লীল নির্ধারন করা হয়েছে।
    কিন্তু আপনি যহেতু ঈস্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাসী নন তাই আপনার জন্য শ্লীলতা বা অশ্লীলতার কোন সীমারেখা নেই। অবাধ যৌনতা, প্রকাশ্য রতীলিলা , নগ্নতা ইত্যাদি শ্লীল না অশ্লীল সেটা নির্ধারনের কোন স্কেল বা পরিমাপক আপনার হাতে নেই।
    কিন্তু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যাক্তির অবস্থা ঠিক আপনার বিপরীত। তার কাছে ঈশ্বর নির্ধারিত শ্লীল অশ্লীল আচরনের সীমারেখা আছে। তাই তারা এসব নিয়ে চিতকার চ্যাচামেচী করবেই।

    1. // পরকালে স্বর্গবাসীদের অবাধ
      // পরকালে স্বর্গবাসীদের অবাধ যৌনতার স্বাদ দেয়া হবে এটাই স্বাভাবিক। এতে দোষের কিছু নাই। //

      মেনে নিলাম দোষের কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এগুলো অশালীন কি না!

      1. আপনি আমার মন্তব্য ভালভাবে
        আপনি আমার মন্তব্য ভালভাবে পড়েন নি। আমি আগেই বলেছি আমরা যদি ধরে নেই ঈশ্বর আছেন তাহলে শালীনতা বা অশ্লীলতার সীমারেখা নির্ধারিত করার অধিকার শুধু ঈশ্বরের।
        স্বর্গে ঈশ্বর মদ; গাজা; নারী এগুলোর যথেচ্চ অনুমোদন দান করলে ; সেটি আমাদের কাছে অশালীন মনে হলেও কিছু যায় আসে না। কারন শালিন-অশালীন আচরন নির্ধারনের অথারিটি আমাদের হাতে নেই। মানুষের জন্য ঈশ্বর অনুমদিত আচরনই হচ্ছে শালীন ; অন্তত ধার্মিকরা তাই মনে করে। এই সহজ বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করুন।

      2. মূর্খের মত একই প্রশ্ন বারবার
        মূর্খের মত একই প্রশ্ন বারবার কেন করছেন? রুশদী তো বল্লই ঈশ্বরই শালীন-অশালীন নির্ধারনের মালিক। আর ঈশ্বরের অভিশাপ এইডস মহামারি পৃথিবীতে নিয়ে আসার জন্য এই নাস্তিকরাই দায়ি।

    2. মানলাম ইস্বরের ঠিক করে দেয়া
      মানলাম ইস্বরের ঠিক করে দেয়া প্যারামিটারই শ্লীলতার স্কেল। সমস্যা হল কোন ইশ্বর? মুছল্মান্দেরটা নাকি বাকি সাড়ে চার হাজার যেই ধর্ম আছে সবারটাই? সবগুলা মানবেন কিভাবে? একটা তো আরেকতার সাথে কন্ট্রাডিক্টরী।
      যদি মুছলমান্দেরটাই হয় তালে অন্যদেরটা কেন না?
      ইশ্বরের শ্লীলতা মিটার কি তার বইয়ের ক্ষত্রে খাটে নাকি সেটা এর বাইরে?
      যদি বাইরে হয় তালে যে নিয়ম ইশ্বরই মানেনা সেটা আরেকজনকে সেটা মানতে বলার অধিকার মানুষকে কে দিল?

      1. যার শ্লীলতার স্কেল মানলে এইডস
        যার শ্লীলতার স্কেল মানলে এইডস সহ যাবতিয় মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় তিনিই সত্য ! আর নাস্তিকরাই একমাত্র প্রানি যারা শালীনতা দুরে থাক প্রকৃতির সকল সীমা ছারিয়ে নারীকে বাদ দিয়ে পুরুষ, গরু-ছাগল, কুকুর,গাধা, ঘোরা,বানর খেতা বালিস সব কিছুর সাথেই যৌন কর্ম করতে যায় !! আর নাস্তিকদের সীমা আতিক্রমের এই ফলই হচ্ছে এইডস।

        1. গালাগালি.. ধর্মান্ধদের জন্যই
          গালাগালি.. ধর্মান্ধদের জন্যই সাজে.. তুমি তো ইশ্বরের কাল্পনিক হুরদের লোভে পড়েছো.. গালাগালি তোমার জন্যই মানায়. একটা গালি দিয়া যদি এক্কান হুর পাইয়া যাই.. ক্ষতি কি তাতে?।

  5. উপরে অনেকের মন্তব্য দেখলাম।
    উপরে অনেকের মন্তব্য দেখলাম। অনেকে নাস্তিকতা মানেই মনে করেন অশালীন,কুরুচি,ইনসেস্ট বাল ছাল। যাই হোক,কয়েকজনের মন্তব্য দেখে আমার বিশ্বাস টা পোক্ত হল। এখানে আমার খুব বেশি কিছু বলার নাই। কারন বলেও তারা যা ধারনা করেন,তাই লালন করবেন,তা সে যা কিছুই হোক। শুধু একটা অনুরোধ- দয়া করে কি নিজের মস্তিস্ক অন্য কারো কাছে ধার না দিয়ে নির্মোহ ভাবে বিচার করে মন্তব্য করবেন? আপনি যা মানছেন,তা কন্ট্রাডিক্টরি কি না?

  6. ”তোমরা অশ্লিলতার কাছেও
    ”তোমরা অশ্লিলতার কাছেও যেওনা” এটাই হচ্ছে আল্লাহ পাকের দেয়া পৃথিবীবাসির জন্য যৌনতার সীমা। আর এইডস ই পৃথিবীর মানুষ কে জানিয়ে দিয়েছে যে আল্রাহ পাকের দেয়া যৌনতার সীমা ঠিক কিনা । আর কোরানে যে নারীদের বর্ননা দেয়া আছে, তা যারা তার দেয়া সীমা মানবে তাদের জন্য আখেরাতের পুরুষ্কার, নাস্তিকদের জন্য হচ্ছে জাক্কুম বৃক্ষ আর অনন্ত জাহান্নাম ! এই নাস্তিক বাল ছাল, মাগিবাজ, জারজদের তো তার মধ্যই থাকতে হবে চিরকাল। যেহেতু কোরানে এদের বিশ্বাস নেই তাই এই মদখোর গাজাখোর মস্তিষ্কহীন মাদারফাকার রা কোরান পরে এতটুকুও বুঝতে পারে না যে কোন টা দুনিয়ার সীমা আর কোনটা আখেরাতের সীমা ।

  7. লেখায় যুক্তি আছে। প্রায় সব
    লেখায় যুক্তি আছে। প্রায় সব কমেন্টেই দেখলাম, এখানে কিছুই বলতে নেই। তবে “শামীম” ভাই বলেছেন
    “আর ঈশ্বরের অভিশাপ
    এইডস মহামারি পৃথিবীতে নিয়ে
    আসার জন্য এই নাস্তিকরাই দায়ি।”
    আচ্ছা ভাই আপনি কি সৃষ্টিকর্তার সাথে শিরক করলেন না তো?

  8. সময়ই সব বলে দেবে। অতি
    সময়ই সব বলে দেবে। অতি পন্ডিতদের ভীড়ে এসে ঘাবড়ে গেছি। ভুল করেছি এই ব্লগে নিবন্ধন করে। কেউ কি আমাকে বলবেন কিভাবে আইডিটা ডিলিট করা যায়। কেন লিখছি তা নিশ্চই দুই পক্ষই বুঝতে পারছেন। আমার অত জ্হান নেই। আমি বাহাস করতে চাইনা। ওহ আর পারিনা রে।

  9. ইশ্বর যদি নারীর লোভ দেখাতে
    ইশ্বর যদি নারীর লোভ দেখাতে পারে.. তাহলে ইস্বরই সর্ব প্রথম নারীভোগী.. অথচ আহমক রা তা মেনে নিতে চায়না…

  10. শ্রীমান পৃথু স্যন্যাল, আপনার
    শ্রীমান পৃথু স্যন্যাল, আপনার মত চটি লেখকরা, কেন চটি লেখা বাদ দিয়ে কোরআন কে ব্য়াখ্য়া করার গুরু দ্বায়িত্ব নিলেন তা বোধগম্য় নয়.. আপনার স্বল্প জ্ঞান দিয়ে কোরআনের মত ঐশী কিতাবকে ব্য়াখ্য়া করতে গেলে, এমন খিচুড়ী পাকাবেন , এটাই স্বাভাবিক….

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 32 = 41