ইসলাম পূর্ব আরব ও আরবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সাথে নবী ও আল্লাহর দেওয়া আদর্শ বা শিক্ষা (!?)

এতদিন জেনেছি, ইসলাম পূর্ব আরব ছিল জাহেলী বা অন্ধকারের যুগ । মেয়ে বাচ্চা হলে নাকি জীবন্ত কবর দেওয়া হতো । ইসলাম আরবে আলো এনেছেল, আসলেই কি তাই ? তাই যদি হতো তাহলে খাদিজা একজন বড় ব্যবসায়ী হয়েছিল কিভাবে ? আসুন একটু জানার চেষ্টা করি ।

ইসলাম পূর্ব আরব বা হেজাজে (মক্কা ও মদিনাকে একত্রে হেজাজ বলা হতো) আর্থ সামাজীক অবস্থা কেমন ছিল তা জানাটা মনেহয় জরুরী । যদিও মদিনার আগের নাম ছিল ইয়াসরিব, মদিনা নামটি মুসলিমদের দেওয়া । আবার লাহাবের আসল নাম আব্দুল উজ্জা অর্থ উজ্জার দাস ,লাহাব নামটা মুসলিমদের দেওয়া । ইতিহাসকে বিতর্কিত করাই এই নাম পরিবর্তনের কারন বলেই আমার ধারনা ।

দুর্গম,মরু শুস্ক আরবের মক্কায় বাস করত বেদুঈন জাতি । গরুর লেজ এদের অমর্যদা এবং ঘোড়ার মুখ ছিল মর্যদার প্রতিক অর্থাৎ কৃষি নয় পশুপালনই ছিল তাদের মূল পেশা । যদিও মদিনার লোকদের কৃষিই ছিল জীবিকার মূল উৎস । সেই সময়ে মক্কা বাসীরা ছিল বাস্তববাদী ও আবেগপ্রবন । তারা কোন কবিতা শুনে যেমন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যেত তেমনি কোন কবিতা শুনে হত্যা করতে দিধা করত না । তাদের চিন্তাভাবনা ছিল বৈষয়িক ও প্রত্যাহিক অভিজ্ঞতার উপরে নির্ভরশীল। কোন রূপ আধ্যাত্মিক, অলৌকিকতায় তারা ধরার মধ্যে নিত না । অতিত কাল থেকেই তারা কুসংস্কার ও অন্যান্য বিভ্রমের স্বীকার হতো । মরু অঞ্চলে কোন পাহাড়ের নিচে কোন ক্ষতিকর দানব থাকতেই পারে বলে তারা বিশ্বাস করত । সহিংসতা তাদের জীবনে ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা । আইন ও বিচারের প্রতি তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ ছিল না । লুটের মাল পেতে যা করা দরকার তার সবই করত সিনা টান করে । আরব বেদুইনরা কারো কাছে হেরে গেলে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিরোধী দলে যোগ দেওয়া তাদের কাছে ছিল ডাল ভাত । ক্ষমতা ও ভোগ দখলই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য ।

তাদের পাশাপাশি অনেকেই এক ঈশ্বরবাদীও ছিল । এতে করে তাদের মধ্যে কোন ধর্মিয় সংঘাতের কোন ইতিহাস পাওয়া যায় না । ধর্ম নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা ছিল না । মাথা ব্যাথা ছিলই শুধু কাবাকে ঘিরে ব্যাবসা বা আর্থিক সম্পর্কিয় বিষয়ে ।

তারা দম্ভ ও আত্মপ্রকাশেও থাকতো সদা প্রস্তুত । এমন কি নিজেদের দোষত্রুটিও তারা গর্ব ভরে প্রকাশ করত । আত্ম সমালোচনা ছিল তাদের নীতি বিরুদ্ধ । নিজের গর্বে গর্বিত হওয়া ছিল তাদের মজ্জা গত স্বভাব । শুধু মাত্র বছরের চারটা মাস তারা সকল প্রকার অন্যায় থেকে দূরে থাকতো । তাদের চরিত্র সম্মন্ধ্যে এই আয়াতই জ্বলন্ত উদাহরন দেয় –

“বেদুইনরা কুফর ও মোনাফেকীতে অত্যন্ত কঠোর হয়ে থাকে এবং এরা সেসব নীতি-কানুন না শেখারই যোগ্য যা আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূলের উপর নাযিল করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ সব কিছুই জানেন এবং তিনি অত্যন্ত কুশলী।“ (কোরান-৯ঃ৯৭)

তাদের মূল দেবতা ছিল আল্লাহ । প্রমান এই হাদিসেই —

মদিনার অন্য এক নেতৃস্থানীয় লোক সা’দ বিন মুয়াজ যখন ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা গিয়েছিলেন, মক্কার দ্বার-প্রান্থে আবু জেহেল তাঁকে বাধা দিয়ে বললেন-‘তুমি কি মনে করো তোমাকে শান্তিতে হজ্ব করতে দেয়া হবে, যখন তোমরা আমাদের দুশমনদেরকে (নবী মুহাম্মদ)পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছো এবং নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছো? তুমি যদি উমাইয়া বিন কাহাফের অতিথি না হতে আল্লাহর কসম এখান থেকে জীবিত ফিরে যেতে পারতে না।’ সা’দ বললেন-‘আবু জেহেল, আল্লাহর কসম, তুমি যদি হজ করতে আমাকে বাধা দাও তাহলে তোমাদেরকে এমন এক জায়গায় বাধা দেবো, যা হবে তোমাদের জীবনমরণ সমস্যা। আমরা মদিনার কাছে তোমাদের বাণিজ্য-পথ বন্ধ করে দেবো’। (‘তাফহিমুল কোরআন’ পৃষ্ঠা ১১৮-১২৭)

এখানে দেখুন প্যাগন ধর্মী আবু জেহেল ও ইসলাম ধর্মের সা’দ উভয়েই আল্লাহর নামে কসম করেছেন ।
এছাড়া যেমন আবদুলাহ অর্থ আলাহর দাস , আব্দুল উজ্জা অর্থ উজ্জার দাস ।

উপাসনায় তাদের তেমন কোন আন্তরিকতা ছিল না । পাথর পূজা বা পাথরের চারিদিকে ঘোরা (কাবার চারিদিকে ঘোড়া)তাদের ধর্মিয় যা প্রথা ছিল তাতে নগদ প্রাপ্তিটাই ছিল মূল লক্ষ্য । যেমন আল্লাহ ছাড়াও এদের একেক গোত্রের ছিল একেক দেবতা । কোন গোত্রকে আক্রমন করতে গেলে সেই গোত্রের দেবতার পূজা দিয়ে তার পরে সেই গোত্রকে আক্রমন করত । তারা ভাবতো পূজা দেওয়াতে সেই দেবতা সন্তুষ্ট হয়েছে এবং ঐ গোত্রকে আর রক্ষা করবে না । এভাবেই তারা কাবাকে ভরিয়ে ফেলেছিল ৩৬০টি দেবতায় । এতে করে ভিন্ন ভিন্ন দেবতার অনুসারীদের মধ্যে সুসম্পর্করই ইংগিত বহন করে । একমাত্র যুদ্ধ করে জীবিকার স্বার্থে তাদের মধ্যে মেয়ে সন্তানের চেয়ে ছেলে সন্তানের চাহিদাই ছিল বেশী । দেবতাদের মধ্যে লাত মানত ও উজ্জা ছিল আল্লাহর ৩ মেয়ে এবং আল্লাহর পরেই প্রধান দেবতা । যার প্রমান হিসাবে আল্লাহকে শুধুই মেয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কোরানেও আল্লাহ গোসসা প্রকাশও করেছেন –

“তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওজ্জা সম্পর্কে। এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে? পুত্র-সন্তান কি তোমাদের জন্যে এবং কন্যা-সন্তান আল্লাহর জন্য? এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন। (কোরান ১৭ঃ ১৯-২২) ।

নবী আরব বেদুইনদের এই চরিত্র বুঝতে পেরে মদিনাতে হিজরতের পরে কোরাইশদের কাফেলা আক্রমন করে গনিমতের মাল আল্লাহর দ্বারা জায়েজ করলেন । এতে করে আস্তে আস্তে তাদের মনোবল যেমন বেড়েছে তেমনি তারা ক্ষমতার শীর্ষে বসার স্বপ্নও দেখা শুরু করলেন । এর পরেই শুরু হলো দুর্বল গোত্রের উপর আক্রমন । আল্লাহর মাধ্যমে লুটপাট, হত্যা লুন্ঠন । হত্যা ও লুন্ঠন আগেই বৈধতা পেয়েছিল কিভাবে দেখুন হাদিসের মাধ্যমে –
সহি মুসলিমঃ বুক নং-৮, হাদিস নং-৩৪৩২:
আবু সাইদ আল খুদরি (রাঃ) বলেছেন যে হুনায়েনের যুদ্ধকালে আল্লাহর রাসুল (দঃ) আওতাস গোত্রের বিরুদ্ধে একদল সৈন্য পাঠান। তারা তাদের মুখোমুখি হলো এবং তাদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলো। যুদ্ধে পরাজিত করার পর কিছু বন্দী তাদের হাতে আসল। রাসুলুল্লার কিছু সাহাবি ছিলেন যারা বন্দিনীদের সাথে সহবাস করতে বিরত থাকতে চাইলেন, কারণ তাদের স্বামীরা ছিল জীবিত । কিন্তু বহু ঈশ্বরবাদী।
(এই কাজকে যুদ্ধ বলবেন নাকি ডাকাতি বলবেন সেই দায় আপনাদের )

তখন মহান আল্লাহ পাক এ সম্পর্কে নিজেই নারী ধর্ষকেও বৈধতা দেওয়ার জন্য নাজিল করলেন আয়াত –

তোমাদের জন্যে অবৈধ করা হয়েছে নারীদের মধ্যে সধবাগণকে (অন্যের বিবাহিত স্ত্রীগণকেও); কিন্তু তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন”।(সুরা ৪:২৮)

মুশরিকদের স্ত্রী অথবা বন্দী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে আমাদের যৌনাঙ্গকে সংযত না রাখলে আমরা তিরস্কৃত হবে না (কুরআন ২৩: ৫-৬)।

এভাবেই নবী নারী ধর্ষন ও ডাকাতি প্রাপ্ত মালামাল পাওয়ার বৈধতা দিয়ে দল ভারী করলেন ও শুধু অস্ত্রের জোরে দখল নিয়ে নিজে হয়ে গেলেন মদিনায় আরবের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী । ফলে ইসলাম পূর্ব বর্তি আরব ও ইসলামের আরবের মধ্যে হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন গনিমতের মাল সৎ কর্ম হিসাবে রূপ নিলো । আর এই কাজে একদিকে যেমন অর্থনৈতিক ও নারী ভোগের সুবিধা আসলো অপর দিকে তেমনিই আসলো জান্নাতের নিশ্চয়তা । কোরানেই যার প্রমান –

“আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য।“ (সূরা আত তাওবাহ: ১১১) ।

বিভিন্ন ডাকাতি (ইসলামে যাকে যুদ্ধ বলেছে) সময় জান্নাত ও গনিমতের মালের লোভ দেখানোর জন্য নাজিল হয়েছে এইসব আয়াত –

“আল্লাহ তোমাদেরকে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদের ওয়াদা দিয়েছেন, যা তোমরা লাভ করবে। তিনি তা তোমাদের জন্যে ত্বরান্বিত করবেন “। (কোরান ৪৮:২০)

“তিনি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করবেন”। – ৪৭-৫

অতঃপর তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যা তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন। – ৪৭-৬
হে বিশ্বাসীগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর, আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন
এবং তোমাদের পা দৃঢ়প্রতিষ্ঠ করবেন।
৪৭-৭
“মুশরিকদের স্ত্রী অথবা বন্দী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে আমাদের যৌনাঙ্গকে সংযত না রাখলে আমরা তিরস্কৃত হবে না”। (কুরআন ২৩: ৫-৬)।
“যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।“ (কোরান ৮৫ঃ ১১) ।

ফলে একদিকে অস্ত্রের ভয় অন্যদিকে গনিমতের মালের ধন সম্পদ ও ধর্ষনের লোভে বেদুঈনদেরকে মুসলিম বানানো সহজ হয়েছিল । কারন তাদেরকে শুধু মোহাম্মাদকে নবী মানা ও মুর্তিগুলি ত্যাগ করা ছাড়া আর তেমন কিছুই করতে হয় নাই । কারন আল্লাহকে তো তারাও মূল দেবতা হিসাবে আগে থেকেই মানতো তাই না ? দেখুন আল্লাহ নিজে কিভাবে তার প্রমান দিচ্ছেন –

“যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, কে নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছে, চন্দ্র ও সূর্যকে কর্মে নিয়োজিত করেছে? তবে তারা অবশ্যই বলবে আল্লাহ। তাহলে তারা কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে?” (কোরান – ২৯ঃ৬১)

এই আয়াত দ্বারা এই প্রমান হয় যে শুধু মোহাম্মদকে নবী মানাটাই ছিল সংঘাতের মূল কারন । বরং এতে সব দিক থেকে নবীর সুবিধাই হয়েছে বেশী । যা তাদের জন্য ছিল অতি আবশ্যিক । কিন্তু গ্যাঞ্জাম বাধলো গনিমতের মালের ভাগ নিয়ে ঠিক তখনই নাজিল হলো –

আর এ কথাও জেনে রাখ যে, কোন বস্তু-সামগ্রীর মধ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসাবে পাবে, তার এক পঞ্চমাংশ হল আল্লাহর জন্য, রসূলের জন্য, তাঁর নিকটাত্নীয়-স্বজনের জন্য এবং এতীম-অসহায় ও মুসাফিরদের জন্য; যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে আল্লাহর উপর এবং সে বিষয়ের উপর যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি ফয়সালার দিনে, যেদিন সম্মুখীন হয়ে যায় উভয় সেনাদল। আর আল্লাহ সব কিছুর উপরই ক্ষমতাশীল। (কোরান ৮:৪১) ।

এই ভাগ আল্লাহ তো স্বয়ং নিতে আসে না আল্লাহর এজেন্ট হিসাবে নিলো তার নবী । ফলে নবীও দিন দিন আর্থিক দিক দিয়ে ও ক্ষমতার দিক দিয়ে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল । মাঝখানে সমাজে সত্য ও সৎ কাজ হিসাবে প্রতিষ্ঠা হলো হত্যা, ধর্ষন ও লুন্ঠন । চুরির জন্য হাত কাটার আইন থাকলেও ডাকাতি, লুন্ঠন, ছিনতাই এর জন্য কোন শাস্তি নাই (হাদিস মোতাবেক, যদিও এই হাদিসটা মোল্লারা লজ্জায় সহি নাকি সহি নয় তার জন্য অপেক্ষোমান করে রেখেছেন )।

এতে করে একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে যায় যে, নবীকে অন্তর থেকে মেনে ইসলামে দিক্ষিত লোকের চেয়ে ভয়ে ও গনিমতের মালের জন্যই ইসলামে যোগ দিয়েছিল অধিকাংশ আরব অনারব নিচু শ্রেণীর মানুষ । (অথচ খাদিজার চাচাতো ভাই নওফল যে প্রথম মোহাম্মাদকে নবী হওয়ার বার্তা দিয়েছিল সেই নওফল কোন দিনই ইসলাম গ্রহন করে নাই । এমন কি নবী তার মায়ের জন্য দোয়া করলেও কোন দিন তার বাবার কবর জিয়ারত করেছেন বলেও শোনা যায় না )। ফলে যার প্রমান হিসাবে দেখা যায় নবীর মৃত্যুর পরে অনেকেই ইসলাম ত্যাগ করে চলে গেছিল আগের ধর্মে এবং প্রায় সকল খলিফাকেই তাদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধও চালাতে হয়েছিল । আর এই গনিমতের মাল সরবরাহ ঠিক রাখতেই তারা আক্রমন করা শুরু করল আশে পাশের দেশ বা অঞ্চল গুলিতে ।

যাইহোক , ইসলাম এসে তাদের নিজেদের এক গোত্র অন্য গোত্রকে আক্রমন থেকে বাচালো বটে কিন্তু কূরাইশ বা আরবদের দাম্ভিকতার কোন কমতি হলো না । মাঝখানে আসে পাশের দেশ ও অঞ্চলের শিক্ষা সংস্কৃতি সভ্যতা ইতিহাস বিলিন হয়ে কুক্ষীগত হলো অসভ্য “ডাকাতির মালামাল লোভী, দখলদার ও নারী লোভী” বেদুইনদের হাতে । যার উদাহরন ভারতের তক্ষশীলা ও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, যা আজও চলছেই । কথায় আছে – “কোন সাধকের সন্মান বৃদ্ধি নির্ভর করে তার মাজারে নিয়োজিত খাদেমের উপরে “ ।

তথ্য সূত্র ঃ
) আলি দস্তির মোহাম্মদের ২৩ বছর ।
) হাদিস সহি মুসলিম ।
) ‘তাফহিমুল কোরআন’ ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 2 =