নৈতিকতা নিয়ে কিছু কথা

বর্তমানে কম বেশি সকল ধার্মিকগনই একটা ব্যপারে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সাধারণ অভিযোগ করতে চান; যেহেতু নাস্তিকদের ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা নেই, পাপ পূন্যের হিসাব ও বোধ নেই, সেহেতু ধর্মহীন সমাজ মাৎসান্যায়ে পরিণত হবে। মানুষ যে যার মত, যা ইচ্ছে খুশি তাতে লিপ্ত হবে। ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে, সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা আছে এতে। তারা নাস্তিকদের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন কেন নাস্তিকেরা ভাল কাজ করবেন যেখানে ভাল-মন্দের বিচারই নেই? অথবা, পরকালের যেহেতু কোন হিসেব নেই, নাস্তিকদের মতে একটাই জীবন, একে উপভোগ করার জন্য যা ইচ্ছা তা করলে ক্ষতি কি? এতে অন্যের যত অসুবিধাই হোক না কেন?

সেদিন ব্লগে একজন আস্তিক ব্লগার বেশ কিছু প্রশ্ন করেছেন। এরমধ্যে একটা হলো, “একজন নাস্তিক হিসেবে আপনি কেন সুশীল আচরন করবেন? আপনার যদি মনে হয় কাওকে খুচিয়ে খুচিয়ে মারাতেই আনন্দ, তাহলে তার সেই আনন্দ লাভের চেস্টা করতে দোষ কোথায়? পাপ পুন্যের হিসাব অনুপস্থিত মানে সেই বোধ অনুপস্থিত হবার কথা। পাপ পুন্য আর ভালো খারাপ পুরোপুরি একই কনসেপ্ট। যদি বলি পাপ কাজ অথবা পুন্যের কাজ, তাহলে সেটা ভালো আর খারাপ কাজই বোঝায়। যদি তা বাদ দেই, থাকে শুধু কাজ। তখন খাওয়াও একটা কাজ, মানুষ মারাও একটা কাজ আবার মানুষ মেরে হাতের রক্ত ধুয়ে ফেললেও সেটাও কেবলই একটা কাজ মাত্র”। প্রশ্নকারীর ধারনা, অন্যকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পাবার ঘটনায় অবিশ্বাসীদের কোন নীতিবোধ কাজ করার কথা না যেহেতু তাদের কাছে পাপ পূণ্যের ধারণা অনুপস্থিত।

প্রশ্নকারী ভূলে গেছেন কিংবা এড়িয়ে যাচ্ছেন, আজকে ধার্মিকগণই ধর্মের পক্ষে সাফাই গাইবার জন্য নিজেরাই সভ্য সমাজে অচল ও ঘৃন্য কাজগুলোকে ধর্মে নেই, ধর্মে নেই বলে দাবী করেন। হত্যার মত বিষয়গুলো, এমনকি বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড প্রদানকেও বর্তমান সভ্য পৃথিবী কোনভাবেই সমর্থন করে না। আজকের সভ্য সমাজে মানুষ হত্যার মত বিষয়কে মানবাধিকারের লঙঘন বলে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। মজার বিষয় হলো, এই মানবাধিকার কিন্তু কোন ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেনি, করেছে নিধার্মিক সমাজ, নিদেনপক্ষে সেক্যুলার মানুষেরা। ধর্মে এখনও ধর্মবিদ্বেষীদের, বিধর্মীদেরকে হত্যা করাকে বৈধতা দেয়া হয়। বরং, ধর্মপ্রবর্তকগণ স্বয়ং যুদ্ধে লিপ্ত থেকে গণহত্যার মত অপরাধ ঘটিয়েছেন। আর এসব অমানবিক কর্ম আবার ধর্মই বৈধতা দিয়েছে। ধর্মমতে মানুষ হত্যা তো মামুলি একটা ব্যাপার, গণহত্যার মত বিষয়গুলোকে যেখানে ধর্মের প্রয়োজনীয় বিজয় বলা হচ্ছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, কাউকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারাতে আনন্দটা মানুষের সমাজে ওখন অবৈধ ও খুবই নিন্দনীয় একটা কাজ, তথাকথিত পাপ পূণ্যের সীমারেখা নির্ধারণকারী ধর্মে নয়।

বরং, বিধর্মীদের গর্দানে আঘাত করে হত্যা করাকে ধর্ম সময়ে সময়ে উৎসাহ দিয়েছে।এখনও পর্যন্ত সৌদী আরব, ইরানের মত দেশে শিরোচ্ছেদের মত বর্বর প্রথা টিকে রয়েছে শুধুমাত্র তাদের ধর্মে বৈধতা একে দেয়া হয়েছে বলেই। উলটো আমরা দেখি অধিকাংশ নিধার্মিক দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ডকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, দেশে দেশে মৃত্যদণ্ড বিরুধী আন্দোলন জোরালো হয়ে উঠছে। এই আন্দোলনগুলো ধার্মিক ব্যক্তিগণের হাত ধরে সূচিত হয়নি। এরপরও আস্তিকগণ তালগাছ আমার বলে এগিয়ে আসবেন!

আজকের সমাজে যদি কোন রাষ্ট্র চুরির শাস্তি হিসেবে চোরের দুই হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দেয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রকে আধুনিক সমাজ ছিঃ ছিঃ করবে। অথচ, ইসলাম ধর্মে এটিই হচ্ছে আইন। যেমন তেমন কোন আইন নয়, এই আইন বাস্তবায়ন না করলে পরকালে পাপের ঘানি টানতে হবে শাসককে, পুড়তে হবে জাহান্নামে। তাহলে, এই কাজটি মানব সমাজে কেন গর্হিত হলো? হাত কেটে দেয়ার মত কাজকে কেন আমরা বর্তমানে অমানবিক বলি? এই অমানবিক বলার শিক্ষা আমরা কোথা থেকে পাই? তথাকথিত ধর্ম থেকে? নাকি আমাদের বিবেকবোধ, মানবিকতা থেকে? একজন মানুষকে পংগু করে দেয়ার শাস্তি যে অমানবিক তার শিক্ষা আমরা আমাদের মানবিক বিকাশের মাধ্যমে পেয়েছি, কোন ধর্মের শিক্ষা থেকে নয়। এখানে নৈতিকতার ভিত্তি কোন পাপ-পূন্য নয়, মানুষের বিবেকবোধ, মানবিকতা হলো নৈতিকতার ভিত্তি। যে বৈশিষ্ট্য না থাকলে বর্তমান সমাজে কোন ব্যক্তি মানুষ হিসেবে গণ্য হবার যোগ্যতা হারান।

অন্যদিকে, ন্যায়-অন্যায়, বৈধ-অবৈধ, ও ভাল মন্দের যে ব্যাপারটা সমাজে বিদ্যমান, তার ভিত্তিও ধর্ম নয়। স্থান কাল পাত্র ও ধর্ম ভেদে এর ভিন্নতা রয়েছে। একই কাজ যেখানে বৈধ, অন্য কোনখানে তা অবৈধ। এই ভিন্নতা নির্ভর করে স্থানভেদে মানুষের প্রচলিত বিধানের উপর। সে বিধানের উৎস কোথাও যুগ যুগ ধরে প্রচলিত প্রথা, কোথাও লোকাচার, কোথাও বা ধর্ম। এই বৈধ-অবৈধতা যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়েছে। এক সময় মানব সমাজে নরবলিকে উৎসবের মাধ্যমে পালন করা হতো, বর্তমান সমাজে তা অবৈধ, শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কৃতদাস প্রথার মত একটা অমানবিক প্রথা বর্তমান সভ্যতাতে কিছুদিন আগেও ছিল। দাসপ্রথার মত অমানবিক অনৈতিক বিষয়গুলো ধর্মের হাত ধরে সমাজ থেকে নির্বাসিত হয়নি, হয়েছে মানুষের মানবিক শিক্ষার ফলে, মানুষের বিবেকবোধের তাড়নায়।

মেয়েদেরকে ঘরের বাইরে যেতে হলে যথেষ্ট রাখঢাক (পর্দার কথা না হয় নাই বললাম) করে বের হবার নির্দেশ ধর্ম থেকেই আমরা পাই। একজন নারী কিভাবে ঘরের বাইরে যাবে, বাইরে যাবার জন্য কিভাবে সাজবে, সে তার শরীরের কতটুকু উন্মুক্ত রাখবে, কতটুকু প্রদর্শন করবে তা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যপার। একজন সভ্য পুরুষ তার বাহ্যিক পোশাক এবং শরীর নিয়ে ভাববে না, এটাই স্বাভাবিক। বরং নারীটির কোন সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য সাহায্য করাটা সভ্য সমাজে একজন পুরুষের সুন্দর একটা দ্বায়িত্ব। সভ্য পুরুষের জন্য এটাই নৈতিক আচরণ। উলটো নারীকে তেঁতুলের সাথে তুলনা করে, তাকে লোভনীয় চকলেট ভেবে সুযোগ পেলেই যে কোনখানে যৌন আক্রমন কিংবা হয়রানি করাটা অনৈতিক। ইভটিজিং এর মত সমস্যায় নারীর পোশাককে দায়ী করার অসভ্য মানসিকতা কিন্তু আমরা ধর্ম থেকেই পেয়ে থাকি! তাহলে, ধর্ম কিভাবে নিজেকে নৈতিকতার মানদণ্ড দাবী করে!

নৈতিকতা শব্দটির ইংরেজি Morality। এটি ল্যাটিন moralitas থেকে এসেছে, যা অর্থ ম্যানারস, চরিত্র, সঠিক আচরণ। মরালিটির উৎপত্তিগত অর্থ দেখলে সহজেই বোঝা যায় এটি কোন পাপ-পূণ্যকে নির্দেশ করে না। এর সহজ সরল অর্থ হলো এটি মানুষের মধ্যকার ভাল গুণাবলী, পাপ-পূন্য বোধ নয়। অক্সফোর্ড ডিকশনারীতে এর অর্থ দেয়া হয়েছে, Principles concerning the distinction between right and wrong or good and bad behavior। এখানেও কোন sin, transgression কিংবা পাপ-পূন্যের কথা বলা হচ্ছে না। অন্যদিকে, পাপের অর্থ হলো, এটি এমন ধরনের কাজ যা ধর্মগ্রন্থের আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হিসেবে নির্দেশিত। এতে মানবিকতাবোধের কোন দাম নেই, ভাল মন্দের হিসেব নেই, যৌক্তিকতা নেই। এগুলো শুধুই ঐশ্বরিক নির্দেশ। এই নির্দেশ না মানলে শাস্তি হতে পারে বিষপানে হত্যা, খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা, শূলে চড়িয়ে হত্যা, জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা ইত্যকার বীভৎস অমানবিক শাস্তি। তাহলে ধর্মে নৈতিকতা কোথায়?

অন্যদিকে, এই মরালিটি বা সঠিক আচরণ হলো মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ যা মানুষের আচরণ অর্থাৎ মানব আচরণকে নির্দেশ করে। মূলত; এই মরালিটি বা মানব আচরণ হলো মানুষের এমন কিছু গুনাবলী বা কাজ যা তাকে পৃথিবীর অন্যান্য প্রজাতি থেকে সম্পুর্ণভাবে আলাদা করে। এই বৈশিষ্ট্য না থাকলে কেউ নিজেকে মানুষ দাবী করতে পারে না।

তাহলে, নিজেকে ধার্মিক দাবী করাটা জরুরী? না কি মানুষ দাবী করা?

[প্রানী জগতে নৈতিকতার বিবর্তন নিয়ে পরবর্তীতে একখান পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “নৈতিকতা নিয়ে কিছু কথা

  1. ওরা বুঝেইনা যে পাপ ও গুনাহ
    ওরা বুঝেইনা যে পাপ ও গুনাহ যেমন এক নয় তেমনি অপরাধ, পাপ, গুনাহ, এক নয় । তারা পাপ, গুনাহ ও অপরাধকে অন্যায়ের সাথে গুলিয়ে ফেলে ।

  2. ধর্ম যে নৈতিকতার কথা বলে সেটা
    ধর্ম যে নৈতিকতার কথা বলে সেটা ধর্মীয় নৈতিকতা।কোন স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে ধর্মীয় নৈতিকতা পালন করা সম্ভব না।যদি সে সত্যিকার অর্থেই নৈতিক হতে চায়।
    ধর্ম বিপক্ষ ধর্মের অনুসারী’দের হত্যা,নির্যাতন এবং ঘৃণা করতে উত্সাহিত করে।
    কোন নীতিবান মানুষের পক্ষে হত্যা,নির্যাতন এবং ঘৃণা করা সম্ভব না।
    নীতিবান হবার পূর্বশর্ত মানবিক হওয়া।প্রত্যেক ধর্ম তার বিপক্ষ ধর্মের ধার্মিক’দের জন্য অ-মানবিক।
    ধর্ম এবং নৈতিকতা দুটো সম্পূর্ণ বিপরীত বস্তু।একটা আরেকটার সাথে সাংঘর্ষিক।

  3. সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার
    সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই..
    আমি ধর্ম মানিনা কারন আমি যানি ধর্ম আমাকে অন্ধ করে ফেলবে. আর ধর্মান্ধ মানুষ গুলোই এই সমাজে হাংগামা সৃষ্টি করে.. পৃথিবীব্যাপী সকল মারামারির পিছনে একটা না একটা আস্তিক জড়িত আছেই.. আস্তিকরাই মন্দির ভাংগে,আবার মসজিদ ভাংগে.. আমি আস্তিক নই আমি একজন নাস্তিক.. তাইতো আমি মানবতার কথা বলি..

  4. সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার
    সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই..
    আমি ধর্ম মানিনা কারন আমি যানি ধর্ম আমাকে অন্ধ করে ফেলবে. আর ধর্মান্ধ মানুষ গুলোই এই সমাজে হাংগামা সৃষ্টি করে.. পৃথিবীব্যাপী সকল মারামারির পিছনে একটা না একটা আস্তিক জড়িত আছেই.. আস্তিকরাই মন্দির ভাংগে,আবার মসজিদ ভাংগে.. আমি আস্তিক নই আমি একজন নাস্তিক.. তাইতো আমি মানবতার কথা বলি..

  5. তা আপনারা যে বিবর্তিত হতে হতে
    তা আপনারা যে বিবর্তিত হতে হতে একদিন ধার্মিক হয়ে উঠবেন না তার কি গ্যরান্টি আছে? নৈতিকতা,মানবিকতা,ন্যয়,অন্যায়,ভাল,মন্দ,যৌক্তিকতা,চরিত্র,সঠিক আচরন,………….এত জ্ঞ্যন দিবেন নাত মসাই মক্তচিন্তা = সকল চিন্তা হতে যে মুক্ত তাই নয় কি ?

  6. হত্যার মত বিষয়গুলো, এমনকি

    হত্যার মত বিষয়গুলো, এমনকি বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড প্রদানকেও বর্তমান সভ্য পৃথিবী কোনভাবেই সমর্থন করে না। আজকের সভ্য সমাজে মানুষ হত্যার মত বিষয়কে মানবাধিকারের লঙঘন বলে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। –

    সত্যিই কি তাই। আপনি নিজের মনের অজান্তেই পৃথিবীর সবচেয়ে অসভ্য আর বর্বর জাতীগুলোর পক্ষে ওকালতী করছেন।
    আপনি যাদেরকে সভ্য জাতী বলছেন তারাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র ব্যাবসায়ী আর অস্ত্রের যোগানদাতা। তারা প্রতিবছর ওসামা বিন লাদেন আর আইসিসের চাইতেও বেশী গুনে মানূষ বোমা ফেলে হত্যা করে। তারা গরিব দেশগুলোকে ঋণ দিয়ে তাদের দাসত্য করতে বাধ্য করে। তারা অন্যের দেশ জোড় করে দখল করে সেখানকার অধিবাসীদের লাথি মেরে বের করে দিয়ে তাদেরকে বছরের পর বছর উদবাস্তু বানিয়ে রাখে।তারা মেয়েদেরকে জুয়া আর পর্ন শিল্পে নিয়োজিত করে বিলিওন বিলিওন ডলার কামাই করে।

    আমি এসব কর্মকান্ডকে সভ্যতা বলি না। হতে পারে ওদের মিনিস্কার্ট পড়া মেয়ে দেখে অথবা ভদগা খেয়ে টাল হয়ে থাকেন বলে এসব অসভ্যতা আর বর্বরতা আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। কিন্তু আমার এড়ায় না।

  7. আজকের সমাজে যদি কোন রাষ্ট্র

    আজকের সমাজে যদি কোন রাষ্ট্র চুরির শাস্তি হিসেবে চোরের দুই হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দেয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রকে আধুনিক সমাজ ছিঃ ছিঃ করবে। অথচ, ইসলাম ধর্মে এটিই হচ্ছে আইন।

    উহু ছি ছি করবে না। বরং ইসলাম ধর্ম এবং মুহাম্মদ সা কে অনেক সামাজিক, পারিবারিক আর রাষ্ট্রিয় আইনের প্রবক্তা হিসেবে স্বীকার করা হয়। আর সেটি করে খোদ যুক্ত্রাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট–

  8. অন্যদিকে, পাপের অর্থ হলো, এটি

    অন্যদিকে, পাপের অর্থ হলো, এটি এমন ধরনের কাজ যা ধর্মগ্রন্থের আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হিসেবে নির্দেশিত। এতে মানবিকতাবোধের কোন দাম নেই, ভাল মন্দের হিসেব নেই, যৌক্তিকতা নেই। –

    ঠিক তাই। নীচের ভিডিওটা দেখুন। নাস্তিক গুরু Dr.Lawrance Krauss, Steve wilkos কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বাবা আর মেয়ের মধ্যে যৌন সম্পর্কে তারা অনৈতিক মনে করেন কিনা। তারা পরিষ্কার উওর দিয়েছিলেন- না বাবা আর মেয়ের মধ্যে যৌন সম্পর্ক কখনই অনৈতিক নয়।
    https://www.youtube.com/watch?v=vrmon8SVtRI

    এ ধরনের নৈতিকতা নিয়ে আপনারা মনে মনে সুখ লাভ করুন। আমাদের কিছুই বলার নাই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

70 + = 75