একজন নিষ্পাপ পূর্ণিমার কান্নার দায়

গত ২০০১ সালের অক্টোবরে পূর্ণিমার মা একদল পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী মানুষকে বলেছিলেন “বাবারা, আমার মেয়েটা ছোট,
তোমরা একজন একজন করে এসো; মরে যাবে”

তারা পূর্ণিমার মায়ের আকুতি শোনেনি বরং পূর্ণিমার চিৎকার উপভোগ করেছে।এবং পত্রিকায় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে আমরাও চরমভাবে উপভোগ করেছি।তারপর অনেকদিন কেটে গেছে,মাঝখানে ফরহাদ মজহারের ভাষায় বোমা ফাটিয়ে বিপ্লব হয়েছে,হুমায়ূন আজাদরা রাস্তায় কোপ খেয়ে মরেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
ইতিমধ্যে আমরা আবার পালাবদল এনেছি এবং একদল বুড়ো হয়ে যাওয়া পুরনো পাপীকে অযথা বিচারের চেষ্টা করেছি এবং কতটা সফল হয়েছি বুঝতে পারছি না।যাইহোক অযথা সময় নষ্ট করেছি বলেই এটা ধরে নেয়া যায়।
তবে আমাদের হাতে সুযোগ আবার এসেছে।১৩ দফা নিয়ে আমরা মাঠে নেমে পড়েছি এবং আর ভুল করা যাবে না।সকালে ঘুম থেকে উঠে পত্রিকায় এরকম দু’একটা পূর্ণিমার চিৎকার মিস করছিলাম এবার ফিরে পাব ইনশাল্লাহ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “একজন নিষ্পাপ পূর্ণিমার কান্নার দায়

  1. পূর্ণিমার মায়ের কথা শুনে মনে
    পূর্ণিমার মায়ের কথা শুনে মনে হচ্ছে, হিন্দু ধর্মে ‘ধর্ষণ’ অপকর্মটা অস্বাভাবিক কিছু না। তাই তার মা একজন একজন করে আসতে বলেছে। সেতো মেয়েকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করতে পারতো। কিংবা ‘আমার মেয়কে তোমরা কিছু করোনা’ এটুকু অন্তত বলতে পারতো। বলেছে, তোমরা একজন একজন করে এসো। তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং পূর্ণিমার মা-বাব নিজেও পরিকল্পনার সাথে জড়িত। আসলে সত্য কখনো চাপা থাকেনা।
    তাই ১৩ বছর পরে হলেও পূর্ণিমা ও তার বাবা-মা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে, এঘটনার জন্য তাদের প্রথমে ২০ হাজার ও পরবর্তিতে প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো। এ সামান্য টাকার বিনিময়ে পূর্ণিমা পরিবার এ সিন ক্রিয়েট করেছে।
    স্বীকারোক্তির কথাটি যারা মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিতে চায় তাদের জন্য পূর্ণিমা ও তার পরিবার, প্রতিবেশীদের সাক্ষাৎকার ভিডিও লিংক দিলাম- https://www.youtube.com/watch?v=t7eXcnUl0nU

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

93 − 85 =