ইসলাম বিদ্বেষি ব্লগারদের প্রতি আমেরিকার দয়া!!!!!!!!!

নাসতিকেদর কপাল খুলে গেল! আমেরিকা তাদের পাশে থাকবে। কিনতু কেন? আমেরিকাতো নিজের কোন সুবিধা ছাড়া কিছু করে না। তাহলে আমেরিকা আমাদের দেশের ইসলাম বিদ্বেষি নাসতিকদের তাদের দেশে আশ্রয় দেবে কেন? খুবই সনদেহজনক বিষয় এটি বলে মনে হয়।

বাংলাদেশের ব্লগার যাঁরা ঘোর বিপদের মুখে রয়েছেন, বাছাই করা তাঁদের কয়েকজনকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ফক্স নিউজ অনলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, মৌলবাদী ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলায় বাংলাদেশের যেসব ব্লগার আসন্ন বিপদের মুখে, তাঁদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে তারা।-Link

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র নাজিম উদ্দিন নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এমন বক্তব্য এল।

ব্লগার হত্যা হলেই বলা হয় ‘একই কায়দায়’ খুন? এটা কতখানি যুকতিযুকত?

এখন সময় এসেছে এটাও ভাবতে, ‘একই কায়দায়’ খুন করলেই একটি বিশেষ দিকের প্রতি ইঙ্গিত করা সমীচীন কি সমীচীন নয় এবং আমরা লক্ষ করি, কোথাও থেকে তার একটি দায় স্বীকারোক্তিমূলক টুইট ধরনের বার্তার কথা জানতে পারা এবং তার বিরুদ্ধে একটা প্রতিক্রিয়া দেখানোর মধ্যেই রাষ্ট্র তার কর্তব্য সম্পন্ন করার প্রবণতা দেখিয়ে চলছে। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।

কেউ কেউ বলছেন, ‘একই কায়দায়’ হত্যাকাণ্ড এই শিরোনামটি একটি দায়মুক্তির পয়গাম বয়ে আনছে কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন। কারণ ‘একই কায়দায়’ উল্লেখ করে যদি সব অবস্থায় কেবলই একটি বিশেষ মহল সম্পর্কে জনমনে ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে সেটা একটা রক্ষাকবচ বটে। পত্রিকায় পড়েছি, নাজিম উদ্দিনের খুনিরা ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে চলে গেছে। এ কথা সত্য হলে বাস্তবতা হলো খুনিরা কেবল রাজপথে প্রকাশ্যে খুনই করছে না, তারা এখন স্লোগান দিতেও ভীরুতার পরিচয় দিচ্ছে না।

ব্লগার হত্যায় বিশ্বজুড়ে মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি হলেও মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন হত্যায় আলোড়ন না হওয়াটা একটু খটকার বিষয়। আমাদের দেশের মিডিয়া তাদেরকে ফলো করে!

এরশাদ বলেন,
যেকোনো হত্যাই নিন্দনীয়।’ যারা ব্লগে ধর্ম নিয়ে বিদ্রুপ করে তাদের শাস্তিও হxয়া ঊচিত । ‘ব্লগার হত্যায় সারা পৃথিবীর মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করছে। অথচ আমাদের মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার ছাত্র প্রতিনিয়ত খুন গুম হলেও এ নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কারণ তারা মুসলমান, মানুষ না।’

‘ধর্ম এবং আমাদের নবীজীকে নিয়ে কটাক্ষ করার অধিকার কারও নেই। অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে কেন আঘাত হানবেন? প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কারও ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করা যাবে না। কিন্তু যেসব ব্লগার হত্যা হয়েছে তারা কি ইসলামের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেনি?’

বহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে না কি মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে? আপনাদের দেশে কি মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে না? আমাদের দেশ আমরা চালাব, আপনাদের কথা না শুনলেই আমরা জঙ্গি?’

জঙ্গি প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘জঙ্গি বলতেই আজ মুসলমানদের বোঝানো হয়। আমরা কেন আজ জঙ্গি হলাম। আফগানিস্তানে শিশুসহ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ হত্যা করলেন, এটা কি জঙ্গিবাদ নয়? তেলের কারণে ইরাককে ধ্বংস করে দিলেন, সাদ্দামকে হত্যা করলেন, কী দোষ ছিল সাদ্দামের? তেলের কারণে লিবিয়াকে ধ্বংস করলেন, গাদ্দাফিকে হত্যা করলেন। সিরিয়ার মানুষ জীবন বাঁচাতে আশ্রয় চেয়েছিল, আশ্রয় দেননি। এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? মুসলমানরা এর প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করলেই এটাকে জঙ্গিবাদ বলে প্রচার করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তান রাষ্ট্রভূমিকে ইহুদিদের কাছে দেয়া হলো, সেখানেও হাজার হাজার নারীশিশুকে হত্যা করা হলো, এটা কি জঙ্গিবাদ নয়?’

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ইসলাম বিদ্বেষি ব্লগারদের প্রতি আমেরিকার দয়া!!!!!!!!!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 17 = 20