ইসলাম বিদ্বেষী আসলে কারা ?

আরও একজন ব্লগারের প্রান গেল খাটি ইমানদার মুমিনের চাপাতির আঘাতে। ব্লগার নাজিম উদ্দিনের অপরাধ সে নাকি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখি করত , যা খাটি ইমানদার মুমিনের কাছে ইসলাম বিদ্বেষ তথা মুহাম্মদের সমালোচনা। কোরান ও হাদিসে পরিস্কার উল্লেখ আছে , মুহাম্মদের সমালোচনাকারীকে কঠিনভাবে হত্যা করতে হবে। যদিও কথিত মডারেট মুমিনেরা বলবে , ইসলাম কাউকে হত্যা করতে বলে না। যাইহোক , ইসলাম বিদ্বেষী আসলে কারা ?

ইসলামের মূল কথা হলো , প্রতিটা মুসলমানকে নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করতে হবে। যদি কেউ ১০০% মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করতে না পারে , তাতে সমস্যা নাই , মোট কথা হলো , প্রান পনে মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন যারা করবে তারা ততটা খাটি ইমানদার মুমিন। সুতরাং এবার দেখতে হবে , মুহাম্মদের আদর্শ কাজগুলো কি কি ছিল। যেহেতু মুহাম্মদ ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ , তাই তার প্রতিটা কাজই ছিল সর্বকালের জন্যে আদর্শ কাজ।

কোরান হাদিস ঘেটে মুহাম্মদের কিছু আদর্শ কাজ বের করা যেতে পারে :

১। ৫১ বছর বয়েসে অর্থাৎ প্রৌড় বয়সে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন আমাদের নবী মুহাম্মদ। আর আয়শার বয়স যখন মাত্র ৯ তখন ৫৪ বছর বয়সী মুহাম্মদ তার সাথে যৌন কাজ করেন। সুতরাং প্রৌড় বযেসে শিশু কন্যা বিয়ে করে তার সাথে যৌন কাজ হলো একটা আদর্শ কাজ।

২। মুহাম্মদ এক পর্যায়ে তার পালিত পূত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবকে বিয়ে করেন। সুতরাং পালিত পুত্রের বধুকে বিয়ে করা একটা আদর্শ কাজ।

৩। মুহাম্মদ সর্বমোট ১৩ টা বিয়ে করেন , সুতরাং ১৩ টা বিয়ে করা একটা আদর্শ কাজ।

৪। মুহাম্মদ নিয়মিত দাসীদের সাথে যৌন কাজ করতেন , সুতরাং দাসীদের সাথে বিয়ে বহির্ভূত যৌন কাজ হলো একটা আদর্শ কাজ। একই সাথে , দাস প্রথাও একটা আদর্শ প্রথা কারন মুহাম্মদ কোনভাবেই দাস প্রথা উচ্ছেদ করেন নি , বরং দাস প্রথার সকল সুবিধা নিজেই ভোগ করেছেন।

৫। মুহাম্মদ ও তার বাহিনী নিয়মিতভাবে মদিনার পাশ দিয়ে চলে যাওয়া বানিজ্য পথে বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে , তাদেরকে হত্যা করে তাদের মালামাল গণিমতের মাল হিসাবে বিলি বন্টন করতেন। এসব ঘটনা কোরান ও হাদিসে বর্ণিত আছে। যা ছিল আসলে ডাকাতি ছাড়া আর কিছুই না , তাই এই ডাকাতিও হলো একটা আদর্শ কাজ।

এভাবে মুহাম্মদের আরও অনেক আদর্শ কাজের খোজ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে , কেউ যদি মুহাম্মদের এ আদর্শ কাজকে অনুসরন করে , বা প্রচার করে , তাকে কিন্তু বাকী সব মুমিন ইসলাম বিদ্বেষী হিসাবে আখ্যায়িত করবে। আর সেটা করেই থেমে থাকবে না , কিছু ইমানদার মুমিন তার কল্লা কাটার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠবে।

তার অর্থ , কেউ যদি মুহাম্মদের জীবনের আসল ঘটনার ভিত্তিতে তার আদর্শ কাজগুলো নিয়ে কথা বলে , তার আদর্শ কাজ গুলো অনুসরন করে বা করতে বলে, তারাই আসলে ইসলাম বিদ্বেষী।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ইসলাম বিদ্বেষী আসলে কারা ?

  1. খুব জানতে ইচ্ছে করে তোমার
    খুব জানতে ইচ্ছে করে তোমার ধর্ম কি ? যদি তোমার ধর্ম থেকে থাকে তাহলে তোমার ধর্মে কি বলছে আরেক ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করতে ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 2 =