বর্তমান সরকারের স্যাকুলারিম চর্চা । মুখোশের অন্তরালে ভিন্ন চিত্র

ইদানিং বাংলাদেশে স্যাকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি একটু বেশিই ব্যবহৃত হচ্ছে।ইন্টারনেটের কল্যানে এটি এখন তরুন,বায়োবৃদ্ধ সবারই একটি আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাড়িয়েছে।

স্যাকুলারিজম।
যার বাংলা আভিধানিক অর্থ দাড়ায় ধর্ম নিরপেক্ষতা অর্থাৎ তথাকথিত সকল ধর্মেই অনাস্তা ও অবিশ্বাস। স্যাকুলারিজম শব্দটি দীর্ঘ্যকাল ধরে প্রচলিত ধর্মের প্রতি অনাস্তা জ্ঞাপনকারী ব্যাক্তির আদর্শকে বুঝাতেই প্রয়োগ হয়ে আসছে।সম্ভবত এ শব্দটির শুরুই হয়েছিল কথিত অধার্মীকদের (যারা প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসী নয়) যুক্তিবাদীতাকে,মানবতাবাদকে বুঝাতে।যে ব্যক্তি কোন ধর্মই অনুস্বরন করেন না তাকে সাধারনত স্যাকুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ বলা হয়।

এ যাবৎ কাল ধরে আমরা জেনে এসেছি,ধর্মের একজন ফোকাল পার্সন আছে।সে হলো স্রষ্টা নামক কোন মহাপরাক্রমশালী অলৌকিক ক্ষমতাধর। এই অলৌকিক ব্যক্তিত্বকে কেউ ,আল্লাহ,কেউ ঈশ্বর,কেউ গড,কেউ জিহোবা ইত্যাদি নামেই ডাকে। এই ফোকাল পার্সন কিন্তু নিজে নিজে সৃষ্টি হয়নি । অতি প্রাচীন কাল থেকেই. এক শ্রেণীর অপেক্ষাকৃত বুদ্ধিমান কিছু লোক মানুষের দুর্বলতা গুলকে ব্যবহার করে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের লক্ষে আমদানী করেছিল একে।সাধারন মানুষও নিজেদের অসহায়ত্বকে অন্যকিছুর উপর নেস্ত করে একটু সস্থি পাওয়ার লোভে লুফে নেয় সে অলৌকিক ব্যাক্তিত্বের ধারনাকে,যদিও সৃষ্টির আদি থেকে এ পর্যন্ত মানুষের মানবিকতা উন্নয়নে,অর্থনৈতিক অবস্থা উত্তরনের মাধ্যমে জিবনযাত্রার মান উন্নয়নে কোন কাজে আসেনি এই ফোকাল পার্সন।
এই চরম সত্যটি যারা বুঝতে পেরেছে,সে মতে যারা জিবন পরিচালনা করছে তারাই স্যাকুলার।
কিন্তু আমাদের দেশের সরকার প্রধান থেকে শুরু করে ,সরকারের মন্ত্রী ,আমলা সহ তাবৎ সুশীল, সবাই একই সুরে গাইছে ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়।ধর্ম নিরপেক্ষতা হলো সকল ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা,বিশ্বাস ও আস্তা জ্ঞাপন করা।এরা কি বুঝেনা ধর্ম নিরপেক্ষতা/স্যাকুলারিজমের মানে? নাকি বুঝেও না বুঝার ভান করে?
নিশ্চই বুঝে! না বুঝলে নিজেদের জীবন যাপনের ক্ষেত্রে এর বাস্তব প্রয়োগ নেই কেন?
তবুও সুর পাল্টায়না তারা ।কারন তারা রাজনীতি করে।কেউ জাতীয় পর্যায়ে কেউ স্থানীয় পর্যায়ে। রাজনীতির অভীষ্ট লক্ষ হলো নিজেদের ক্ষমতায়ন।আমাদের দেশে প্রতিটা রাজনৈতিক দলেরই এক উদ্দেশ্য। যেন রসুনের কোয়াগুলোর এক গোড়া।
যে কোন মুল্যেই নিজেদের ক্ষমতার গদীতে বসানো চাই। এর জন্য যা কিছু করার সবটুকুই করতে তারা রাজি।
আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় ক্ষমতায় অধীষ্টিত হতে হলে দরকার সংখ্যাগরীষ্টের ভোট অর্থাৎ জনসমর্থন।আর জনগন তো তাদেরই ভোট দেয় যারা তাদের তোয়াজ-তোষন করে, তাদের আদর্শকে পুজো করে।
আর আমাদের দেশের জনগন তো হলো সবাই অমৃতের সন্তান ।সারা জীবন আল্লাহ,ঈশ্বরের তাবেদারী করতে করতে নিজেদের অন্ধকার কুয়োর মধ্যে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। সারা জীবনের ব্যার্থতাকে জীবনের শেষে পরবর্তী প্রজন্মে আশার আলোকবর্তিতা রুপে পুস করে দিয়ে স্বস্তির নিশ্বা:ষ ফেলে। অতএব ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতার প্রত্যাশী সবাই কথিত ধর্মবাদীদের বিশ্বাস ও রীতি-নীতিকে নিজেদের আদর্শ হিসাবে প্রচার করতে বেশি উৎসাহী।
এবার আসুন দেখা যাক আমাদের ক্ষমতাসীনরা ধর্মের প্রতি তাদের উদ্দীপনার মাত্রা কতদুর পৌঁছল।

১৪ আগষ্ট ১৯৪৭ সালে
ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগে আমরা পেয়েছিলাম পাকিস্তান। উপবিভাগ হিসাবে পুর্বপাকিস্থান। পুর্বপাকিস্থানের অধিকাংশ জনগন ছিল মুসলিম,যদিও হিন্দু ধর্মালম্বী সহ অন্যান্য ধর্মালম্বীর সংখ্যা নেহায়েত কম ছিলনা। কিছুদিন যেতে না যেতেই দুই পাকিস্থানের মধ্যে সম্পর্ক হয়ে দাড়াল শোষক ও শোষিতের।ধর্মের ভিত্তিতে ইউনি টিকে থাকলনা।ধর্ম এ দুটো ভৌগলিক জাতিসত্তাকে একক বন্ধনে ,একক আদর্শের ছায়াতলে রাখতে ব্যর্থ হয়। অর্থনৈতিক ,রাজনৈতিক ,সাংস্কৃতিক,সকল দিক থেকেই আমরা রাষ্ট্রীয় ভাবে হতে থাকলাম বঞ্চিত।
যে আদর্শকে মুল ভিত্তি ধরে আমরা পৃথক হলাম, তার ছিটে ফোটাও আমাদের ভাগে পরেনি।সকল মুসলিম ভাই-ভাই ,তাদের এক ধর্ম,এক আদর্শ,এক নীতিতে বিশ্বাসী হবে সমগ্র পাকিস্থান।যদিও পশ্চিম পাকিস্থানের সাথে পুর্ব পাকিস্থানের কৃষ্টি,কালচার,তথা সমগ্রীক জীবন ধারন পদ্ধতিই ছিল যতেষ্ট ভিন্ন।
আমাদের উপর প্রভাব বিস্তারের লক্ষে তারা প্রথম আঘাত হানে আমাদের ভাষার উপর।

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে ভাষায় আমরা আমাদের জীবন পরিচালনা করে এসেছি,রাষ্টীয় কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য আমরা সে ভাষা ব্যবহার করতে পারবনা।
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। মুহাম্মদ আলী জীন্নার এ ঘোষনার প্রতিবাদ জানাতে পুর্ব পাকিস্থানের. সকল জনগনই এক প্লাটফরমে দাড়িয়েছিল।সেখানে শুধু মুসলিমরা ছিলনা,শুধু হিন্দুরা ছিলনা,শুধু খৃষ্টান,বৌদ্ধ কিংবা এরুপ নির্দিষ্ট কোন সম্প্রদায়ের লোক ছিলনা।সকল ধর্মের লোকেরাই অংশগ্রহন করেছিল সেদিনের প্রতিবাদে।
গনপরিষদের অধীবেশনে রাষ্ট্রভাষা উর্দুর বিপক্ষে প্রথম ও এমাত্র প্রতিবাদকারী ছিল ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত যদিও ধর্মের দিক থেকে তিনি হিন্দু ছিলেন।তার এই প্রতিবাদে কোন হিন্দুত্ব ছিলনা।
তার পর ৫৮র আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ৬২র শিক্ষাকমিশন বিরোধী আন্দোলন,৬৬র ছয় দফা আন্দোলন,৬৯ এর গনঅভ্যুত্মান,৭০এর সাধারন নির্বাচনে নিরঙ্কুস বিজয় লাভ ,সর্বোপরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয়
আজকের এই স্বার্বভৌম বাংলাদেশ। ৫২ থেকে ৭১ ।এই দীর্ঘ্য পথ পরিক্রমায় ছড়িয়ে আছে লক্ষ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের ছোট সব অনেক গল্প,অনেক ভারাক্রান্ত ইতিহাস।এরা সবাই ছিল মানুষ,সবাই ছিল বাংলা মায়ের সন্তান,সবাই ছিল দেশের নাগরিক।এরা দেশের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছিল।
দেশকে ভালবেসে দেশের জন্য জীবনোৎসর্গ করার পুর্ব মুহুর্তে কেউ ভাবেনি “আমি হিন্দু,আমি মুসলিম,আমি খৃষ্টান,আমি বুদ্ধ অথবা আমি কোন উপজাতি সম্প্রদায়ের লোক”।
তখন তাদের একটাই পরিচয় ছিল এরা এই মাটির মানুষ,এরা বাংলাদেশের মানুষ।
আরও দেখুন-
ক/ http://bangalihindupost.blogspot.com/2014/01/blog-post_29.html
খ/ http://bangalihindupost.blogspot.com/2013/05/blog-post_5478.html
গ/ http://bangalihindupost.blogspot.com/2013/05/blog-post_2391.html

ধর্মের ভিত্তির উপর দাড়িয়ে এই বাংলাদেশ প্রতিষ্টিত হয়নি।যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতার স্বাধ অনুভব করলাম,সে মুক্তি যুদ্ধে যেমন প্রান দিয়েছিল মুসলিমরা,তেমনি অন্য ধর্মালম্বীরা।অথচ আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত লোকমুখ থেকে সংবাদ মাধ্যম পর্যন্ত,গ্রামের চায়ের স্টল থেকে পার্লামেন্ট পর্যন্ত সব জায়গায় একটা শব্দ খুব বেশি উচ্চারিত হয়।
তা হলো “সংখ্যা লঘু”।
শব্দটি যে শুধু একটা বিশেষ জনগোষ্টীকে নির্দেশ করতে বুঝায় তা নয়।এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে একটা তাচ্ছিল্য ভাব,একটা সাম্প্রদায়ীক গন্ধ।যেন এই“সংখ্যা লঘু”রা ভিন্ন প্রজাতির কোন প্রানী,এরা এদেশের কেউ নয়, এদের এ দেশে স্থান দেয়া হয়েছে বড় করুনা করে,যে কেউ ইচ্ছা করলেই যে কোন সময় এদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে দিতে পারে!অনেকটা নিজ দেশে পরবাসীর মত।
এই “সংখ্যা লঘু”রা সংখ্যায় কম হয়েও সব সময়“ সংখ্যা লঘু”ছিলনা।তারা প্রথমে ছিল মানুষ,তার পর ছিল বাঙালী।এক জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা এক জাতিসত্তার পতাকা তলে সবারই পরিচয় ছিল একটা।
বাঙালী বা বাংলাদেশি।
১৯৭২ সালে রচিত সংবিধান অন্তত সে কথাই বলে।ওটা ছিল অনেকাংশে সেকুলারিজমের ভিত্তিতে রচিত। কোন বিশেষ ধর্মের বাণী খচিত ছিলনা সে সংবিধানে।ওটা ছিল শুধুই বাংলাদেশের নাগরীকদের জন্য তৈরি।
কিন্তু ৭৫ পরবর্তি সময়ে ধীরে ধীরে গ্রাস করতে থাকে বাঙালী জাতিসত্বার অসাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতিকে ইসলাম নামক ধর্মের এক করাল থাবা। চারদিকে ইসলামি করনের ধুম লেগে যায় ।আর এরই অনুকুল পরিবেশে কালচার হতে থাকে সাম্প্রদায়ীকতার বীজ। আর আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি এর মহীরুহ রুপ।আসুন এর ইতিহাসটা একটু খুঁজে দেখা যাক-

৭১এর নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা পেয়েছিলাম এক স্বাধীন সার্বভৌম দেশ।যুদ্ধ পরবর্তি দেশ গঠনের জন্য সবাই কাঁধে কাধঁ মিলিয়ে কাজ শুরু করল। সবারই প্রত্যাশা ছিল একটি সাম্প্রদায়ীকতা মুক্ত দেশ গঠন।
দেশ পরিচালনার জন্য ড.কামাল হোসেনের নেতৃত্বে তৈরি হলো সংবিধান।এ সংবিধানে প্রতিফলিত হলো দেশের সকল জনগনের আশা-প্রত্যাশা ,স্বপ্ন। এতে কোন বিশেষ ধর্মগোষ্ঠির পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। কিন্তু এ সংবিধান বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি তার নিরপেক্ষ দৃষ্টভঙ্গি।
৭৫ এর পরবর্তি সময়ে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালী জাতির ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের হয় সলীল সমাধি।
সংবিধানের শুরুতে লাগিয়ে দেয়া হয় ইসলামী তকমা,
“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম” নামক একটি বাক্য।
এই একটি বাক্য ভেঙে-চুরে একাকার করে দেয় বাঙালীর ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে ।বাঙালীর আবহমান সংস্কৃতির ঐতিহ্যে করে কুঠারাঘাত।
এ দেশটা তো শুধু মুসলিমদের নয় ! এ দেশ শত্রু মুক্ত করার সময় তো শুধু মুসলিমরা আত্ম ত্যাগ করেনি ! এ দেশকে তো শুধু মুসলিমরা ভালবাসেনি!
সকল ধর্মালম্বীদের আত্মত্যাগে,ভালবাসায় মহিমান্বিত এ দেশ ।এ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে রয়েছে সবার রক্তাক্ত সাক্ষর ।তাহলে দেশ পরিচালনার মুল ভিত্তি সংবিধান কেন একটি ধর্মের চিন্হ বহন করবে? জানি এ প্রশ্নের কোন স্বদোত্তর পাওয়া যাবেনা। এর উত্তর শাসক গোষ্ঠির কাছে তখনও ছিলনা এখনও নেই!!!

এর পর এল সংবিধানের ৮ম সংশোধনী।
এবার পুরো দেশটাই হয়ে গেল ইসলামের বাপ-দাদার সম্পত্তি।
ঘুষিত হলো রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম। যদিও রাষ্ট্রের কোন হাত,পা,নাক,মুখ,কান,মগজ কোন কিছুই নেই ধর্ম পালনের জন্য তবুও রাষ্ট্রের ধর্ম থাকতে হবে।আর সে ধর্ম হবে ইসলাম।
এরই সাথে এ দেশের সব কিছুকেই ইসলামীকরনের ধুম লেগে যায়। কথিত সংখ্যালুঘুরা আরও সংখ্যা লঘু হয়ে যায়।রাষ্ট্র তাদেরকে বড় করুনার দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করল।তারা হারাল এ দেশে বসবাসের নৈতিক অধিকার।অন্তত বাস্তবতা আমাদের এই সংবাদটিই পরিবেশন করে।
তার পর যত সরকার এল গেল সবাই তালের নাওয়ে পাল তুলে তাতে হাওয়া দিয়ে গেছে শুধু।আর এর কারনও উপরে বর্নিত।

বর্তমানে আমরা যে সরকারের অধীন,তারা ধর্ম নিরপেক্ষ(?),স্যাকুলার(?)। তাদের আচরনে তা প্রকাশ পাক আর না পাক তারা স্যাকুলার! সরকার প্রধান থেকে শুরু করে এক সুতোয় গাঁথা গ্রামের মেম্বাররাও যখন মঞ্চে দাড়িয়ে বক্তৃতা করে তাদের প্রধান দাবি থাকে তারা স্যাকুলার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।সকল ধর্মালম্বীদের জন্য তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সমান।
কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় দেশের আনাচে কানাচে দৃষ্টি দিলে এর বিপরীত চিত্রই চোখে পরে।
আমরা যদি শুধু মাত্র ২০১৫ সালের দিকে তাকাই তাহলে এদেশে কথিত সংখ্যা লঘুদের অবস্থা কতটা নাজেহাল তার অনুমান করা যাবে-
#
২২ ডিসেম্বর -২০১৪। নান্দাইল, ময়মনসিংহে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ

উপজেলার সিংপাড়া গ্রামের রবীন্দ্র সিংয়ের কলেজ পড়–য়া ছেলে একই গ্রামের মুসলিম স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গেলে এ নিয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে সালিশ বসে। গত ২২ ডিসেম্বর এক সালিশীতে হিন্দু পরিবারটিকে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন গ্রাম্য মাতবররা। অভিযুক্ত চঞ্চল সিং এলাকা ছাড়া কিন্তু মেয়েটি তার বাবা-মায়ের কাছে আছে। আহতের সংখ্যা ২।
-দৈনিক সমকাল, ১ জানুয়ারি, ১৫

#
৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট

পাঠানদন্ডী এলাকায়গত বুধবার রাত ১০টায় ১০/১৫ জন বখাটেরা অমূল্য দাসের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মাতলামি করছিলো। এতে বাধা দেয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অমূল্য দাসের বসত ঘর ভাংচুর করেও বিষ্ণু মন্দিরের আসবাব তছনছ করে। আহতের সংখ্যা ৭
-দৈনিক ইত্তেফাক, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

#
৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ কালিয়কৈর, গাজীপুর মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর

উপজেলার সোনাতলা এলাকায় বুধবার গভীর রাতে কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
-দৈনিক সংবাদ, ৩ জানুয়ারি, ২০১৫

#
২ জানুয়ারি,২০১৫। স্থান- কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ, মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণ

পূর্বপাড়া সার্বজনীন কালীমন্দিরে গত শুক্রবার রাতে পূজাচলাকালীন সময়ে বিকট শব্দে বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। মানুষ চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকে। পন্ড হয়ে যায় পূজার্চনা। গ্রামের লোকজন খবর পেয়ে আসতে তাকে। তারা বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মন্দিরের পাশে দাড়িয়ে থাকা ৩ যুবককে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। আহত হয় ৩ জন।
-আমাদের সময়, ৪ জানুয়ারি, ২০১৫

#
৪ জানুয়ারি -২০১৫, কলমাকান্দা, নেত্রকোনা, মন্দিরে আগুন, প্রতিমা ভাঙচুর

উপজেলার নাউরীপাড়া গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তরা নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাসের বাড়ির কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর ও নৃপেন্দ্র মৈত্রের বাড়িতে লক্ষী-নারায়ন মন্দিরে াগ্নি সংযোগ করে পালিয়ে যায়।
দৈনিক সংবাদ-১১ জানুয়ারি, ২০১৫

#
১০ জানুয়ারি,২০১৫ চট্টগ্রাম নার্সিং
কলেজের হিন্দু শিক্ষিকা খুন

চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা অঞ্জলী রানী দেবী নগরীর পাঁচলাইশের বাসা থেকে কলেজে যওয়ার পথে চকবাজার রেতপট্টি লেনের কাছে কতয়েকজন দুর্বত্ত তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহত করে বলে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। গুরুতর অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি মারা যান। নিহতের স্বামী ডা. রাজেন্দ্র চৌধুরী জানান, এলাকায় তাদের সঙ্গে কারো বিরোধ ছিলো না। অনুসন্ধানে যানা যায় কলেজে হিজাবের জের ধরে খুন হোন অঞ্জলী দেবী।
-আমাদের সময়/ভোরের কাগজ/জনকণ্ঠ-১১ জানুয়ারি, ২০১৫

#
১০ জানুয়ারি, ২০১৫ উখিয়া, কক্সবাজারে ৫২ পরিবারকে উচ্ছেদ

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে সংখ্যালঘু বড়–য়াদের অর্ধশতাধিক পরিবারের নারী, পুরুষ শিশুসহ আড়াই শতাধিক লোক সর্বস্ব হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছেন।পতিত জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হয়। উপায় না দেখে তারা দেশত্যাগের চেষ্টা করছে।গত রোববার সকালে দলবদ্ধভাবে তারা মায়ানমার যাওয়ার পথে বেতবুনিয়াতে বিজিবি তদাদের আটকে রাখে। সেখানে তারা অনশন করছে তাদের বসতভিটা ফিরে পেতে।
-দৈনিক সমকাল/জনকণ্ঠ, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫
#
১০ জানুয়ারি, ২০১৫ নেত্রকোনায় দুটি মন্দিরে চুরি

জেলা শহরের জয়নগর কালীবাড়ীতে লোকনাথ আশ্রমে দুটি মন্দিরে শনিবার রাতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরের দল মন্দিরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দান বাসের টাকা ও পুজার সামগ্রী নিয়ে যায়।
-দৈনিক সমকাল, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫

#
৬ জানুয়ারি, ২০১৫ ভুঞাপুর, টাঙ্গাইল হিন্দু পল্লিতে আগুন

গত মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ৮টায় পদন শীলের বাড়ির খড়ের গাদায় দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী শীল বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে ছুটে আসে ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
-দৈনিক সংবাদ, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৫

১৩ জানুয়ারি, ১৫ ফরিদপুর ৮০টি প্রতিমা ভাংচুর

পালপাড়ার সুকুমার চন্দ্র পাল ও প্রদীপ চন্দ্র পাল আগামী ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বহুদিন বসে প্রতিমা তৈরী করেছিলো। সোমবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ৭০টি প্রতিমা ভেঙে তাদের পথে বসিয়েছে।
-দৈনিক সংবাদ, আমাদের সময়, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৫
#
১৫ জানুয়ারি, ১৫ বুড়িচং, কুমিল্লা ১৫ কোটি টাকার সম্পত্তি দখল

রামপাল গ্রামের নেপা চন্দ্র দেবনাথসহ তাদের পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে বিভিন্ন দাগে ৫ একর সম্পত্তি জবর দখল করে নিয়েছে এলাকার প্রভাবশালী হাবিবুর রহমান, আবুল কালামও হারুনর রশীদ। এ ব্যাপারে, বিক্ষোভ, সমাবেশ, মানব বন্ধন, সংবাদ সম্মেলন করেও কোনো ফল হচ্ছে না।
-দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫
#
১৮ জানুয়ারি, ১৫ পিরোজপুর গোবিন্দ মন্দিরের বিগ্রহ চুরি

রায়েরকাঠি জমিদার বাড়িতে ইসকন পরিচালিত রাধা-গোবিন্দ মন্দিরের তালা ভেঙ্গে পিতলের তৈরী মূল্যবান রাধাগোবিন্দের ৩টি মূর্তিসহ পূজার জিনিসপত্র সব নিয়ে গেছে চোরেরা। এ ব্যাপারে একটি জিডি দায়ের করা হয়েছে।
-দৈনিক সংবাদ, ২১ জানুয়ারি, ২০১৫

#
২১ জানুয়ারি, ১৫ গফরগাঁও, ময়মনসিংহ হিন্দু বাড়িতে আগুন বেলাব গ্রামে বুধবার ভোরে শ্রীকান্ত চন্দ্র দাস (৮০) নামে এক সংখ্যালঘুর বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে এলাকাবাসী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
-দৈনিক জনকণ্ঠ, ২২ জানুয়ারি, ২০১৫

#
২৫ জানুয়ারি, ১৫ মানিকগঞ্জ পন্ড হলো সরস্বতী পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রধান শিক্ষকের মোবাইল নম্বর না পেয়ে এক শিক্ষককে পেটালো ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক রুবেল। এঘটনার সঙ্গে সঙ্গে পন্ড হয়ে যায় সরস্বতী পুজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
-দৈনিক সমকাল/সংবাদ/ইনকিলাব, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৫

#
২৫ জানুয়ারি, ১৫ পটিয়া, চট্টগ্রাম হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা পূর্ব শত্রুতার জের হিসাবে সদরের বৈলতলী রোডের অনুকুল স্টোরে সকাল সাড়ে ৮ টায় শফিকুর রহমান নামে এক ব্যক্তি হামলা চালায়। ওসময় হামলাকারী পেট্রোল দিয়ে অফিস জ্বালিয়ে দেয়ারও হুমকি দেয়।
-দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৫
#
৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

গাইবান্ধা মন্দির ভাংচুর ও বসতবাড়িতে হামলা

সদর উপজেলার আনালেরতাড়ি গ্রামে শনিবার সকালে বিধবা সাবিত্রী রানীর নবনির্মিত বসতবাড়ি ও মন্দির ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আবদুর রশীদ ও তার বাহিনী। সন্ত্রাসী রশিদ ও তার স্ত্রী বহুদিন ধরে তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। তা না দেয়ায় এ নারকীয়তা।

-দৈনিক জনকণ্ঠ, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

#বড়বাইশদিয়া, উপজেলা-রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী ২৮টি হিন্দু পরিবার অবরুদ্ধ, লুটপাট ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানি

দাসের কান্দার ২৮টি হিন্দু পরিবারকে গত ৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাদের বাড়িতে লুটপাট, ধর্ষণ এবং দৈহিক নির্যাতন চালিয়েছে বিএনপির ৩ নেতা রুহুল আমিন সিকদার, লিন সিকদার বাবু গাজী ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী। হিন্দুদের তাড়িয়ে তাদের জায়গা দখল করার জন্য এ ধরনের নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আহত ১০ জন।

-দৈনিক জনকণ্ঠ/সংবাদ, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

#
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ৫ মূর্তি ভাংচুর

-গত শুক্রবার নগরপাড়া পুজা মন্ডপে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে ৫টি মূর্তি ভাংচুর করে ।

-দৈনিক ইত্তেফাক/ আমাদের সময়, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

#
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

শেরপুর, বগুড়া মন্দিরে আগুন

গত সোমবার চন্ডিজান রাধাগোবিন্দ মন্দিরে রাত ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা খড় ও কাপড়ে কেরোসিন ঢেলে মন্দিরে আগুন দিয়ে পালানোর সময়ে দুই শিবির কর্মী ফরহাদ(১৯) ও তোহা (২২) কে জনগণ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

-দৈনিক সংবাদ, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

#
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৫

যশোর ১১৬ হিন্দু পরিবার জিম্মি

চুড়ামন কাঠি ইউপি সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা ও তার বাহিনীর অত্যাচার, নিপীড়ন এবং চাঁদাবাজির কাছে জিম্মি জীবন যাপন করছে ১১৬টি হিন্দু পরিবার। তারা যাকে খুশী তাকে ধরে আটকে রেখে নির্যাতন চালায়, ঘেরের মাছ লুটে নেয়, চাঁদাবাজি করে এভাবে জিম্মি হয়ে আছে ৪০০জন মানুষ।

-দৈনিক সংবাদ/আজকের দর্পন, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
এ সকল নির্যাতনের কতটার সুষ্টু তদন্ত ও বিচার হয়েছে তা আজ এক উলঙ্গ প্রশ্নের মুখোমুখি।অথচ বর্তমান সরকারের একজন হেভিওয়েট মন্ত্রী কিছুদিন পুর্বে এ বক্তব্যে বললেন-
সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হলে সরকার ঘরে বসে থাকবেনা
দেখুন-
http://www.banglatribune.com/politics/news/92353/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E2%80%99
কেমন নির্লজ উক্তি!!

১৯৪৭ সালের আদমশুমারির ফলাফলে ২৯.৭% শতাংশ সংখ্যালঘুর সংখ্যা আরো লঘু হয়ে ৯.৭% শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে বর্তমানে। ৭১ পুর্ববর্তি সংখ্যা লঘুদের দেশ ত্যাগের মিছিল আজও নিশে:ষ হয়নি। বন্ধ হয়নি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক নুংরা খেলা।
রাজনীতিতে সংখ্যালঘুরা শুধুমাত্র ভোটের ডিসাইডিং ফ্যাক্টর, আর তা দখলে রেখেছে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মায়া কান্না।

বর্তমান সরকারের আরেকটি স্যাকুলার(?) নীতির পরিচয় বহন করে ব্লগার,অনলাইন এক্টিভিষ্ট,মুক্তমনা লেখক প্রকাশকদের হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে। এ পর্যন্ত যে কয়জন মুক্তমনা লেখক ইসলামী জঙ্গীদের দ্বারা নিহত হয়েছে তাদের বিচারের প্রসঙ্গে সরকার বরাবরই দায়হীন নীতির আশ্রয় নিয়েছে। বরং উল্টো আইন করে মুক্তমনাদের কলমকে থামাতে বদ্ধ পরিকর। হুমায়ুন আযাদ থেকে শুরু করে রাজীব,অভিজিৎ,অনন্ত,নীলয়,সর্বশেষ নাজিমুদ্দিন সামাদ।সবাই সরকারের ধর্মবাদী নীতির বলি।
আর আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তো বলেছেনই মদীনা সনদের ভিত্তিতে দেশ চলাবেন।মদীনা সনদকে যারা দেশ চালানুর ভিত্তি হিসাবে নেয় এমন অন্ধ সরকারের কাছে মুক্তমনা বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচা চাওয়াও নির্বুদ্ধিতার পরিচয়।
মদীনা সনদ যারা পড়েছেন তারা সবাই ভালো করে জানেন এটি কতটা হিংসাত্বক ,সাম্প্রদায়ীকতা বহন করে।এটা আমাদের বাঙালী সংস্কৃতি,মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সম্পুর্ন পরিপন্থি।এটা কোন স্যাকুলার দেশ পরিচালনার বিধান হতে পারেনা। –
দেখুন-
http://m.prothom-alo.com/bangladesh/article/174619/%C3%A0%C2%A6%C2%AE%C3%A0%C2%A6%C2%A6%C3%A0%C2%A6%C2%BF%C3%A0%C2%A6%C2%A8%C3%A0%C2%A6%C2%BE-%C3%A0%C2%A6%C2%B8%C3%A0%C2%A6%C2%A8%C3%A0%C2%A6%C2%A6-%C3%A0%C2%A6&
এ জায়গায় একটা প্রশ্ন জাগে মনে যদি মদিনা সনদ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন ,তাহলে নিজেদের কেন স্যাকুলার হিসাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন।
পরিশেষে এটা বলতে চাই কোন ধর্মবাদী মানুষের যেহেতু কোন অবস্থাতেই স্যাকুলার হওয়া সম্ভব নয়,তেমনি কোন ধর্মবাদী সকরকারেরও স্যাকুলার হওয়া সম্ভব নয়।স্যাকুলারিজমের পুর্ব শর্তই “তুমি ধর্ম ছাড়।
সুতরাং বর্তমান সরকারের নিজেদের স্যাকুলার হিসাবে পরিচয় দেয়াটা এক ধরনের ঘৃন্য রাজনৈতিক ফ্যালাসি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 + = 33