নাস্তিক হত্যার নেপথ্যে ইসলামি আসমানি কেতাব সমুহের ভুমিকা

[sb]”নাস্তিক ও অমুসলিম হত্যা কি ইসলাম সমর্থন করে??”[/sb]

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই তর্কটিই এখন সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপুর্ন হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য সহ প্রায় সবকটি মুসলিম প্রধান দেশগুলিতে অতিত থেকেই অমুসলিম ও অবিশ্বাষীদের হত্যার যে ঐতিয্যময় রেওয়াজ আজও স্বমহীমায় বিরাজমান রয়েছে,তার পিছনে ইসলামি আসমানি কেতাব সমুহের সুমহান ভুমিকা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলির সুস্পস্ট উত্তর আজ পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।তথাকথিত মুসলিম মডারেটদের এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা-

[sb]”ইহা সহি ইসলাম নয়”[/sb]

বলে কাঁটা ঝেরে ফেলেন। তবে কিভাবে ইহা সহি ইসলামের কাতারে পরে না,শ্যাম ও কুল দুইই রক্ষার তাগিদে তেনারা কখনই এই প্রশ্ন গুলির সঠিক ও সুস্পস্ট ব্যাখ্যা সমাজের সামনে রাখার হিম্মৎ জুটাতে পারেননা।

ইসলামি স্কলাররা এই জাতীয় প্রশ্নের মুখামুখি হলে সাংঘাতিক রকম পেরেশানি অনুভব করেন এবং যথাসম্ভব এই জাতীয় প্রশ্নগুলি এরিয়ে যাবার অন্তপ্রান চেস্টা চালাতে থাকেন তবে যখন অস্টেপৃস্টে বাধা পরে যান ফলে পালাবার পথ না পেয়ে শুরু হয় হেনো আয়াত তেনো আয়াত ওই হাদিস সেই হাদিসের এবং তাদের গোজামিলময় নুরানি চর্বিত চর্বন।
তবে বেলা শেসে জাকির,ফকির,লাদেন,নব্য সংযোজন অবু বক্কর আল বাগদাদি সবারই বক্তব্য “ইসলাম শান্তির ধর্ম, কোরান কাটাকাটি কোপাকুপি সমর্থন করেনা।

আসলেই কি তাই!!! সত্যিই কি কোরান রক্তপাত সমর্থন করেনা!!!!

তাহলে দেখে নেওয়া যাক রক্তপাত সম্পর্কিত কোরানের আয়াত সমুহ-

১,সুরা আন নিসা-৭১

[sb]হে ঈমানদারগন নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেত ভাবে বেড়িয়ে পড়।[/sb]

ইহা একটি সহিহ অনুপ্রেরনামুলক উস্কানি।

২,সুরা আন নিসা-৭৪

[sb]কাজেই যারা নিজেদের পার্থিব জীবনকে আখের রাতের পরিবর্তে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দেয়,তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য।বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করে অতঃপর মৃত্যু মুখে পতিত হয় কিংবা বিজয় লাভ করে,আমি তাদের মহাপুন্য দান করব।[/sb]

উক্ত আয়াতটি সহিহ ব্রেইন ওয়াস ক্যাটাগরির। যারা বাগদাদির ব্রেইন ওয়াসমুলক উক্তিগুলি পরেন নাই উহারা ইহা পরিয়া অশেস নেকি হাসিল করুন।

৩,সুরা আন নিসা-৮৪

[sb]আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করতে থাকুন।আপনি নিজের সত্তা ব্যাতিত অন্য কোনো বিষয়ের জিম্মাদার নন! আর আপনি মুসলমানদের উৎসাহিত করতে থাকুন,শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের সমস্ত শক্তি খর্ব কর দেবেন।আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থের দিক দিয়ে সবচেয়ে কঠোর এবং সর্ব্বোচ্চ শাস্তিদাতা।[/sb]

মোদের পাক নবী তেনার না-পাক ইরাদা জনিত কারনে তেনার অনুগত গনিমতের মাল লোভি জেহাদিদের মনে সহিহ ঈমানি জোশ জাগাচ্ছেন।

৪,সুরা আন নিসা-৮৯

[sb]তারা যে চায়,তারা যেমন কাফের তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও।যাতে তোমরা ও তারা সমান হয়ে যাও।অতএব তাদের কাওকে নিজের বন্ধু বানিয় না। যে পর্যন্ত না তারা হিজরত করে আল্লাহর পথে চলে আসে অতঃপর তারা যদি বিমুখ হয়,তাদের পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের কাওকে বন্ধু বা নিজের সাহায্যকারি বানিও না।[/sb]

নবী দ্বারা জেহাদিদের মনে ঈমানি জোশ এবং ব্রেইন ওয়াস অন্তিম পর্যায়ে তাই এবার আস্তে আস্তে হত্যায় সহিহ উস্কানি দেওয়া শুরু করেছেন তিনি।

৫,সুরা আত তাওবাহ-৫

[sb]অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলে মুশরিকদের হত্যা কর,তাদের যেখানে পাও সেখানে।তাদঘর বন্দি কর এবং অবরোধ কর।প্রত্যেক ঘাঁঠিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাকো।কিন্তু তারা যদি তওবা করে,নামায কায়েম করে,যাকাত আদায় করে,তবে তাদের রাস্তা ছেরে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল।[/sb]

আল্লাহ ক্ষমাশীল!! এই গল্প না মানলে আপনার কল্লা কর্তন করা হবে। হে হে হে ক্ষমার এহেন বিনুদুনমুলক উদাহরদ কোরান ছারা আর কোথায় পাবেন!!!

৬,সুরা আত তাওবাহ-২৯

[sb]তোমরা যুদ্ধ কর আহলে কেতাবের ওই লোকগুলির সাথে যারা আল্লাহ ও রোজ হাসরে ঈমান রাখেনা,আল্লাহ ও তার রসুল যা হারাম করে দিয়েছে তা হারাম করেনা এবং গ্রহন করেনা সত্য ধর্ম।যতক্ষন না করজোরে জিজিয়া প্রধান করে।[/sb]

শান্তির ধর্মের শান্তির বানির নমুনা।

বাকিটুকু জিন্দা থাকলে দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “নাস্তিক হত্যার নেপথ্যে ইসলামি আসমানি কেতাব সমুহের ভুমিকা

  1. আপনি কোরানের যে আয়াতগুলো
    আপনি কোরানের যে আয়াতগুলো দিয়েছেন সেগুলো নাস্তিকদের ব্যাপারে অবতীর্ন হয় নি। সেগুল নাযীল হয়েছিল মক্কা আর মদীনার মুশরিক, প্যাগান আর কোরায়েশদেরকে উদ্দেশ্য করে।তারা কিন্তু নাস্তিক ছিল না। তারা মুহাম্মদ সা কে মক্কা থেকে বিতাড়িত করেছিল, তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, মুসলিমদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এবং ইসলাম ধর্মকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। এসন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত মুসলমানরা ্নিশ্চয় আংগুল মুখে দিয়ে চুপ-চাপ বসে থাকবে না। আল্লাহ কোরানের আয়াতগুলোতে মুসলিমদেরকে সেইসব মুশরিক, প্যাগান আর কোরায়েশদের সাথে যুদ্ধ করতে আদেশ দিয়েছেন। আর যুদ্ধ মানেই তো হত্যা।
    ১৯৭১ সালে বংগবন্ধু পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মুক্তিবাহিনীকে যুদ্ধ আর হত্যার আদেশ না দিলে আমরা আজকে স্বাধীন দেশ পেতাম না, ঠিক তেমনি আল্লাহ কোরানে মুশরিক, প্যাগান আর কোরায়েশদেরকে উদ্দেশ্য যুদ্ধের আদেশ না দিলে আমরা ইসলাম ধর্ম পেতাম না।

    1. মুহাম্মদকে যে মক্কাবাসীরা
      মুহাম্মদকে যে মক্কাবাসীরা অত্যাচার করেছিল বা তার লোকদেরকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েছিল , বা মুহাম্মদকে যে হত্যা করার চক্রান্ত করছিল, এর স্বপক্ষে কোন দলিল আছে ? মুহাম্মদ নিজেই তার ইসলাম ধর্ম চালু করে অন্য সকলকে নিশ্চিহ্ন করতে চাচ্ছিল , তখন কুরাইশ বা অন্যান্যরা কি মুহাম্মদকে চুমু খাবে ? তাহলে গন্ডগোলের সূত্রপাত কার দ্বারা হয়েছিল ? মুহাম্মদের দ্বারা নাকি কুরাইশদের দ্বারা ?

      পায় পাড়া দিয়ে গন্ডগোল শুরু করবেন আপনি , তারপর আমি আপনাকে কিছু বললেই সব দোষ আমার ?

      1. তখন কুরাইশ বা অন্যান্যরা কি
        তখন কুরাইশ বা অন্যান্যরা কি মুহাম্মদকে চুমু খাবে ? তাহলে গন্ডগোলের সূত্রপাত কার দ্বারা হয়েছিল ? মুহাম্মদের দ্বারা নাকি কুরাইশদের দ্বারা ? পায় পাড়া দিয়ে গন্ডগোল শুরু করবেন আপনি , তারপর আমি আপনাকে কিছু বললেই সব দোষ আমার ?

        ও তার মানে মুহাম্মদ (সা) এর সময় আপনি বেচে থাকলে নিশ্চিতভাবে কুরায়শ আর প্যাগানদের পক্ষে থাকতেন। আমাদের নবিজীকে মক্কা থেকে তাড়িয়ে দিতেন, তাকে হত্যার চেষ্টা করতেন আর মুসলামদের উপর অত্যাচার করতেন। কোরানের আয়াতগুলোর প্র্যয়োজনীয়তা এখন খুব বুঝতে পারছি।

  2. মাঝে মাঝে নিজের পরিচয় দিতে
    মাঝে মাঝে নিজের পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ হয়। স্টালিন, হিটলার আর মাওসেতুং মাত্র এই তিন জন নাস্তিক মিলেই হত্যা করেছে ১০০ মিলিওনের বেশী মানুষ। আর হত কয়েক দশকে নিজেদেরকে সভ্য দাবী করা পশ্চিমারা হত্যা করেছে ১৫ লাখের বেশী মুসলিম । তেল গ্যাসের জন্য ইরাক,লিবিয়া,সিরিয়া,আফগানস্থানকে তছ-নছ করা হয়েছে।

    নাস্তিকতা আর সম্রাজ্যবাদের চাইতে ইসলাম অনেক বেটার

    1. নাস্তিকতার নামে কেউ কোথাও
      নাস্তিকতার নামে কেউ কোথাও কোনদিন খুন হত্যা করেছে বলে শোনা যায় নি। মাও সে তুং বা স্টালিন তারা কমিউনিজমের নামে মানুষ হত্যা করেছে। দুনিয়ার মানুষ তাদেরকে সেজন্যে খুনী বলেই জানে , জানে তারা মানবতা বিরোধী কাজ করেছে । তাদেরকে একারনে প্রচুর সমালোচনা সহ্য করতে হয়। মুহাম্মদও ঠিক একই ভাবে তার ইসলাম নামক একনায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক দর্শনের জন্যে মানুষ হত্যা করেছিলেন, আর তার অনুসারীরা একই কাজ আজও করে যাচ্ছে। যেহেতু মাও সেতুং বা স্টালিন তাদের মতবাদের জন্যে মানুষ খুন করেছিলেন , তাই মুহাম্মদের মানুষ খুন করাটাও বৈধ হয়ে গেল। কি মধুর যুক্তি?

      তা ভাই , এ জন্যে কি মুহাম্মদের কোন সমালোচনা করা যাবে না ? যেমনটা আমরা করি মাও সেতুং বা স্টালিনকে ? যদি করা যায়, তাহলে আপনার সাথে আমার আর কোনই বিরোধ নেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

57 − = 56