উল্টো রথে চলছে ধর্মনিরপেক্ষতা

আই এস আই এর বাংলাদেশের প্রধান আবু ইব্রাহীম আল হানিফ এদেশে আই এস আই এর ঘাটি গড়র আশা প্রকাশ করেছে আর নাস্তিক মুর্দাতদের হুমকি দিয়ে বলেছে ‘নাস্তিক মুর্দাতদের গলা কাটার জন্য আমাদের সৈন্যরা চাকু ধার দিচ্ছে।’এদের লক্ষ বাংলাদেশে শক্ত ঘাটি গড়ে ভারত,মায়ানমারের ইসলাম প্রচার করা এবং মুসলিমদের হত্যা নির্যাতনের প্রতিশোধ নেয়া।নাস্তিক,মুক্তিমনা হত্যা হলে কথিত এই আই এস আই হত্যার দ্বায় স্বীকার করে আসছে বিগত কয়েক বছর ধরে।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের,ধ
র্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গড়ার চেতনার মাননীয় প্রধানমুন্ত্রী নাস্তিক ব্লগার হত্যা হলে কথিত আই এস আই এর মত নিজেও একটা বিবৃতি দিত।আর তা হল ‘দেশে কোন জঙ্গি নেই।’
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর।

এই বাক্য ধারন করে আমাদের দেশের নেতামুন্ত্রী নাস্তিক হত্যা হলে ঠিকই প্রধানমুন্ত্রীর মত বক্তব্য পেশ করত।কেউ কেউ আবার নাস্তিক হত্যার জন্য সয়ং নাস্তিককেই দ্বায়ী করত।যদিও আই এস আই দ্বায় প্রতি হত্যার সময় স্বীকার করে নিয়েছে তবুও এরা হত্যার কোন ক্লু খুজে পায় না।বিচারও হয় না!বরং বিরোধী দলের চক্রান্তের গন্ধ পায়।ক্ষমতা হারানোর গন্ধ পায়।
সম্প্রতি প্রধানমুন্ত্রী তার সহজ স্বীকার উক্তি দিয়েছেন।যদি লেখা লেখি করে হত্যা হয় তাহলে তার দ্বায় সরকার নেবে না।বর্তমানে সরকার হেফাজত ইসলাম, জামাত ইসলামের কাছে বন্দি।ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্ম নিয়ে রাজনীতিতে আওমিলীগ মাঠে নেমে সাধারন মানুষের ধর্মান্ধতার সুযোগ নিয়েছে।আর এর ফলে সংখ্যালঘু নির্যাতন,ধর্ষণ ব্যাপক ভাবে বেড়েছে।শেখা হাচিনা হয় তো ভুলে গেছে ইসলাম শুধু একটা ধর্ম না একটা রাজনৈতিক সংগঠন।বহির্বিশ্বে তাকালেই প্রমান পাওয়া যায়।আলকায়দা,আই এস আই এরা প্রতিনিয়ত ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য লড়ে যাচ্ছে।আর তার মুলে ইসলাম ধর্ম।ইসলামিক আদর্শ।কোরান হাদিসে স্পষ্ট ভাবেই এই নীতি উল্লেখ আছে।মোহাম্মাদের প্রচারিত ইসলাম ধর্ম আজীবন জিহাদ করার কথা উল্লেখ আছে।প্রধানমুন্ত্রীর জানা না থাকলেও মুক্তমনা,নাস্তিক বারবার ব্লগ ফেসবুকে লিখে সাধারন মানুষকে জানানোর চেষ্টা করে গেছে।মাননীয় প্রধানমুন্ত্রী আপনি হয়তো এটাও ভুলে গেছেন ২১ এ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার কথা,নারী নেত্রীত্ব হারাম ফতোয়া দিয়ে আপনাকে ক্ষমতা থেকে অপশারনের কথা।আপনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল কারা?জামাত ইসলামের অনুশারী,ইসলামীক আদর্শেরর লোকরা।আপনি ভুলে গেলেও মুক্তমনা নাস্তিক ব্লগে লিখেছে।আর এখন এরাই এখন আপনার শত্রু।এদের নিরাপত্তা দিতে পারবেন না,মৃত্যুর দ্বায় নিতে পারবেন না।এদের লেখা আপনার অনুভূতিতে আঘাত করে।
আপনি ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে বিশেষ ধর্মে দুর্বল,এই ধর্মের সমালোচনায় আপনে আঘাত প্রাপ্ত হন।আর এমন বক্তব্য রাখে যাতে হত্যা বৈধতা পায়।আপনার বক্তব্যে যদি আই এস আই এর মত বিশ্বসন্ত্রাসী দল সুবিধা নেয় দেশে ঘাটি গড়তে চায় তাহলে আপনার সাথে গলা মিলিয়ে বলতে ইচ্ছে হয় ‘মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই,সত্যি দেশে কোন জঙ্গি নাই।’

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “উল্টো রথে চলছে ধর্মনিরপেক্ষতা

  1. সেখ হাসিনা নিজেও অবশেষে একজন
    সেখ হাসিনা নিজেও অবশেষে একজন খাটি মুসলমান। তাই মুখে যতই ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলুন না কেন , বাস্তবে কি সেটা তার পক্ষে পালন সম্ভব ? আর তিনি নিজেও জানেন , এই দেশে এখন আর যাই হোক ধর্ম নিরপেক্ষতার মত ফাকা বুলি আউড়ে ক্ষমতায় থাকা যাবে না। খাটি ইমানদার মুসলমানদের কাজ কর্মকে বাড়তে দিয়ে, তিনি নিজেই যে নিজের ও তার দলের কবর খুড়ছেন , আর সেই সাথে গোটা দেশকে একটা অতল গহ্বরের দিকে নিয়ে যাচ্ছে , ক্ষমতার মদমত্তে সেটা বেমালুম তিনি ভুলে গেছেন।

      1. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে আবার
        মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে আবার ইসলামে কিছু আছে নাকি ? আপনাকে বুঝতে হবে , মুসলমানদের কাছে ইসলামই সর্বাগ্রে , আর তাই একটা মুসলিম জাতি বা দেশকে যখন বিচার করবেন , তখন সেটা করতে হবে , ইসলামের ভিত্তিতে। নিরপেক্ষভাবে সেটা করার কোনই উপায় নেই। যদি করেন , তাহলে সঠিক বিচার হবে না। তার প্রমান – আপনি বহু মুক্তিযোদ্ধা বর্তমানে খুজে পাবেন যারা জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করেছিল কিন্তু বর্তমানে জামাত ইসলাম বা এ ধরনের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অথচ ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক না থাকার কারনেই এটা সম্ভব । কারন , একজন মুসলমানের কাছে , মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চেয়ে ইসলামের গুরুত্ব অনেক বেশী এবং সেটাই প্রধান।

কাঠমোল্লা শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 26 = 34