দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ এখন সময়ের ব্যাপার

আমাদের দেশে বর্তমানে ৩ কোটি লোক এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। আমরা দারিদ্র্যকেও বিদায় করব। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৫৬-৫৮ সালের মধ্যে আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। বঙ্গবন্ধু গ্রামে গ্রামে ঘুরে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়। স্বাধীনতার পর যখন দেশ গঠন শুরু হয়েছে, ঠিক সেই সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে কিছু কুলাঙ্গার গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে ১০ ভাগের নিচে। অর্থাৎ এই ১০ ভাগ হলো প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ ও বিধবা। বিশ্ববাসী মনে করছে, ২০৩০ সালে দারিদ্র্যের হার কমে যাবে। আর বাংলাদেশ বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হবে ও দারিদ্র্য হ্রাস পাবে। এখন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। মানুষের ভোটের অধিকার, নির্বাচনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু জ্বালাও-পোড়াও করে দেশকে অস্থির করে তোলা হয়েছিল। বর্তমানে জ্বালাও-পোড়াও আর নেই। জ্বালাও-পোড়াওকে আমরা বিদায় করেছি। বিএনপি জামাত জ্বালাও-পোড়াও বন্ধ করে দিয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + = 10