দ্যা গড প্যারাসাইট

বস্তুগত দিক থেকে বিভিন্ন ধর্মে যে স্রষ্টার কথা বলা হয়েছে তা অদৃশ্য একটি ব্যাপার মাত্র। কিছু ধর্ম সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছে সর্বত্রে স্রষ্টার অনুপস্থিতি। কিন্তু এই অনুপস্থিত স্রষ্টাকে গভীর ভাবে বিশ্বাস করে নেওয়া এবং তার নির্দেশ মেনে চলার যে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে মৌলিক ধর্মগ্রন্থ গুলোতে
তার মূলে রয়েছে একটি বিশেষ উদ্দেশ্যঃ ” মানব কল্যান ও অসাম্প্রদায়িকতা ”
মৌলিক এই নীতি কে অস্বীকার করলে ইশ্বর এর অস্তিত্ব ই প্রশ্নের মুখে পড়ে…
‘ঈশ্বর বিভ্রম’ তত্ত্ব কে জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বাধিকভাবে অবদান রেখে যাচ্ছে কথিত আস্তিকরাই। তারা সর্বত্রে প্রচেষ্টা চালিয়ে যে স্রষ্টার সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন তা আমাদের কাছে এবং নতুন প্রজন্মের নিকট একটি বিভ্রম মাত্র।
এখন খুব প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন হলো তাদের এই নিজ সৃষ্ট অপ্রয়োজনীয় ” ঈশ্বর ” কত দিন বেঁচে থাকবেন
এই বিশ্ব পরিক্রমায়!! ??? ?
নিম্নমানের ধারনা সমৃদ্ধ এই স্রষ্টা মহাবিশ্বের প্রতিপালক হতে পারে না
আমিও স্রষ্টাই বিশ্বাসী….
কিন্তু এই স্রষ্টা না……

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + = 14