একটি সহিহ ইসলামী গাজাখুরি কিচ্ছা: আল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা

মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে সীমাহীন অজ্ঞতা আমাদেরকে বিস্মিত করে। কাবা ঘর ও জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা নির্মানের মধ্যে কত বছরের তফাৎ সেটা বলতে গিয়ে তারা উভয়ই এই অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ও একটা গাজাখুরি গল্পের অবতারনা করেছে। তবে গল্পটা যতই গাজাখুুরি হোক না কেন , সেটা সত্য বলে বিশ্বাস করতে হবে , যদি না করা হয়, তাহলে নির্ঘাত, আপনি বেহেস্তের ৭২ কুমারী নারীর সাথে অবিরাম যৌন সঙ্গম তো মিস করবেনই , পরন্তু দোজখের আগুনে পুড়ে মরতে হবে অনন্তকাল। সুতরাং হুশিয়ার , সাবধান !

সবাই বিশ্বাস করে , মুহাম্মদ কোন কথাই তার আল্লাহর নির্দেশ ব্যাতীত বলতেন না। তাই তার কথিত হাদিসও প্রকারান্তরে আল্লারই কথা। সুতরাং ইতিহাস সম্পর্কে কোন উদ্ভট আজগুবি তথ্য যদি মুহাম্মদ বলে থাকেন , সেটা প্রকারান্তরে তার আল্লাহরই আজগুবি কিচ্ছা বলে গণ্য হবে। প্রথমেই দেখা যাক , কাবা ঘর ও মসজিদুল আকসা নির্মানের মধ্যে কত বছরের তফাৎ ছিল বলে সহিহ হাদিস বলেছে—

সুনানু ইবনে মাজাহ্ :: হাদিস ৭৫৩, (আবওয়াবুল মাসাজিদ ওয়াল জমা‘আত অধ্যায়)
আবূ যার আল-গিফারী < থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! সর্বপ্রথম কোন মাসজিদে নির্মিত হয়েছে? তিনি বলেন: মাসজিদেুল হারাম। রাবী বলেন, আমি আবার বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বলেন: তারপর মাসজিদুল আকসা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, উভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত বছরের? তিনি বলেন: চল্লিশ বছরের। এখন তোমার জন্য সমগ্র পৃথিবীই মাসজিদে। অতএব যেখানেই তোমার সলাতের ওয়াক্ত হয়, সেখানেই তুমি সলাত আদায় করতে পারো।

সুনানু নাসাঈ শরীফ :: মসজিদ অধ্যায়, অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৬৯০
আলী ইব্ন হুজর (র) … ইবরাহীম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রাস্তায় বসে আমার পিতার নিকট কুরআন পাঠ করতাম, যখন আমি সিজদার আয়াত পাঠ করলাম তিনি সিজদা করলেন, তখন আমি বললম আব্বা! আপনি রাস্তায় সিজদা করছেন! তিনি বললেন, আমি আবূ যর (রা) –কে বলতে শুনেছে যে, আমি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন্ মসজিদটি প্রথম নির্মিত হয়? তিনি বলেছিলেন, মসজিদুল হারাম। আমি বললাম, তারপর কোন্টি? তিনি বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি বললাম, এতদুভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। আর যমীন তোমার জন্য মসজিদ (সিজদার স্থান)। অতএব যেখানেই সালাতের সময় হবে, সালাত আদায় করবে।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫৫ :: হাদিস ৫৮৫
মূসা ইব্ন ইসলামাঈল (র) ……… আবূ যার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদ তৈরি করা হয়েছে ? তিনি বললেন, মসজিদে হারাম । আমি বললাম, তারপর কোনটি ? তিনি বললেন, মসজিদে আক্সা । আমি বললাম, উভয় মসজিদের (তৈরীর) মাঝে কত ব্যাবধান ছিল ? তিনি বললেন, চল্লিস বছর । (তিনি আরো বললেন) এরপর তোমার যেখানেই সালাতের সময় হবে, সেখানেই সালাত আদায় করে নিবে । কেননা এর মধ্যে ফযীলত নিহিত রয়েছে ।

তিন তিনটা বিভিন্ন সহিহ হাদিস কিতাবে বলা হয়েছে , কাবা ঘর ও মসজিদুল আকসা নির্মানের মধ্যে ব্যবধান ছিল মাত্র চল্লিশ বছর। দুনিয়ার তাবৎ মোমিন মুসলমানরা বিশ্বাস করে , কাবা ঘর সর্বপ্রথম নির্মান করে আদম , আল্লাহর নির্দেশে। সাথে সাথে তারা এটাই জানে , নুহ নবীর কথিত দুনিয়া ব্যাপী প্লাবনের সময় উক্ত কাবা ঘর ধ্বংস হয়ে যায়, অত:পর ইব্রাহীম তা পূন: নির্মান করে। মোমিন মুসলমানদের বিশ্বাস এ পর্যন্ত ঠিকই আছে। কিন্তু গোল বেধে যাবে পরের ঘটনায়।

তৌরাত কিতাব থেকে জানা যায় , দাউদ নবীকে আল্লাহ একটা প্রার্থনার ঘর নির্মান করতে বলে, সে তা শুরুও করে , তবে তার পূত্র সোলায়মান নবী উক্ত ঘর নির্মান শেষ করে আর অত:পর তার নাম রাখা হয় সলোমনের মন্দির। তবে আশার কথা এই যে, সকল মোমিন মুসলমানেরা এটা বিশ্বাস করে যে এই সলোমনের মন্দির নবী সোলায়মানই নির্মান করেছিল। এখন যদি আদমকে বাদ দিয়ে , কাবা ঘরের নির্মাতা হিসাবে ইব্রাহিমকেও ধরি , তাহলে কি দেখা যাবে ?

সকলেই জানে , ইব্রাহীমের দুই পূত্র ইসহাক ও ইসমাইল। ইব্রাহীম তার দাসী হাজেরার গর্ভে ইসমাইল জন্মগ্রহন করার পর তাকে মক্কাতে নির্বাসন দেয়। তার বৈধ স্ত্রী সারার গর্ভে ইসহাকের জন্ম হয়। ইসহাকের এক পুত্রের নাম ইয়াকুব , যার অন্য নাম ইসরাইল। এই ইসরাইলের বারটা পুত্র যার একজনের নাম ইউসুফ। এই ইউসূফকে তার অন্যান্য ভাইরা মিলে কুপের মধ্যে ফেলে দেয়। মিশরীয় কিছু বনিক তাকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গিয়ে ফেরাউনের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে নানা ঘটনার পর , জেরুজালেমে একবার দুর্ভিক্ষ ঘটলে ইউসুফ তার বাকী সকল ভাইদেরকে মিশরে নিয়ে যায়। অত:পর সেখানে তারা বসবাস করতে থাকে। এভাবে প্রায় হাজার বছর পর হয়ে যায়। তারা সংখ্যায় লক্ষ লক্ষ হয়ে যায়, মিশরে তাদেরকেই বলা হতো ইসরায়েল জাতি। অত:পর সেই জাতির মধ্যে জন্ম গ্রহন করে মুসা নবী। আল্লাহ মুসা নবীকে তখন নির্দেশ দেয়, সকল ইসরায়েলীদেরকে নিয়ে নীল নদী পাড়ি দিয়ে জেরুজালেম যেতে। নানা ঘটনার পর মুসা নবী সবাইকে নিয়ে জেরুজালেম ও তার আশপাশের এলাকায় চলে আসে। তারও প্রায় দেড়শ বছর পর , সেই ইসরাইলিদের মধ্যে দাউদ নামে এক রাজার উত্থান ঘটে যার পুত্রের নাম হলো সোলায়মান।

এখন আমরা যদি ইতিহাসের কোন রকম তথ্য উপাত্য নাও জানি , তাহলেও অন্তত: সাদা দৃষ্টিতে বলা যায় ইব্রাহীম থেকে মুসা নবী পর্যন্ত বহু শত বছর পার হয়ে গেছে। কারন ইসরাইলের বংশধররা তখন মিশরে এতসংখ্যায় বৃদ্ধি পেয়েছে( তৌরাত কিতাবে বলা হয়েছে সেই সংখ্যা ছয় লক্ষের মত) যে তাদেরকে যেরুজালেমে নিয়ে আসার জন্যে মুসা নবীকে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছে। অর্থাৎ ইব্রাহীম থেকে মুসা ও তারও পরে সোলায়মান পর্যন্ত সময়কাল এক হাজার বছরের বেশী , কোনমতেই চল্লিশ না।

ইতিহাসবিদেরা যদিও ইব্রাহিমের সময়কাল বা এমনকি তার অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত না ,তথাপি তৌরাতের কাহিনী ও সামাজিক পরিবেশ হিসাব করে তার সময়কাল বলেছেন – খৃ:পূ: ২০০০ এর দিকে হবে। (সূত্র: http://www.bible-history.com/old-testament/abraham.html)। আর সোলায়মানের সময়কাল হবে – খৃ:পূ: ৯০০ থেকে ৮০০ এর মধ্যে (সূত্র: https://en.wikipedia.org/wiki/Solomon)। অর্থাৎ খুব সাধারন হিসাবেই তাদের মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় ১০০০ বছর। তার মানে ইব্রাহীমকে কাবা ঘরের নির্মাতা ধরলে , কাবা ঘর ও সলোমনের মন্দির নির্মানের সময়ের ব্যবধান হবে কমপক্ষে ১০০০ বছর। কিন্তু হাদিস বলছে মাত্র ৪০ বছর। তাও আবার তিন তিনটা সহিহ হাদিস কিতাবে।

মজার ঘটনার এখানেই শেষ নয়। নবী মুহাম্মদ যখন মিরাজে যান , তখন তিনি নাকি গাধা সদৃশ এক জানোয়ার বোরাকের পিঠে চড়ে সর্বপ্রথমে এই সলোমনের মন্দিরে আসেন। সেখানে তিনি অতীতের সেই ১ লক্ষ ২৪ হাজার বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার নবীদেরকে নিয়ে নামাজ পড়েন ও তাদের ইমামতি করেন। এরপর সেই গাধার পিঠে চড়ে সাত আসমান পাড়ি দিয়ে আল্লাহর সাথে খোশ গল্প করতে যান। ঘটনা চক্রে , যে রাতে মুহাম্মদ এই ঘটনার অবতারনা করেন , সে রাতে তিনি ও কিছু সাহাবী কাবা ঘরের বারান্দায় শুয়ে ছিলেন। ভোর বেলাতে হঠাৎ করে এক সাহাবির ঘুম ভেঙ্গে গেলে সে নবীকে সেখানে না দেখে , চিন্তিত হয়ে সবাইকে জাগিয়ে তুলে নবীকে খুজতে বেরোয়। তারা জানত , মুহাম্মদ মাঝে মাঝে তার চাচাত বোন উম্মে হানির বাড়ীতে বেড়াতে যেতেন। সুতরাং তারা স্বভাবতই সবাই গিয়ে উম্মে হানির বাড়ীতে গিয়ে হাজির হয়, তার বাড়ী কাবা ঘর থেকে বেশী দুরে ছিল না। উম্মে হানির ঘরে মুহাম্মদকে আবিস্কার করে , সাহাবীরা হতবাক হয়ে পড়ে , কারন সেই রাতে উম্মে হানির স্বামী বাড়ীতে ছিল না। ঘটনার আকস্মিকতায় বুদ্ধিমান মুহাম্মদ সাথে সাথেই তাদেরকে বললেন , এই মাত্র তিনি আল্লাহর সাথে তার আরশে দেখা করে ফিরে এলেন। এই ধরনের একটা কিচ্ছার অবতারনা করে চতুর মুহাম্মদ স্বামী বিহীন উম্মে হানির ঘরে রাত্রি যাপনের ঘটনাকে ধামা চাপা দিতে পারলেও , ঘটনা কিন্তু প্রচার হয়ে গেল চারদিকে। সবাই তখন নানা রকম কথা বলতে লাগল। কথিত আছে কেউ একজন তখন মুহাম্মদকে জিজ্ঞেস করল- উক্ত সলোমনের মন্দির দেখতে কেমন , কয়টা দরজা , কয়টা জানালা ইত্যাদি। মুহাম্মদ পটাপট সলোমনের মন্দিরের বর্ণনা দিয়ে গেলেন , এমন কি দরজা জানালার সংখ্যাও বলে দিলেন, তাও আল্লাহর ইশারায়।

বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে , আজকের মোমিন মুসলমানেরা মুহাম্মদের এই সলোমনের মন্দিরের বর্ননাকে একটা অলৌকিক ঘটনা হিসাবে বর্ননা করে , আরও বেশী ইমানদার হওয়ার চেষ্টা করলেও , ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলছে – খৃ:পু: ৫৮৭ এর দিকে , ব্যাবিলনের রাজা নেবুচাদজাদে যেরুজালেম আক্রমন করে উক্ত সলোমনের মন্দির সম্পুর্ন ধ্বংস করে ফেলে। তারপর ইহুদিরা খৃ: পূ: ৫১৬ এর দিকে আবারও সেই সলোমনের মন্দিরের জায়গায় একটা উপাসনা গৃহ তৈরী করে , নাম দেয়, টেম্পল মাউন্ট। কিন্তু ৭০ খৃষ্টাব্দে আবার রোম সম্রাট জেরুজালেম আক্রমন করে সেই টেম্পল মাউন্টও ধব্ংস করে ফেলে। সেখানে পড়ে থাকে ধ্বংসাবশেষ। খলিফা ওমর যখন জেরুজালেমে যান , তখন উক্ত টেম্পল মাউন্টের স্থানে পড়েছিল নানা ধ্বংসাবশেষ। তিনি সেখানে একটা কাঠের তৈরী মসজিদ তৈরী করেন। অবশেষে উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালিকের নির্দেশে ৬৯০ খৃষ্টাব্দের দিকে সেই কাঠের তৈরী মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে যে মসজিদ নির্মান করেন , সেটা শেষ করা হয় ৭০৫ খৃষ্টাব্দে তার পুত্র ওয়ালিদের সময়। সেটাই আজকের মসজিদুল আকসা।(সূত্র: https://en.wikipedia.org/wiki/Temple_Mount)

মুহাম্মদ জন্ম গ্রহন করেন ৫৭০ খৃষ্টাব্দে, চল্লিশ বছর বয়েসে অর্থাৎ ৬১০ খৃষ্টাব্দে তিনি নিজেকে নবী দাবী করে , ইসলাম প্রচার শুরু করেন। ৬২০ খৃষ্টাব্দে তিনি মদিনায় হিজরত করার কিছু আগে তিনি গাধার পিঠে চড়ে তার কথিত সাত আসমান (মহাকাশ) ভ্রমন করেন। কিন্তু বর্তমানে যে আল আকসা মসজিদ সেটা তৈরী হয় তারও ৭০ বছর পর ৬৯০ খৃষ্টাব্দে। তার অর্থ ৬২০ খৃষ্টাব্দে জেরুজালেমে মসজিদুল আকসার স্থানে কোন ঘরই ছিল না। কি বিস্ময়কর কান্ড , যে ঘরের অস্তিত্বই ছিল না , সেই ঘরের দিব্বি বর্ননা করে যাচ্ছে মুহাম্মদ ! আর বিনা প্রশ্নে সেটাই বিশ্বাস করে যাচ্ছে এই আজকের যুগের মোমিন মুসলমানেরা ! আর এই ধরনের গাজাখুরি গল্পকে বলছে তারা এটা নাকি মুহাম্মদের অলৌকিক ঘটনা ?

যদিও মক্কা থেকে জেরুজালেমের দুরত্ব সোজা উড্ডয়ন পথে কমপক্ষে ১২০০ কিলোমিটার, তখনও দুই একজন খৃষ্টান বা ইহুদি ছিল যারা জেরুজালেম ভ্রমন করে থাকবে সেই মুহাম্মদের সময়। তারা নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পেরেছিল যে মুহাম্মদ একটা আস্ত গাজাখুরি গল্প ফেদেছে ,কারন যে ঘরের কোন অস্তিত্ব নেই , সেই ঘরের বর্ননা করে যাচ্ছেন তিনি দিব্বি, কোনরকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব ছাড়াই। যে লোক এমন প্রকাশ্য দিবালোকে মিথ্যা কথা বলে, গাজাখুরি গল্প বলে , সে লোক আর যাই হোক নবী হতে পারে না কোনমতেই। যে কারনে তারা, বিশেষ করে মক্কার আশপাশে বাস করা ইহুদিরা আর কখনই মুহাম্মদকে নবী বলে মানে নি। বরং তাকে মিথ্যাবাদী , ভূয়া নবি ইত্যাদি বলে অপবাদ দিতে থাকে। অন্যদিকে কুরাইশরাও মুহাম্মদকে মিথ্যাবাদী, উন্মাদ ইত্যাদি বলে গালি দিতে থাকে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে , অত:পর মুহাম্মদের পক্ষে মক্কায় তার ইসলাম প্রচার করা আর সম্ভব ছিল না। তিনি অত:পর ভাগ্য পরীক্ষা করতে সদলবলে মদিনায় চলে যান। আর বর্তমানে প্রচারিত আছে , মুহাম্মদকে নাকি কুরাইশরা হত্যা করতে চেয়েছিল।

মুহাম্মদের প্রধান শত্রু যে কেন ইহুদিরা , তা এই ঘটনা থেকে পরিস্কার হয়ে যায়। মুহাম্মদ তখনই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন , তার নবুয়ত্বের পথে সব চাইতে বড় বাধা হলো ইহুদিরা। আর তাই পরবর্তীতে দেখা যায়, মদিনায় যখন মুহাম্মদ একটা রাজ্য গঠন করে সেনাবাহিনী গঠন করেন , তখন প্রথমেই ইহুদিদেরকে যেখানে পেয়েছেন সেখানেই গনহত্যা চালিয়েছেন, বাকীদেরকে আরব দেশ থেকে বহিস্কার করেছেন। আর আজকের দিনেও , মুসলমানরা একমাত্র ইহুদিদেরকেই ভয় পায়, কারন তারাই একমাত্র ইসলামের জারি জুরি সব ফাঁস করে দেয়ার মেধা , বুদ্ধি ও ক্ষমতা রাখে।

এটাই বিশ্বের চরম আশ্চর্যজনক বিষয় যে , এই চরম সত্য ঐতিহাসিক তথ্য সকলের সামনে থাকার পরেও মুমিন মুসলমানরা সেটাকে উপেক্ষা করে , মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর গাজাখুরি কিচ্ছা কাহিনী বিশ্বাস শুধু করছেই না , সেটাকে আবার অলৌকিক ঘটনা বলে প্রচার করে , দুনিয়ার সকল অমুসলিমদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৮ thoughts on “একটি সহিহ ইসলামী গাজাখুরি কিচ্ছা: আল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা

  1. মুসলমানরা একমাত্র ইহুদিদেরকেই

    মুসলমানরা একমাত্র ইহুদিদেরকেই ভয় পায়, কারন তারাই একমাত্র ইসলামের জারি জুরি সব ফাঁস করে দেয়ার মেধা , বুদ্ধি ও ক্ষমতা রাখে।

    আমি আগেই টের পেয়েছিলাম ব্যাটা একটা ইহুদীদের চর। এখন দেখছি ধারনা ১০০% সত্যি। তা মোসাদের কাছ থেকে কত করে পান, মাসে?।

    1. তাই নাকি ? তা মোসাদ কি জিনিস
      তাই নাকি ? তা মোসাদ কি জিনিস রে ভাই ? তারা আবার টাকাও দেয় ? আপনার সাথে কোন যোগাযোগ আছে নাকি ? থাকলে আমারে এ্ট্টু দিয়েন তো। দেখি যদি কিছু আয় করা যায়

    1. তা ভাই , এসব কি আপনার রচিত
      তা ভাই , এসব কি আপনার রচিত নতুন কোন হাদিস কিতাবের কথা নাকি ? নাকি আল্লায় আপনার কাছে নতুন করে ওহী পাঠাচ্ছে ?

      1. ছাগলের সমান জ্ঞান-বুদ্ধি নিয়ে
        ছাগলের সমান জ্ঞান-বুদ্ধি নিয়ে হাদিসের বেখ্যা করতে অাসলে এমনই মনে হতে পারে। বাংলা পড়ালেখা কোন ক্লাস পর্যুন্ত?

  2. তোরা কি বুঝতে পারোস যে তোরা
    তোরা কি বুঝতে পারোস যে তোরা নিজেরাই চরম বিভ্রান্তির মধ্যে ডুবে অাছিস। কিভাবে তোরা নিজেকে নিজে ধোকা দিচ্ছিস!!

  3. আপনার ইহুদী প্রেম দেখে বেশ
    আপনার ইহুদী প্রেম দেখে বেশ অবাক হলাম। তবে বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বর্বর জনগোষ্ঠি হচ্ছে ইহুদী। মুসলমানরা কোন দেশ দখল করে সেখানকার মানুষদের উদবাস্তু বানায় না, ঘর-বসতী বুল ডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়ে নিজেদের সম্রাজ্য বানায় না। কিন্তু ইসরাইল নামক ইহুদী রাষ্ট্র এই সন্ত্রাসী কাজ করে আসছে নিয়মিত ভাবে। আর এই বর্বতায় সহায়তা করছে ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্র।
    মুসলমানরা যদি সন্ত্রাসী হয়, তাহলে ইহুদীরা মহা সন্ত্রাসী।

    1. রুশদী ভাই,
      রুশদী ভাই,
      আমি আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি ইসলাম ধর্মে এবং মুসলমানদের মধ্যে এত ইহুদী বিদ্বেষ কেন? কোরান ও হাদিসে ইহুদীদের নিয়ে এত বিদ্বেষের কারণ কি? জানার আগ্রহ থেকে প্রশ্ন করছি।

      1. কোরান ও হাদিসে ইহুদীদের নিয়ে

        কোরান ও হাদিসে ইহুদীদের নিয়ে এত বিদ্বেষের কারণ কি? জানার আগ্রহ থেকে প্রশ্ন করছি।

        ইহুদীদের প্রতি ইসলামের কোন বিদ্যেষ নেই। বরং কোরানে ইহুদীদের প্রশংসা করা হয়েছে। কোরানে ইহুদীদেরকে বনী ইসরাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে–

        হে বনী-ইসরাঈলগণ! তোমরা স্মরণ কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি তোমাদের উপর করেছি এবং (স্মরণ কর) সে বিষয়টি যে, আমি তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি সমগ্র বিশ্বের উপর। [সুরা বাকারা: ৪৭]

        কোরানে ইহুদীদের গ্রন্থ তাওরাতকে আল্লাহর প্রেরিত গ্রন্থ আর তাদের নবীকে সত্য নবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এমনকি ইহুদী আর কৃষ্টানদের মধ্যে যার সতকর্মশীল তাদেরকে বেহেশ্তের সংবাদও দেয়া হয়েছে–

        নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না। [সুরা বাকারা: ৬২]

        আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং সেটিকে বনী-ইসরাঈলে র জন্যে হেদায়েতে পরিণত করেছি যে, তোমরা আমাকে ছাড়া কাউকে কার্যনিবাহী স্থির করো না। [সুরা বনী-ইসরাঈল: ২]

        কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ইহুদীরা তাদের গ্রন্থ তাওরাতকে পরিবর্তন করে ফেলে, কয়েকজন নবীকে হত্যা করে এবং ঈসা (আ) কে হত্যা করবার জন্য শূলিতে চড়ায়। তারা আল্লাহর পচ্ছন্দনীয় জাতী হওয়া সত্ত্বেও অবাধ্যচারন শুরু করে। আর এসব কারনে ইসলামের সাথে তাদের দুরত্ব বাড়তে থাকে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে ইসলামের উল্লেখযোগ্য সাহাবা ইহুদী থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলেন, এমনকি মুহাম্মদ সা এর দুজন স্ত্রী ইহুদী ছিলেন।

        1. তা আসল তৌরাত কি আপনার কাছে ?
          তা আসল তৌরাত কি আপনার কাছে ? আর সেটা দেখে বলছেন ইহুদিরা তাদের তৌরাত কিতাব বিকৃত করেছে ? নবি মুহাম্মদ কি কখনো বলেছেন যে তৌরাত বিকৃত ? বরং হাদিসে কোরান ও হাদিস তো বার বার স্বীকার করে , মুহাম্মদের আমলে যে তৌরাত কিতাব ইহুদিদের কাছে ছিল , সেটা প্রামান্য । বার বার কোরান বলছে , কেউ যদি মুহাম্মদকে সন্দেহ করে , তারা যেন তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাব পড়ে দেখে। তো তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাব যদি মুহাম্মদের আমলে বিকৃত অবস্থায়ই থাকে , আল্লাহ ও মুহাম্মদ কেন সেই বিকৃত কিতাব পড়তে বলবে ?

          1. রং হাদিসে কোরান ও হাদিস তো

            রং হাদিসে কোরান ও হাদিস তো বার বার স্বীকার করে , মুহাম্মদের আমলে যে তৌরাত কিতাব ইহুদিদের কাছে ছিল , সেটা প্রামান্য । বার বার কোরান বলছে , কেউ যদি মুহাম্মদকে সন্দেহ করে , তারা যেন তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাব পড়ে দেখে।

            উহু , আপনার কথার সাথে কোরানের আয়াত কিন্তু মিলছে না–

            তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয় এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তা থেকে উপকার লাভ করার বিষয়টি বিস্মৃত হয়েছে। আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন, তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া। অতএব, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং মার্জনা করুন। আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন। [সুরা মায়েদা: ১৩]

            তারা বাক্যকে স্বস্থান থেকে পরিবর্তন করে। তারা বলেঃ যদি তোমরা এ নির্দেশ পাও, তবে কবুল করে নিও এবং যদি এ নির্দেশ না পাও, তবে বিরত থেকো। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান, তার জন্যে আল্লাহর কাছে আপনি কিছু করতে পারবেন না। [সুরা মায়েদা: ৪১]

            হে মুসলমানগণ, তোমরা কি আশা কর যে, তারা তোমাদের কথায় ঈমান আনবে? তাদের মধ্যে একদল ছিল, যারা আল্লাহর বাণী শ্রবণ করত; অতঃপর বুঝে-শুনে তা পরিবর্তন করে দিত এবং তারা তা অবগত ছিল। [সুরা বাকারা: ৭৫]

          2. আপনার দেয়া কোরানের এই
            আপনার দেয়া কোরানের এই আয়াতগুলো প্রমান করে , কোরান একটা স্ববিরোধী কিতাব যাকে কোনভাবেই অনুসরন করা যায় না। যা আসলে অনুসরনযোগ্য না। স্ববিরোধী বক্তব্য আসলে অনুসরন করা যায় না। যাইহোক , দেখুন কেন কোরান স্ববিরোধী কিতাব। কোরান বলছে –

            সুরা আল আনআম- ৬: ১১৫: আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণ সত্য ও সুষম। তাঁর বাক্য কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।

            আপনার দেয়া আয়াত অনুযায়ী, ইহুদিরা তাদের তৌরাত কিতাবকে পরিবর্তন করে ফেলেছে, অথচ আপনারাই বিশ্বাস করেন , তৌরাত কিতাব আল্লাহর বানী। তাহলে বিষয়টা কি দাড়াল ?

          3. তাঁর বাক্য কেউ পরিবর্তন করতে

            তাঁর বাক্য কেউ পরিবর্তন করতে পারে না।

            = আল্লাহর বাক্য কেউ পরিবর্তন করতে পারে না।

            এখন তৌরাত যদি আল্লাহর বাক্য হয়, তাহলে সেই বাক্য কে পরিবর্তন করতে পারে ? কোরানই বলেছে তৌরাত হলো আল্লাহর বাক্য। সুতরাং বুঝতেই পারছেন সমস্যাটা কোথায় । আপনার কথা সঠিক হতো যদি কোরান তৌরাত কিতাবকে আল্লাহর বাক্য হিসাবে মেনে না নিত। কিন্তু কোরান তো আগেই তৌরাতকে আল্লাহর বাক্য হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছে। এখন আপনি কোথায় যাবেন ?

          4. https://r8nvdq-bn1306.files

            অাল্লাহর কথা ঠিক অাছে কিন্তু অাপনাকে তারা সেটা দেখাবে না,এতদিন তারা যা গোপন করে অাসছিল তাই কোরানে তিনি প্রকাশ করে দিয়েছেন । অাল্লাহ পাকের কথা ন্যায় ও ইনসাফ পূর্ন, তিনি এমন নয় যে অাজকে একটা বলবে অাবার কালকে অার একটা বলবে, তিনি অাহলে কিতাবদের কাছে যেমন ন্যায় ও ইনসাফ পূর্ন কিতাব নাজিল করেছিলেন কোরানেও তাই করেছেন,দুনিয়া ও অাখেরাতে তার কথা কখন পরিবর্তন হবে না। অার কোরানের পর অার কোন কিতাব ও নাজিল হবে না।

          5. আপনার দেয়া কোন আয়াতেই তো বলে
            আপনার দেয়া কোন আয়াতেই তো বলে নি তৌরাত বা ইঞ্জিল কিতাব বিকৃত । বরং আল্লাহ বলছে , ইহুদি ও খৃষ্টানদের কাছে কিতাব দেয়া হয়েছিল। তো তাই যদি হয় – তাহলে সেই কিতাবের বানী কি আল্লাহর ছিল না ? কোরান বলছে – আল্লাহর বানী কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। সুতরাং তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাবের বানী যদি আল্লাহর বানী হয়, ইহুদি ও খৃষ্টানদের কি সাধ্য আছে তা পরিবর্তন করার ?

            এখন আপনি যদি দাবী করেন , ইহুদি ও খৃষ্টানরা তাদের কিতাব পরিবর্তন করে ফেলেছে , তাহলে তো আপনি আপনার আল্লাহর ক্ষমতাকেই চ্যালেঞ্জ করছেন। বিষয়টা কি আপনার মাথায় ঢুকছে , নাকি এখনও মাথাটা বালুর নিচে চাপা দিয়ে রেখেছেন ? নিচের হাদিসটা দেখুন :

            সুনান আবু দাউদ :: কিতাব আল হুদুদ বা শাস্তি অধ্যায় ৪০,
            হাদিস ৪৪৪৮,
            আহমদ ইবন সাঈদ (র)…. ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ একদা ইয়াহূদীদের একটি দল এসে রাসূলুল্লাহ (সা)-কে ‘কুফ’ নামক স্থানে ডেকে নিয়ে যায় । তিনি তাদের সাথে সেখানকার এক মাদ্রাসায় গেলে তারা বলেঃ হে আবুল কাসিম ! আমাদের এক ব্যক্তি একজন মহিলার সাথে যিনা করেছে, আপনি সে সম্পর্কে তাদের মাঝে ফায়সাল দেন । তারা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর জন্য একটি বালিশ রেখে দেয়, তিনি তাঁর উপর বসে বলেনঃ তোমরা আমার কাছে তাওরাত নিয়ে এসো । তাঁর কাছে তাওরাত আনা হলে, তিনি বালিশ নিয়ে তার উপর তাওরাত রাখেন । এরপর তিনি (সা) বলেনঃ আমি তোমার উপর এবং তোমার নাযিলকারীর উপর ঈমান রাখি । তারপর তিনি বলেনঃ তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি সব চাইতে জ্ঞানী, তাকে ডাক । তখন একজন যুবক আলিম (আবদুল্লাহ ইবন সুরিয়া)-কে ডাকা হয় । পরে রজম’ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে; যেরুপ রাবী মলিক-নাফি (র) থেকে বর্ণনা করেছেন ।

            তৌরাত কিতাব যদি বিকৃত হতো , তাহলে মুহাম্মদের সামনে ইহুদিরা কোন কিতাব হাজির করেছিল ? আর মুহাম্মদ কোন কিতাব গ্রহন করে বলছেন , এটা আল্লাহর কাছ থেকে ? মুহাম্মদের সময়কার তৌরাত কিতাবই তো বর্তমানে চালু। বর্তমানে চালু তৌরাত কিতাব যীশুর জন্মেরও তিন চারশ বছর আগে গ্রন্থিত হয়েছিল , আর যা হুবহু বর্তমানে পাওয়া যায়। এটার প্রমান – দুনিয়াতে হাজার হাজার সেই প্রাচীন পান্ডুলিপি বিদ্যমান। তার অন্যতম – ডেড সি স্ক্রল। গুগলে গিয়ে Dead Sea Scroll খুজুন , পেয়ে যাবেন।

          6. ভাই, আমরা কাঠমোল্লা বলি
            ভাই, আমরা কাঠমোল্লা বলি তাদেরকেই, যারা কম জানে কিন্তু বেশি ফাল পাড়ে… নামের সাথে আপনার সার্থকতা এখানেই, তাওরাত, যাবুর, ইন্জিল এবং কুরআন ৪ টিই আসমানি কিতাব , প্রথম তিনটি অবর্তীন হয় নির্দিষ্ট সময় এবং ঐই নির্দিষ্ট সময়কালের মানুষের জন্য়…. যা শুধুমাত্র ঐ সময়ের জন্য়ই প্রযোজ্য় ছিল এবং ঐই সময়কাল অতিবাহিত হওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই অকার্যকর হয়ে যায়, লোকজন ঐশী গ্রন্থগুলোকে নিজেদের মত করে পরিবর্তন করতে থাকল, নিজেদের সুবিদামাফিক সংযোজন, বিয়োজন করতে থাকল ফলে এখনকার এই গ্রন্থগুলো মৌলিকত্ব হারিয়ে বিকৃত রূপায়ন আমাদের সামনে.. শুধুমাত্র আল কোরআনই ঐ গ্রন্থগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা কারন কোরআনকে নাযিল করা হয়েছে পূর্নাঙ্গ রূপে, যেন এর উপযোগিতা, এর ব্য়াপ্তি শেষ পর্যন্ত বিদ্য়মান থাকে,যেহেতু এরপর আর কোন কিতাব আসবে না..
            “তাঁর বাক্য কেউ পরিবর্তন করতে পারে না”-
            এই আয়াতটি কোরআন কে উদ্দেশ্য় বলা হয়েছে কারন কোরআনকে কেউই বিকৃত করতে পারবে না, একমাত্র কোরআনই অবিকৃত অবস্থায় ছিল, আছে এবং থাকবে, আল্লাহ নিজে এই কোরআনকে রক্ষার ওয়াদা করেছেন,
            আপনার স্বল্প জ্ঞান দিয়ে কোরআনকে ব্য়াখ্য়া করতে গিয়ে ভুল বুঝেছেন…

          7. যদি আপনার বুদ্ধি ও
            যদি আপনার বুদ্ধি ও চিন্তাধারাকে সম্পূর্ন বদ্ধ করে ফেলেন , তাহলে আপনার সাথে কোনই যুক্তি চলবে না। সামান্য একটু সাধারন জ্ঞান প্রয়োগ করুন যদি সম্ভব হয়।

            আল্লাহ হলো শ্বাশ্বত ও চিরন্তন। তাই তার বানীও হবে চিরন্তন। এখন ধরা যাক , কোরান হলো আল্লাহর বানী ও তাই তা চিরন্তন। তেমনিভাবে কোরান বলছে তৌরাত ও ইঞ্জিল- ও হলো আল্লাহর বানী, তাহলে তাদের বানীও তো চিরন্তন হবে , তাই না ? হতে পারে সেসবের বানী কোন একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে, কিন্তু তাতে তার বানীর চিরন্তনতা তো নষ্ট হবে না। সেই চিরন্তন বানী তো কেউ বিকৃত করতে পারে না , পারে নাকি ? যদি পারে , তাহলে বুঝতে হবে , তার বানী রক্ষার ক্ষমতা তার নেই। এটা তো শুধুৃ কোরানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না। তৌরাত ও ইঞ্জিলের বিধান পরিবর্তন করে যদি নতুন বিধান দেয়ার জন্যে আল্লাহর কোরান পাঠানোর দরকার পড়ে , তাতে অসুবিধা কি ? তাতে আল্লাহ তৌরাত ও ইঞ্জিলের বানী রক্ষা করতে পারবে না , সেটা তো হতে পারে না। বরং রক্ষা করলেই তো মানুষের সুবিধা ,কারন তাহলে মানুষ জানতে পারবে , যে কেন তৌরাত ও ইঞ্জিলের পরিবর্তে নতুন করে কোরান পাঠানোর দরকার পড়ল। কি বলেন ?

            সুতরাং আল্লাহর বানী কেউ পরিবর্তন করতে পারে না – এই বিধান শুধুমাত্র কোরানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কেন, যদি তৌরাত ও ইঞ্জিলও আল্লাহর বানী হয় ? আল্লাহকে তার সব বানীই রক্ষা করতে সক্ষম হতে হবে। তাহলেই না আল্লাহ হবে সর্বশক্তিমান। সেটা শুধুই মাত্র কোরানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কেন হবে ? যদি শুধুই কোরানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তাহলে বুঝতে হবে – (১) আল্লাহ তার বানী রক্ষা করতে সক্ষম নয়, অথবা (২) কোরানের বানীই সঠিক নয়। এখন বলুন তো , কোনটা সত্য ?

            তাছাড়া কোরান বা হাদিসের কোথায় বলা হয়েছে যে তৌরাত ও ইঞ্জিল পরিবর্তন করা হয়েছে ? ইহুদি ও খৃষ্টানরা পরিবর্তন করে ফেলেছে ? সেটা কিন্তু এখনও দেখাতে পারেন নি। সেটা না দেখিয়েই বার বার নিজেদের মনগড়া কথা বলে যাচ্ছেন। কোরান বা হাদিসে কোথাও যদি বলে তৌরাত ও ইঞ্জিল বিকৃত হয়ে গেছে , তাহলে কোরানই প্রমান করছে যে সে আল্লাহর বানী না। কিভাবে জানেন ? সেটা হলো , তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাব যদি আল্লাহর বানী হয়, তাহলে আল্লাহ তার বানী ইহুদি বা খৃষ্টানদের বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে। যদি বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম না হয়, তাহলে বুঝতে হবে , হয় আল্লাহর কোনই ক্ষমতা নেই , অথবা , কোরানের বানী স্ববিরোধী। আপনি বলুন তো কোনটা ?

  4. http://www.bible-history.com
    http://www.bible-history.com/old-testament/abraham.html)#sthash.DZAm8WW7.BIpcWTBV.dpuf … eita ki ei okkhato historianer chehara ta ki dekha jabe :D??? ei prothom dekhlam nijer mon moto history likhe rakhse 😀 eita abr apni authentic manen 😀 wow wow wow ….. hay re polapain jar ja mon chay tai lekhe …. eto dine bujjhi bloh keno apnader kase keno eto prio karon eikhane andaje kotha bolleo to keu kisu bolte parbe na 😀

    dhanda ta valoi keu dhormo nie dhanda kore keu bigganer dohai die dhanda kore 😀

    1. তা ইব্রাহীম কবে এই দুনিয়ায়
      তা ইব্রাহীম কবে এই দুনিয়ায় বিচরন করত , আর ঘোড়ার ঘাস কাটত , সেটা কিভাবে জানা যাবে , কোথায় সেসব কথা লেখা আছে ?

  5. তথাকথিত মুক্তমনা আর ধর্মান্ধ
    তথাকথিত মুক্তমনা আর ধর্মান্ধ ব্য়াক্তি দুইটাই অভিশপ্ত….
    শ্রীমান কাঠমোল্লা, আপনার দূর্গন্ধ মিশ্রিত লেখনী থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, শয়তানে আযীম মি. ইবলিশের সফল রতিক্রিয়াই আপনার এই ধরণীতে আগমনের হেতু, আর পিতৃঋন লাগবে আপনার যে আত্মপ্রচেষ্টা, তা অতীব সাধারন ধর্মপালনকারী ব্য়াক্তির হৃদয়ের রক্তক্ষরনকে হৃদয়াঙ্গম করতে পারে না, শ্রীমান শয়তানের মলমিশ্রিত পুঁজ এবং অভিশপ্ত রক্ত যা আপনার ধমণীতে প্রবাহিত, তা থেকে আপনি মুক্ত হতে পারবেন বলে মনে হয় না, ভাতৃপ্রতিম ইহুদীদের গুহ্য়দ্বার লেহনে আপনি যে সুখানুভূতিতে মগ্ন, সেই ইহুদী কীটরা কিন্তু বরাবরই মানবতা বিরোধী, তাই অনুরোধ আধারঁ থেকে আলোর পথে আসুন, আলোময় ধরনীতে আসুন

    ইসলামের দ্বার পথভোলাদের জন্য় সবসময় অনাবৃত..

  6. ক্রমেই ইষ্টিশন
    ক্রমেই ইষ্টিশন ধর্মবিদ্বেষীদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। কত সাধের আর কত প্রাণবন্ত একটা ব্লগ ছিল । ধর্মবিদ্ধেষীদের এভাবে প্রমোট করা বন্ধ না হলে হয়ত একদিন সোনার বাংলা ব্লগের পরিণতি বরণ করতে হবে।।

    1. ঠিক বলেছেন। এই কাঠমোল্লা আর
      ঠিক বলেছেন। এই কাঠমোল্লা আর বেহুলার ভেলা আমারব্লগের বারটা বাজিয়েছে। পরে আমারব্লগ বাধ্য হয়েছে পরিবর্তন করতে।
      এখন ইস্টিশন ব্লগকে ধর্মবিদ্যষী ব্লগ বানাতে চাইছে। এই ব্লগেরো বারটা বাজাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + = 17