বকুল এর ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা উপন্যাস’ -তৃতীয় পর্ব

দিত্বীয় পর্ব
পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা উপন্যাস
বকুল

আনিস ফোনটা পকেটে পুরে পকেট থেকে সিগারেটের পাকেটটা বের করে তার ওপর যে কদাকার ছবি আছে তার দিকে তাকিয়ে থাকলো।তারপর তার থেকে একটা সিগারেট বের করলো।এবার প্যাকেটটা পকেটে পুরে লাইটারটা বের করলো।লাইটারটা শিউলির।এই লাইটার টা নিয়ে শিউলি যে কি লঙ্কাকান্ড বাঁধালো সেদিন!
উফ…
মেয়েটা পারেও।আরে বাবা একটা লাইটারই তো।শিউলি এই লাইটারটা কিনে বলেছিলো এটা যেন ও হাত না দেয় কারন এটা ওর খুব ভাল্লাগছে।অন্য কোনো হাত এই লাইটার ছুঁক তা শিউলি চায়না।আগেই বলে রাখি শিউলি সিগারেট খান।কিন্তু সেটা সিগারেট খাওয়া হয়না।সেটা হয় সিগারেটকে ধর্ষন।কারণ তিনি এক টানে গোল্ডলিফের জন প্লেয়ার লেখার R পর্যন্ত চলে আসেন।তাই আমাকে বার বার মনে রাখতে হয় শিউলি যেন এক টানই খায় উপরন্তু কপালে জুটবে ফিল্টার!

আরে বাবা সিগারেটই তো।একটূ আসতে ধীরে খা।আয়েস করে খা।না তা হবেনা।


আনিস গিয়েছিলো সেবার ধুপখোলার মাঠে।মেলায় ঘুরেছিলো।কানে হেডফোন নিয়ে শাকিরার গান শুনতে শুনতে ভ্যাপু বাজাতে বাজাতে সিগারেটে আয়েশে টান দিয়েছিলো।আজ অফিসে বসেই সেরম টান দিতেই বোজা চোখে একটা বিরক্তিমাখা মুখ মুখের সামনে দেখার একটা উপলব্ধি হতেই চোখ খুলে সেই মুখটাতে দেখে ঘামও আছে।সারা অফিসে এ সি।কেউ ঘামেনা।এই লোকটা হুদাই ঘামে।কাহিনী কি?

উজ্জ্বল করিম অফিসে এসেছেন ৭টায়।সাত টাতেই আসতে হয়েছে।উপায় ছিলোনা।কালকে অনামিকা তাকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি।বারবার ধাক্কালেও সে দরজা খোলেনি।আগের দিন বাড়িতে ঢোকার কোড ছিলো চকলেট।অর্থ্যাত বাজার থেকে চকলেটের একটা দোকান বয়ে নিয়ে আসতে হবে।কারণ কোন চকলেটে কোড ম্যাচ করবে তা অনামিকা ছাড়া আর এ জগতে কেউ জানেনা।

চলছে চলবে…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 3 = 6