ভাঙ্গনের শব্দ: আস্ত একটা দেশ

মেঝেতে কাচের বাসন কোশন প’ড়ে ভাঙার শব্দ আর, মোবাইল প’ড়ে ভাঙার শব্দ কিন্তু এক নয়। কিছু কিছু আবার নিঃশব্দে ভাঙ্গে। চারিদিকে কান পাতলে সব ভাঙনের শব্দ-ই টের পাওয়া যায়। এমনকি টের পাওয়া যায় আস্ত একটা দেশ ভেঙ্গে পড়ার শব্দের। রিক্সায় অফিসে যাচ্ছেন, হঠাত শুনলেন মানুষের গলায় প্রথম কোপটি দেয়ার মুহূর্তের শব্দ। রাতে শুয়ে আছেন, পাশের বাড়ির ঘর থেকে গণধর্ষণ শুরু করার ঠিক আগ-মুহূর্তের শব্দ অথবা রাস্তার ওপারে বাড়িতে আগুন লাগা টের পাওয়ার প্রথম মুহূর্তের শব্দ। ঘটনাগুলো ঠিক শুরুর মুহূর্তে শব্দগুলো একেক রকম। আবার, ঠিক শেষ হবার মুহূর্তের শব্দগুলো অন্য রকম। রিক্সাওয়ালাকে জোরে যেতে বলে বা পাশ ফিরে শুলেও শব্দটা কিন্তু শোনা হয়ে যায়। আবার রাতের আঁধারে তুলসি তলায় পিদিম জ্বালিয়ে হিন্দু পরিবারটি যখন চৌদ্দপুরুষের ভিটেয় পেছনের পা’টি উঠিয়ে রাস্তায় বা অন্যের জমিতে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়, সে সব শব্দ হয়তো কানে শোনা যায় না, কিন্তু মন থাকলে, সেই নৈঃশব্দও শোনা যায়। আর এসব শব্দ ও নৈঃশব্দ মিলিয়ে যে মহানাধ তৈরি হয়, তা আস্ত একটা দেশ ভেঙ্গে পড়ার শব্দ।

বাহাত্তরের ১০ই জানুয়ারি বিকেলে যখন বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরলেন তখন তুমুল জনোচ্ছ্বাসে সমগ্র বাংলাদেশ রক্তের উপর দাঁড়িয়ে শব্দ তৈরি করেছিল, স্বপ্নে বুক বেঁধেছিল। কিন্তু শব্দ ও স্বপ্ন দু’টোই ক্ষণস্থায়ী। স্বাধীন বাংলাদেশ একটা স্বপ্নবৈ কী আর? রাত না পোহাতেই আওযামিলীগের খুব ভেতরের ফাঁড়াটি মানুষের চোখে পড়তে থাকে। বেশি দিন লাগেনি, মাত্র চার বছরেরও কম সময় পরে একটি সকালের কথা ভাবুন। ওই সময়ে বুদ্ধিশুদ্ধি হওয়া মানুষ আমাদের সমাজে এখনো ভুরিভুরি। মানুষ সেদিন সকালে টু’শব্দটি করে নি! কেন করেনি? এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে আওয়মিলীগ কোনদিন সাহস করে উঠতে পারে নি। ৪০ বছর পরেও পারছে না। ’৭৫ পরবর্তী তিরিশ বছর ধরে স্বাধীনতা বিরোধীরা বাংলার ঘরে ঘরে যেমন সাম্প্রদায়িকতার বিষশব্দ বপণ করেছে, আওয়ামিলীগও তেমনি মুক্তিযুদ্ধের আফিম খাইয়ে মাতাল করে ’৭২ থেকে ’৭৫ সাল পর্যন্ত ঘটনাবলী মানুষের মন থেকে মুছে দিতে চেয়েছে। বাংলাদেশ আজ ১৭ কোটি জম্বি’র দেশ। যাদের মগজে ইসলাম নামের ভাইরাস, মুখে মুক্তিযুদ্ধের আফিম আর হাতে চা’পাতি।

আওয়ামিলীগ কি ওলামা লীগের জন্মদাতা বাবা নয়? আওয়ামিলীগ কি হেফাজত ইসলামের ধর্মবাপ নয়? বিএনপি তো জন্ম থেকেই(কনজেনিটাল) ইসলাম ভাইরাস নিয়ে জন্মেছে, ২০০০ সালে এসে ১৪ গুলি আফিম গিলে সেই যে কোমায় গেছে, তো গেছেই! আওয়ামিলীগ ধর্মের বিষ আর মুক্তিযুদ্ধের আফিম একসাথে গুলে বাঙালিকে খাইয়ে তবেই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেছিল। ২০০৯ এসে শুধু ডোজ বাড়িয়ে এখন ইন্ডিয়ার ক্যামোথেরাপি নিয়ে টিকে থাকতে চাইছে! অথচ নাম ভাঙানোর বেলায় আওয়ামিলীগের বাইরে কেউ আজ আর নেই। গরমে হাওয়াই গেঞ্জি, মোটরসাইকেলের নেমপ্লেট থেকে শুরু করে সচীবের স্ট্যাম্প পর্যন্ত সবখানে কেবলই আওয়ামিলীগ, কেবলই মুসলমান।

এ পরিস্থিতি একদিনে বা কেবল এই সাত বছরে হয়নি। আওয়ামিলীগ দল হিসাবে ৮১তে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরে থেকে আজ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের আগমুহূর্তের মত দাঁড়াতে পারে নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তো নয়-ই। দলের ভেতরের গণতন্ত্র বলতে কিছু থাকলে স্থানীয় কমিটি থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত টাকা, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসে ভরপুর হয় কী ভাবে? একটা গণতান্ত্রিক দলের প্রধান হয়ে ত্রিশ বছরেরও বেশি ক্ষমতায় থাকেন কোন তন্ত্রে? গণমানুষের তন্ত্রে? শেখ হাসিনা কি এসবের দায়ভার থেকে নিজেকে এড়াতে পারবেন? যদিও দায়িত্ব এড়াতে আওয়ামিলীগ সরকার বিএনপিকেও হার মানাতে যাচ্ছে, কিন্তু দলের প্রধান হিসাবে তিনি এসবের দায় এড়াতে পারেন না। কিন্তু শেখ হাসিনার সৌভাগ্যের ব্যাপার হলো, তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে কোন বাঙালির বুকের পাটা নেই, যিনি বলবেন, এই দায়ভার আপনাকে নিতেই হবে। একই রকম ঘটেছিল বঙ্গবন্ধুর আমলেও, তখনো যাঁরা তাঁকে শুধরে দিতে পারতেন, তাঁদেরকে ১০ই জানুয়ারি প্লেন থেকে নেমেই বিদায় দিয়েছিলেন। খেসারত তো সেদিনের এক কুড়ি জীবনের বিনিময়ে শোধ হয়নি। সেই খেসারত বাঙালি গুনতে গুনতে শেষ হয়ে আজ এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, গুনবার জন্য যে কয়টি মানুষ এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিল, তাঁরাও এখন অঘোরে-বেঘোরে প্রহর গুনছে।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা ক্ষমতায়, উন্নয়নের নেত্রী ক্ষমতায়, অথচ কোন প্রশাসনের কেউ কারো কথা শুনছে না। আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশের রাজা ব’নে গিয়ে গরীব রিক্সাওয়ালাদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে ঘুষ খাচ্ছে, পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সবাই জানে, ওসিও জানে, আইজিও জানে। উপরে চাকরি করে বলে জানে না, তা কিন্তু নয়। কিন্তু জবাবদিহিতা না থাকলে কোথায় কোন প্রশাসন ঠিকমত কাজ করেছে? যাঁদের যাওয়া আসা আছে, জিজ্ঞেস করুন: আপনার ইউনিয়ন পরিষদেরও যে অবস্থা, গণভবনেও সেই একই অবস্থা। চৌকিদারেরও যে অবস্থা, আইজি’রও সেই অবস্থা। উকিলেরও যে অভ্যাস, বিচারপতির’ও সেই অভ্যাস। সব ভেঙ্গে পড়েছে, সব।

এর কারণ হচ্ছে, দল হিসাবে আওয়ামিলীগ শুধু ফল খেয়েছে, গাছ লাগায় নি। সাম্প্রদায়িক যেসব দাঙ্গা হয়েছে, শিক্ষক-লেখক খুন হয়েছে তার বিরুদ্ধে আওয়ামিলীগারদের কেউ মাঠে নেমেছে? একটারও বিচার হয়েছে? অথচ অসাম্প্রদায়িকতার কথা, ধর্ম নিরোপেক্ষতার দল হিসেবে নিজেদেরকে দাবী করে গেছে। একটা বিচারও সুষ্ঠুভাবে করে দেখাতে পারেনি যে, তাঁরা দুর্বিৃত্ত ও সাধারণ মানুষকে আলাদা করতে সক্ষম। সংবিধান সমুন্বত রাখতে সক্ষম। আসলেই কি এসব হত্যাকরীদের ধরা সম্ভব হয় নি? আসল সত্য হচ্ছে ধর্ম-রাজনীতিকদের চোখে চোখ রাখতে আওয়মিলীগদের কখনো সাহস হয় নি। শুধু ভোটে জেতার জন্য এসব অপরাধীদের এড়িয়ে গিয়ে আওয়ামিলীগ পার পেতে চেয়েছে। কিন্তু স্বভাবতঃই যা হয়: তারা দিনেদিনে শক্তিশালি হয়ে উঠে আওয়ামিলীগকে দখল করে নিয়েছে। আওয়ামিলীগ ধরা পড়েছে ধর্মীয়-রাজনৈতির এক বিরল দুষ্টচক্রে।

ধর্মীয় রাজনীতির হাত থেকে যারা আওয়ামিলীগকে বাঁচাতে পারতো, এমন প্রগতিশীল, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক কাউকে দলটি কখনো যথাযোগ্য স্থান দেয়নি। কিন্তু সেই জায়গা কি শুন্য থেকেছে? না, থাকেনি। পুরোন করেছে দুর্নীতিবাজ, ভয়াল সন্ত্রাসী ও অশিক্ষিত মুর্খেরা। আর যারা যোগ্য ও দেশপ্রেমিক তাঁদের কেউ কেউ সরাসরি এড়িয়ে গেছেন, বাকিরা মন্দের ভালো বলে আওয়ামিলীগদের আশেপাশে থেকেছেন। শেষোক্তদের ভিতর কাউকে কাউকে আওয়ামিলীগ দরকারের সময় ব্যাবহার করে, প্রয়োজন ফুরালে আস্তকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলেছে। ফলে অধিকাংশ প্রগতিশীল, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিকদের সাথে আওয়ামিলীগের বিশ্বাসের বিরাট ঘাটতি থেকেই গেছে। যার একটা মুখ ২০১৩ সালের গণজাগরণ। হালে শেখ হাসিনা আকণ্ঠ গরল গিলেছেন জামাত-শিবিরের লোকজন দলে ভিড়িয়ে। আদালত, পুলিশ, সামরিক বাহিনী, সরকার-বেসরকারী প্রশাসন, এনজিও সহ সবখানে এখন আওয়ামিলীগের পতাকার তলে জামাত-বিএনপি-চোর বদমাশ বাটপার এমনভাবে মিলে মিশে একাকার যে, কোন উপায় নেই এদের আলাদা করার। সবাই এখন আওয়ামিলীগ, সবাই এখন মুসলমান। বোকামির কালাজ্বরে কাঁপছেন শেখ হাসিনা, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

এসবের সাথে কি ১৯৭৪/৭৫ সালের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়? যখন সম্পুর্ণ ভেঙ্গে পড়া প্রশাসনের কেউ কারো কথা শুনছিল না! কোন বিচার ব্যাবস্থা কাজ করছিল না! সর্বত্র অরাজক, দুর্বৃত্তদের স্বর্গভূমে পরিনত হয়েছিল দেশ! বঙ্গবন্ধুকেই নাক গলাতে হতো কোন কেরানির চাকুরি দিতে, কোন মেজরের ঘর সামলাতে বা ডাকাতি ঠেকাতে? শেষমেষ কী হলো? খুন হলো, খুন! শুধু বঙ্গবন্ধু নিজে ঝাড়ে-বংশে বিনাশ হলেন না, হাজারে-বেজারে পড়লো। কেউ টু’ শব্দটি করলো না!

দিনকে দিন এমনই জনবিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়েছে শেখ হাসিনা সরকার যে, কেউ আর তার জন্য কাঁদবার নেই। জনমানুষের কাছে শেখ হাসিনা যতটুকু না বঙ্গবন্ধু কন্যা, উন্নয়নের কাণ্ডারী; তার চেয়ে বহুগুনে তিনি একজন নাস্তিক, ইন্ডিয়ার দালাল। আওয়ামিলীগের শবদেহে’র জন্য যে কফিন মৌলবাদিরা সযত্নে তৈরি করছে, তাতে শেষ পেরেক ঠুকতে যারা বাঁধা দিচ্ছিলেন তাঁরাই খুন হচ্ছেন এখন। শেখ হাসিনা একের পর এক অস্বীকার করে যাচ্ছেন, দেখেও না দেখার ভান করছেন! নিজের সমালোচনা না করতে শিখলে, অতীত ভুল থেকে না শিখলে শুনশান রাজ্য, রাজত্ব সবই একদিন ডুবতে বাধ্য। এভাবেই ডুবছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামিলীগ, এভাবেই ভেঙ্গে পড়ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খুঁটিগুলো। শেখ হাসিনাকে কি মৌলবাদীরা ছেড়ে দেবে? তাহলে কি সতের কোটি মাতাল উন্মাদের কান শেখ হাসিনার খুন হবার মুহূর্তের আর্তনাধ শুনবার জন্য অপেক্ষায়? ১৫ই আগস্টের সেই ভোর বেলার মত?

এটা এখন খুব পরিস্কার যে, শেখ হাসিনা নিজে চান না বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ হোক। আগে আড়ে আবডালে বলতেন, এখন নববর্ষে বাড়িতে কুটুম ডেকে বলেন। ইন্ডিয়ার সাথে বোঝাপড়া না করেই বলেছেন বলে আমার বিশ্বাস। তবে ইন্ডিয়ার একাত্তরের মত এখন আর খুব বেশি কিছু আসে যায় না। বরং সূত্র অনুযায়ী অস্থীর পার্শবর্তী দেশ এখন বৃহত্তর ও শক্তিশালী দেশের জন্য আশির্বাদ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই তার নিজের সম্পদ এবং ভৌগলিক অবস্থানের কারনে নিজের শত্রু হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকা কালে ইন্ডিয়ার সাথে ব্যাবসায়িক চুক্তিসমূহ এর বড় প্রমান।

তাই চারপাশে এত পরিচিত শব্দ বারবার শুনবার পরেও, আজও যারা অসাম্প্রদায়িক বলে নিজেকে দাবি করছেন অথচ আওয়ামিলীগের কাছে আশ্রয় চাইছেন, আজও ভাবছেন শেখ হাসিনা সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, ধর্ম নিরোপেক্ষ আইন পাশ করাবেন, বাক-স্বাধীনতা এনে হাতে ধরিয়ে দিবেন তারা একেবারে আহম্মক ছাড়া আর কিছুই নন! যদিও শেখ হাসিনা সহ তাঁর আশেপাশের পা’চাটা মেরুদণ্ডহীন মানুষগুলো বুঝতেও পারছেন না, তাঁদের পায়ের নীচ থেকে দ্রুত মাটি খসে যাচ্ছে। পড়ে যাওয়াটা আর যদি-কিন্তু’র ফের’এ আটকে নেই, কেবল সময়ের ব্যাপার। শেষ কথা হচ্ছে আওয়ামিলীগকে আর টেনে তোলার মতো কেউ থাকছে না, এমন কি মরার পর কান্নার মতোও কেউ থাকছে না। এবং সেই সাথে একশ’ বছরেরও বেশি সময় ধরে টালমাটাল ঝুলবার পর একটি দেশ আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এর প্রকৃত স্বরূপে। যার ভৌগলিক সীমারেখা হয়তো অক্ষুন্ন থাকবে কিন্তু জন্ম নেবে নতুন পতাকা, নতুন জাতীয় সঙ্গীত। নামটা কি হবে তার ইসলামি উম্মাহ অব বাংলাদেশ? তাদেরও কি বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, নববর্ষ এসব থাকবে? না থাকলে- কী থাকবে? রাস্তায় চলতে চলতে বা বিছানায় শুয়ে কিসের শব্দ কানে ভেসে আসবে?

গোলাম রব্বানী
[email protected] লন্ডন, ২৩শে এপ্রিল ২০১৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “ভাঙ্গনের শব্দ: আস্ত একটা দেশ

  1. মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক
    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তাজ উদ্দিন আহম্মদকে সরিয়ে দিয়ে রাজাকার মুস্তাককে ক্ষমতা দেওয়ার পর থেকেই এদেশে শুরু করছে রাজাকার তোষন নীতি যা আজও অব্যহত ।

  2. তাহলে কি সতের কোটি মাতাল

    তাহলে কি সতের কোটি মাতাল উন্মাদের কান শেখ হাসিনার খুন হবার মুহূর্তের আর্তনাধ শুনবার জন্য অপেক্ষায়? ১৫ই আগস্টের সেই ভোর বেলার মত? –

    কথা শুনে বুঝা যায় এইদেশের লোক নয়, ভারতের দালাল

  3. আপনি কিন্তু খুব সুন্দর
    আপনি কিন্তু খুব সুন্দর তোষামোদ করতে পারেন! সেই জন্য আপনার লেখাকে লাইক দিলাম!

    ————————————–
    যদিও আপনি ব্যালেন্স করার চেষ্টা করেছেন বলে মনে হয়েছে।

  4. বিএনপি-জামাতের প্রত্যাশিত
    বিএনপি-জামাতের প্রত্যাশিত নির্বিষকরন, নির্জীবকরনের সফলতা সম্পূর্ন আওয়ামীলীগের। কিন্তু সেইসাথে ওলামালীগ, হেফাজতের আশ্রয়, প্রশ্রয় আর তালেবানদের মহামারীর দায় মুমিন পাবলিকের সাথে তাদেরও ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

40 − 38 =