শিক্ষক হত্যা এবং কিছু কথা

১৯৭১
ডঃ গোবিন্দ চন্দ্র দেব,
ডঃ মুনির চৌধুরী,
ডঃ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা,
ডঃ সিরাজুল হক খান,
ডাঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি,
ডাঃ আলিম চৌধুরী ………………
২০০৪
ডঃ হুমায়ূন আজাদ
অধ্যাপক এম ইউনুস …………
২০০৬
অধ্যাপক এম তাহের ………
২০১৪
ড. শফিউল ইসলাম লিলন ………
২০১৫
ড. অভিজিৎ রায় ……………
২০১৬
প্রফেসর এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী ………

এরা সবাই নাস্তিক ছিলেন। তাই তাদের খুন করা হল। চলছে। আমরা সবাই জানি, কিন্তু আমরা কেউ জানি না, কারা কি করছে, কেনো করছে। সবাই জানে, একটু একটু করে স্থায়ী একটি রাতের দিকে কী দুর্বার গতিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, অথচ চোখের সামনে একটা মিথ্যাবাতি ধরে আমরা সে রাতের আগমন অস্বীকার করে যাচ্ছি।আমি জানি না, এই খুনের খেলা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে। যেভাবে সকলে তাকে জোর করে নামাজি বানাচ্ছে, সেই একইভাবে কেউ যদি এখন তার নামে ব্লগ খুলে প্রচার করেন তিনি ‘নাস্তিক ব্লগার’ ছিলেন, তাহলে আমি আশ্চর্য হবো না। মোটের ওপর নানাদিক থেকে নানা কথা হবে, মাঝখান থেকে আমরা কোনোদিনই জানবো না স্যারকে কারা এবং কেন খুন করা হল। অভিজিৎ রায়-বিজয়-রাজীব-দীপন-বাবু-নিলয় এদের হত্যা করার কারণ পরিষ্কার। খুনিরা তাদের পক্ষে প্রমাণ দেখাতে পেরেছে। জাতি সব দেখে বলেছে, ‘ও আচ্ছা, নাস্তিক ছিল!’ মানে খুনটা জায়েজ। কিন্তু রেজাউল করিম সিদ্দিকী স্যারের মৃত্যুর কোনো যুৎসই কারণ দেখছি না। তাকে হত্যা করাটা জেহাদি কাজ হলে তো দেশে কয়েক কোটি মানুষকে খুন করতে হবে! নিশ্চয় জেহাদি মুসলমানরা সেটা করবেন!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

18 − = 16