বর্তমান চাপাতিবাহিনীর হত্যা- খুণ কি ইসলামের অন্তর্ভুক্ত নয়?

চাপাতির সাথে কি ইসলামের কোন সম্পর্ক আছে?
বর্তমান সময়ে যখন সারা দেশে মৌলবাদী গোষ্ঠী র চাপাতি নিয়ে দৌড় – ঝাঁপ তুমুল বেগে শুরু হয়ে গেল, ব্লগার নাস্তিক নিধনে, তখন দেশের অনেক বুদ্ধিজীবীরাই সাম্প্রদায়িকতা – মৌলবাদ উস্কে দিচ্ছে এই কথা বলে যে ” প্রকৃত ইসলামে হত্যা – ক্ষুণের কোন স্থান নাই ”
আসলে বাস্তবতা কি তাই? !
প্রথমে তাদের কে বলতে চাই, যেসব প্রগতিশীল নামধারী বুদ্ধিজীবী রা এই কথা বলে তারা আসলে সারা জীবন ইসলামি মৌলবাদী চোদনেই জীবন কাটিয়ে করেছে। তাহলে দেখা যাক, এই কথার বাস্তব বা ঐতিহাসিক ভিত্তি কি!

হযরত মোহাম্মদ এর জন্মের মধ্য দিয়ে ইসলামের সূত্রপাত।
(যদিও অনেক বদমাইসের এইটা নিয়া ডাউট আছে!) কাজেই বলা চলে, হযরত যে রকম ডিরেকশন দিয়ে গেছেন,সেটাই ইসলাম বলে পরিচিত।এখন কথা হল, তিনি কি সব সময় একরকম ভাবে ধর্ম প্রচার করেছে?বা ডিরেকশন দেয়েছেন, বা তার স্বভাব -চরিত্র কি সবসময় একই রকম ছিল?!
হযরত মোহাম্মদ এর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে খুব স্পষ্ট ভাবেই বুঝা যায় তার একেক সময়ের কথা একেক রকম। ঠিক চরিত্র ও একেক সময়ে একেক রকম।
যেমন জীবনের প্রথম দিকে,বাল্যকালে ( আমি হাদিস কোট করছি না)
তিনি ছিলেন সমাজে সবার প্রিয়, সবার আস্থা ভাজন, শান্ত, স্বার্থত্যাগী একজন মানুষ। তার সহচর দের সাথে তার আলাপ আলোচনার বস্তু ছিল – বাহ্যিকতা সংক্রান্ত,খুবই সাধারণ তবে বচন ভঙ্গী অতি চমৎকার।

তারপর, ক্রমে ক্রমে সমাজ দর্শন তাকে ভাবালো,তিনি ভাবলেন সমাজের নানান অসংগতি নিয়ে,অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধেও তিনি কথা বলতে চাইলেন। হাদিস এমনই বলে।…কিন্তু কোন শিক্ষায় তিনি নতুন ভাবে ভাবতে শিখলেন, সেই জায়গায় হাদিসিয় লজিক এবস্যেন্ট।
যাক।…
তার পর তার জীবনে নতুন অধ্যায় তখন শুরু হল,যখন তিনি তার কিছু অতিঅনুগত লোক পেলেন,যারা তার কথায় নিজের সর্বোচ্চটুকু ও ত্যাগ করতেও রাজি ছিল। ইতিহাস ও হাদিস এতটুক একই কথা বলে।।।তারপর থেকেই ইতিহাস হাসিস বিচ্ছেদ শুরু…

তার অনুগত লোকের সংখ্যা সমাজের অন্য মানুষ গুলোকে যখন প্রভাবিত করার ক্ষমতা অর্জন করতে লাগলো,তখন মোহাম্মাদ এর চিন্তায় অন্যরকম বিবর্তন ঘটল।
এবার মানুষ কে প্রভাবিত করার জন্য,তার অনুসারীদের দলে যুক্ত করার জন্য, তিনি ব্যবহার করতে লাগলেন, অস্ত্র, পেশী, হুমকি, আর যৌনতা ।
এবং সেই অস্ত্র ছিল আরবে তৎকালীন সময়ে প্রচলিত সব ধরনের অস্ত্রের থেকে আলাদা।তখন থেকেই শুরু হয়ে গেলো,যুক্তির বদলে শিরঃচ্ছেদ । আহ্বানের বদলে অস্ত্র মহড়া!!!
সারা আরব দাপিয়ে বেড়াতে লাগলেন তখন মোহাম্মদ, সাথে একদল দুর্ধর্ষ অনুচর ও হাতে ধারালো গলা কাটবার অস্ত্র।
ভীত,অত্যাচারিত মানুষ বেঁচে থাকার স্বার্থে সর্বস্ব মোহাম্মদের হাতে তুলে দিয়ে হয়ে যেতে লাগল তার নতুন অনুচর। (উল্লেখ্য ঃ শুধু মাত্র পুরুষ মানুষকে নিয়ে তিনি সারাদিন অস্ত্রের মহড়া দিতেন,আর মেয়েদেরকে ব্যাবহার করতেন রাতে।)
আর গলা কাটার এই সময়টাতেই ইসলামের বিস্তৃতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি!…
হযরতের চিন্তা ইসলাম নামে ছড়িয়েছে আরবজুড়ে।…

তারপর! হযরতের শেষ জীবনে দেখা যায় তার সম্পূর্ণ ভিন্ন রুপ।
মদিনা সনদে তিনি ঘুরে যান ১৮০ ডিগ্রি।কারন তিনি ভেবেছিলেন, তার অবর্তমানে তার অনুচররা যদি, এইভাবে অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে,যুদ্ধবাজীতে হেরে যায়, পরাজিত হয় গলা কাটতে গিয়ে!..
তবে তার ধর্ম( চিন্তা-ভাবনা) সমাজে টিকিয়ে রাখা কঠিন।তাই মদিনা সনদে বিরোধী দের তেল মেরে এক্কেবারে পিচ্ছিল করে দিলেন।যা তিনি সারা জীবন করে এসেছেন,সেই মূর্তি ভাঙা , অন্যচিন্তার মানুষকে দাস করে রাখা, ইত্যাদি… করে দিলেন নিষিদ্ধ।আর নিজে হয়ে গেলেন এক্কেবারে মাটির মানুষ,অসীম ক্ষমাময় পাত্র।।

তাহলে দাঁড়াচ্ছে কি?
হযরত মোহাম্মোদের লাইফ টাইম কে তিন ভাবে ভাগ করা যায়। আর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং বিস্তৃত সময় হলো,মধ্যের সময়টা যে সময়ে তার হাতে ছিল উষ্ণীষ।।
সেই সময়ই ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে বেশি ব্যাপ্তি ঘটে।
আর তার মৃত্যুর পরে তার অনুসারীরা তারই মত তারবারি হাতে ভুখন্ড দখল শুরু করে,যে বর্বরতা একই ধারায় চলেছে প্রায়১৮০০ সাল পর্যন্ত।
আর এখন আরেক ধারায় অস্ত্রীয় দৈনন্দিনতায় চলছে ইসলাম প্রচার।

সুতরাং, ইসলাম এবং চাপাতি/ মানুষ ক্ষুণের অস্ত্র একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত।
শান্তি শুধু তথাকথিত আকাইম্যা বুদ্ধিজীবী ও ইসলামী প্রগতিচোদ দের কাছে।।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

58 − = 54