বঙ্গবন্ধু ছিলেন নির্ভীক, সাহসী এক সিংহ পুরুষ

৭ মার্চে তিনি চেয়েছিলেন তারা পূর্ব পাকিস্তানী অফিসারদের মান্য করুক। এর মাধ্যমে তিনি বাঙালি ট্রুপসকে বিদ্রোহ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

৭ মার্চের পর ছাত্রদের হলগুলো গেরিলা প্রশিক্ষণ শিবিরে রূপান্তরিত হয়েছিল। সেখানে প্রতিবন্ধক কোর্স, কাঁটাতার জড়ানো এবং অন্যান্য প্রশিক্ষণ পদ্ধতির বিকাশ ঘটানো হয় এবং ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক নির্বিশেষে সকলকে প্রশিক্ষণ দেয়া হতো।

২৩ মার্চ ছিল শেখ মুজিবের আন্দোলনের সর্বোচ্চ পর্যায়। এটা ছিল একটি ঐতিহাসিক দিন। পাকিস্তান দিনটিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করত।

সেদিন এক চূড়ান্ত দিন, যেদিন শেখ মুজিব তার বাসভবনে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বাস্তবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের প্রদেশে কেবল সেনানিবাসগুলোর ভিতরে পাকিস্তানের পতাকা দেখা গিয়েছিল। শেখ মুজিব তার বাসভবনের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার অনুসারীদের সামনে বাংলাদেশের পতাকাকে সম্মান দেখিয়েছিলেন, তাঁর অনুসারীরা সে সময় তাঁর সমর্থনে শ্লোগান দিচ্ছিল।

২৩ মার্চ নিজের গাড়ির উপর বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে শেখ মুজিব প্রেসিডেন্ট হাউজে এসেছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ পৃষ্ঠা নং: ৭০-৭৬, বাংলাদেশের জন্ম, লেখকঃ জেনারেল রাও ফরমান আলী, পাকিস্তান আর্মি

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 7