বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অস্ত্রহীন মানুষও যুদ্ধে নেমেছে

আমাদের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহের নেতৃস্থায়ী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সম্মোহনী শক্তিসুলভ নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটেছে। প্রথম দিকে বার্মাতে ইউ মিন এবং পরে ইউ নো সম্মোহনী নেতৃত্ব দেন। ভারতে মহাত্মা গান্ধী ছিলেন সম্মোহনী নেতৃত্বের প্রতীক স্বরূপ। উত্তর ভিয়েতনামে হোচি মিন, ইন্দোনিশিয়ায় সুকার্নো এবং বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মোহনী নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যার হাত দিয়ে গড়ে উঠেছে,যার কণ্ঠদীপ্ত আহ্বানেই অস্ত্রহীন মানুষও যুদ্ধে নেমেছে, সেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের প্রায় পুরোটা সময় কেটেছে সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট (১৯৭২ সালের এক সাক্ষাৎকারে) বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আপনার শক্তি কোথায়?’ বঙ্গবন্ধু সে প্রশ্নের উত্তরে বলেন,‘আমি আমার জনগণকে ভালোবাসি৷’ ‘আর আপনার দুর্বল দিকটা কী?”বঙ্গবন্ধুর উত্তর,‘আমি আমার জনগণকে খুব বেশি ভালোবাসি৷’ যে মানুষ এ কথা বলতে পারেন তিনি যুগে যুগে জন্মান না। আর জন্মান না বলেই ১৯৭১ সালে স্বনামধন্য বিদেশি সংবাদ মাধ্যম নিউজউইক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ উপাধি দেয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 3