বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রধান মূলনীতিসমূহ

জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং নৈতিক দিকের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ সাধন করাই গণতান্ত্রিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে, আমেরিকা, ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্য, ভারত এবং আয়ারল্যান্ডসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতকগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নীতিগুলো হচ্ছে রাষ্ট্র শাসনের মূলমন্ত্র। যেকোন সরকারের কর্তব্য হলো রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে এগুলোকে বাস্তবায়ন করা।

অনুরূপভাবে, বাংলাদেশের সংবিধানেও কতকগুলো রাষ্ট্রীয় মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের মহান সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, “যে সকল মহান আদর্শ বা চেতনা আমাদের বীর বাঙালি জাতিকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদেরকে প্রাণোৎসর্গ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল তা হল- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতা এ মহান সংবিধানের মূলনীতি হবে”। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের দ্বিতীয়ভাগে ৮নং অনুচ্ছেদ থেকে ২৫নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল অনুপ্রেরণা, এ চারটি নীতি ও আদর্শকেই তাদের দলীয় প্রধান মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে। নীচে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রধান চারটি মূলনীতি আলোচনা করা হলঃ

১. জাতীয়তাবাদ (Nationalism): বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এবং আমাদের মহান সংবিধানের প্রধান চারটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে জাতীয়তাবাদ। অভিন্ন ভৌগলিক সীমারেখার মধ্যে একই ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে লালিত, বাঙালি জাতি ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে নিজেদেরকে ঐতিহ্য ও মননে পাকিস্তানি জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা মনে করতে শুরু করে। বাঙালি সাধারন জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তি সংগ্রামের মহান চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তাই আমাদের সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে বলা হয়, “ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যা বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছিলেন সেই বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি তবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি”। বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতির মূলে রয়েছে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অভিন্নতা। বাঙালিরা একটি স্বতন্ত্র জাতি। এ জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করেই ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে তারা বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বস্তুত আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। আমরা একটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন জাতি। এ স্বাতন্ত্র্যবোধ ও স্বকীয়তাই আমাদেরকে এক সুদৃঢ় ঐক্যে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

২. সমাজতন্ত্র (Socialism): বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এবং আমাদের মহান সংবিধানের অপর একটি মূলনীতি হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক বিধিবিধানের উপস্থিতি। বাংলাদেশে একটি শোষণমুক্ত এবং সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থা নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কায়েম করা হবে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা নয়। আমাদের সংবিধানের ১০নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে যে, মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান করে ন্যায়ানুগ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজব্যবস্থা কায়েম করা হবে। সমাজতন্ত্রের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে সংবিধানে উল্লেখ করা হয় যে, রাষ্ট্র তার প্রয়োজনে যেকোন ধরনের সম্পত্তিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে গ্রহণ করতে পারবে। সংবিধানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেহনতি মানুষকে সকল প্রকার শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। রাষ্ট্রের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থার মালিক হবে জনগণ তথা রাষ্ট্র। আইনের ধারা আরোপিত সীমার মধ্যে ব্যক্তিগত মালিকানার বিধানও রাখা হয়।

৩. গণতন্ত্র (Democracy): বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অন্যতম মূলনীতি হচ্ছে গণতন্ত্র এবং স্বৈরশাসনের অবসান। আমাদের সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে, “প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে; মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে”। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রনৈতিক ব্যবস্থা হবে গণতান্ত্রিক। প্রাপ্তবয়স্কদের সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নাগরিকগণ রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে পারবে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য দূর করাই হবে গণতন্ত্রের লক্ষ্য। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবন ব্যবস্থার একটি পরিপূর্ণ রূপ নির্দেশ করবে। গণতন্ত্র শুধু শাসনব্যবস্থার রূপ নির্দেশ করবে না, সামাজিক আদর্শ হিসেবেও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। রাষ্ট্র পরিচালনার সকল স্তরে জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

৪. ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) ও অসাম্প্রদায়িকতা (Non-communal): বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অন্যতম মূল আদর্শ বা নীতি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। যে নীতির কারনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলসমূহ থেকে আলাদা ও স্বতন্ত্র। আমাদের সংবিধানের ১২নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেক নাগরিক তার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী ধর্ম পালন, চর্চা ও প্রচার করতে পারবে। কোন বিশেষ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ কোন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বা তার প্রতি কোন বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িকতার অবসান ঘটিয়ে একটি ধর্মনিরেপক্ষ সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা হবে রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।

যা হোক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এ বিশেষ ও স্বতন্ত্র আদর্শটি বাংলাদেশের অন্যান্য সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দ্বারা সেই স্বাধীনতার পর থেকেই বহুল সমালোচিত এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল বরাবরের মতোই বাংলার সাধারণ জনগোষ্ঠীকে ভুল বুঝিয়ে, জনমনে এ নীতিটি সম্পর্কে গুজব ও অপপ্রচার রটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে থাকে। এখানে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিয়ে একটু ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা একান্ত প্রয়োজন।

রাষ্ট্র একটি স্বাধীন ভূখণ্ড তথা সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান। কোন ব্যক্তি বিশেষ নয় বলে, এর নিজের বিশেষ কোন ধর্ম পালন করা আবশ্যক নয়। কিন্তু রাষ্ট্রে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের ধর্ম-কর্ম পালনে সুযোগ সুবিধা প্রদান করার এবং নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের তথা সরকারের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের কাছে সকল ধর্মাবলম্বীরা সমান। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে বৈষম্য করা যাবে না, নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার তাই বলে।

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হয়েছে। মূল সংবিধানে বলা হয়েছিলো যে, বাংলাদেশে কোন বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হবে না। জনগনের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ধর্মের অপব্যবহার বিলোপ করা হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী ধর্ম পালন, চর্চা ও প্রচার করতে পারবে। কোন বিশেষ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির প্রতি বিশেষ সুযোগ সুবিধা বা তার প্রতি কোন বৈষম্যমূলক আচরন করা হবে না।

মোট কথা, সমাজ জীবন হতে সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িকতার অবসান ঘটিয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা হবে রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য। সুতরাং ধর্ম নিরপেক্ষতার অর্থ ধর্মহীনতা নয়। তাই ৭২ এর সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।”

১৯৭২ সালের ৭ জুন, রেসকোর্স ময়দানে ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ হবে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্মনিরপেক্ষ মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবে। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে। খ্রিস্টান তার ধর্ম পালন করবে। বৌদ্ধও তার নিজের ধর্ম পালন করবে। এ মাটিতে ধর্মহীনতা নাই, ধর্মনিরপেক্ষতা আছে। এর একটা মানে আছে। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ধর্মের নামে মানুষকে লুট করে খাওয়া চলবে না। ধর্মের নামে রাজনীতি করে রাজাকার, আল বদর পয়দা করা বাংলার বুকে আর চলবে না। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না”।

১৯৭২ সালে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আরও বলেন, “ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। তাতে বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্ম-কর্ম করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা আইন করে ধর্মকে নিষিদ্ধ করতে চাই না এবং করব না। মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে। তাদের বাধা দেওয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রের নাই। হিন্দুরা তাদের ধর্ম পালন করবে, কারো বাধা দেওয়ার মত ক্ষমতা নাই। বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে। তাদের বাধা দিতে পারবে না। আমাদের শুধু আপত্তি হলো, ধর্মকে কেউ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। ২৫ বছর আমরা দেখেছি ধর্মের নামে জোচ্চরি, ধর্মের নামে বেঈমানী, ধর্মের নামে অত্যাচার, খুন, ব্যাভিচার বাংলাদেশের মাটিতে চলেছে। ধর্ম অতি পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে যে ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে- আমি বলব, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় ব্যবস্থা করেছি।” -(গণপরিষদের ভাষণ, ১২ অক্টোবর ১৯৭২)

অপরদিকে, বিদায়ী হজ্বের ভাষণে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) মদিনা সনদে বলেছিলেন, “মুসলিম, খ্রীস্টান, ইহুদী, পৌত্তলিক ও অন্যান্য সম্প্রদায় ধর্মীয় ব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। কেউ কারো ধর্মীয় কাজে কোন রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না”।

সুতরাং, ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদ অত্যন্ত যুগোপযোগী, সহনশীল, আধুনিক জীবন ব্যবস্থার সাথে মানানসই উদারপন্থী একটি নীতি। পৃথিবীর সকল উন্নত রাষ্ট্রগুলো এ উদার রাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করে থাকে; কারন এ আদর্শ রাষ্ট্রনীতিতেই আধুনিক রাষ্ট্রের সকল নাগরিকদের সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি নিহিত।

পরিশেষে, যারা নিজেরদেরকে আওয়ামীলীগের সমর্থক বলে দাবী করে থাকে কিন্তু আওয়ামী লীগের উপরোক্ত কোন একটি নীতি বা আদর্শে বিশ্বাসী নন বা রাজনৈতিক অঙ্গনে ভঙ্গ করে থাকে, তারা কখনও প্রকৃত আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতাকর্মী হতে পারে না। মূলত, আওয়ামীলীগের এ প্রধান চারটি নীতিতে যে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং চেতনা একীভূত হয়ে আছে। তাই আওয়ামী লীগ সমর্থক সকল নেতাকর্মীদের এ মূলনীতিগুলো সম্পর্কে অনেক ভাল জ্ঞান থাকা উচিত। তানাহলে তারা কখনও বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মতাদর্শ এবং আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হতে পারবে না।

লেখকঃ খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

39 − = 30