ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে সজীব ওয়াজেদ জয় অত্যন্ত সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি মুখ। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের একজন সাধারণ সদস্য এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অভিষেক হয়েছে খুব একটা বেশী দিন হয়নি। কিন্তু অতি অল্প সময়ে তিনি তার উচ্চশিক্ষা, মেধা, বুদ্ধি এবং প্রজ্ঞা দিয়ে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের অহংকারে বা গর্বে পরিনত হয়েছেন। সেদিনও আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা কেনিয়াতে বক্তৃতা দেয়াকালে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশকে’ উদাহারন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

সজীব ওয়াজেদ জয় ১৯৭১ সালে ২৭ জুলাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে জন্ম নেন। তিনি একজন আইসিটি পরামর্শক বা তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার একমাত্র ছেলে এবং বাংলাদেশের স্থপতি বা বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য দৌহিত্র।

তাঁর বাবা মরহুম এম এ ওয়াজেদ মিয়া, একজন খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী ছিলেন এবং মা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট তাঁর নানা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিছু বিপথগামী সেনা অফিসারদের দ্বারা স্বপরিবারে নিহত হওয়ার পর, জয় মায়ের সাথে জার্মানী-লন্ডন হয়ে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ফলে তাঁর শৈশব এবং কৈশর কেটেছে ভারতে। তিনি ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ হতে স্নাতক করার পর আমেরিকার দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস এ্যট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে সম্মানসহ বিএসসি ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি পৃথিবীর বিখ্যাত আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসন বিষয়ে স্নাতোকোত্বর বা এমএ ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

জয় ২৬ অক্টোবর ২০০২ সালে, মার্কিন বা আমেরিকার নাগরিক ক্রিস্টিন অ্যান ওভারমাইনকে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী একজন এটর্নি বা আমেরিকান আইনজীবী। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে যার নাম সোপিয়া রেহানা ওয়াজেদ। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তিবিদ, সজীব ওয়াজেদ জয় স্ত্রী-কন্যাসহ আমেরিকার ভার্জিনিয়া স্টেটে বাস করছেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় একজন তথ্য প্রযুক্তিবিদ বা আই.টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে ২০০৭ সালে ‘ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরাম’ দ্বারা সারা পৃথিবীর আরও ২৫০ জন তরুন নেতার মধ্যে একজন গ্লোবাল লিডার বা তরুন বিশ্ব হিসেবে নেতা নির্বাচিত হন। (দি ডেইলি স্টার, ১৯ জানুয়ারি ২০০৭, ভলিউম ৫ নম্বর ৯৩৯)। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা।

২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, সজীব ওয়াজেদ জয়কে আওয়ামী লীগের সাধারন সদস্যপদ দেয়া হয়েছে। পিতৃস্থান রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে দলের সদস্যপদ দেয়া হয়। এর আগে জয়ের পক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক আবুল মনসুর আহম্মেদ সদস্য ফরম সংগ্রহ করেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপত্বে আন্তরিকভাবে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি হচ্ছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি বা রূপকার। তথ্য প্রযুক্তিক্ষেত্রে তার কঠোর পরিশ্রমের সুফলই আজ আমরা সমগ্র বাঙালি জাতি জীবনের সর্বক্ষেত্রে পাচ্ছি।

খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়

    1. সালাম নিবেন শামিম সাহেব। একটু
      সালাম নিবেন শামিম সাহেব। একটু ঝেরে কাশুন। আপনি অপ্রাসঙ্গিক ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করছেন। তাও ধন্যবাদ আপনাকে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 4