ব্লগ এবং ব্লগারদের নিয়ে যত্তসব বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার

ব্লগ (Blog) বলতে কোন ওয়েব সাইটকে বোঝানো হয়ে থাকে, যেখানে বিভিন্ন লেখকরা তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন বিষয়ে কলাম বা নিবদ্ধ লিখে থাকে। ব্লগের কোন ওয়েব সাইট ব্যক্তিগতও হতে পারে, আবার পাবলিক ওয়েব সাইটও হতে পারে যেখানে কোন বিশেষ ব্যক্তি, মন্ত্রী-এমপি, লেখক, সাহিত্যিকেরা তাদের জীবনী এবং অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে থাকেন, জনগণের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে থাকেন। তারা তাদের এ ওয়েব সাইটটি সময়ে সময়ে সমসাময়িকও (আপডেট) করে থাকেন। উদাহারনস্বরূপ, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে জনপ্রিয় ফেইজবুকও হতে পারে। উল্লেখ্য, ফেইজবুক বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যার নাম বাংলাদেশের প্রায় সকল সাধারণ মানুষই এখন জানে।

যাই হোক, ব্লগিং (Blogging) বলতে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে লেখালেখি করা, তা সমসাময়িক করা বা প্রকাশ করাকে বোঝায় যাতে সবাই তা দেখতে পারে এবং পড়তে পারে। ব্লগার (Blogger) বলতে লেখককে বোঝায় যারা এসব ওয়েব সাইটে লেখালেখি করে থাকে এবং যারা এসব ওয়েব সাইট রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

অন্যান্য ধর্মসহ অনেক ইসলামিক ব্লগ সাইটও আছে যেখানে ইসলামিক চিন্তাবিদেরা ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করে থাকেন। তারাও কিন্তু লেখক বা ব্লগার। বিষয় হচ্ছে গঠনমূলক, ভাল কিছু নিয়ে লেখালেখি করলে দোষের কিছু নেই।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে যদি বলি, তাহলে বলতে হয় বিএনপি-জামায়াতি-আওয়ামী লীগ-হেফাজতে ইসলামীরসহ সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরাই বিভিন্ন ব্লগ সাইটে রাজনৈতিক বিষয়াদি নিয়ে লেখালেখি করে থাকেন। বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা, জনমানসে অপপ্রচার ছড়ানো এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকগুলো ব্লগ সাইট বা ওয়েব সাইট। আমরা সবাই তা জানি। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার এসব রাষ্ট্রদ্রোহী পেইজ, ব্লগ সাইট বা ওয়েব সাইট এবং তাদের পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিচ্ছে।

আমাদেরমত তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের মানুষদের ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে অনেকেরই ধারনা প্রায় শূন্য। বাংলাদেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষই ২১ শতাব্দীর এই আশীর্বাদ, ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞই বলা যায়। দ্রুত ইন্টারনেট সেবা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শুধু বাংলাদেশ নয়; সারা পৃথিবীকে আজ আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের রক্ষণশীল, উগ্রবাদী, ধর্মান্ধ, স্বার্থবাদী এবং অশিক্ষিত একটি শ্রেণী তাদের কায়েমি স্বার্থ হাসিল করার জন্য বিভিন্ন ওয়েব সাইটের এসব এসব জঙ্গিবাদী এবং ধর্মান্ধ ব্যক্তিরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রগতিশীল, আলোকিত লেখকদের বিরুদ্ধে সমাজে বিভিন্ন অপপ্রচার ও গুজব রটিয়ে যাচ্ছে। কারন একটাই, এসব প্রগতিশীল লেখকদের লেখালেখি যে তাদের ধর্ম ব্যবসা ও কায়েমি স্বার্থে আঘাত হানছে।

উল্লেখ্য আলোকিত, প্রজ্ঞাবান, সুশিক্ষিত এবং বিবেকবান মানুষেরা চিরদিনই ধর্মান্ধ ও জঙ্গিবাদীদের চক্ষুশুল ছিল। আলোকিত, প্রগতিশীল মানুষেরাই পারে সমাজকে, একটি দেশকে আলোকিত করতে। সত্যিকার অর্থে, তারাই পারে একটি জাতির বিবেককে জাগিয়ে তুলতে। আর ঠিক এখানেই জঙ্গিবাদীদের ভয়। আলোকিত মানুষদের কলমের কালি যে তাদের চাপাতি, রাম দা, ছুরির চেয়েও অনেক বেশী শক্তিশালী। জঙ্গিবাদীরা এবং ধর্মান্ধরা কখনও চায় না একটি জাতি বিবেক এবং জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠুক, সচেতন হয়ে উঠুক, নিজেরাই নিজেদের ভালমন্দ বুঝতে শিখুক।

জঙ্গিবাদীরা এবং ধর্মান্ধরা সাধারণ মানুষকে কুসংস্কারাছন্ন রেখেই তাদের কায়েমি স্বার্থ হাসিল করতে সদা ব্যস্ত। একজন হুমায়ুন আজাদকে, একজন রাজীব হায়দারকে, একজন অভিজিৎ রায়কে এবং ওয়াশিকুর রহমানকে হত্যা করে ফেললেই আলোকিত মানুষেরা নিঃশেষ হয়ে যায় না। তাদেরমত সাহসী আলোকিত মানুষেরা একটি সমাজ ও দেশে প্রতিনিয়তই জন্মায়। শুধু দরকার একটু সাহসের এবং জাতির বিবেককে জাগিয়ে তোলার।

আজ যদিও বাংলাদেশকে আমরা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বলে থাকি; তবুও ইন্টারনেট বা ওয়েব জগত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন বা সচেতন হয়ে উঠতে সাধারণ মানুষের আরও অনেক সময় লাগবে। কিন্তু এই অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে, সাধারণ মানুষের মধ্যে অপপ্রচার চালিয়ে কোন মহল বা গোষ্ঠী যেন মানুষ হত্যারমত মহা পাপ করে, তাদের কায়েমি স্বার্থ হাসিল না করতে পারে এ বিষয়ে গোটা সমাজ এবং দেশের মানুষকে সদা সজাগ থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠতে হবে।

প্রশাসনের উচিত এসব আলকিত মানুষদের সুরক্ষা দেওয়া এবং এসব জঙ্গিবাদীদের সমূলে নির্মূল করা। সম্প্রতি পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতে বিরাজমান সমস্যার মত বাংলাদেশেও ধর্মান্ধ জঙ্গিরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা, আইএস, বুকো হারাম, ইত্যাদি সংগঠনগুলোর মত বাংলাদেশেও হিজবুত তাহেরির, আনসার উল্লাহ বাংলা টিম, জামায়াত-শিবির ইত্যাদি দেশদ্রোহী সংগঠনগুলোও তাদের জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সত্য ও জ্ঞানের আলোয় জাতি যত বেশী আলোকিত হবে, দেশে জঙ্গিবাদী-সন্ত্রাসীদের অবস্থানের স্থান ততই সংকীর্ণ হয়ে আসবে; তাদের অস্তিত্ব ততই বিপন্ন হয়ে উঠবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য তাদেরকে সামাজিকভাবে এবং জাতিগতভাবে বিতাড়িত করতে হবে। তাদেরকে সমূলে নির্মূল করার দায়িত্ব শুধু কোন সরকারের একার কাজ নয়। সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব জঙ্গিবাদীদের প্রতিহত করতে হবে।

সমাজে জঙ্গিবাদ এবং ধর্মান্ধতা দিন-দিন যত বেশী বৃদ্ধি পাবে, জাতির মেধাবী সন্তানেরা ততবেশি অনিরাপদ হয়ে পড়বে। সরকার তথা প্রশাসনের এ ব্যাপারে কঠোর থেকে কঠোরতর হতে হবে। যেকোন মুল্যে প্রশাসনের সর্বশক্তি কাজে লাগিয়ে এসব ঘাতক জঙ্গিবাদীদের দেশের কোনা-কোনা থেকে তন্ন-তন্ন করে খুঁজে বেড় করতে হবে। আইনের আওতায় এনে তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

অনেক সময়, অনেক লেখক বিভিন্ন ধর্মের কুসংস্কার, জঙ্গিবাদী এবং ধর্মান্ধদের স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে বাস্তবভিত্তিক, তথ্যসমৃদ্ধ সমালোচনামূলক কিছু লেখালেখি করে থাকেন। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে কিছু সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার যে প্রত্যেকটি মানুষেরই আছে। যা আমাদের মহান সংবিধানে সুরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশের মহান সংবিধানের আর্টিকেল ৩৯ এর (১) এবং ৩৯(২) উপ-অনুচ্ছেদে এ অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু কেউ যদি সীমালংগন করে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে থাকে তার শাস্তির ব্যবস্থাও আমাদের মহান সংবিধানে বলা আছে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ওয়েব সাইটের কোন লেখক যদি সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী বা নাস্তিক হয়েও থাকে এটা নিতান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের মহান সংবিধানে আর্টিকেল ১২ এবং আর্টিকেল ৪১ অনুযায়ী যার যে ধর্ম ভাল লাগে, যার যে ধর্ম পালন করতে ইচ্ছা হয় তাকে সেই ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আস্তিক-নাস্তিক, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মে বিশ্বাসী সবাইকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমান সুযোগ-সুবিধা পাবার অধিকার দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের মহান সংবিধানে, সকলের বেঁচে থাকার অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইহকালে কেউ যদি মহান আল্লাহ্ তায়ালার ইবাদত-বন্দেগী না করেন, তাহলে মৃত্যুর পর পরকালে তার বিচার আল্লাহ্ তায়ালা স্বয়ং নিজেই করবেন। এই বিচারের দায়িত্ব আল্লাহ্ তায়ালা কোন মানুষকে দেননি।

কিন্তু নাস্তিকতার আলোকে কোন লেখক বা ব্লগার যদি বিভিন্ন ব্লগে লেখালেখি করে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের (তারা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং অন্যান্যরাও হতে পারে) ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হেনে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আমাদের দেশীয় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ারও যথোপযুক্ত বিধান রয়েছে।

দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ধারা ২৯৫ থেকে ২৯৮ পর্যন্ত যেকোন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের জন্য সুস্পষ্ট শাস্তির বিধান রয়েছে। উদাহারনস্বরূপ, তসলিমা নাসরিন, দাউদ হায়দার, লতিফ সিদ্দিকিসহ (যদিও লতিফ সিদ্দিকির বিষয়টি অনেকটা বিতর্কিত) সাম্প্রতিক সময়ে আরও অনেকেই এই আইনের আওতায় এসেছেন, বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন তারা।

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। আমাদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে, আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। কিন্তু কাউকে নাস্তিকতার অজুহাতে প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মানুষ হত্যা করার বিধান কোথাও নেই। তারপরেও প্রচলিত আইনকে অমান্য করে যদি কেউ নাস্তিকতার অজুহাতে কোন মানুষকে হত্যা করে তাহলে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ধারা ৩০০ ধারা অনুযায়ী ঠাণ্ডা মাথায়, সইচ্ছায়, পরিকল্পনা করে মানুষ খুনের শাস্তি যাবৎজীবন বা মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিধান রয়েছে।

সুতরাং কোন ব্যক্তি কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখি করলে দেশে প্রচলিত আইন আছে। প্রমাণসহ মামলা করলে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। কিন্তু আইনকে অবজ্ঞা করে, নিজ হাতে মানুষ হত্যা করা কোন সভ্য মানুষ এবং সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে না।

যাই হোক, জ্ঞান, বুদ্ধি এবং অভিজ্ঞতার আলোকে লেখালেখিকে আমাদের নিরুৎসাহিত না করে, নতুন প্রজন্মকে আমাদের উৎসাহিত এবং অনুপ্রাণিত করা উচিত। তাদের জ্ঞানগর্ব লেখালেখিতে দেশ আলোকিত হয়ে উঠবে এবং আপামোর সাধারণ জনগণ সকল কুসংস্কার, জঙ্গিবাদ এবং ধর্মান্ধতা সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবে। আমারা তৃণমূল পর্যায় থেকে এখন থেকে সচেতন হলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশ হয়ে উঠবে একটি নিরাপদ আবাসভূমি, সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ।

এসব ধর্মান্ধ, উগ্রবাদি এবং জঙ্গিবাদীরা যে, সমাজের মরনব্যাধি-ক্যান্সার স্বরূপ। দেশকে বাঁচাতে হলে, দেশের মেধাবী এবং আলোকিত প্রগতিশীল মানুষদের বাঁচাতে হলে, দেশকে সার্বিকভাবে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে ক্যান্সারের জীবাণু বহনকারী এসব জঙ্গিবাদী-সন্ত্রাসীদের যেকোন মুল্যে সমাজ থেকে সমূলে নির্মূল করতেই হবে! এর কোন বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের জন্য নির্ভয়ে বসবাস উপযোগী সুষ্ঠু ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের মেধাকে লালন করা শিখতে হবে।

পরিশেষে, জাতি হিসেবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা একবার মেধাশুন্য হয়েছিলাম। তখনও তারা জাতির সকল মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে নাস্তিক বলে অপপ্রচার চালিয়েছিল। আবার নতুন করে স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরে এসে জঙ্গিবাদীদের হাতে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মের আলোকিত ও মেধাবী সন্তানদের হারাতে চাই না। নতুন করে জাতি হিসেবে আমরা আর মেধাশুন্য হতে চাই না।

আমাদের মনে রাখা উচিত যে, সম্প্রতি শান্তিতে সর্ব কনিষ্ঠ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাইও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যম বিবিসি’র ওয়েব সাইটে তার সমাজের কুসংস্কার, নারী শিক্ষা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ব্লগ লিখে লিখেই বিশ্ব নন্দিত হয়েছেন; যার চূড়ান্ত সাফল্য হচ্ছে শান্তিতে তাঁর সম্প্রতি নোবেল পুরষ্কার অর্জন।

খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “ব্লগ এবং ব্লগারদের নিয়ে যত্তসব বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার

  1. গঠনমূলক ও বাস্তবভিত্তিক এ
    গঠনমূলক ও বাস্তবভিত্তিক এ লেখাটি পড়লে ব্লগারদের সম্পর্কে যে কারো ভুল ধারনা ভেঙ্গে যাবে। সত্যিই লা জবাব লেখনী। অসংখ্য ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 15 = 18