স্যার রেজাউল করিম স্মরণে<>সরকার প্রশাসন সাথে ধর্মান্ধ মউলবাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে কি?

ড: রেজাউল করিম রাবির অধ্যাপক, হত্যা করা হয় অতীতের সকল হত্যার মত চাপাতি দিয়ে, তিনিতো ব্লগার ছিলেননা একজন সাংস্কৃতিমনা প্রগতিশীল রবীন্দ্র প্রেমি ছিলেন,ব্লগার হলে কী হত্যা করতে হবে?দেশের ৭০% মানুষ ব্লগিং কি সেটাই জানেনা,হেফাজতীরা বলে ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালায় সত্তসব আবাল মার্কা ধর্মান্ধ,তিনি সুন্দর সেতারা বাজাতেন রবীন্দ্রনাথের গানও গাইতেন, বাড়ির পাশে একটা গানের স্কুলও প্রতিষ্ঠা করছেন, তাঁর নিজ খরচে চলতো স্কুলটা,সাংস্কৃতিক সংঘটনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
এদেশে সাংস্কৃতিমনা প্রগতিশীল মুক্তচিন্তকদের কী বাঁচার অধিকার নেই?কেন বার বার সভ্যতার উপর এমন বর্বরতা?৭১ সালে দেশে সূর্যসন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধা শূন্য করা হয়েছিল, আজ সে জাতী মাথা তুলে দাঁড়িয়ে কিন্তু আবার মেধা শূন্য করা হচ্ছে,এগুলো কিসের আলামত বহন করে? একনায়েকতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নাকি মদিনা সনদ বাস্তবায়ন?ইতিহাস বলে একনায়েকতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগে বাক্ স্বাধীনতার উপর আঘাত করতে হবে, সরকার ঠিক সেটাই করছে,আমরা উন্নতদেশ চায়নার দিকে তাকালে দেখি সেখানকার মানুষের কি করুন অবস্থা,মানুষ রাস্তায় দাঁড়াতে পারেনা প্রতিবাদ করতে পারেনা,সকল সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বন্ধ,ইতিহাস বলে শোসক বেশিদিন টিকেনা চায়নার মানুষও একনায়েকতন্ত্র কাটিয়ে আবার সুন্দর স্বাধীন একটা দেশ পাবে।কিন্তু আমরা হাটছি কোন দিকে,মোল্লা বর্বর তন্ত্রের দিকে নাকি একনায়েকতন্ত্রের দিকে?যেটাই হোক ফলাফল ভাল হবেনা।
অতীতে হত্যার বিচার না হওয়ার কারণে হত্যা আরো বাড়ছে এটা অস্বীকার করা যাবেনা,সরকার যখন মুখ থেকে উচ্চারণ করে অনুভূতিতে আঘাতের কারণে খুন হলে তার দায়ভার আমরা নিতে পারবোনা, তার মানে খুনিদের সাহস আরো বাড়িয়ে দেওয়া। রেজাউল করিম স্যার কিন্তু কারোর অনুভূতিতে আঘাত করেননি যদি রবী বাবুর গান গাইলে অনুভূতিতে আঘাত লাগে তাহলে সংবিধান থেকে জাতীয় সংঙ্গীত বাদ দিতে হবে কারণ গানটা রবী বাবুর,মোল্লারা সেটাই চাচ্ছে গতকাল তার প্রমান, বই থেকে মালু লেখকদের সকল লেখা বাদ দিতে হবে,আচ্ছা মালুরা কি মানুষ না?ধর্ম টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষ হতে হবে অমানুষ হয়ে ধর্ম টিকিয়ে রাখা যায়না, পৃথিবীতে ৪৫০০ উপরে ধর্ম ছিল বিলুপ্তি হতে হতে এখন হাতে গুণা কয়েকটা আছে,মানবতা সমাজ রাষ্ট্রের কাজে আসে,বর্বরতা নয়।খুন গুলো আমাদের ১৪০০ বছর আগেকার ইতিহাস মনে করিয়ে দিচ্ছি, তখন ঠিক এমন অহরহ হত্যা হত শুধু মতের মিল না হওয়ার কারণে,আপনার লাল রঙ ভাল লাগে আমার নাও লাগতে পারে তাই বলে আমাকে খুন করতে হবে?দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলে সে কি লিখতেন সেটা খতিয়ে দেখতে হবে, তারমানে লিখা দেখে তারপর বিচার করবে খুনিদের।
বিচারহীনতায় খুন ধর্ষণ বাড়ছে, সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি বিচারহীনাতার সংস্কৃতি থেকে বাহির হয়ে অপরাধির সঠিক বিচার করেন,নাহলে নিজেদের পস্তাতে হবে কারোর রক্ষা হবেনা।
সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক সাথে মউলবাদ ধর্মান্ধের।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 67 = 70