দে হ্যাভ দেয়ার ওন ডিপ্লোমেসি

নো ওয়ান ইজ ফর নান । নিজে বাঁচো । নিজের জন্য । বি অ্যা সেলফিস । অ্যান্ড
নাথিং এলস । বুজলে ? ইটস ট্রু । আমরা এখনো বাচ্চা আছি। উই হ্যাভান্ট এনি
ফিলোসফি টু লিভ ইয়েট। বুজলে ? বাচ্চা একটা । দে হ্যাভ দেয়ার ওন ডিপ্লোমেসি। দে
হ্যাভ দেয়ার ওন পলিটিকস । সব কিছু হোক অ্যারাবিকে । নিন্দুকেরা ঠোট বাঁকিয়ে বলল,
ইসলামিক রাস্ট্র কায়েমের পলিটিকস । অন্যদিকে শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে
পড়ছে ইংরেজি । আমরা হারিয়ে ফেলছি নিজস্ব সংস্কৃতি । তারপরেও চোখে
মোটাফ্রেমের রোদচশমা আর টি-শ্যার্টের কলারটা উচু করে দিয়ে বলছি, ‘ইটস
অ্যা ফ্যাশান ব্রো… ।’ হোক হোমো । হোক যা ইচ্ছে তাই হোক । জীবন এখন
পরোয়াহীন । অষ্টাদশী, খুলে দাও তোমার শার্টের বোতাম । তুমি স্বাধীন । ওড়ো
খোলা আকাশে । উড়যা চিড়িয়া ফুর… । হোয়াট অ্যা ফিলোসপি স্যার জি ? যা
ইচ্ছে হোক । ‘ডোন্ট অভারটেক’এর সাইন বোর্ড খুলে নেওয়া হোক রাস্তা থেকে ।
ট্রাফিক পুলিশ কেন থাকবে রাস্তায় ? তুলে দাও সব । কোথাও কিচ্ছু থাকবে না
। ওই যে বলে না স্লিপিং পুলিশ মানে ওই যে স্প্রিড ব্রোকার, কিচ্ছু থাকবে না
রাস্তায় । কেন থাকবে বলো ? থাকলে বাইকে চালকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্য যে
হচ্ছে তার বেলা ? ট্রাফিক রুলস ভাঙল বলে চালকের উপর রাগ করো । তোমরা যে
সব বুড়োখোকা নিয়ম ভেঙে ভাগ করো, তার বেলা ? ভাঙছ বিশ্বাস , ভাঙছ রেওয়াজ ,
এলজিবিটির বাড়াবাড়ি তারবেলা ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

65 − = 57