কোরআন : গাজাখুরী গল্প

সুরা হুদ-১১: ১:

“আলিফ, লা-ম, রা; এটি এমন এক কিতাব, যার আয়াত সমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত অতঃপর সবিস্তারে বর্ণিত এক মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ হতে।”

অথবা

সুরা নাহল-১৬: ৮৯:

“আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।”

আয়াত দুটি বলছে কোরান শুধুমাত্র প্রতিটি বস্তুর বিস্তারিত বর্ননাই করেনি , পরন্তু তা করেছে সুস্পষ্ট অর্থাৎ পরিস্কার। অর্থাৎ কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে গেলে কোরানই যথেষ্ট , কিন্তু আসলে কি তাই ?

কোরআান কি পাচ ওয়াক্ত নামাজের কথা বলেছে ?
যাকাতের পরিমান যে কত হবে সেটা বলেছে ?
কোন ধরনের পশু কোরবানী দিতে হবে , তা বলেছে ?
কোরআন কি দক্ষিন বা উত্তর মেরুর কথা বলেছে?
কোরান কি সাগরের নীচের জীব জন্তুর কথা বলেছে ?
কোরান কি আরব ও আশপাশের কিছু জাতি ছাড়া আর কারো কথা বলেছে ?

উত্তর: না

কোরআনের রচনা এবং উদ্ভবের ব্যপারগুলো নিয়ে আলোচনা করলে সব শেষ করা যাবে না ।
তাই, শুধু একটা বিষয় নিয়েই আলোচনা করলাম ।

কোরানের অর্থ বুঝার পর একটা বিষয়ই প্রতিয়মান হয়,
কোরআন মানুষের তৈরী নিম্ন ব্যাকরণসমৃদ্ধ এক গ্রন্থ । যা শুধু উগ্রতাই ছড়িয়ে দেয় ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 82 = 90