নারায় তাকবির , আল্লাহু আকবর। মডারেটরা নিপাত যাক

গোটা মুসলিম দুনিয়া আজকে কথিত মডারেট মুসলমান নামক মুনাফিক দ্বারা দ্বিধাবিভক্ত। তারা জীবনে কোনদিন কোরান হাদিস চর্চা না করে , ইসলাম সম্পর্কে লম্বা চওড়া বক্তৃতা দিয়ে থাকে। তার মধ্যে আমাদের দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্ষমতাধর ব্যাক্তিরাও রয়েছে। তারা অনেকসময় এমন সব মুনাফিকি প্রশ্ন করে যা শুনলেও গায়ে আগুন জ্বলে যায়, যেমন – বলে -কোরান হাদিসে কি আই এস, বা তালেবান , বা আল কায়েদার কথা বলা হয়েছে ? বা জামাত ইসলামের কথা বলা আছে ?ৱ

আচ্ছা , মুসলমান কাকে বলে ?

মুসলমান হলো সেই , যে কোরান ও হাদিস মেনে চলে। তার মানে প্রতিটা মুসলমানই হলো মৌলবাদী। কিন্তু সেটা কিভাবে ? মৌলবাদী তাদেরকেই বলে যারা মূলকে বিশ্বাস করে ও তা অনুসরন করে। কোরান হাদিস যেহেতু ইসলামের মূল, আর সেই কোরান হাদিস যারা মেনে চলে , তারাই যেহেতু মুসলমান , তাই প্রতিটা মুসলমানই হলো মৌলবাদী। তাই যদি হয়, তাহলে মৌলবাদীদেরকে নিয়ে এত আলোচনা সমালোচনা হয় কেন ?

আসলে তারাই মৌলবাদী নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা করে , যারা কোরান হাদিস মেনে চলে না । যারা কোরান হাদিস মেনে চলে না , তারা যদি নিজেদেরকে মুসলমান দাবী করে , তাহলে তারা মুনাফিক। এটা কোরান ও হাদিসের ভাষ্য। আর তাদের শাস্তি সোজা কল্লা কাটা। দেখা যাচ্ছে , যারা কথিত মডারেট মুসলমান , তারা কোরান হাদিসের বিধান মানে না , বরং নিজেদের মতামতকে ইসলামের নামে চালাতে চায়। অনেকে আবার বলে, ইসলামের সংস্কার করা দরকার। এমন কি অনেকে বলে কোরান হাদিসের ভিন্ন ব্যখ্যা দেয়া দরকার। যেমন উদাহরন নিচের আয়াত –

সুরা তাওবা – ৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

এখানে বলছে – মুশরিকদেরকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে হবে। এখন কোরানের এই বানীর অর্থ কি এরকম করা যাবে যে ,, মুশরিকদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই আলিঙ্গন করতে হবে ?

অনেকে বলে এটা নাকি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্যে প্রযোজ্য। কিন্তু যদি আমরা সুরা তাওবার ১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ৫ নং আয়াত বা তার পরের আরও বহু আয়াত পড়ি , সেখানে কোথাও দেখা যাবে না যে , কোথাও বলা হচ্ছে মুশরিকরা মুহাম্মদ বা মুসলমানদেরকে আক্রমন করতে যাচ্ছিল। এই সাথে আরও একটা আয়াত দেখা যাক –

সুরা তাওবা -৯:২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

এখানে বলা হচ্ছে , ইহুদি ও খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে , যদি তারা ইসলাম গ্রহন না করে , আর যদি জিজিয়া কর দিয়ে মুসলমানদের অনুগত হয়ে দাস দাসীর মত থাকে , তাহলে তাদেরকে মাফ করা যেতে পারে। এখন এই বানীর অর্থকে পাল্টিয়ে কি বলা যাবে যে , ইহুদি ও খৃষ্টানদের সাথে দেখা হলো কোলা কুলি করতে হবে ?

এই ৯:৫ ও ৯:২৯ আয়াতের সবচাইতে বড় ব্যখ্যাকার কে ? নিশ্চিতভাবেই মুহাম্মদ, আর তিনি যে ব্যখ্যা দিয়েছেন , তা নিম্নরূপ –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩০
আবু তাহির, হারমালা ইবন ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবন ঈসা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই – এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি । সূতরাং যে কেউ আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই স্বীকার করবে, সে আমা হতে তার জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শরীআতসম্মত কারণ ব্যতীত । আর তার হিসাব আল্লাহর কাছে ।

তার মানে অমুসলিমরা যতক্ষন ইসলাম গ্রহন না করবে ততক্ষন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। এখানে বলে নি , অমুসিলমরা মুসলমানদেরকে আক্রমন করতে আসছিল আর তাই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যেতে হবে। অতি সহজ সরলভাবেই বলছে , তারা ইসলাম গ্রহন না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। গোটা দুনিয়ায় যারা সহিহ ও খাটি ইমানদার মুসলমান যেমন – আই এস , বোকোহারাম , তালেবান , আল কায়দা ইত্যাদিরা কিন্তু অমুসিলমদের বিরুদ্ধে এই ইসলামী বিধান অনুসরন করেই অমুসলিমদের বিরুদ্ধে আমরন যুদ্ধ করে চলেছে।

অথচ কথিত মডারেট মুসলমানরা বলছে , এদের সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই। তাহলে এই মডারেট মুসলমানরা কি আসলে মুনাফিক নয় ? যদি মুনাফিক হয়ে থাকে , তাহলে তাদের কি শাস্তি হওয়া উচিত ?

তাই হে ইমানদার মুসলমান, আসো আমরা সবাই এইসব কথিত মডারেট মুসলমান তথা মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি ও তাদেরকে দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেই।

নারায় তকবির , আল্লাহু আকবর
দুনিয়ার মডারেট নামধারী মুনাফিকরা , নিপাত যাক
আমরা সবাই আই এস , আমরা সবাই তালেবান
বাংলা হবে আফগান

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “নারায় তাকবির , আল্লাহু আকবর। মডারেটরা নিপাত যাক

  1. ইসলাম মানে শান্তি , ইসলাম কোন
    ইসলাম মানে শান্তি , ইসলাম কোন হত্যাই সমর্থন করে না , তবে যিনি বা যারা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধচারণ করবে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে চাপাতির আঘাত । নিশ্চয়ই আলাহ দয়ালু ও রহস্যময় – মডারেট মুসলিম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

35 + = 36