জেগে উঠো নতুন প্রজন্ম

নব আনন্দে জাগো, নতুনেরে করো আহবান। নতুন তাই যা পুরাতন নয়। সর্বযুগেই সনাতন, জীর্ণকে নবরূপ দান করেছে নতুন প্রজন্মেরাই। বিশ্বকবি যে কারণে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন- ‘ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা/আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।’ আমাদের জাতীয় কবিও বসে থাকেননি, তিনি বলেছিলেন- ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ঐ নতুনের কেতন ওড়ে কাল বৈশেখির ঝড়’। তাহলে বোঝা যায় নতুন প্রজন্ম সর্বকালেই নতুন পৃথিবী-দেশ-সমাজ বিনির্মাণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের আমাদের যে বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশ সৃষ্টির পিছনে রয়েছে যুব সমাজের, নতুন প্রজন্মের এক অদম্য সাহসিকতার ইতিহাস। বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ডাকে তৎকালীন সময়ে নতুন প্রজন্ম যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। অসংখ্য নতুন প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা।

বাংলাদেশ সৃষ্টির আগে ও পরে বাঙালির চেতনার যে আন্দোলন সূচিত হয়েছে, সফল হয়েছে, তার পিছনে নতুন প্রজন্মের অবদানই শ্রেষ্ঠ। বাঙালি জাতির ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি থেকে এদেশের তাবত মুক্তির আন্দোলন নব প্রজন্মেরই অবদান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বহুযুগ পেরিয়ে গেলেও এদেশের সেইসব নতুন দামাল ছেলেরা আজও সদাজাগ্রত। তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলোতে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা সমুন্নত রাখার অগ্রসৈনিক জননেত্রী-দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য ও স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করেছে আজকের নতুন প্রজন্ম তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের যে আলোর গতিতে এগিয়ে যাওয়া আর উন্নয়ন এর পিছনে নব প্রজন্মের অবদান সর্বাগ্রে স্মরণীয়।

বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী এক দেশে পরিণত হয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এক দেশ, বর্তমান বাংলাদেশ। এই অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হবে। পৃথিবীর বহুদেশ আজ বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে না দেখে, বাস্তবতার নিরীখে বিচার করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পিছনে সরকারের বুদ্ধিমত্তা ও তরুণ প্রজন্মের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অংশগ্রহণকে বড় করে দেখানো হয়েছে।

বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে তরুণ প্রজন্ম আজ আমাদের কাছে, দেশের কাছে বড় অহংকর। বর্তমান সরকারের নতুন ও সৃষ্টিশীল নীতিও প্রশংসিত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তথা মন্ত্রী পরিষদ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন এতে করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যেমন নতুন গতি সঞ্চার হবে, তেমনি প্রজন্ম একাত্তর দৃঢ়চিত্তে জাগ্রত হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগ করবে। প্রকৃতপক্ষে হয়েছেও তাই। এদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর এক বড় অংশ নতুন প্রজন্ম তাদের ছাত্রজীবন সমাপ্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে নিয়েছে।

বর্তমান সরকারও বাংলাদেশের বেকারত্ম দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়ে এক সময়ের বেকার ও হতাশাগ্রস্থ সমাজের প্রাণে নতুন আলোর দিশা দিয়েছেন। বাংলাদেশ এখন নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে পৃথিবীতে স্বীকৃত। দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার চাইছেন ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত করতে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুখী, সমৃদ্ধশালী এবং শান্তিতে বসবাস উপযোগী একটি দেশ উপহার দিয়ে যেতে। এর জন্যে নব প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা-জীবনযাপন পদ্ধতি, পৃথিবীর উন্নত দেশের মেজাজকে ধারণ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা পৃথিবীতে আজ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ আজ বহু দেশের কাছে রোল মডেল স্বরূপ। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে এসেও তা অপকটে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন বাংলাদেশের কাছ থেকে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে এগিয়ে নিয়ে যাবার সরকারের যে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা ও বুদ্ধিদীপ্ত কর্মপন্থা, তাতে বারবার বাঁধা হয়ে আসছে বাংলাদেশের তথাকথিত কিছু ডাকাত-খুনি শ্রেণির কিছু স্বার্থান্বেষী রাজনীতিক দল। এই কুশ্রেণির রাজনীতিক দলের নতুনভাবে তৈরিকৃত বাংলাদেশে যে নগ্ন রাজনীতিক রক্তের ও আগুনের উল্লাস সে বিষয়ে আমাদের নতুন প্রজন্মের ভাবনা কি? একটি চমৎকার পরিবেশে পরিচালিত গোটা বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াতি-উচ্ছিষ্ট জঙ্গিবাদীদের তিনমাসব্যাপী আগুন-পেট্টোলবোমা সন্ত্রাসের যে প্রলয়োল্লাস, সে বিষয়েই বা তরুণ প্রজন্ম কি মনে করে? সেই কুচক্রি মহল এখনও থেকে নেই।

আমরা জানি যে, এই নতুন প্রজন্ম সেদিন এইসব মৌলবাদী-কুচক্রী বাহিনির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে এসেছিল। তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে, তাদের বিষদাত ভেঙে দিয়েছিল। বাঙালি জাতি তা মনে রেখেছে, ভোলেনি। মনে রাখা দরকার, দেশপ্রেমে উজ্জিবীত হয়ে আমাদের সোনার ছেলেরা যাদের বিরুদ্ধে অর্থাত সেইসব কুচক্রী-দেশবিরোধীমহলের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, সেইসব জন্তু-জানোয়ারদের তান্ডব আপাতত থেমে আছে। কিন্তু এরা আসলে ঘাপটি মেরে আছে। কিন্তু তাদের জিহবায় ঝরছে বিষাক্ত লালা। যে কোনো সময় এরা আবার আমাদের সোনার বাংলায় আগুন জ্বালাবার চেষ্টা করবে এবং তাই করছে। বর্তমান সময়ে দেশে সব গুপ্তহত্যা তারাই করে যাচ্ছে।

তাহলে আমাদের নব প্রজন্মের করণীয় কি? আর আমাদেরও তো তাত্ত্বিকতা দিয়ে জীবন চলবে না। নতুন বাংলাদেশ গড়ায় রাজপথ এক অবিনাশী শক্তি আমাদের। রাজপথ থাকতে হবে বাঙালিদের দখলে। সেক্ষেত্রে নতুন প্রজন্ম এক পরমপ্রিয় আশ্রয় বাঙালির। এই প্রজন্মের দেশপ্রেম ও সচেতনতা বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবার এক মহাপ্রেরণা ও মহামন্ত্র। এদেরকে যেমন সুশিক্ষত মানবিক নাগরিক হতে হবে, তেমনি দেশাত্মবোধে হতে হবে জাগ্রত সৈনিক।

বর্তমান সরকার চাইছেন এবং সেই উদ্দেশ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত-শিক্ষিত-উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করবার জন্যে। কিন্তু বারবার সেই পরাজিত বিজাতীয় পাকি হায়েনার দল পঙ্গপালের মতো এসে, জুড়ে বসে, অরাজনৈতিক কর্মসূচী দিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে চায়। তারা অযাচিতভাবে যখন তখন বেহুদা কর্মসূচী দিয়ে চলমান বাংলাদেশকে অচল করতে চায়।

শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে আইএস জঙ্গিদের আদলে হামলা চালিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। অকারণ তারা বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানাবার স্বপ্ন দেখে। কার্যত তারা এদেশের সন্তান নয়, এদেশের মানুষ নয়। তারা সেই অপশক্তি, যারা একাত্তরে আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছিল। এরা পূর্বের সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চায়। পৃথিবীর বহু জঙ্গি সংগঠনের সাথে এদের রয়েছে পরম সখ্যতা ও যোগাযোগ। মূলত, পৃথিবীকে অনিশ্চিত এক পথে ঠেলে দেয়াই এদের কাজ। অগ্রগতি ও আধুনিক জীবন ব্যবস্থাকে এরা ধ্বংস করতে চায়। প্রগতি এদের প্রধান শত্রু। অবৈধ মাদক ব্যবসা-নারি পাচার-মানবপাচার-অস্ত্রপাচারই এদের মূল আদর্শ। পৃথিবী অশান্ত থাকলে এইসব জঙ্গিবাদীদের ব্যবসা সফল হয়। যে কারণে তারা পৃথিবী জুড়ে অশান্তির বীজ বপন করে।

এইসব জঙ্গিবাদীরা সমগ্র পৃথিবীতে ঘৃণিত-পরিতাজ্য। বাংলাদেশের মানুষের কাছে এরা নর্দমার কীট। এইসব কীটেরা আমাদের সোনার বাংলায় বসতি গড়তে চায়। কিন্তু তাতো হতে পারে না। নতুন প্রজন্মকে এগুলো ভাবতে হবে আবার। তাদের দেশে অমানুষ এসে ভীড় করবে, বসবাসযোগ্য বাংলাদেশকে বসবাসের অযোগ্য করবে, এটাতো হতে পারে না।

অতএব, যেখানেই এই কুৎসিত, অপশক্তি ও জঙ্গিবাদী সমাজ মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে, সেখানেই এদেরকে কোঠর হস্তে প্রতিরোধ করতে হবে। সমস্ত অপশক্তিদের সোনার বাংলা থেকে রুখবার দৃঢ় প্রত্যয় আজই ঘোষণা করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের এইসব স্বপ্ন ও দেশের কল্যাণের সামগ্রিক বিষয়ের সমাধান রয়েছে আমাদের নতুন সূর্য সেনাদের হাতে। সূর্যসেনারা তোমরা তোমাদের দেশটাকে বুঝে নাও, কারণ এখানে তুমি-তোমরা এবং তোমাদের উত্তর প্রজন্মেরা বসবাস করবে।

জেগে উঠো নতুন প্রজন্ম! বাংলার নতুন প্রজন্মের উদাসীন থাকলে চলবে না। তাহলে এই অপশক্তিদের রুখবে কারা? এদের রুখে দেবার প্রস্তুতি তাই বাংলার সোনার ছেলেমেয়েদের প্রস্তুতি থাকতে হবে সর্বক্ষণ। কবি নজরুলের কবিতা আবার মনে গেল- ‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে/তোমার ছেলে উঠলে মাগো রাত পোহাবে তবে’। এই দৃঢ়চেতনা বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নতুন প্রজন্মের সকলের মধ্যেই পিনদ্ধ থাকা উচিত। তোমরা এক হাতে বাকা বাঁশের বাঁশরি, আর এক হাতে রণতূর্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে, বিশ্বকে জয় করবে এই মোর প্রত্যাশা।

খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “জেগে উঠো নতুন প্রজন্ম

  1. Very good post. জেগে উঠো নতুন
    Very good post. জেগে উঠো নতুন প্রজন্ম! বাংলার নতুন প্রজন্মের সন্তানদের ঘুমিয়ে থাকলে বা উদাসীন থাকলে চলবে না। তাহলে এই অপশক্তিদের রুখবে কারা? এদের রুখে দেবার প্রস্তুতি তাই বাংলার সোনার ছেলেমেয়েদের প্রস্তুতি থাকতে হবে সর্বক্ষণ। কবি নজরুলের কবিতা আবার মনে গেল- ‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে/তোমার ছেলে উঠলে মাগো রাত পোহাবে তবে’। এই দৃঢ়চেতনা বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নতুন প্রজন্মের সকলের মধ্যেই পিনদ্ধ থাকা উচিত।

  2. আবেগময়ী, দারুণ একটি লেখা।
    আবেগময়ী, দারুণ একটি লেখা। যেখানেই এই কুৎসিত, অপশক্তি ও জঙ্গিবাদী সমাজ মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে, সেখানেই এদেরকে কোঠর হস্তে প্রতিরোধ করতে হবে। সমস্ত অপশক্তিদের সোনার বাংলা থেকে রুখবার দৃঢ় প্রত্যয় আজই ঘোষণা করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের এইসব স্বপ্ন ও দেশের কল্যাণের সামগ্রিক বিষয়ের সমাধান রয়েছে আমাদের নতুন সূর্য সেনাদের হাতে। সূর্যসেনারা তোমরা তোমাদের দেশটাকে বুঝে নাও, কারণ এখানে তুমি-তোমরা এবং তোমাদের উত্তর প্রজন্মেরা বসবাস করবে।

  3. শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে আইএস
    শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে আইএস জঙ্গিদের আদলে হামলা চালিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। অকারণ তারা বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানাবার স্বপ্ন দেখে। এইসব জঙ্গিবাদীরা সমগ্র পৃথিবীতে ঘৃণিত-পরিতাজ্য। বাংলাদেশের মানুষের কাছে এরা নর্দমার কীট। এইসব কীটেরা আমাদের সোনার বাংলায় বসতি গড়তে চায়। অতএব, যেখানেই এই কুৎসিত, অপশক্তি ও জঙ্গিবাদী সমাজ মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে, সেখানেই এদেরকে কোঠর হস্তে প্রতিরোধ করতে হবে। সমস্ত অপশক্তিদের সোনার বাংলা থেকে রুখবার দৃঢ় প্রত্যয় আজই ঘোষণা করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের এইসব স্বপ্ন ও দেশের কল্যাণের সামগ্রিক বিষয়ের সমাধান রয়েছে আমাদের নতুন সূর্য সেনাদের হাতে। সূর্যসেনারা তোমরা তোমাদের দেশটাকে বুঝে নাও, কারণ এখানে তুমি-তোমরা এবং তোমাদের উত্তর প্রজন্মেরা বসবাস করবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

89 − 88 =