প্রতিমা ভাংচুর

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর, ২৫ এপ্রিল ॥ শরীয়তপুর জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে পালং মডেল থানা থেকে ৩শ’ গজ দূরে অবস্থিত পালং হরিসভায় জেলার কেন্দ্রীয় মন্দির, ঋষিপাড়া কালিমন্দির ও কোটাপাড়া মন্দিরে ঢুকে শুক্রবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতকারী জগদার্থী, লোকনাথ, কালি মূর্তি, সরস্বতী, অষ্টসুখীসহ প্রায় ১৫টি প্রতিমা ভাংচুর করেছে। পালং হরিসভায় জেলার কেন্দ্রীয় মন্দিরে মূর্তি ভাংচুরের সময় পালং বাজারের একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে সদর থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকালে জেলা হিন্দু, বৈদ্য, খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে জেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মন্দির কমিটির সভাপতি বিমল কৃষ্ণ অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা হিন্দু, বৈদ্য, খৃস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক শংকর প্রসাদ চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মুকুল চন্দ্র রায় ও গবিন্দ চন্দ্র প্রমুখ।
See more at: https://www.dailyjanakantha.com

অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে মূর্তি রাখা কি উচিৎ? যেখানে আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) নিজেই কা’বার চারপাশ থেকে মূর্তি অপসারণ করেছেন। যদি মূর্তি জায়েজ হতো তা হলে তিনি তা করতেন না ।
কা’বার চারপাশ থেকে মূর্তি অপসারণ
৪৪৭৪। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা, আমর আন-নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করলেন। তখন কাবার (অভ্যন্তরে) চারদিকে তিনশত ষাটটি মূর্তি ছিল। তার হাতে একটি ছড়ি ছিল তিনি তা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিতে ছিলেন এবং বলছিলেনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে; মিথ্যাতো বিলুপ্ত হবারই। (১৭ঃ ৮১) সত্য এসেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে না পারে পুনরাবৃত্তি করতে। (৩৪ঃ ৪৯) ইবনু আবূ উমার (রহঃ) يَوْمَ الْفَتْحِ (বিজয়ের দিন) কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।

It has been narrated by Ibn Abdullah who said:
The Prophet (ﷺ) entered Mecca. There were three hundred and sixty idols around the Ka’ba. He began to thrust them with the stick that was in his hand saying:” Truth has come and falsehood has vanished. Lo! falsehood was destined to vanish” (xvii. 8). Truth has arrived, and falsehood can neither create anything from the beginning nor can It restore to life

باب إِزَالَةِ الأَصْنَامِ مِنْ حَوْلِ الْكَعْبَةِ ‏‏
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، – وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَبِي شَيْبَةَ – قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ وَحَوْلَ الْكَعْبَةِ ثَلاَثُمِائَةٍ وَسِتُّونَ نُصُبًا فَجَعَلَ يَطْعُنُهَا بِعُودٍ كَانَ بِيَدِهِ وَيَقُولُ ‏”‏ ‏{‏ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا‏}‏ ‏{‏ جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ‏}‏ زَادَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ يَوْمَ الْفَتْحِ ‏.‏

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “প্রতিমা ভাংচুর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

76 − 68 =