ব্লগ নিয়ে কিছু ব্লগর ব্লগর

ব্লগ কি?
-যেখানে মানুষ নিজের মতামত প্রকাশ করে। যে কোনো টপিক (ব্যাক্তিগত ব্যাপার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক,তাত্ত্বিক সকল) নিয়েই সে লিখতে পারে। এই লেখাটিকে বলা হয় “পোস্ট”।.এর ঠিক নিচে থাকে কমেন্ট করার জায়গা।প্রতিটি ব্লগেই সদস্য হবার জন্য (যেমন আপনার একটা ফেসবুক আইডি খোলার জন্য কিছু ফর্মালিটি করতে হয়) কিছু নীতিমালা থাকে যা ঐ ব্লগের কর্তৃপক্ষ ঠিক করেন। তবে ব্লগে কমেন্ট করার জন্য আপনাকে সদস্য হতেই হবে এমন কোনো কথা নেই।বেশিরভাগ ব্লগেই অতিথীদের কমেন্ট করার অপশন থাকে। তবে সেটি মডারেশন প্যানেল পার হয়ে যায়। তবে ব্লগের মডুরা “প্রথম আলো” পত্রিকার মডুদের মতো আপনার বক্তব্যকে কাটছাঁট করে প্রকাশ করেন না। যদি আপনার বক্তব্যে কোনো গালাগালি/ব্যাক্তিগত আক্রমন না থাকে তবে সেই কমেন্ট পাস হয়ে যায়। তার মানে ব্লগে কেউ এসে তার মনের মাধুরি মিশিয়ে যা খুশি লিখে চলে গেলে বাঁচার উপায় নেই। তাকে ধরার জন্য হাতে ছাই লাগিয়ে বসে থাকে পাঠকেরা। এখানে যুদ্ধ হয় কি-বোর্ডে যা অবশ্যই সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

ব্লগের প্রয়োজনীয়তা কি?

– ধরা যাক আজকে আপনার কোম্পানি থেকে কোনো প্রি-নোটিশ ছাড়া,কোনো বেতন-ভাতা না দিয়ে ১০ জন কর্মিকে ছাটাই করল। এখন আপনার কোম্পানির মালিক একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি। ধরা যাক তার নিজেরই একটা পত্রিকা আছে। আছে সরকার-বিরোধী দুই পক্ষেই তার বিশেষ জোড় আছে।তাই নিজ জোড়বলে এই কর্মি ছাটাইয়ের খবরটি পুরু ব্ল্যাক-আউট করে দিলেন তিনি। এই যে ১০ জন কর্মির প্রতি অন্যায় হলো সেটি কেউ জানতেও পারলোনা আবার অন্যদিকে তিনি কোনো মাদ্রাসাতে টাকা দিয়ে বা এলাকাতে মসজিদ বানিয়ে অথবা শিশুদের জন্য কিছু বৃত্তি দিয়ে ঐ একই মিডিয়ার জোড়ে সমাজে বিরাট দরদী লোক হিসাবে পরিচিত হয়ে গেলেন।কিন্তু আজকে এই অনলাইন দুনিয়াতে আপনার কোম্পানির বসকে নাংগা করার জন্য ব্লগ কমিউনিটি আছে। ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আছে ফেসবুক,টুইটার। সিলেটের রাগীব আলীর নাম জানেন? তাকে বলা হয় “দানবীর”।.অথচ কত দরিদ্র মানুষের সম্পদ,কত সরকারী সম্পত্তি তিনি বেদখল করেছেন তার কোনো ইয়াত্তা নেই। ATN বাংলার মাহফুজুর রহমানকে আমরা সবাই ভালো মানুষ হিসাবেই জানতাম যদি না “সাগর-রুনির হত্যাকান্ডে সে এবং তার আপন ভাইসহ আরো অনেকে জড়িত আছে” এই কথাটি ব্লগে আলোচিত হতো।আমরা পরিমলকে নিরীহ একজন শিক্ষকই মনে করতাম প্রথম আলোর প্রচারনার বলে। তার মানে কি দাঁড়াল?ব্লগের প্রয়োজনীয়তা কি? ব্লগ কর্পোরেট সোসাইটি, শাসক গোষ্ঠি থেকে শুরু করে আপনার এলাকার পাশের বাড়ির কাজের মেয়েটির উপর যে অত্যাচার হয় সেই খবরটি ছড়িয়ে দেয়ার একটি হাতিয়ার। সেই সাথে অবশ্যই জ্ঞান-বিজ্ঞান,ইতিহাস-দর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করার জায়গাও।

ব্লগে কি মিথ্যাচার/ভুল তথ্য প্রকাশ হয় না? সেইক্ষেত্রে করনীয় কি?

– অবশ্যই হয়। জামাতিদের সোনার বাংলা ব্লগে গেলেই সেটি খুব ভালোভাবে টের পেতেন। সেটি এখন নিষিদ্ধ। কিন্তু আপনি কষ্ট করে একটু সবুজ বাংলা নামের আরেকটি ব্লগ আছে, যেখানে অনেক কুদরতি ব্যাপার স্যাপার নিয়ে নিয়মিতই পোস্ট পরে যার আদৌ কোনো ভিত্তি নেই। এবং কমেন্টে রেফারেন্স বা পোস্টের বৈজ্ঞানিক ভুলটি ধরিয়ে দিলে পুরুষ্কার স্বরুপ আপনাকে “ব্যান” খেতে হবে।এছাড়াও অনেক ভিত্তিহীন ভুল খবর ব্লগে আসে কিন্তু সেগুলোকে “ভিত্তিহীন” , “ভুল” প্রমান করার জন্য আপনার হাতে কি-বোর্ড আছে আর আপনার ঘাড়ের উপর একটি মাথা আছে যার ভিতরে “মস্তিষ্ক” নামক একটি বস্তুও আছে। এইগুলার ব্যবহার করুন। মিথ্যার কি সাধ্য সত্যের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকার। চান্দের মধ্যে সাইদী বাবাজির ছবিও ত ব্লগে এসেছে তাই বলে সাইদী বাবাজী চান্দে গেছেগা? পত্রিকার সাথে এইখানেই ব্লগের মূল পার্থক্য। পত্রিকাতে আপনি/আমি একটি নিউজ পড়ছি। মানলাম ১০টা পত্রিকা থেকে ১০টা নিউজ ১০ ভাবে পড়ছি। এখন প্রায় কর্পোরেট হাউজগুলোই এই মিডিয়া ব্যবসাতে নেমেছে। তাই আমাদের সামনে বিপদ আরো বেশি। মাহফুজকে বাঁচাতে তার পোষা কুকুরের মতো সহকর্মিদের উপর ঝাপিয়ে পড়েন ATN বাংলারই অন্য সাংবাদিকেরা। আয়োজন করেন অনুষ্ঠানের। যেখানে আমরা দেশের বিশিষ্ট নাট্য ব্যাক্তিত্বদেরও পাই মাহফুজুর রহমানের গুন গাইতে। স্বাভাবিক। নূন যার খায় গুন ত তারই খাবে। যেমন আছে “পেইড ব্লগার”ও। জামাত-শিবিরের প্রতিমাসে প্রচুর টাকা বাজেট থাকে এই ব্লগ এবং ফেসবুকের পিছনে। বাজেট আছে আওয়ামীলীগেরও। বিএনপি ত গাধাদের দল তাই তাদের অনলাইন এক্টিভিজম নাই। কিন্তু এই “পেইড ব্লগার” সংখ্যাটা খুব কম। আপনার মস্তিষ্কটা একটু খাটালেই আপনি বুঝতে পারবেন কে পেইড এ্যাজেন্ট থাকুক পেইড এজেন্ট,তাতে কি? সে ত লিখছেই। লিখা দিয়েই লিখাকে ডীফেন্ড করা যায়। দা-কুড়াল লাগেনা।

এতকিছু থাকতে হঠাত ব্লগের পিছনে সবার এত রাগ কেনো?

– এইটা বুঝতে আর আপনাকে শার্লক হোমস হইবার প্রয়োজন নাই। ছোটবেলাতেই আমরা পড়েছি, “অসির চাইতে মসির জোড় বেশি” মানে হলো তলোয়ারের চাইতে কলমের জোড় বেশি।.লাদেন কোথায় আছে তা জাইনাও আম্রিকা লাদেনকে নিয়ে এত চিন্তিত ছিলোনা। কিন্তু CIA তাদের পুরো শক্তি লাগিয়ে দিয়েছিলো “শেখ আনোয়ার আওয়ালকি”কে হত্যা করার জন্য। কেনো? শেখ আনোয়ারের পিছনে কেনো এমন হন্যে হয়ে লেগেছিলো আম্রিকা? কারন শেখ আনোয়ারের লেকচার। আপনারা যারা জাকির নায়েকের লেকচার শুনে থাকেন তাদেরকে আমি একটিবারের জন্য “শেখ আনোয়ারের” লেকচার শুনতে বলব। উনার ব্যাখ্যা…ইসলামের প্রতিটি বিষয়ে ঈমান,যাকাত,মৃত্যু,কনফেশন এগুলো নিয়ে উনার লেকচারের সিডি আছে…অনলাইনে mp3 আছে। শুনে দেখতে পারেন। উনার ডিটেইলিং এত অসাধারন ছিলো যে, যে কেউ যদি সামান্যতমও ঈমান ধারন করে সে পরিপূর্ণ মুসলিম হতে বাধ্য হতো, শুধুমাত্র লেকচার শুনে।। শেখ আনোয়ার কাজ করতেন মানুষের মগজে। তাই তিনি বিপদজনক ছিলেন US সাম্রাজ্যবাদের জন্য। সৌদিয়ারবের শেখরা কোনো “রিস্ক ফ্যাক্টর” না। ইসলামী জংগীবাদ ত আম্রিকার জন্য শাপেবড়। তারাই ত ইসলামী উগ্রবাদীদের প্রমোট করে। কিন্তু শেখ আনোয়ারের মতো যারা সত্যিই মানুষের মধ্যে ইসলামী চেতনা ঢোকাতে চায় তারাই বিপদজনক। সেই কাজটিই ত করছে ব্লগ। ব্লগ এখন যুবসমাজের মগজে কাজ করছে। “প্রথম আলো”,”চ্যানেল আই”…এইসকল মিডিয়া দিয়ে আমাদের আর অন্ধ-বধির করা সম্ভব হচ্ছেনা। এটি কর্পোরেটজগত,মাল্টি ন্যাশানাল কোম্পানি থেকে শুরু করে শাসক শ্রেনী এমনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্যও হুমকি। “মগজ ধোলাই” দেয়াটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে যে দেশের তরুনেরা।

ব্লগার বনাম নাস্তিক

নাস্তিকতা কি? নাস্তিকতা একটি দর্শন। ঈশ্বরের অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা,যুদ্ধ-বিগ্রহ;খুন-খারাবি চলে আসছে সেই ৩৫০০ বছর ধরেই। আপনি আপনার চারিদিকে তাকিয়ে দেখেন ত। কতজন “নাস্তিক” বা ঈশ্বরে বিশ্বাসহীন লোক আপনি পাবেন? ১হাজারে ১টিও পাবেন কি না সন্দেহ আছে। তাহলে আপনারা কিভাবে এই কথাটি বিশ্বাস করেন যে ব্লগাররা সব নাস্তিক?! ব্লগে এত হাজার-হাজার মানুষ আসে,পড়ে এরা সবাই নাস্তিক? এমন উদ্ভট কথা আপনারা কিভাবে বিশ্বাস করেন? আপনারা বিশ্বাস করেন কারন আপনার এলাকার মসজিদের ঈমাম মাইকে এই কথা বলেছেন আর আপনি বিশ্বাস করে বসে আছেন। আপনাদের এই অলসতা, এই অতি মুগ্ধতা এবং সর্বোপরি ধর্ম সম্বন্ধে আপনাদের এই অজ্ঞানতাকেই পুঁজি করে তারা এইভাবে বিষিয়ে তুলছে আমাদের সমাজকে। আপনি নিজ হাতে দা দিয়ে কোপাতে যাচ্ছেন আপনার প্রতিবেশী হিন্দু পরিবারটিকে… । .আপনি একটিবার ঐ হুজুরকে জিজ্ঞাস করেছেন, “ব্লগ কি?”

কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া “শাহবাগ বিপ্লব” এর উদ্যোক্তা ছিলো ব্লগাররা। বাংলা ব্লগ এখনও সেই পর্যায়ে না গেলেও অনেক ডেডিকেটেড মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে আর অগনিত লেখক/পাঠকদের অবদানে বাংলা ব্লগ আজ একটি পর্যায়ে যেতে পেরেছে। যেখান থেকে আমরা আজ ঐ জোচ্চোর-বাটপারদের রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারি। গ্রামের অগনিত মানুষের রক্ত শোষন করে বিদেশীদের পদলেহন করে পাওয়া ডঃ ইউনুসের গুমোর ফাঁস করতে পারি। ব্লগ আছে বলেই আজ আমরা বাংলা সংস্কৃতিকে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে পারি। ব্লগ আছে বলেই আজ আমরা শাসকদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারি। ঐ সুবিধাভোগী মধ্যবিত্তের মতো অফিস করে বাসায় এসে লুংগি পরে খালি গায়ে মুড়ী চিবুতে চিবুতে বউকে নিয়ে জি-বাংলার সিরিয়াল দেখে, ” এই দেশের কিচ্ছু হবেনা” বলে আজকে ঘুষের টাকাটা মিলে ব্যাংকে মোট কত জমল সেই সকল সুবিধাভোগী মধ্যবিত্তদের মতো আরেকজন না হয়ে অন্তত “শুয়োরের বাচ্চা” বলে একটি গালি ত দিতে পারি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫৪ thoughts on “ব্লগ নিয়ে কিছু ব্লগর ব্লগর

  1. ঐ সুবিধাভোগী মধ্যবিত্তের মতো

    ঐ সুবিধাভোগী মধ্যবিত্তের মতো অফিস করে বাসায় এসে লুংগি পরে খালি গায়ে মুড়ী চিবুতে চিবুতে বউকে নিয়ে জি-বাংলার সিরিয়াল দেখে, ” এই দেশের কিচ্ছু হবেনা” বলে আজকে ঘুষের টাকাটা মিলে ব্যাংকে মোট কত জমল সেই সকল সুবিধাভোগী মধ্যবিত্তদের মতো আরেকজন না হয়ে অন্তত “শুয়োরের বাচ্চা” বলে একটি গালি ত দিতে পারি।

    এই এক লাইন ই যথেষ্ট ” ব্লগ ” বুঝাইতে
    চমৎকার :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:

  2. খুব গুছিয়ে লিখেছেন লেখাটা।
    খুব গুছিয়ে লিখেছেন লেখাটা। কিন্তু আফসোস হচ্ছে, টার্গেট পিপলের কাছে লেখাটা পৌঁছাবে না। যাদের ব্লগ বা ব্লগারদের সম্পর্কে ধারণা নেই তাদের কাছে পৌঁছান দরকার। কিভাবে সেটা করা যায়, এটাই এখন ভাবা দরকার। পোস্টে এ+ দিলাম। :বুখেআয়বাবুল:

        1. ব্যাপকভাবে ফেসবুকসহ সকল
          ব্যাপকভাবে ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করাটাই উত্তম হবে এই মহুর্তে। সবাই যার যার সাধ্যানুযায়ী শেয়ার করেন আগে। তারপর আমরা ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকেও অনুরোধ জানাব পোস্টটি প্রমোট করার জন্য।

  3. বাংলা ব্লগ নামে একটি পত্রিকা
    বাংলা ব্লগ নামে একটি পত্রিকা বের করা যায় কিনা? ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যে পত্রিকায় বাংলা ব্লগে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ন পোস্টগুলি ছাপানো হবে ! ব্লগ বা ব্লগার কি? এসব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ থাকবে, যাতে ম্যাস পিপলস এ বিষয়ে ধারণা পাবে….

    সুন্দর বিশ্লেষণ পোস্টটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    1. বাংলা ব্লগ নামে একটি পত্রিকা

      বাংলা ব্লগ নামে একটি পত্রিকা বের করা যায় কিনা? ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

      সুন্দর প্রস্তাব। মাসিক না হলেও ‘বাংলাব্লগ’ নামে একটা ত্রৈমাসিক ব্লগ সংকলন মুদ্রিত আকারে প্রকাশ করা যেতে পারে। এই দায়িত্বটি ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ নিতে পারে। আমিও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

      1. চমৎকার আইডিয়া। ইস্টিশন থেকেই
        চমৎকার আইডিয়া। ইস্টিশন থেকেই শুরু হওক কাজটি। প্রথম দিকে অন্তত ত্রৈমাসিক একটি সংখ্যা ত বের করা যেতেই পারে। এরপর ধীরে ধীরে সেটিকে আমরা আরো মাস লেভেলে নিয়ে যেতে পারব। আমি ব্লগে যে সকল সাংবাদিক ভাইরা আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এই ব্যাপারে সম্ভব হলে একটি বৈঠকের আয়োজন করতে পারলে খুব ভালো হত। যারা ঢাকা আছেন এবং অতি সম্প্রতি ঢাকা আসতে পারবেন তারা মিলে একটা দিন ঠিক করে ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। আমি স্টেশন মাস্টার আর ব্লগের কিছু সাংবাদিক আর পুরাতন ব্লগার ( আনিস রায়হান,শামিমা মিতু,মহামান্য কহেন) এরা আমাদের সহযোগিতা করতে পারবেন আশা করি। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি উদ্যোগটা নিতেন তাহলে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব সহযোগিতা করার।

          1. এই কাজটা করতে পারলে সত্যিই
            এই কাজটা করতে পারলে সত্যিই খুব ভালো হতো । ব্লগের মড়ারেটরদের এই বিষয়ে আলোচনা করার অনুরোধ করছি ।

  4. কি বলব? কিভাবে এই পোস্ট যে
    কি বলব? কিভাবে এই পোস্ট যে অসাধারন হয়েছে তা প্রকাশ করব জানিনা। তবে এইটুকু বলব এটা সত্যিই চমৎকার (ইটস রিয়েলি অসাম)।

    ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব এটি এক্সপ্রেস করতে।

    আর অধম দাদাকে বলব ফিরে আসুন আবারো, সত্যিই আপনাকে ভীষণরকম মিস করছি। আপনার লেখাগুলো যেন এক একটা প্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়। সব কটি পোস্টই আমি পছন্দের তালিকায় নিয়ে নেই এটা নিশ্চয় বলতে হবে না।

    :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    একটা কথা ছিলো দাদা, জামাত-আম্লীগ পেইড ব্লগার রাখে, তাহলে বামেরা কি করে? :পার্টি: :পার্টি:

  5. বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী
    বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করে দেয়। সে পথে চলে ডানেরা ক্ষমতায় গিয়ে বামদের গোষ্ঠী উদ্ধার করে। জানেন না, খাবার পরিবেশনকারীর খাবার শর্ট পরে ? ডানেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরীতে ওস্তাদ নয় । তারা শুধু ক্ষমতার দিকে তাকিয়ে থাকে, ক্ষমতা চায় সেটা বৈধ হোক আর অবৈধ হোক তাতে কিছু আসে যায় না ! আমি মনে করি বামেরা ক্ষমতায় আহরণের সিঁড়ি ছাড়া আর কিছুই নয় !

    1. বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী

      বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করে দেয়। সে পথে চলে ডানেরা ক্ষমতায় গিয়ে বামদের গোষ্ঠী উদ্ধার করে।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    2. বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী

      বামেরা আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করে দেয়।

      তাই নাকি!!!!!!!
      যে রুপরেখা বানায় সে পড়ে তলে? বামদের রুপরেখা হইল উস্কায়া দেয়া। যেমন এখন দেশে ত্যাল, গেসের কুনু সমস্যা নাই, পাহাড়িদের আদিবাসী হইবার দাবী নাই। যখন রাজনৈতিক মাঠসহ দেশের অবস্থা একটু বিশ্রাম নিতে যায় তখন কিন্তু সারা দেশজুড়ে ত্যাল গেস সঙ্কট তৈরী হয়, চালু হয় আরো দাবী দাওয়া। আর একদম কিছু না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ লইয়া হাউকাউ তো আছেই :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      1. অধমের লেখা আপনার ভালো লাগে
        অধমের লেখা আপনার ভালো লাগে শুনে খুশি হলাম। বামদের নিয়ে আপনার চিন্তা-ভাবনাতে একটা নেগেটিভ ধারনা আপনার মস্তিষ্কে কোনো না কোনোভাবে ঢুকে গিয়েছে। কে কিভাবে ঢুকিয়েছে সেটি আপনি জানেন। তবে আমি বলব, বামদের নিয়ে আপনার অবজার্ভেশন খুবই দৈন্য। আপনি যদি নেগেটিভ প্রি-মাইন্ডসেট নিয়ে কোনোকিছু দেখেন তাহলে সেটার পজেটিভ জিনিসও আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে,এইটাই স্বাভাবিক।বামরা রূপরেখা কিভাবে তৈরি করে তার দুই একটা উদাহরন আপনার সামনেই আছে। “শাহবাগের আন্দোলনের শুরুটা যে সকল ব্লগাররা করেছে তাদের রাজনৈতিক আদর্শটি জেনে নিয়েন”। .বুয়েটের সনি হত্যা আন্দোলনে আমি সশরীরে উপস্থিত ছিলাম। সনি ছিলো আমাদের ব্যাচের। সেই আন্দোলনটি পুরাটাই অর্গানাইজ করেছিলাম আমরা (আমি দলের নাম উল্লেখ করতে চাইছিনা) কিন্তু পরে সেটির ক্রেডিট আওয়ামীলীগের ঝুলিতে জমা হয়। শামসুন্নাহার হলে যে পুলিশ ঢুকে মেয়েদের মেরেছিলো সেই আন্দোলনটিও বামরাই শুরু করে। আপনি প্রতিটি ইউনিভার্সিটির পজিটিভ আন্দোলনগুলোর ভিতরের খবর নেন। দেখবেন সব আন্দোলন বামরাই শুরু করে কিন্তু এর ফল পায় বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো। আমি বামদের ফেরেশতা বলছিনা। কিন্তু বাংলাদেশে রাজনীতির চর্চা যদি কেউ করে থাকে তবে সেটি বামরাই করে। সাংগঠনিক চর্চা থেকে শুরু করে তাত্ত্বিক পর্যায়ের চর্চা একমাত্র বামরাই করে। আওয়ামীলীগ/বিএনপি এর ছাত্র অর্গানাইজেশনের কোনো নেতা কোনোদিন তার কর্মিকে একটি বই দিয়ে পড়তে বলে? মানুষে শুনলে হাসবে। কিন্তু বাম নেতারা তাদের স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনকে আগে তাত্ত্বিকভাবে গড়ে তোলে,পাঠচক্র হয়। এই কালচারটা কি অন্য দলগুলোর মাঝে বিদ্যমান? কিন্তু সফলতা কেনো আসছেনা সেটি অনেক তর্ক-বিতর্কের ব্যাপার। অন্যদিন হবে। আপাতত আমরা আমাদের ব্লগ প্লাটফর্মটিকে ছড়িয়ে দেয়ার কাজটা করি।

        চে’গুয়েভারা যতই যুদ্ধে যেতেন আর ঘুরতে যেতেন উনার বেগে সবসময় বই আর ডাইরি থাকত। ঐটাই আসল। পড়াশোনা ছাড়া বিপ্লবি হওয়া যায়না। হলেও সেটি ভুল পথে যেতে বাধ্য।

        1. “শাহবাগের আন্দোলনের শুরুটা যে

          “শাহবাগের আন্দোলনের শুরুটা যে সকল ব্লগাররা করেছে তাদের রাজনৈতিক আদর্শটি জেনে নিয়েন”

          বাধন স্বপ্নকথক, সেলিনা মাওলা, আনিস রায়হান, ইমরান এইচ সরকার এই চারজন শুরু করেছিলেন এক আনিস ছাড়া বাকী তিনজনের তিনজনই আম্বালীগ। বামদের প্রতি আপনার কথিত নেগেটিভ দৃষ্টীভঙ্গির একটাই কারন কেননা তারা নেতা হিসাবে বঙ্গবন্ধুকে মানে না, মানে ঐ লেনিন,মাও সে তুং কে। অথচ এই মাও সে তুং এর চীন বাংলাদেশ গুড়াইয়া দিতে ১৯৭১ এ সহায়তা এবং পাকিদের সমর্থন করেছিল।

          বাম নেতারা তাদের স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনকে আগে তাত্ত্বিকভাবে গড়ে তোলে,পাঠচক্র হয়। এই কালচারটা কি অন্য দলগুলোর মাঝে বিদ্যমান?

          আমার সাংস্কৃতিক সংগঠনের এক ছোট ভাইকে একদিন জিজ্ঞাসা করলাম “কমরেড বলোতো এই বাংলাদেশে স্বাধীনতা আসার আগে কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ ছিলো কিনা?” উত্তরে সে বললো “অসম্ভব” অথচ সে নিয়মিত বাম পাঠচক্রের সদস্য। এবার আসি অন্যদলগুলোতে নেই কেন। অন্যদলগুলো ক্ষমতায় থাকে যার ফলে গিয়ে তাদের অনেক কাজ থাকে যেগুলো বামেরা করে না বা করতে পারে না।
          পড়ালেখা ছাড়া বিপ্লবী হওন যায় না তাইলে মাও সে তুং কিভাবে হইল?

          1. শাহবাগের ব্যাপারটি আপনি ভুল
            শাহবাগের ব্যাপারটি আপনি ভুল জানেন। যাক, রেকর্ড নাই, এখন প্রমান কেমনে করুম? কিন্তু চাইরজনে মিলে করে ফালাইছে ঐ এত বড় কাম? কিছু খাইছেন নাকি? :শয়তান:

            যদিও আলোচনা চালানোর ইচ্ছা হচ্ছেনা কারন এখানে অন্য একটি বিষয়ে কথা হচ্ছে। ১৯৭১ এ সপ্তম নৌ-বহর কারা থামিয়েছিলো? ইন্ডিয়াকে যেভাবে মাই-বাপ বানিয়ে ফেলে আম্লীগের নেতারা। কিন্তু রাশিয়ার অবদানের কথা কয়বার বলে? রাশিয়াতে তখন কোন দল ক্ষমতায় ছিলো? অকে। এইটা নিয়ে পরে আলোচনা হবে। আপাতত লেখার মূল দিকটার দিকে একটু কাজ করতে পারলে খুশি হব। ব্লগকে কিভাবে জেনারেল মানুষের কাছে পৌছিয়ে দেয়া যায় সেই ব্যাপারে আলোচনাটি এগিয়ে নেন। রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে বিভেদ থাকবেই।

            বামরা বংগবন্ধুকে মানেনা…এই আজব কথা আপনারে কে বলল?বামরা শেখ মুজিবকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়। ইন্ডিয়া যেভাবে গাব্ধিকে পুজোর আসলে বসিয়েছে আপনারা সেভাবে বংগবন্ধুকেও পুজার আসলে বসাতে চাচ্ছেন। এখানেই বিতর্ক। “পুজো” ব্যাপারটা বাংলাদেশের কালচারে নেই তাই চেষ্টা করেও লাভ নেই। এরশাদ বা খালেদা সরকার বংগবন্ধুর যে ইমেজের যে ক্ষতি করতে পারে নি আম্লীগ তার চাইতে বেশি ক্ষতি করেছে। এখন তাই মানুষ “বঙ্গবন্ধু পাবলিক টয়লেট” নাম দেয়ার ধৃষ্টতা দেখাতে পারে…এটাই আম্লীগের অবদান। আচ্ছা ভাই, এই ইস্যু খতম। কাম টু দি পয়েন্ট।

            আমরা কিভাবে আগাতে পারি?
            চিটাগঙ্গ এ আপনারা কিভাবে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন?
            প্রধান কথা দলীয় ভাব-চেতনার উর্ধে উঠে কাজ করার মানসিকতা রাখেন কি?

            আমি কিন্তু নিজেও বামদের সমালোচনা করি এবং বর্তমানে আমি কোনো বাম-অর্গানাইজেশনের সাথে জড়িত না।

          2. আপনি সম্ভবত জানেন না আই হেইট
            আপনি সম্ভবত জানেন না আই হেইট পিকিং বাট আই রেস্পেক্ট মস্কো।

            আমরা কিভাবে আগাতে পারি?
            চিটাগঙ্গ এ আপনারা কিভাবে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন?

            বুঝি নাই একটু খুলে বলুন।

            প্রধান কথা দলীয় ভাব-চেতনার উর্ধে উঠে কাজ করার মানসিকতা রাখেন কি?

            এর উত্তর আমার রাজনৈতিক মতাদর্শেই আছে

            ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের এ দেশ ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশ সুতরাং এর জন্য যারাই কাজ করবে আমি তাদের

  6. সুমিত ভাইয়া… বামেরাই
    সুমিত ভাইয়া… বামেরাই আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করে দেয় ! আমার সাথে একমত না হলে একটা বড় আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করেছে ডানেরা এরূপ ‍উদাহরণ দিতে পারবেন ?

    1. দয়া করে আলোচনা পোস্ট
      দয়া করে আলোচনা পোস্ট সংশ্লিষ্ট রাখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি আমি ব্যক্তিগতভাবে। আলোচনা করতে গিয়ে প্রসাঙ্গিক কারণে অন্য আলোচনা অবশ্যই আসতে পারে। কিন্তু প্রাসঙ্গিকভাবে অন্য আলোচনা করতে গিয়ে মুল আলোচনা থেকে সরে গেলে পোস্টের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে বলে আমি মনে করি। আশাকরি আমার কথাগুলো কেউ অন্যভাবে নিবেন না। একজন সহ-যাত্রী হিসাবেই কথাটা বললাম।

  7. যার যেই টুকু সামর্থ্য আছে,
    যার যেই টুকু সামর্থ্য আছে, আমরা ইচ্ছা করলেই এই পদক্খেপ টা নিতে পারি। নিজের পকেট থেকে মাত্র ৫০০ টাকা খরচ করে এই পোষ্ট টার ৬০০ ফটোকপি বের করে নিজ দায়িত্বে, হেটে হেটে নিজে না পারি লোক দিয়ে হলেও যার যার এলাকায় ৫৯৯ টা ঘরে বিলি করে দেই। প্লিজ আপনারা সবাই আসেন, দেশ টা কে ইচ্ছা করলে, এই আমরাই পাল্টে দিতে পারি। জনমত এভাবেই গ্রহন করতে হয়। জনগন তাই শুনে যা তারা শুন্তে চায়। আমি শুরু করলাম, আপনারাও করেন।

    1. আপনার পদক্ষেপ শুনে প্রীত
      আপনার পদক্ষেপ শুনে প্রীত হলাম। এইটা সত্য কথা , সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করে গেলেই সমাজে সমস্যা থাকেনা। কিন্তু ব্যাক্তিগত উদ্যোগের সফলতা আর সামষ্টিক উদ্যোগের সফলতার মাত্রা ভিন্ন। ছোট্ট ছোট্ট বিন্দু জল দিয়েই সাগর হয়। আপনাকে স্যালুট আপনার কাজের জন্য। কিন্তু ব্লগ নিয়ে সমাজে যে ভুল ধারনাটি জামাত-শিবির গং আর ঐ হেফাজতে মুসলিমরা ঢুকিয়ে দিয়েছে সেটিকে ফাইট করতে হলে আমাদেরকে এক হয়ে কাজ করে যেতে হবে। রেজাল্ট হতে দেরী হতে পারে ,হবেই তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবেনা।

      এর পিছনে আর্থিক সাহায্যের চাইতে ব্যাক্তিগত সময়/সহযোগীতা আরো বেশি দরকার। আমাদের ব্লগস্ফিয়ারের অনেকেই ব্যাক্তিকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে পারছেন না। যেটা খুবই আফসোসের ব্যাপার। নিজের নাম ফাটানোটাই যদি মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে যায় তাহলে সে কোনোদিন কোনো অর্গাইনাইজেশনের সহযোগিতা করতে পারবেনা। অর্গানাইজেশন হতে হয় মানুষের শরীরের অর্গানের মতো। হাত-পা-নাক-মুখ-হৃদপিন্ড-নারিভূড়ি সবকিছু মিলেই মানবদেহ। অর্গানাইজেশনকেও এমন হতে হবে। যেখানে যে যার দায়িত্ব পালন করবে।

      1. ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের বিশেষ
        ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের বিশেষ বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করছি, অধম দাদা নিচের লাইনটির মাধ্যমে যে সত্য কথাটি তুলে ধরেছেন সেট মেটানোর জন্য কোন ভুমিকা কি রাখতে পারে?

        আমাদের ব্লগস্ফিয়ারের অনেকেই ব্যাক্তিকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে পারছেন না।

  8. ব্লগ নিয়ে কৌতূহলীদের ব্লগ ও
    ব্লগ নিয়ে কৌতূহলীদের ব্লগ ও ব্লগার বুঝাইতে মারাত্মক একটা কোর্স কইরা ফালাইলাম । লেখক’রে ধন্যবাদ

  9. ব্লগ নিয়ে কোচিং করার জন্য
    ব্লগ নিয়ে কোচিং করার জন্য কোচিং সেন্টারে ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। অধমের পোস্টে একবার হাজিরা দিলেই কোর্স কমপ্লিট!

  10. পোস্ট পড়ে বেশ ভালো লাগলো।
    পোস্ট পড়ে বেশ ভালো লাগলো। লেখকের ধন্যবাদ প্রাপ্য!! :ধইন্যাপাতা:

    পোস্টের প্রথম প্যারাটা দুবার এসে গেছে, সেদিকে লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!

  11. পোস্টের উপর মতামতের ভিত্তিতে
    পোস্টের উপর মতামতের ভিত্তিতে মুটামুটি ২টি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখার জন্য সকল সহযাত্রীদের আহবান রইলঃ

    ১। বাংলা ব্লগ নামে একটি মাসিক অথবা ত্রৈমাসিক পত্রিকা বের করার জন্য ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জ্ঞাপন ;

    ২। যাযাবর ভাই যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা সকলে অনুসরণ করা;

  12. কি করসেন ভাইডি, একদম ফাটায়া
    কি করসেন ভাইডি, একদম ফাটায়া দিলেন তো। এই ধরণের পোস্ট এর খুবই দরকার ছিল এই মুহূর্তে। আপনারে ধইন্যা :ধইন্যাপাতা:
    ত্রৈমাসিক ব্লগ সংকলনের ব্যাপারে ইষ্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার সামর্থ্য কম কিন্তু সাধ্যমতো সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।

  13. আফসুস! মোল্লারা এসব পড়বেও না,
    আফসুস! মোল্লারা এসব পড়বেও না, কিছু শিখবেও না :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    1. মোল্লাদের পড়ানোর দরকারও নাই।
      মোল্লাদের পড়ানোর দরকারও নাই। মোল্লারা যেনো অন্যদের ভুল বোঝাতে না পারে সেই ব্যাপারে কি আমরা স্টেপ নিতে পারিনা? সেই জন্যেই আপনারা যারা সাংবাদিকতা পেশাতে আছেন তারা এগিয়ে আসলে আমরাও ভরসা পেতাম। ব্লগকে এই ছোট্ট ল্যাপির বাইরে নিয়ে যাওয়াটা এখন ভীষন জরুরী।

  14. এমন পুঙ্খানু বিশ্লেষণ আমি
    এমন পুঙ্খানু বিশ্লেষণ আমি আপনি বুঝবো। বা আমরা আগেই জানি। কিন্তু চেতনাহীনরা বুঝবে না। তাদের বোধ শক্তি নেই।

  15. পূর্বের যাত্রীভাইয়েরা যেভাবে
    পূর্বের যাত্রীভাইয়েরা যেভাবে প্রশংসা করেছে, তার সাথে নতুন কিছু যোগ করার মত ক্রিয়েটিভীটি আমার নাই। তাই সহজভাবে বলছি, ব্যাপক হইছে।
    সাথে একটু যোগ করি, ব্লগিং নিয়া পত্রিকা বের করলে যদি কেউ পড়ে তো শুধু ব্লগাররাই পড়বে। সাধারণ মানুষ আগ্রহ দেখাবে না। আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি কোন কুফা লাগাচ্ছি না। কম্পিউটার বিচিত্রা, কম্পিউটার জগত কতজন লোক পড়ে। ব্লগিং এর ধারণা সবার মাঝে ছরিয়ে দিতে হলে জনপ্রিয় মাধ্যম ব্যাবহার করতে হবে। প্রেস কনফ্রারেন্স ও করা যেতে পারে।

    1. জনপ্রিয় মাধ্যম কখনই ব্লগকে
      জনপ্রিয় মাধ্যম কখনই ব্লগকে কম্পিউটারের বাইরে আসতে দিবেনা।এতে তাদের মার্কেট ডাইল হয়ে যাবে। তাই শুরুটা আমাদেরই করতে হবে। শুরু করে দিলেই হয়। কাজ শুরু করলে সেটি শেষ হবেই

      1. সহমত অধম ভাইয়ের সাথে।
        ব্লগ ও

        সহমত অধম ভাইয়ের সাথে।

        ব্লগ ও ব্লগারদের নিয়ে চমৎকার পোস্টটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এই পোস্টটা প্রিন্ট নিয়ে ১০০ পিস ফটোকপি করে বিতরণ করব।

  16. ইস্টিশনের কয়েকটি চমৎকার
    ইস্টিশনের কয়েকটি চমৎকার পোস্টের মধ্যে এটি অন্যতম।ধন্যবাদ অধম ভাই।

    আর ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব এই পোস্টে সিনিয়র ব্লগার দের একটি দাবি ছিল, ব্লগ সংকলন নিয়ে একটা ত্রিমাসিক পত্রিকা বের করা। এই বিষয়ে মডারেশন প্যানেলের মতামত ও আমাদের করণীয় সম্পর্কে কিছু বলতে।

    আর সকল সহব্লগার কে এই পোস্টে দৃষ্টিপাত করার বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি……

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 5