রেল যোগাযোগে নতুন চমক

বর্তমানে রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব প্রায় ৪১২ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব হবে ২০০ কিলোমিটার। ফলে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর যাতায়াতে দূরত্ব কমবে প্রায় ২১২ কিলোমিটার। দ্রুত খুলনায় পৌঁছে দেয়ার জন্য স্টেশনের সংখ্যা তিন থেকে চারটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। ফলে এখন ১০ ঘণ্টার বদলে সাড়ে তিন ঘণ্টায় খুলনায় পৌঁছাতে পারবে রেলের যাত্রীরা। একই সঙ্গে ঢাকা-যশোর ১৮৫ কিলোমিটার এবং ঢাকা-দর্শনার দূরত্ব কমবে ৪৪ কিলোমিটার। এসব রুটেও স্বল্প সময়ে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করতেই নতুন প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। পরিবহন খাত এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটবে। আবার আঞ্চলিক সংযোগ বিশেষ করে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হবে এ রুট। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে রেলওয়ের সবচেয়ে বড় প্রকল্পটি হাতে নেয়া হচ্ছে। অবশেষে অর্থায়নের জটিলতা কেটেছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন উন্নয়নসহযোগীর কাছে অর্থ চেয়ে ব্যর্থ হলেও এবার বড় অঙ্কের অর্থায়ন করছে চীন। ফলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের ওপর দিয়ে ঢাকা থেকে খুলনায় রেলপথের নতুন রুট নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন রেলপথ দিয়ে যাতায়াতে রাজধানী থেকে খুলনার দূরত্ব কমবে ২১২ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পটি চারটি সেকশনে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন ব্রডগেজ লাইন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত আড়াই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করে ২০১৮ সালে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দিন থেকে রেল চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

57 + = 65