প্রবাসে আওয়ামীলীগের শাখা সংগঠন মানে একটি ধান্দা ও দুর্নীতি, কারণ আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রে প্রবাসে কোন শাখা থাকে না

প্রবাসে আওয়ামীলীগের শাখা সংগঠন মানে একটি ধান্দা ও দুর্নীতি, কারণ আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রে প্রবাসে কোন শাখা নেই | বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে সর্ব ইউরোপিয়ান আওমীলীগ নামে কোন সহযোগী, শাখা বা অনুমোদিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রে বিদ্যমান নাই, বাকী যা শুনি তার সবই গল্প < একজন প্রবাসীকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সদস্যপদ গ্রহনে তাকে TR মানে ট্রান্সফার অফ রেসিডেন্স করে দেশে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে হবে | পরবাসে বাঙ্গালীদের সুনাম রক্ষা করার তাগিদে আশু পদক্ষেপ নেবার প্রয়োজন, প্রবাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নামধারী দলগুলোতে রেষারেষি কোন্দল এখন এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে তা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যাচ্ছে | মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিনীত নিবেদন, আমাদের দেশের সুনাম রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন | বি এন পির নাম ভাঙিয়ে তারেক জিয়া হচ্ছে একটি উৎকৃষ্ট উদহারণ, লন্ডনে বসে বি এন পি নামক প্রবাসে কোন শাখা দল না থাকলেও এই লোকটি প্রবাসে বি এন পির হর্তাকর্তা সেজে দিনের পর দিন সংবিধান বিরোধী বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে ব্যস্ত, এ ক্ষেত্রে প্রবাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামধারী কিছু লোকজনের আচরণও সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে | গত ১৩ই মার্চ ২০১৬ সুইডেনের শহরতলীতে এক সভা স্থলে সুইডেন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ঘিরে এক উত্তেজনা মূলক ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের দুইজন নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ের সারে তিন ঘণ্টা পর সভা স্থলে উপস্থিত হন, দুঃখ প্রকাশ তো দুরের কথা অনেকটা রাজকীয় ভঙ্গিতেই সভায় ২০০ থেকে ৩০০ স্থানীয় বাঙালিদের মতামতের তোয়াক্কা না করে, স্থানীয়দের বক্তব্য দেবার সুযোগ না দিয়েই বলতে গেলে স্বৈর শাসক ভঙ্গিতে উক্ত কর্মকর্তারা নিজেদের পছন্দের নাম ঘোষণা করতেই শুরু হয় উত্তেজনা যা নিয়ন্ত্রণে শেষ পর্যন্ত সুইডেনের পুলিশী হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পরে | বিষয়টি প্রবাসী বাঙ্গালীদের জন্যে নিদারুণ অপমান ও লজ্জাজনক | ইউরোপীয় নেতা কর্মীরা কি ইচ্ছে করেই এতগুলো মানুষকে সারে তিনঘণ্টা অপেক্ষায় রেখে দেরী করে আসেন? হতেও পারে, কারণ অনেকের মতে বর্তমান ১৬ বছরের ধরে ক্ষমতায় থাকা সভাপতি নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে তড়িঘড়ি করে ইউরোপিয়ান কমিটির আশ্রয় নিয়ে নির্বাচন বিহীন একটি মনগড়া বা তদবিরের কমিটি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যেই এই কৌশল অবলম্বন করেন | অনুষ্ঠান পরিচালনা কারী ও সভাপতি সম্মেলন বিষয়ে বিগত দিনের কর্ম কাণ্ডের বিবরণ না দিয়ে উপস্থিত অতিথিদের বিগত দিনের ব্যর্থতার বর্ণনা ও স্বাধীনতার গল্প শুনিয়ে ৫৭ মিনিট পার করেন, তাতে সময়ের স্বল্পতা প্রকট হয়ে ওঠে, ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতারা কৌশলে তড়িঘড়ি করে সুইডেনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা মাত্রই একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় আর ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতারা একটি বদ্ধ ঘরে আশ্রয় নেন, দীর্ঘ সময় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে হালের পাহারাদারের ভূমিকা ছিল খুবই প্রশংসনীয় | পরবর্তীতে সুইডেন আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় সুইডিশ পুলিশের ভূমিকাও বিশেষ ভাবেই প্রশংসনীয় | সুইডিশ পুলিশ খুব সম্মানের সাথেই ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট সম্মানিত দুই নেতাকে পাহারা দিয়ে ট্যাক্সিতে হোটেল অভিমুখে পাঠিয়ে দেন | প্রবাসে যে কোনও দেশেই আওয়ামী লীগের মাঝে বিভাজন থাকলেই ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ভ্রমণের খরচ অনেকাংশেই কমে আসে বলতে গেলে ফ্রি raid, হোটেল, বিমান ভাড়া, ঘোরাফেরা আর উপঢৌকন সব কিছুই তো চামচারাই বহন করবে আর নেতারা বিভিন্ন দেশ ঘুরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধের ভাষণ শুনিয়ে একটি কমিটি প্রবাসীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে আসেন, এ ক্ষেত্রে সেই কমিটির হর্তা কর্তাদের সামাজিক গ্রহণ যোগ্যতা থাক আর নাই বা থাক | যাকে বলে, চামচাদের ভীরে ইউরোপিয়ান নেতাদের দিন কাটে আদরে আর আহল্লাদে | নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করেলে হয়তো এই সমস্যার সৃষ্টি হবার সুযোগ থাকতো না, সচরাচর যেদেশে সংগঠন তৈরি হয় সেই দেশের সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই একটি নির্বাচন হওয়া উচিত, অন্য দেশের রাজনৈতিক দলের গঠন্তন্ত্র সুইডেনের সাংবিধানিক নিয়ম বা সাংগঠনিক অনেক নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক, বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র মেনে সুইডেনে সংগঠন তৈরি বা নির্বাচন করতে গেলে বিষয়টা নিয়মের মাঝে পরবে না তাই সুইডেনের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন হওয়া বাঞ্চনীয় | এইসব আওয়ামী লীগ নামধারী লোকরা যারা অতি অল্পশিক্ষিত বা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যাদের কোনই ভূমিকা নাই তারাই বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে অতি উত্সাহী হয়ে সময়ে অসময়ে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিচ্ছে | অসহায় প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করার উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছে | জীবন বাজি রেখে প্রবাসে আওয়ামী লীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে লড়াই এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্যে একটি অশুভ বার্তা | বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কেন, যে কোন রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রেই প্রবাসে কোন শাখা থাকার কথা না, তারপরও চলছে এই প্রতিযোগিতা , সভ্য দেশে বসবাস করেও প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই অসভ্য আচরণ প্রবাসে বাংলাদেশ সুনাম দিনের পর দিন নষ্ট হতে চলেছে | হাতাহাতি, মারামারি এমনকি বিষয়গুলো পুলিশি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে জন্ম দিচ্ছে অনেক অপ্রত্যাশিত ঘটনার. এর মাঝেই জন্ম নিয়ে চলেছে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত হতে চলেছে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয়রাও | কেউই হলপ করে বলতে পারবে না যে প্রবাসে রাজনৈতিক দল গঠনে, পদ বা স্থান দখলে দুর্নীতি হয় না বা হতে পারে না, এ ক্ষেত্রে অনেক টাকার লেনদেন চলতেও পারে, বাংলাদেশের রাজনীতি বা প্রশাসনে দলই প্রভাব বিস্তারেও দুর্নীতি ঘটে আর তাই প্রবাসী রাজনৈতিক দলের কর্মী হয়ে এই সব কর্মীরা যে দুর্নীতির আশ্রয় নিবে না নেয়া না তার নিশ্চয়তা কোথায় ? রাজনৈতিক দলের প্রধানরা এইসব প্রবাসী নামধারী কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পরলেই দেশের অভ্যন্তরে অন্যান্য নেতা, প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মচারী, মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংসদ সদস্যরা অতি সহজেই মানি লন্ড্রিইং , ওভার ইনভয়েস ,আন্ডার ইনভয়েস বা হুন্ডি জাতিও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরে, খুব সহজেই দেশের টাকা প্রবাসে পাচার হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা থাকে, সরকারী সফরে আসলেই অসৎ মানুষরাই হয়ে ওঠে তাদের সঙ্গী সাথী সুবিধা ভোগ কারীরা তো সুযোগের অপেক্ষাতেই বসে থাকবেই | এ ভাবেই বাংলাদেশের দুর্নীতি আজ প্রবাসেও ছড়িয়ে যাচ্ছে | প্রবাসে একটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের সমর্থক গোষ্ঠী থাকবে এটাই স্বাভাবিক তবে শাখা সংগঠন নয় | বাংলাদেশের মান সম্মান ক্ষুণ্ণ হোক এটা প্রবাসীরা কেউই আশা করে না | অবশেষে অনেক জল্পনা কল্পনার ঘটিয়ে ইউরোপে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন, ১৩ মার্চ, সুইডেন আওয়ামী লীগের সম্মেলন এর কমিটি ঘোষণা নিয়ে গন্ডগোল হওয়ায় কোন সিদ্ধান্ত ছাড়া সম্মেলন শেষ হয়। গত ২ এপ্রিল , সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য এডহক কমিটি অনুমোদন করা হয়। এই নিয়ে নেতা কর্মীদের বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া কোন কমিটির অস্তিত্ব নেই। ইতিমধ্যেই অনেক সুবিধা বাদীরা প্রবাসে স্বইচ্ছায় নিজেদের সুইডেন আওয়ামীলীগের নেতা সেজে মুকুট পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, পত্রিকাতে উক্ত সংবাদ প্রচারিত হবার পরপরই তাদের হঠাৎ করেই মাথায় বাজ পড়ে, এতদিন সুবিধা মত নেতা সাজার খায়েশে এই গ্রূপ থেকে ঐ গ্রূপ ছোটাছুটিতে ব্যাস্ত ছিলেন, অনেকই আবার ভাব নিলেন, দেখি না কি হয় | কেউ আবার গাল ফুলিয়ে টাইম আওউট ঘোষণা দিয়ে বসলেন | সুইডেনের বিশিষ্ট মুরুব্বিদের সমন্নয়ে গঠিত একটি এডহক কমিটি তৈরির মাধ্যমেই একটি সুশৃঙ্খল সুইডেন আওয়ামীলীগে কমিটির কার্যক্রম পুরোদমে চলতে থাকে | গত পহেলা মে ২০১৬ সুইডেনের আওয়ামীলীগের এডহক কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমেই একটি নির্বাচিত কমিত ঘোষণা করেন | এই ঘোষণার একটি নীতিবাচক দিক হচ্ছে অনেক হোমরা চোমরাদের আর তাদের পেছনে থাকা সুবিধাবাদীদের প্রবাসে রাজনীতি করার খায়েশ পুরো দমেই মিটে গেল | মাননীয় আওয়ামীলীগের কাছে সবিনয়ে নিবেদন, কোন গল্পটা সত্যি? সবিনয়ে নিবেদনের সাথে কিছু স্পষ্ট বক্তব্যের উত্তর চাই | বাঙালী জাতীর জন্যে আজ বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠানের নাম এ নামটি বাঙালী জাতীর সংস্কৃতির একটি অঙ্গ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ যখন প্রবাসী বাঙ্গালীদের মাঝে একটি স্বাধীনতার চেতনার সংস্কৃতি, তখন আমরা বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা সংগঠন আওয়ামীলীগের সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী হয়ে সুইডেন আওয়ামীলীগ গঠন করি, সুইডেন আওয়ামীলীগ তৈরি হবে সুইডেনের সাংগঠনিক ও সাংবিধানিক নিয়মের আওতায়, আর অন্যান্য দেশের আওয়ামীলীগ বা ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের সাথে আমারা সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি আমাদের উপরি পাওনা তাই সে ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের নির্দেশনা মতেই প্রবাসে আওয়ামীলীগ তথা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চা করলে কর্মের পদ্ধতিগত ধারাবাহিকতায় একটা নিয়ম শৃঙ্খল বজায় থাকে | ইংরেজিতে যাকে বলে chain of command. একটি সংগঠনের সর্বময় শক্তি যদি কর্মীদের হাতেই অর্পিত তখন একজন নেতা সাহসের সাথেই সংগঠনকে নিদৃষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, একজন নেতা যখন কর্মের কাছে তার গ্রহণ যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে, সেই নেতার সেই মুহুর্তেই নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতার মৃত্যু ঘটে | একটি নিয়মের আওতায় যখন একটি এডহক কমিটি নির্বাচনের জন্যে সম্মেলনের দিনক্ষণ নির্ধারিত হবার পূর্বেই যখন কেউ আদর্শের বিপক্ষে, কর্মীদের মতের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে, ঠিক সেই জায়গাটিতেই মনোবল, সাহস, শক্তি, যোগান দেয়াই হচ্ছে আমার মত পাগলের কাজ | ব্যক্তিত্বহীন মানুষদের মাঝে লোভ থাকে বেশী, ক্ষমতাই তার লক্ষ্য, দল বা আদর্শের চাইতে দলীয় সুবিধা ভোগের স্বপ্ন যার বেশী, বিশ্বাস রক্ষা করা তাদের কাজ না, বিশ্বাস ভঙ্গ করা তাদের ধর্ম | বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন "অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতি-হীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সাথে কোনদিন এক হয়ে দেশের কোন কাজে নামতে নেই। তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়।" গত ১৩ মার্চ, ২০১৬ দীর্ঘ ১৬ বছর অতিবাহিত হলেও সুইডেনে আওয়ামীলীগের একটি সম্মেলনকে ঘিরে কোন্দল ও রেষারেষির এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে ইউরোপে বিভিন্ন দেশে অনেকেই প্রবাসী আওয়ামীলীগের কমিটি পসরা সাজিয়ে রাজা, উজির, নাজির মুকুট পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, যেটা দেখতে অনেকটা সার্কাসের ক্লাউন এর মত মনে হচ্ছে আর এই মুকুট নিয়ে কোন্দলটা রেষারেষি থেকে মারামারি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে, থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়াচ্ছে, প্রবাসী বাঙ্গালীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে, দেশের মানসম্মান ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে , বিষয়টি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্যে খুবই লজ্জার | ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের মতে যদি ১৩ মার্চ, সুইডেন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিশৃঙ্খলা হওয়ায় কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয় ও গত ২ এপ্রিল সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য এডহক কমিটি অনুমোদন করা হয় এবং আরও বলা হয় যে এ নিয়ে নেতা কর্মীদের বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই, এ ছাড়া কোনও কমিটির অস্তিত্ব নেই।অতপর ১ মে ২০১৬ এডহক কমিটি দ্বারা একটি কমিটির নাম ঘোষণা করার পূর্বেই সুইডেন আওয়ামীলীগের পক্ষে যারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ঘোষণা দিয়ে বসে আছেন তাদের বিষয়ে মাননীয় আওয়ামীলীগের একটি স্পষ্ট বক্তব্য আশা করছি | পরিশেষে প্রবাসে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীরা একটি সুস্থ পরিবেশে বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হবে কামনা করে, জয় বাংলা , জয় হক বাংলার মেহনতি মানুষের | ==কিন্তু==

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 5 =