কৃষকের নতুন ধানে কমলো মূল্যস্ফীতি

কৃষকের ঘরে ঘরে বোরো ধানের সোনালি হাসি। ধানের বাম্পার ফলনে কমেছে চালের দামও। তাই মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে খাদ্য এবং সাধারণ খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে । তথ্যে দেখা গেছে, মার্চ মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ, যা এপ্রিলে কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্য খাতে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ, যা এপ্রিলে কমে হয়েছে ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। কৃষকের ঘরে নতুন ধান ওঠায় মাস ব্যবধানে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ। অন্যদিকে মাছ, মাংস, সবজি, মসলা এবং তামাক জাতীয় পণ্যের দাম কমায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। বিবিএসের দেয়া জানুয়ারি মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদে এ তথ্য প্রকাশ হয়। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি কম হওয়ায় নতুন ধান ওঠায় খাদ্যশস্যের দামও কম। এর পাশাপাশি সবজির দামও কমেছে। তাই মূল্যস্ফীতিও মার্চের তুলনায় এপ্রিল মাসে কমেছে। রমজান মাসেও কোনো পণ্যের দাম বাড়বে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে। বাড়িভাড়াসহ আসবাবপত্র, পরিধেয় বস্ত্র, পরিবহন, চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষা-উপকরণের দাম কমতির দিকে রয়েছে। তাই মার্চ মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাশ, যা এপ্রিলে কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির হার কম রাখতে সরকারের এ চেষ্টা অব্যাহত থাক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

74 − = 71