রোহিঙ্গা শরনার্থী অধ্যুষিত অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের চারনভূমি বানাবার দেশি-বিদেশি মহাপরিকল্পনা

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ফেলোশিপ প্রোগ্রামে কাজ করতে গিয়ে একটা বিষয় খেয়াল করেছি, তাদের অনেকেই রীতিমত ধর্মান্ধ। এ জায়গাটায় বাঙালি মুসলমানদের চাইতে তারা একদম পিছিয়ে নেই। আপত্তি বা আলোচনার জায়গাটা আসলে এখানে নয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যে সুচতুর উপায়ে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে জঙ্গিবাদের বিষবাষ্প। নেতিবাচক প্রচারনা চলছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে। এমনকি, সরকারকে ইসলামের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জামায়াতে ইসলামি-সহ অনেকগুলো ঊগ্রবাদি দল রোহিঙ্গাদের অস্ত্র হাতে স্বশস্ত্র জেহাদে নামিয়ে দিতে চাইছে। নানা কৌশলে ধর্মের বানী প্রচারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে উগ্রবাদ। এখানে লক্ষ্যনীয় রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের মত মৌলিক অধিকারের জন্য তারা একদমই টাকা ব্যয় করছে না বলে বেশ কিছু ইন্টারভিউতে আমরা জানতে পেরেছি। সর্বশেষ তিন বছর আগে রমজান মাসে কিছু চাল, ডাল তারা দিয়েছিল। এরপরে এধরনের উদ্যোগ আর দেখা যায়নি। বরং ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানে সীমিত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম।

কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার আরিফুজ্জামান তুহিনের সাথে যৌথ প্রচেষ্টায় এ বিষয় খতিয়ে দেখেছিলাম। যার ফলাফলে একটা বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন তিনি পত্রিকাতে। আমি ব্লগে তা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

এই মুহুর্তে কক্সবাজার-সহ রোহিঙ্গা শরনার্থী অধ্যুষিত অঞ্চলে সক্রিয় দেশ-বিদেশের প্রায় ২৮’টি জঙ্গি সংগঠন। এরা মূলত মায়ানমার, ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন। এরা হচ্ছে- রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও), আরাকান আর্মি, জামাত-আল-পাকিস্তান, জইশ-ই-মুহাম্মদ, জুম্ম হিজাব-উল-মুজাহিদিনি, হরকাতুল জিহাদ, উলফা, লস্কর-ই-তৈয়বা, আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস), জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), হরকাতুল জিহাদ-বি, হিযবুত তাহ্রীর, হিজবুত তাওহীদ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, শহীদ হামজা ব্রিগেড ও দাওয়াতে ইসলাম।

সুত্র মতে, নানা মতাদর্শিক অমিল স্বত্ত্বেও ইসলামি জঙ্গিবাদের বিস্তারের লক্ষ্যে এই সংগঠনগুলো ‘হিলফুল ফুজুল আল ইসলাম আল বাংলাদেশ’ নামক সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে কাজ করছে। যেহেতু নামটি একেবারেই আনকোরা তাই প্রকাশ্যে কাজ করতেও তাদের সমস্যা হচ্ছে না। ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের মত স্পর্শকাতর বিষয়ে কাজ করার অজুহাত ধরে এরা পৌছে যাচ্ছে সাধারন মানুষের ঘরে ঘরে। রোহিঙ্গারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে না চাইলেও তারা গোপনীয়তার শর্তে স্বীকার করে নিয়েছেন এ ধরনের উগ্রবাদি দাওয়াত তারা প্রায়শই পেয়ে থাকেন। রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর সামরিক শাখার প্রধান ইয়াকুব মাস্টার বাংলাদেশ পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনালের তালিকায় থাকলেও তাকে প্রকাশ্যে কক্সবাজার, বান্দরবন অঞ্চলে সাংগঠনিক কাজকর্ম করতে দেখা যায়। সেখানকার স্থানীয় মাদ্রাসাগুলোতে তার আনাগোনা প্রায় নিয়মিত। এমনকি কক্সবাজারের পাঁচ তারা হোটেলগুলোতেও তাদের আনাগোনা নিয়মিত। আমাদের বেশ সৌভাগ্যবান বলতে হয়, সেখানে থাকাকালীন অবস্থায় একজন ফটোগ্রাফারের (নিরাপত্তার স্বার্থে নাম গোপন রাখা হল) সাহসিকতায় মিলে যায় জঙ্গি নেতাদের মিটিং চলাকালীন একটি ছবি।

কক্সবাজারের হোটেলে বৈঠকে বাঁ থেকে আরএসওর সামরিক প্রধান মাস্টার আইয়ুব, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম, প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান ইউনূচুর রহমান (মাঝে চশমা পরা), নাইক্ষ্যংছড়ি আ. লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শফিউল্লাহ (ডানে দাঁড়ানো)।

এখানে লক্ষ্যনীয়, জঙ্গি সংগঠনগুলোর এই চক্রে জামাতে ইসলামি, হেফাজতে ইসলামি, ইসলামি ঐক্যজোট-সহ প্রায় সকল ঘরানার ইসলামি দলগুলোর স্থানীয় নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত। যেখানে জঙ্গি সংগঠনের নেতারা নিজেরা প্রচারনা চালাতে অক্ষম সেখানে তারা উগ্রবাদের প্রচারনা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি এদের নানা প্রশাসনিক সুবিধা, আশ্রয় দেয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত স্থানীয় আওয়ামি লীগ নেতারা। এদের কেউ অর্থলোভী। কারো বা পুর্ব ইতিহাস ঘেঁটে দেখা গেছে, তারা এক সময়ে জামাতে ইসলামি এবং তার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবির থেকে আওয়ামি লীগের রাজনীতিতে যোগদানকারি।
যেমন, স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে নাইক্ষ্যংছড়ি আ. লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শফিউল্লাহ ছাত্র জীবনে শিবিরের নেতা ছিলেন। এছাড়াও তার পিতা সালেহ আহমেদ রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)- এর প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি ছিলেন। অনুসন্ধানে আরো ঊঠে এসেছে, তিনি কক্সবাজার, নাইক্ষংছড়ি অঞ্চলের খ্যাতিমান হুন্ডি ব্যাবসায়ী। বিদেশ থেকে অবৈধ উপায়ে টাকা আনা নেয়ার মাধ্যমে তিনি জঙ্গি সংগঠনগুলোর আর্থিক প্রয়োজন মিটিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর শফিউল্লাহ, এক পাকিস্তানি নাগরিকসহ পাঁচ রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের সদস্য সহকারে চট্রগ্রাম শহরের এক আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার হন। পরবর্তীতে তিনি দলীয় প্রভাবের সুযোগ নিয়ে জামিনে মুক্ত হয়ে আসেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মতে, শফিউল্লাহকে আওয়ামি লীগে অনুপ্রবেশ করার সুযোগ করে দেন বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মুজিবুর রহমান।

রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন থেকে বের হয়ে আসা কয়েকজনের সাক্ষাৎকারে পেয়েছি আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনেক উগ্রবাদি নেতা আন্ডারগ্রাউন্ড ছেড়ে প্রকাশ্যে ধর্মীয় শিক্ষায় মনোনিবেশ করেছেন। কিন্তু উদ্দেশ্য পাল্টায়নি। এদের মধ্যে প্রানিধানযোগ্য আরএসওর সাবেক কমান্ডার হাফেজ সালাউল ইসলাম। সরকারি দলের স্থানীয় সাংসদ, বিএনপি জামাত, হেফাজত সহ সকল রাজনৈতিক অরাজনৈতিক সংগঠনের সাথে তার সুসম্পর্ক প্রশ্নাতীত। কক্সবাজার এবং বান্দরবনে সরকারি পতিত জায়গা দখল করে একের পর এক তৈরি করছেন মাদ্রাসার আড়ালে জঙ্গি তৈরির কারখানা। এসব মাদ্রাসায় জামাত শিবির, হেফাজতে ইসলামি-সহ অনান্য ইসলামি দলগুলোর কর্মীরা সামরিক প্রশিক্ষন নেয়। ধর্মভীরু রোহিঙ্গাদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে এনে উদ্বুদ্ধ করা হয় উগ্রবাদে। পাশাপাশি তাদের ছড়িয়ে দেয়া হয় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আরো সদস্য সংগ্রহে। অনেককে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে জড়িত করা হয়েছে এমন অভিযোগও ঊঠে এসেছে। উল্লেখ্য, আরএসও কমান্ডার হাফেজ সালাউল ইসলামের ব্যাক্তিগত সহকারি হচ্ছেন জেলা ছাত্রলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম সাহেল।

মাদ্রাসাগুলোতে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের সামরিক প্রধান মাস্টার আইয়ুব সহ বিদেশ থেকে আগত জঙ্গিদের আনাগোনা নিয়মিত এবং প্রকাশ্য। উগ্রপন্থা ছেড়ে আসা একজন মাঝারি গোছের নেতা জানান, এই মাদ্রাসার অর্থায়ন হয় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই থেকে। নাইক্ষংছড়ির আওয়ামি লীগ সহ সভাপতি শফিউল্লাহর মাধ্যমে যাবতীয় অর্থায়ন হুন্ডির মাধ্যমে হয়। এমনকি, এমন তথ্যও পাওয়া গেছে, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের একজন কর্নেল পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা গোপনে বাংলাদেশে এসে এই মাদ্রাসাগুলোতে জঙ্গি নেতাদের সাথে কর্মকৌশল প্রনয়নে মিটিং করে গেছেন। সূত্র মতে, ওই কর্মকর্তার নাম গোলাম সামদানি। জঙ্গি সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের স্বার্থে সে মিটিং থেকে মাসুদউল্লাহ নামক একজনকে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এই জঙ্গি জোটের লক্ষ্য অসহায়, দরিদ্র রোহিঙ্গাদের ইহজাগতিক হতাশাকে ব্যাবহার করে পারলৌকিক প্রলোভন দেখিয়ে তাদের দলে ভেড়ানো। এছাড়াও আছে বিশেষ আর্থিক প্রনোদনা। স্থানীয়দের তুলনায় রোহিঙ্গারা অনেক বেশি ভঙ্গুর বিধায় তাদেরকে দলে টানতে গোপনে চলছে ধর্ম প্রচার এবং শিক্ষার নামে জোরেসোরে প্রনোদনা। রক্ষা পাচ্ছে না কোমলমতি শিশু কিশোরেরাও। কোরান শিক্ষা, সহি উপায়ে নামাজ পড়ার শিক্ষা প্রদানের নামে শিশু, কিশোর, এমনকি নারীদেরও দলে টানার প্রবল প্রচেষ্টা চলছে। এ প্রচারনার কৌশলগত সুবিধা হচ্ছে কোনরকম সন্দেহের উদ্রেক না করেই খুব সহজে ঘরে ঘরে উগ্র মতবাদ নিয়ে ঢুকে পড়া যায়।

জঙ্গি জোটের প্রাথমিক লক্ষ্য কক্সবাজার, বান্দরবনসহ চট্রগ্রামের বড় অংশতে নাশকতার হামলা করা। এরমধ্যে আছে পতেঙ্গায় অবস্থিত দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে হামলা করা। সেইসাথে তাদের টার্গেটে আছে, চট্রগ্রাম সামুদ্রিক বন্দর, তেল কোম্পানী পদ্মা, যমুনা, মেঘনা এবং চট্রগ্রামে অবস্থিত নৌ ঘাঁটি এবং অনান্য সামরিক অবস্থান সমুহ। তারপরের লক্ষ্য, সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট তথা আইএসের অনুকরনে চট্রগ্রামের দুর্গম অঞ্চল সমুহকে কেন্দ্র করে একটি “মুক্তাঞ্চল” ঘোষণা করা। যাতে দেশের ভেতরে বিদ্যমান সকল জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের প্রভাবিত মানুষেরা সেখানে একজোট হয়ে পুর্নাংগ যুদ্ধ ঘোষনা করতে পারে। হিজবুত তাহরিরের সাহায্য সহযোগিতায় এই জঙ্গি জোট চট্রগ্রামের বাইরেও নিজেদের ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টায় রত।

এই পুরো পরিকল্পনায় স্থানীয়ভাবে আরো যারা দেখভাল করছেন তারা হচ্ছেন- জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল্লাহ, ওলামা দলের জেলা সভাপতি মাওলানা আলী আহসান, জেলা ইসলামী ঐক্যজোট নেতা ও হেফাজতে ইসলাম নেতা মুফতি এনামুল হক, জেলা ইসলামী ঐক্যজোটের সভাপতি হাফেজ সালামত উল্লাহ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইসমাইল। সালাউলের ঘনিষ্ঠ সহচর হচ্ছেন জেলা ইসলামী ঐক্যজোট ও হেফাজতে ইসলাম নেতা মুফতি এনামুল হক। মুফতি এনামুল হক মূলত চট্রগ্রাম ভিত্তিক কওমি মাদ্রাসাগুলোর উগ্র মতবাদে প্রভাবিত মাদ্রাসা ছাত্র-শিক্ষকের সাথে জঙ্গি জোট ‘হিলফুল ফুজুল আল ইসলাম আল বাংলাদেশ’- এর হয়ে সমন্বয় রক্ষা করে চলেছেন।

রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে বর্তমানে বসবাস করছে প্রায় ৩০০০০ রোহিঙ্গা। শিক্ষা, বাসস্থান, খাদ্যসহ মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে ইউএনএইচসিয়ার সহ নানা খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সেখানে কাজ করায় জঙ্গি গোষ্ঠীর অবিরাম প্রচেষ্টা স্বত্ত্বেও ঊগ্রবাদ ছড়িয়ে দিতে তারা অপেক্ষাকৃত কম সফল। এছাড়া সেখানে সামরিক, বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের কড়া নজর সবসময়েই কার্যকর থাকে।

পক্ষান্তরে, বাংলাদেশে আন রেজিস্টার্ড এবং ভাসমান রোহিঙ্গা শরনার্থীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক। তাদের নির্দিষ্ট বাসস্থান এবং মৌলিক চাহিদাগুলো অপ্রতুল বিধায় সেখানে জঙ্গি গোষ্টীগুলোর যাতায়াত অবারিত। একদিকে দারিদ্রতা, অন্যদিকে আছে পরকালের প্রলোভন। ফলাফলে অনেকেই উগ্রবাদীদের খপ্পরে পড়ছে। দিন গড়াচ্ছে আর জঙ্গিদের পাশে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ফলাফলে, বাংলাদেশ পড়তে যাচ্ছে উগ্রবাদের মহা উত্থানের দিকে। সরকার এবং আন্তর্জাতিক মহলের এখনই এদিকে নজর দেয়া জরুরী। সময় ফুরিয়ে আসছে অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “রোহিঙ্গা শরনার্থী অধ্যুষিত অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের চারনভূমি বানাবার দেশি-বিদেশি মহাপরিকল্পনা

  1. গুরুত্বপূর্ণ লেখা ।
    গুরুত্বপূর্ণ লেখা ।

    বেশ কিছুদিন আগে উইকিলিকসে আরএসও এর সাথে জামাতের সম্পর্কের ব্যাপারে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম ।
    বর্তমান মায়ানমার সরকারের রোহিঙ্গাদের বিষয়ে অবস্থান কি আগের মতই ? বাংলাদেশ সরকারের এই বিষয়ে আরো সচেতন থাকা উচিত ।

  2. এই চক্রান্ত অনেকদিন ধরেই চলছে
    এই চক্রান্ত অনেকদিন ধরেই চলছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো এর দায় কোনভাবে এড়াতে পারে না।

  3. শুধু রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে নয়,
    শুধু রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে নয়, এদেশে জঙ্গীবাদ বিস্তার করছে রাজনৈতিক দলগুলোর পৃষ্টপোষকতায়। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চল রোহিঙ্গাদের কারণে চরম অরক্ষিত হয়ে উঠছে।

  4. এইসব রুহিঙ্গাদের পিটিয়ে
    এইসব রুহিঙ্গাদের পিটিয়ে দৌড়াইলে তো আবার মানবতা নিয়ে সরকারের প্যান্ট খুলে পেলবে কিন্তু এরাই একদিন দেশের জন্য বিষফুড়ক হয়ে দেখা দিবে সেটা কেউ চিন্তা করছে না! এইসব জঙ্গী গুষ্টি সময়িক দেশকে অচল করে দিবে হয়তো কিন্তু সেনাবাহিনী সব ঠিক করে ফেলবে আমার বিশ্বাস মধ্যখানে হয়তো রাজনীতির বিরিট সমিকরন দেখা দিবে! তবে সরকারের এইসব বিষয়ে আসু পদক্ষেপ নেওয়া দরকার

  5. উৎপীড়িত, নিপীড়িত, নিরস্ত্র
    উৎপীড়িত, নিপীড়িত, নিরস্ত্র জনগোষ্টির দ্রোহ কে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বলাযায় না । এদের স্বাধীনতা কামী বীর সৈনিক । আমরা 1952-1971 পয়ন্ত আমাদের বীর মুকতিযোদ্ধাদের যেমন ভাবি তেমনি সারা বিশ্বের নির্যাতিত জাতির বীরদের তেমনি সম্মান করব ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

14 − 10 =