ইসলাম কি মুসলমানদেরকে মিথ্যাবাদী/প্রতারকে পরিনত করে ?

মুমিনেরা দাবী করে – ইসলাম তাদেরকে সত্য কথা বলতে বলে আর মুহাম্মদ ছিলেন মহা সত্যবাদী। কিন্তু কোরান হাদিস বলে ভিন্ন কথা। কোরান হাদিস পড়লে দেখা যায়, ইসলাম মুসলমানদেরকে পেশাদার মিথ্যাবাদী/প্রতারক হতে শিক্ষা দেয়। বর্তমানে যে সব কথিত মডারেট মুসলমান দেখা যায়, তারা মূলত: ইসলামের এই শিক্ষাটাই সর্বদা প্রয়োগ করে থাকে। বিষয়টা খোলাসা করা যাক।

কোরান বলছে _

সূরা নাহল- ১৬: ১০৬: যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর জন্য মন উম্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে শাস্তি।

অর্থাৎ কোন মুসলমানের ওপর কোন জবরদস্তি হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সে তখন নিজেকে অমুসলিম হিসাবে প্রকাশ করতে পারবে। অর্থাৎ মিথ্যার আশ্রয় নেবে। যুক্তির খাতিরে ধরে নেয়া গেল , জীবন বাচানোর প্রশ্ন যেখানে , সেখানে এই কৌশল কোন খারাপ কিছু নয়। এবার পরের আয়াত দেখা যাক –

সূরা ইমরান- ৩: ৫৪: এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও চক্রান্ত করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম চক্রান্তকারী।

উক্ত আয়াতে যে আরবি শব্দটা ব্যবহৃত হয়েছে সেটা হলো – Makara যার অর্থ শুধুই নেতিবাচক এবং সেটা হলো – প্রতারনা করা। সঠিক অনুবাদ করলে , আল্লাহকে মিথ্যাবাদী বলতে হয় ,তাই মুমিন বান্দারা কায়দা করে আসল তথ্য গোপন করে নিজের মনগড়া অনুবাদ করেছে। ঠিক এরকমই আর একটা আয়াত –

সূরা আনফাল- ৮: ৩০: আর কাফেরেরা যখন প্রতারণা করত আপনাকে বন্দী অথবা হত্যা করার উদ্দেশ্যে কিংবা আপনাকে বের করে দেয়ার জন্য তখন তারা যেমন প্রতারনা করত তেমনি, আল্লাহও প্রতারনা করতেন। বস্তুতঃ আল্লাহর ছলনা সবচেয়ে উত্তম।

উক্ত আয়াত বলছে , স্বয়ং আল্লাহ নিজেই একজন চক্রান্তকারী অর্থাৎ মিথ্যাবাদী। তুচ্ছ কিছু নাফরমান মানুষ নাকি আল্লাহর সাথে চক্রান্ত করতে পারে ? আর তাদেরকে দমন করতে আল্লাহকেও চক্রান্ত করতে হয়, অর্থাৎ মিথ্যা কথা বলতে হয়। কি ভয়াবহ কথা ! সুতরাং এরপর থেকে ইসলাম যে মুসলমানদেরকে পাকা মিথ্যাবাদী হতে শিক্ষা দেবে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

সুরা বাকারা- ২: ২২৫: তোমাদের নিরর্থক শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদেরকে ধরবেন না, কিন্তু সেসব কসমের ব্যাপারে ধরবেন, তোমাদের মন যার প্রতিজ্ঞা করেছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী ধৈর্য্যশীল।

অর্থাৎ যেমন ইচ্ছা খুশী কসম কাটা যাবে , তাতে কিছুই যায় আসে না। কসম মানুষ কখন কাটে ? যখন সত্য বা মিথ্যা কথা যাই হোক না কেন সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে হয় তখন। কিন্তু এরপরেই দেখা যাচ্ছে ভয়াবহ ঘটনা – সেটা দেখা যাক হাদিসে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২৬৮
বকর ইব্ন আসরাম (র)…………….আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেন যুদ্ধ হলো একটা প্রতারনা । আবূ আব্দুল্লাহ (র) বলেন, আবূ বকর হলেন বূর ইব্ন আসরাম।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২৬৯
সাদাকা ইব্ন ফাযল (র)…………….জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘যুদ্ধ হল প্রতারনা।’

অনেকেই বলবে যে , যখন দুই পক্ষ যুদ্ধ করবে , তখন তো শত্রুকে পরাজিত করতে , এ ধরনের প্রতারনা করা যেতেই পারে, তাতে অন্যায় কিছু নেই। কারন যুদ্ধে জয়টাই আসল , আর সেটার জন্যে যে কোন কৌশল অবলম্বন করাই বৈধ। ভাল কথা , সে ক্ষেত্রে , ইসলামে যুদ্ধ বা জিহাদ বলতে কি বোঝান হয়েছে , আর সেটা কখন চালু থাকবে , সেটা জানা দরকার। তা না জানলে , প্রকৃত সত্যটা বোঝা যাবে না। সেটা বুঝতে প্রথমেই কোরানে যেতে হবে –

সুরা তাওবা – ৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

অর্থাৎ আহলে-কিতাবের লোক বা ইহুদি খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে , যতক্ষন পর্যন্ত তারা ইসলাম গ্রহন না করে। উক্ত আয়াতে কিন্তু বলা হচ্ছে না যে ইহুদি খৃষ্টানরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে আক্রমন করতে যাচ্ছিল আর তাই আত্মরক্ষার জন্যে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। উক্ত ২৯ নং আয়াতের আগে পরের আয়াত পড়লেও বিষয়টা পরিস্কার হবে। আর এই আয়াতের প্রেক্ষাপট কিন্তু বলা আছে ২৮ নং আয়াতে –

সুরা তাওবা- ৯: ২৮: হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র। সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল-হারামের নিকট না আসে। আর যদি তোমরা দারিদ্রের আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুনায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

মক্কা বিজয়ের এক বছর পর , যখন মক্কা মদিনা ও তার আশপাশের সকল এলাকা মুহাম্মদের করতলগত , সকল গোত্রও করতলগত , সেই শান্তির সময়েই উক্ত সুরা তাওবা নাজিল হয়। তখন কোন দলই মুহাম্মদকে আক্রমন করতে যাচ্ছিল না। এখন এই ২৮ নং আয়াতে বলছে , সেই বছরের পর কোন অমুসলিম যেন আর হজ্জের সময় কাবা ঘরের কাছে না যায়। তখন মুসলমানরা ভয় পেয়ে গেল , কারন তাতে তারা দরিদ্র হয়ে যাবে। হজ্জ উপলক্ষ্যে কাবা ঘরের সামনে মক্কা মদিনা ও তার আশপাশ থেকে বহু লোক যারা ছিল পৌত্তলিক, তারা জড় হলে সেখানে নানা ব্যবসা করেই মক্কার মুসলমানরা বেঁচে থাকত। মুসলমানরা দরিদ্র যাতে না হয়ে যায়, তার সমাধান স্বরূপই ৯: ২৯ নং আয়াত নাজিল হয়। যাতে পরিস্কার করে বলা হচ্ছে – ইহুদি খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যেতে হবে , তারা ইসলাম গ্রহন করলে যাকাত দেবে , আর যদি ইসলাম গ্রহন না করে তাহলে তারা জিজিয়া কর দিয়ে দাস দাসীর মত বাধ্যগত হয়ে বাস করবে। উক্ত আয়াতে এটাও প্রকাশ পাচ্ছে যে , এই যুদ্ধ হলো কোন সাময়িক যুদ্ধ না , এটা সর্বকালীন যুদ্ধের বিধান। সেটা কিছু হাদিস পড়েও জানা যাবে –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩০:
আবু তাহির, হারমালা ইবন ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবন ঈসা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই – এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি । সূতরাং যে কেউ আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই স্বীকার করবে, সে আমা হতে তার জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শরীআতসম্মত কারণ ব্যতীত । আর তার হিসাব আল্লাহর কাছে ।

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩১
আহমাদ ইবন আবদ আয-যাবিব (র)………আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই,-এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি । এগুলো মেনে নিলে তারা তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে শরীআতসম্মত কারণ ছাড়া ।আর তাদের হিনাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।

দেখা যাচ্ছে উক্ত হাদিস দুইটি ঠিক সেই কথাই বলছে যা বলছে সুরা তাওবার ২৯ নং আয়াত। তার মানে হলো , মুসলমানরা সর্বদাই অমুসলিমদের বিরুদ্ধে জিহাদ বা যুদ্ধ জারি রাখবে। আর সেই যুদ্ধে জেতার জন্যে সর্বদাই প্রতারনা বা মিথ্যার আশ্রয় নেয়া যাবে। কিভাবে সেই প্রতারনা করতে হবে – সেটা আছে কোরানে –

সুরা আল ইমরান- ৩: ২৮: মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।

অত্যন্ত পরিস্কার ভাষায় এই আয়াত বলছে মুসলমানরা কোন মতেই অমুসলিমদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহন করতে পারবে না। আর যদি তারা অমুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে বাস করে , তাহলে তারা সাবধানতার সাথে থাকবে। সেটা কিরকম ? সেটা হলো , যেহেতু অমুসলিমদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহন করা যাচ্ছে না , কিন্তু বেঁচে থাকতে হবে , আর মনে মনে সেই অঞ্চলকে ইসলামের পতাকাতলে আনার পরিকল্পনা করতে হবে। সেটা কিভাবে করা যাবে ? সেটা একমাত্র এভাবেই করা যাবে , যে অমুসলিমদের সাথে উপরে উপরে বন্ধুত্বের ভাব দেখাতে হবে , আর ভিতরে ভিতরে ঘৃণা করতে হবে। আর তাদের কাছে ইসলামের ভাল ভাল বানীগুলো তুলে ধরতে হবে , যাতে তারা ইসলাম গ্রহন করে। আমরা যদি পশ্চিমা দেশে মুসলমানদের আচরন দেখি তাহলে সেটা খুব ভালমতই দেখা যায় । যেমন তারা সেখানে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই চলাচল করে , আর কোরানের নিচের একটি আয়াত সর্বদাই তাদেরকে শুনায়-

সুরা মায়দা – ৫: ৩২: —————-, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবাপৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে

অর্থাৎ ইসলামের চাইতে মহৎ ও শান্তির ধর্ম দুনিয়াতে আর হয় না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে , তারা এই বানীটাও প্রচার করে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে। যেমন তারা উক্ত ৫: ৩২ টা সম্পূর্ন উল্লেখ না করে , প্রথম দিককার একটা অংশ বাদ দিয়ে বলে। এবার সম্পূর্ন আয়াতটা দেখি –

সুরা মায়দা – ৫: ৩২: এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবাপৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে

তারা –এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, এই অংশটা বাদ দিয়ে বলে , কারন ? কারন এই অংশটা প্রকাশ করছে যে , উক্ত ৫: ৩২ আয়াত আসলে বনী ইসরাইলিদের তথা ইহুদিদের জন্যে যা বলা হয়েছিল মুসা নবীর কাছে আর তাই এই আয়াতের বিধান কার্যকর হবে শুধুই মুসা নবীর উম্মতদের জন্যে, মুহাম্মদ ও তার উম্মতদের জন্যে নয়। অর্থাৎ পশ্চিমে বসবাসকারী কথিত মডারেট মুসলমানরা খুবই উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে , মিথ্যা ও প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে , তারা ইসলামকে পশ্চিমাদের কাছে শান্তির ধর্ম হিসাবে প্রমান করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের এই প্রতারনার ফাঁদে পড়ে , অনেক মানুষই বিভ্রান্ত হয়ে ইসলাম গ্রহন করে।

এই ধরনের প্রতারনার আরও কিছু কায়দা হলো – যখনই জিহাদীরা কোন আত্মঘাতী হামলা চালায় , সাথে সাথেই তারা প্রচার শুরু করে দেয়, কিছু মানুষ ইসলামের নামে সন্ত্রাস করছে বলেই কি সকল মুসলমান সন্ত্রাসী হয়ে গেল ? অবশ্যই না। কিন্তু কথা হচ্ছে , যারা ইসলামের নামে সন্ত্রাস করছে , কোরান ও হাদিস অনুসরন করেই তো তারা সেটা করছে। এভাবে অমুসলিমদের বিরুদ্ধে চিরকালীন জিহাদের বিধান মেনেই তারা সেটা করছে , যা উপরে উল্লেখিত হয়েছে। এখন কথিত মডারেট মুসলমানরা কোরান হাদিসের বিধান মানে না , অথবা তারা মনের গোপনে সেটা ঠিকই সমর্থন করে , কিন্তু পশ্চিমাদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে উদার পশ্চিমাদের সামনে উক্ত তুলনা তুলে ধরে , যা হলো একটা পেশাদারী মিথ্যাচার ও প্রতারনা।

তাহলে, ইসলাম কি মুসলমানদেরকে পেশাদার প্রতারকে পরিনত করে ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ইসলাম কি মুসলমানদেরকে মিথ্যাবাদী/প্রতারকে পরিনত করে ?

  1. মোল্লা ভাই, অনেক দিন পরে
    মোল্লা ভাই, অনেক দিন পরে দারুন পোস্ট । ইসলামের কি অপব্যাখ্যা করে রাজাকাররা রাজাকারী করেছিল ও এখন কল্লা কাটছে তা কি জানাবেন ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + 3 =