জঙ্গিবাদ বিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো একান্ত প্রয়োজন

আলোকিত, প্রজ্ঞাবান, সুশিক্ষিত এবং বিবেকবান মানুষেরা চিরদিনই ধর্মান্ধ ও জঙ্গিবাদীদের চক্ষুশুল ছিল। আলোকিত, প্রগতিশীল মানুষেরাই পারে সমাজকে, একটি দেশকে আলোকিত করতে। তারা পারে একটি জাতির বিবেককে জাগিয়ে তুলতে। আর ঠিক এখানেই জঙ্গিবাদীদের ভয়। আলোকিত মানুষদের কলমের কালি যে তাদের চাপাতি, রাম দা, ছুরির চেয়েও অনেক বেশী শক্তিশালী। জঙ্গিবাদীরা এবং ধর্মান্ধরা কখনও চায় না, একটি জাতি বিবেক এবং জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠুক, সচেতন হয়ে উঠুক, নিজেরাই নিজেদের ভালমন্দ বুঝতে শিখুক।

কিছুদিন আগেও বলেছি, আজও বলছি, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থিতিশীল করার জন্য সরকারের উচিত আবারও সারাদেশব্যাপী জঙ্গিবাদ বিরোধী একটি বিশেষ অভিযান চালানো। কিছু কুখ্যাত রাজাকারদের ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত জোট বহুদিন আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। এমনকি তাদের হামলা থেকে লন্ডনে অবস্থানরত বিচারকও রক্ষা পায়নি। বর্তমান সরকারের স্মরণকালের অনেক বড় বড় সাফল্য এবং অর্জনকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঢেকে দিচ্ছে। দেশে জঙ্গিবাদ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হচ্ছে।

আমাদের শরীরে কোন রোগ হলে যেমন আমরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাই; ঠিক একইভাবে সারাদেশ আজ জঙ্গিবাদ নামক ভাইরাসে আক্রান্ত। আর কালবিলম্ব না করে সরকারের উচিত একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে জঙ্গিবাদ নামক এই ভাইরাস বাংলার মাটি থেকে চিরতরে দূর করা। মৌলবাদী-জঙ্গিরা একে একে কুপিয়ে সভ্যতার ধারক ও বাহক প্রগতিশীল লেখক এবং প্রকাশকদেরকে হত্যা করছে। আর জনগণের টাকায় কিনা অস্র হাতে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে! ভুলে গেলে চলবে না, জনগণের জানমালেরে নিরাপত্তা বিধান করা আপনাদের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য।

লক্ষণীয়, বাংলাদেশের সচেতন যুব সমাজ আজ হুমকির মুখে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকার কি বসে বসে আংগুল চুষে! এসব ঘটনায় ক্ষতি মূলত সরকারেরই হচ্ছে। আজকে যারা স্বাধীনতার স্বপক্ষে কলমি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে তারাই হবে দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার।

৭১’ এর মত দেশকে আবার মেধাশুন্য করার নগ্ন খেলায় মেতে উঠেছে স্বাধীনতা বিরোধীরা। ১০-১৫ টা জঙ্গি-জানোয়ারকে ক্রস ফায়ারে ফেলে দিলেই তাদের মনে একটা ভয় ঢুকবে। তাছাড়া কাজ হবে না। আমাদের গ্রাম এলাকায় একটি কথা প্রচলিত আছে যে, “মাইরের উপর কোন ঔষধ নাই”। ঠিক তাই; জঙ্গিবাদ দমনেও মাইরের উপর কোন ঔষধ নাই। যুক্তিতর্ক, জ্ঞান দিয়ে তাদের সঠিক পথে আনা যাবে না; কারন তারা ব্রেইন ওয়াসড বা মস্তিষ্ক ধোলাইকৃত মানুষ।

যা হোক, প্রশাসনের উচিত এসব আলোকিত মানুষদের সুরক্ষা দেওয়া এবং এসব জঙ্গিবাদীদের সমূলে নির্মূল করা। সম্প্রতি পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতে বিরাজমান সমস্যার মত বাংলাদেশেও ধর্মান্ধ জঙ্গিরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা, আইএস, বুকো হারাম, ইত্যাদি সংগঠনগুলোর মত বাংলাদেশেও হিজবুত তাহেরির, আনসার উল্লাহ বাংলা টিম, জামায়াত-শিবির ইত্যাদি প্রাণঘাতী সংগঠনগুলোও তাদের জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

আমাদের দেশের সাধারণ জনগণকে তাদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সোচ্চার হয়ে উঠতে হবে। সত্য ও জ্ঞানের আলোয় জাতি যত বেশী আলোকিত হবে, দেশে জঙ্গিবাদী-সন্ত্রাসীদের অবস্থানের স্থান ততই সংকীর্ণ হয়ে আসবে; তাদের অস্তিত্ব ততই বিপন্ন হয়ে উঠবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য তাদেরকে সামাজিকভাবে এবং জাতিগতভাবে বিতারিত করতে হবে। তাদেরকে সমূলে নির্মূল করার দায়িত্ব শুধু কোন সরকারের একার কাজ নয়। সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব জঙ্গিবাদীদের প্রতিহত করতে হবে।

সর্বোপরি, আবারও বলছি, বর্তমান সরকারের স্মরণকালের অনেক বড় বড় সাফল্য এবং অর্জনকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঢেকে দিচ্ছে। সরকারের উচিত প্রশাসনের সর্বশক্তি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা এবং সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা। তাহলে আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রিয়তা বর্তমানের চেয়ে আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। অপরদিকে, নতুন প্রজন্মের জন্য নির্ভয়ে বসবাস উপযোগী সুষ্ঠু ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের মেধাকে লালন করতে শিখতে হবে। জাতি হিসেবে ১৯৭১ সালের এর মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা একবার মেধাশুন্য হয়েছিলাম। আবার নতুন করে স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরে এসে জঙ্গিবাদীদের হাতে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মের আলোকিত, প্রগতিশীল এবং মেধাবী সন্তানদের হারাতে চাই না। স্বাধীনতা বিরোধীদের নতুন করে আবার বাঙালি জাতিকে মেধাশুন্য করার সকল ষড়যন্ত্রকে সবাই মিলে নস্যাৎ করে দিতে হবে।

খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “জঙ্গিবাদ বিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো একান্ত প্রয়োজন

  1. আমাদের শরীরে কোন রোগ হলে যেমন
    আমাদের শরীরে কোন রোগ হলে যেমন আমরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাই; ঠিক একইভাবে সারাদেশ আজ জঙ্গিবাদ নামক ভাইরাসে আক্রান্ত। আর কালবিলম্ব না করে সরকারের উচিত একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে জঙ্গিবাদ নামক এই ভাইরাস বাংলার মাটি থেকে চিরতরে দূর করা। মৌলবাদী-জঙ্গিরা একে একে কুপিয়ে সভ্যতার ধারক ও বাহক প্রগতিশীল লেখক এবং প্রকাশকদেরকে হত্যা করছে। আর জনগণের টাকায় কিনা অস্র হাতে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে! ভুলে গেলে চলবে না, জনগণের জানমালেরে নিরাপত্তা বিধান করা আপনাদের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য।

    1. চমৎকার বলেছেন। সরকার এবং জনগণ
      চমৎকার বলেছেন। সরকার এবং জনগণ সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিহত করতেই হবে। তারা আমাদের সমাজেই ঘাপটি মেরে বসে আছে। @ তামান্না হায়দার

  2. আপনি যাকে জঙ্গিবাদ বলছেন আসলে
    আপনি যাকে জঙ্গিবাদ বলছেন আসলে কি তাই ? তারা তো শুধু পবিত্র কেতাব অনুযায়ী নির্দেশ পালন করে থাকে । অভিযান যদি চালাতে হয় তা হলে আপনার ভাষায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে নয় ঐ পবিত্র কেতাবের বিরুদ্ধে , এটা কি সম্ভব ?

    1. ধর্ম এবং জঙ্গিবাদ এক বিষয় নয়।
      ধর্ম এবং জঙ্গিবাদ এক বিষয় নয়। পৃথিবীর কোন ধর্মই জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না। সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদীদের কোন ধর্ম নেই। তারা ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিয়ে তাদের সদস্যের মগজ ধোলাই করে কায়েমি স্বার্থ হাসিল করার জন্য জঙ্গিবাদ চালিয়ে যায়। ধন্যবাদ। @ মিতা

  3. কোন ধর্মই জঙ্গিবাদ বা
    কোন ধর্মই জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না। সব ধর্মেরই মূল মর্ম হচ্ছে শান্তি। যারা জঙ্গিবাদ করে তারা কোরআন-হাদিসকে বিকৃত করে, ভুল ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে। জঙ্গিবাদীরা মূলত কোন ধর্মেরই অন্তর্ভুক্ত নয়। – মিতা

  4. এ সমস্ত নির্দেশ কি ধর্ম না
    এ সমস্ত নির্দেশ কি ধর্ম না জঙ্গিবাদ ?

    সর্বকালে জিহাদ অব্যাহত থাকবে।
    ২৪৭৬. মূসা ইবন ইসমাঈল ………. ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে একটি দলসর্বদা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তাদের দুশমনের বিরুদ্ধেু যুদ্ধ করে তাদের উপর জয়ী হবে। অবশেষে তাদের শেষদলটি কুখ্যাত প্রতারক দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে।
    Narrated Imran ibn Husayn:

    The Prophet (ﷺ) said: A section of my community will continue to fight for the right and overcome their opponents till the last of them fights with the Antichrist.
    সমস্যা? রিপোর্ট করুন!
    باب فِي دَوَامِ الْجِهَادِ
    حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ عَلَى مَنْ نَاوَأَهُمْ حَتَّى يُقَاتِلَ آخِرُهُمُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ ‏”‏ ‏.‏
    অত্যাচারী শাসকের সঙ্গে যুদ্ধ।
    ২৫২৪. সাঈদ ইবন মানসূর …….. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঈমানের মূল হল তিনটি বিষয়ঃ ১. যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু কালেমা পাঠ করে মুসলমান হয়েছে, তাকে হত্যা ও কষ্ট দেয়া হতে বিরত থাকা ২. কোন পাপের কারণে তাকে কাফির না বলা এবং ৩. শির্ক ও কুফরী কাজ ছাড়া অন্য কোন কাজের জন্য তাকে ইসলাম হতে বহিষ্কার না করা। যখন থেকে আমাকে আল্লাহ্ নবী করেছেন তখন থেকেই জিহাদ চালু রয়েছে এবং চিরকাল থাকবে। শেষ পর্যন্ত আমার উম্মাতের শেষ দলটি দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। কোন অত্যাচারী এবং কোন বিচারকের বিচারে যুদ্ধ বাতিল হবে না এবং ভালমন্দ সব কিছু আল্লাহর পক্ষ হতে হয় বলে বিশ্বাস করাও প্রকৃত ঈমান।
    Narrated Anas ibn Malik:

    The Prophet (ﷺ) said: Three things are the roots of faith: to refrain from (killing) a person who utters, “There is no god but Allah” and not to declare him unbeliever whatever sin he commits, and not to excommunicate him from Islam for his any action; and jihad will be performed continuously since the day Allah sent me as a prophet until the day the last member of my community will fight with the Dajjal (Antichrist). The tyranny of any tyrant and the justice of any just (ruler) will not invalidate it. One must have faith in Divine decree.
    সমস্যা? রিপোর্ট করুন!
    باب فِي الْغَزْوِ مَعَ أَئِمَّةِ الْجَوْرِ
    حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي نُشْبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ “‏ ثَلاَثَةٌ مِنْ أَصْلِ الإِيمَانِ ‏:‏ الْكَفُّ عَمَّنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَلاَ تُكَفِّرْهُ بِذَنْبٍ وَلاَ تُخْرِجْهُ مِنَ الإِسْلاَمِ بِعَمَلٍ، وَالْجِهَادُ مَاضٍ مُنْذُ بَعَثَنِيَ اللَّهُ إِلَى أَنْ يُقَاتِلَ آخِرُ أُمَّتِي الدَّجَّالَ لاَ يُبْطِلُهُ جَوْرُ جَائِرٍ وَلاَ عَدْلُ عَادِلٍ، وَالإِيمَانُ بِالأَقْدَارِ ‏”‏ ‏.‏
    যদি তোমাদের মধ্যে দুইজন (পুরুষ) কুকর্মের জন্য দোষী প্রমাণিত হয়, তবে তাদের উভয়কে শাস্তি দাও। যদি তারা অনুতপ্ত হয় এবং সংশোধিত হয়, তবে তাদেরকে ছেড়ে দাও; কারণ নিশ্চয় আল্লাহ অনুতাপ-গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।”

    — কুর’আন, সূরা ৪ (আন-নিসা), আয়াত ১৬[৪২]

    আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন: নবীজি বলেছেন: তোমরা যদি লূতের সম্প্রদায়ের কর্মে লিপ্ত কাওকে খুঁজে পাও,[৪৪] হত্যা কর তাকে যে এটি করে, এবং তাকে যার উপর এটি করা হয়।

    — সুনান আবু দাউদ, ৩৮:৪৪৪৭ (ইংরেজি)

    আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন: কোন অবিবাহিত পুরুষ যদি সডোমিতে (পায়ুমৈথুনে) লিপ্ত অবস্থায় ধরা পড়ে, তাকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হবে।

    — সুনান আবু দাউদ, ৩৮:৪৪৪৮ (ইংরেজি)
    Book 38, Number 4447:

    Narrated Abdullah ibn Abbas:

    The Prophet (peace_be_upon_him) said: If you find anyone doing as Lot’s people did, kill the one who does it, and the one to whom it is done.
    সূরা আত তাওবার নিচের আয়াতটা দেখা যাক-

    তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। সূরা আত তাওবা- ৯: ২৯

  5. মিতা, আরবি, বাংলা, ইংরেজি
    মিতা, আরবি, বাংলা, ইংরেজি মিলিয়ে খিচুড়ি বানিয়ে মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা, নিজেদের মধ্যে বাংলায় কথা বলাই শ্রেয়। জঙ্গিবাদীরা অনেক কিছুই বিকৃতি করে উপস্থাপন করে থাকে তাদের সতীর্থদের মগজ ধোলাই করার জন্য। আত্মরক্ষার অধিকার সব ধর্মেই বলা আছে। আবার আইনেও সেই অধিকার দেয়া হয়েছে। নিজের জানমাল রক্ষা করার জন্য যতোটুকু প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন, ততটুকু শক্তিই প্রয়োগ করা যাবে। আশা করি, বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ। @ মিতা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 3 =