বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক সংবাদ প্রকাশই হোক গণমাধ্যমের লক্ষ্য

গণতন্ত্রের সম্প্রসারণে বাধা দিতে নয় উন্নতির জন্যই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রদান করেছে সরকার। কারও ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য বা জনগণকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ক্ষেপাতে কোন প্রকার উস্কানী প্রদানের জন্য এ স্বাধীনতা প্রদান করা হয়নি। গণমাধ্যম হচ্ছে গণতন্ত্রের নিত্যসঙ্গী। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, ব্যক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা ও সবার তথ্য পাওয়ার অধিকার রক্ষায় ও তা নিশ্চিতে গণমাধ্যম কাজ করে। তাই স্বাধীনতাকে সঠিকভাবে সঠিকপথে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। এ জন্যই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৭ বছরে রেকর্ডসংখ্যক টেলিভিশন, রেডিও এবং অনলাইন মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যম প্রকাশের সুযোগ দিয়েছে। সরকার গণতন্ত্রকে বিকশিত করার জন্য ও স্বৈরতন্ত্রকে সরিয়ে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুসংহত করতেই গণমাধ্যমকে তার বন্ধু মনে করে। তবে গণতন্ত্রকে এখনও প্রাতিষ্ঠানিককরণ করা হয়নি। এতে সবাইকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। বর্তমান সরকার কখনও গণমাধ্যমকে তার প্রতিপক্ষ ভাবেনি। বর্তমান সরকারই ১৯৯৭ সালে প্রথম বেসরকারীভাবে সম্প্রচারকে সম্প্রসারিত করতে টেলিভিশনের লাইসেন্স দেয়। ফলে বর্তমানে দেশে এত চ্যানেল কাজ করছে। সংবাদ প্রকাশ বা কোন অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য কোন চাপ দেয় না। এমনকি তাদের সংবাদ প্রচারেও কোন প্রকার বাধা প্রদান করা হয় না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করেছে। যার ফল সবাই ভোগ করছেন। এছাড়া সম্প্রচার আইন, অনলাইন নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। কিন্তু এসব চ্যানেলে বিদেশী বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সরকারকে তারা কোন প্রকার কর প্রদান করছে না। দেশে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংবাদ বা অনুষ্ঠান প্রচারে কোন আইন না থাকায় সাংবাদিকদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য আইন থাকা উচিত। গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোন চাপ না থাকলেও সঠিক সংবাদ প্রচারে জঙ্গীবাদ ও মাফিয়া চক্রের হুমকি রয়েছে। সুতরাং বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক সংবাদ প্রকাশই হতে হবে গণমাধ্যমের লক্ষ্য তাহলে জনগণ গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

41 − = 36