অতঃপর, তাহারা মরিয়া প্রমাণ করিল তাহারা আসলেই রাজাকার

বিষয়টা খুবই পরিচিত দৃশ্য হয়ে দাড়িয়েছে, যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিটা রায়ের কিছুদিন আগ থেকে কিংবা রায়ের পর পরই কিছু প্রশ্ন আর তর্কে চায়ের কাপ থেকে শুরু করে ইন্টারনেট দুনিয়া – সব সয়লাব হয়ে যায়। যেমন, কাদের মোল্লার রায়ের পরেই আসলে প্রথম প্রশ্নটা উঠে, ‘এই কাদের সেই কাদের না’। এর পর ধীরে ধীরে কামরুজ্জামান, নিজামী, সাইদী, গোলাম আযম, সাকা, মুজাহিদ সহ সবার রায়ের পরই হালকা পাতলা এমন সব প্রশ্ন উঠেছে। অবশ্য একাত্তরে নিজামী আর গোলাম আযম এতটাই ফ্রন্টলাইনে ছিলেন যে, তাদের কে আড়াল করার জন্যে আসলে এই ‘বিতার্কিক’দের হাতে কোন তথ্যই ছিল না। এই দুজন ছাড়া বাকী সবার জন্যেই মোটামুটি প্রশ্ন উঠেছে। কারো কারো বয়স অতি অল্প ছিল আবার কেউবা তখন মানে ৭১ এ ছিলেন দেশের বাইরে।

আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, এই তর্ক কিংবা এই সকল প্রশ্ন উত্তাপনের উদ্দেশ্য কি? তাদেরকে নিষ্পাপ প্রমাণ করা? তারা রাজাকার ছিলেন না এটা প্রমাণ করা? তারা একাত্তরের গণহত্যা, নারী নির্যাতনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না এটা প্রমাণ করা? নাকি অন্য কোন উদ্দেশ্য…?

আমরা অনেক সময় বিজ্ঞানের অনেক কিছু প্রমাণ করার জন্যে যা প্রমাণ করতে চাই তা অস্বীকার করে শুরু করি। এবার আসুন, আমরা তাদের যুক্তির খাতিরে ধরেই নেই যে, তারা রাজাকার ছিলেন না, তারা পাকিস্তানীদের সাহায্য করেন নি, এই তিনি সেই তিনি ছিলেন না। তাদের যুক্তিকে মেনে নিয়েই একটু পাকিস্তান থেকে ঘুরে আসি।

গত শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬) রাতে আলবদর কমান্ডার কুখ্যাত মীর কাশেমের ফাসি কার্যকর করা হয়। এর প্রতিবাদে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের এক বিবৃতিতে এর তীব্র নিন্দা জানায়। তারা এই বিচারকে ‘ত্রুটিপূর্ণ বিচার’ আখ্যায়িত করে মীর কাশেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে তারা যে গভীরভাবে মর্মাহত তা প্রকাশ করে।

Pakistan is deeply saddened over the execution of the prominent leader of Jamat-e-Islami, Bangladesh, Mir Quasem Ali, for the alleged crimes committed before December 1971, through a flawed judicial process.

সেই সাথে reconciliation এর আশাও করা হয়েছে বিবৃতিতে।

সেই সাথে পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজেও শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে মীর কাশেমের জণ্যে দুঃখ প্রকাশ করে। প্রতিটা পোস্টে হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে #WeAreMirQuasemAli এই কুখ্যাত বদর নেতার প্রতি তাদের সমর্থন জানায়।

/ALTERNATES/w640/Pakistan-Jamaat.jpg” width=”400″ />

ICT কুখ্যাত আলবদর নেতা মতিউর রহমান নিজামীর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর । পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন নিজামী। সেখানেও ফাঁসির আদেশ বহাল থাকে। অতঃপর রায় পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবারো আবেদন করলে আপিল বিভাগ সেটাও খারিজ করে দেন। উল্লেখ্য, পুনর্বিবেচনার রায় কোনো মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার সবশেষ ধাপ। অতএব, তার ফাসির রায় বহাল থাকে; কিন্তু এতে পাকিস্তানি সরকার বিরাট উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে। গত ৬ মের (২০১৬) বিবৃতিতে ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে চলমান বিচারকে ‘বিতর্কিত’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে,

“We have noted with deep concern and anguish the dismissal of the review application on the death sentence, by the Supreme Court of Bangladesh, for Mr. Motiur Rahman Niazami the leader of Jamaat-e-Islami.

We have also been following the reaction of the international community and human rights organizations to the controversial trials in Bangladesh, related to events of 1971.

There is a need for reconciliation in Bangladesh in accordance with the spirit of Tripartite Agreement of April 1974 which calls for a forward looking approach in matters relating to the events of 1971”

২০১৫ সালের নভেম্বরের ২১ তারিখ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী আলবদর নেতা আলী আহসান মুজাহিদ ও কুখ্যাত পাকি দালাল সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সাকাকে নিয়ে বিচারের শেষ পর্যায়ে বেশ শোরগোল উঠে মিডিয়াতে, তিনি নাকি ৭১ এ দেশে ছিলেন না, তিনি নাকি পাচজনের এফিডেভিট সংগ্রহ করেছেন খোদ পাকিস্তান থেকে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের ফাসির পর পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তাদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে ২২ নভেম্বর একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যেখানে এই দুই জনের প্রতি পাকিদের তীব্র ভালোবাসাই ফুটে উঠে। বিবৃতি নিম্নরূপঃ

“We have noted with deep concern and anguish the unfortunate executions of the Bangladesh National Party Leader, Mr. Salauddin Quadir Chowdhury and Mr Ali Ahsan Mojaheed. Pakistan is deeply disturbed at this development”.

সে বিবৃতি আবার শেষ হয়েছে অতীত ভুলে সবকিছু মিটমাট করে ফেলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। ‘There is a need for reconciliation in Bangladesh in accordance with the spirit of Pakistan, India, Bangladesh Agreement of 9th April 1974. The Agreement calls for a forward looking approach in matters relating to 1971. This would foster goodwill and harmony.

শব্দটা খেয়াল করবেন, “reconciliation”

পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর প্রধান সিরাজুল হক বান্নুতে এক সমাবেশে মুজাহিদের জন্যে দুঃখ প্রকাশ করে এই দিনটাকে “Black Day” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, “Prime Minister Sheikh Hasina Wajid is killing those people who believed in ideology of Pakistan and opposed separation of East Pakistan,” [DAWN, 23/11/2015]

দয়া করে সবাইকে লাইনগুলো আবার পড়ার জন্যে বলছি, বিশেষ করে শেষাংশটুকু, opposed separation of East Pakistan। কিভাবে এই Opposed করা হয়েছিল সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন রুমি, বদি, জুয়েল সহ এ দেশের বুদ্ধিজীবীরা।

বাংলাদেশের এই দুই নেতা ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের’ শিকার হয়েছে অভিযোগ করে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার কাছে সম্প্রতি একটি চিঠি লিখেছেন পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর রেহমান মালিক। তার চিঠি নিয়ে পাকিস্তানি সকল পত্রিকাই এই বছরের ২ ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেশ গুরুত্ব সহকারে। খবরে বলা হয়,

“Senator Malik says as matter of fact the present incumbent government of Bangladesh is taking revenge from those political leaders who had expressed their loyalty to their own then country (Pakistan) and had resisted Indian involvement in their internal affairs some 45 years ago.”

অর্থাৎ, সহজ বাংলায় যা দাঁড়ায়, ৪৫ বছর আগে যেসব নেতা তাঁদের তৎকালীর নিজের দেশের (পাকিস্তান) প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেছিলেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন তাদের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার।

নিচে The News পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের একটা ছবি দেয়া আছে।

২০১৪ সালের নভেম্বর মাসেই জামায়াতে ইসলামীর প্রধান মতিউর রহামান নিজামীর ফাসির আদেশের পর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলী খান দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন। তিনি স্বভাবতই সেখানে বাঙ্গালীদেরকে সব কিছু ভূলে যাওয়ার জন্যেও উপদেশ দেনঃ

“Though what happens in Bangladesh is that country’s internal matter, yet Pakistan cannot remain divorced from references to 1971 and its aftermath. It is highly unfortunate that almost 45 years after those tragic chain of events, the Bangladeshi government still seems to be living in the past and totally ignoring the time tested virtue of forgive and forget,[bdnews24.com 2014-11-06]

২০১৪ সালের ১৪ ই নভেম্বর পাকিস্তানীদের আরেক দোসর কামরুজ্জামানের ফাসির রায়ের প্রতিবাদে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রাদেশিক পরিষদে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়।

এবার আসি সবচেয়ে বিখ্যাত(!)ব্যাক্তির প্রসঙ্গে, কাদের মোল্লা। বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মত চাঁদে পদার্পণ করা ব্যাক্তিত্ব ‘দেইল্লা রাজাকার’ ওরফে সাইদী সাহেবের পরই খুব সম্ভব এই লোকটাকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশী বিতর্ক করা হয়েছে, সবচেয়ে বেশী বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। “এই কাদের মোল্লা সেই কাদের না”। এবার দেখি পাকিস্তানিরা এই কাদের মোল্লা কে কতটা সেই কাদের মোল্লা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

২০১৩ সালের ১২ ই ডিসেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এই ফাঁসি কার্যকরের এক দিন আগেই (১১ ডিসেম্বর) পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে এই ফাসির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়। আবার ১৬ ই ডিসেম্বরে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদেও এই ফাসির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়। ১৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এর ওয়েবসাইটে ‘Situation in Bangladesh’ শিরোনামে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,

“While it is not Pakistan’s policy to interfere in the affairs of any country, we have noted the concerns raised by the international community and human rights organizations on the way recent trials have been conducted which have added to the current instability in Bangladesh.

We wish the brotherly people of Bangladesh well and hope that spirit of reconciliation and an atmosphere, free of violence, will prevail.”

কাদের মোল্লার এহেন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলী খান “গভীর দুঃখ” (“deep grief”)প্রকাশ করেন। তার বার্তায় তিনি বলেন,

“Till the very end before creation of Bangladesh, he (Molla) remained a supporter of a united Pakistan and today every Pakistani is saddened and grieved by his death”

অবশ্য নিসার সাহেব বরাবরের মতো এবারো তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলেছেন এবং অতীত ভূলে যাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন, ,

“it would have been better if the Bangladeshi government had shown farsightedness, bigheartedness and magnanimity instead of opening old wounds.” [DAWN, Dec 13, 2013]

পাকিস্তন তেহরিক ই ইনসাফের প্রধান ইমরান খান অবশ্য কাদের মোল্লাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন। তার মতে কাদের মোল্লা পাকিস্তানের প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন এবং ৭১ এ পাকিস্তান আর্মিকে সমর্থন দিয়েছিলেন বলেই তার এই ফাঁসি। “He was loyal to Pakistan and supported Pakistan army during the 1971 war”

শেষাংশটুকু আবার খেয়াল করেন, supported Pakistan army during the 1971 war। ওরাই সব প্রমাণ করে দিচ্ছে!

পাকিস্তানি জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কাদের মোল্লাকে তাদের ‘বাংলাদেশী সহচর’ ও ‘পাকিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

এবার আসুন আমরা আবারো প্রথম দিকেই ফিরে যাই। আমরা যদিও তর্কের খাতিরে ধরে নিয়েছিলাম, তারা কেউই রাজাকার না, তারা কেউই “সেই তিনি না”, তারা কেউই পাকিস্তানীদের সাহায্য করেন নি, অথচ তাদের প্রভু ‘পেয়ারের পাকিস্তান’ কিন্তু ঠিকই তাদের পাশে দাড়িয়েছে, ৭১ এ সাহায্যের(!) জন্যে কৃতজ্ঞ ভরে স্মরণ করছে তাদের অবদান, প্রমাণ করেছে তারা আসলেই রাজাকার। মাঝে মধ্যে মনে হয়, পাকিস্তানিরা এই বিবৃতিগুলো বিচার চলাকালীন অবস্থায় দিলে কতই না ভালো হত! তাদের কুকর্মের আরো কিছু প্রমাণ পাওয়া যেত।

এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলি। তখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে তুমুল আন্দোলন চলছে। ২০১৩ সালের ৫ মার্চ পাকিস্তানের DAWN পত্রিকা বাংলাদেশ নিয়ে একটা আর্টিকেল ছাপে, শিরোনামঃ Bangladesh and 1971 syndorme. লেখক করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর।

শুরুতেই শিরোনামের দিকে লক্ষ করুন, ১৯৭১ একটি syndorme!

লেখক এখানে তিনটি কারণ উল্লেখ করেছেন, কেন আমরা মানে বাংলাদেশীরা ১৯৭১ এর ঘটনা প্রবাহ থেকে নিজেদের কে বিচ্ছিন্ন করতে পারছি না। এর মধ্যে প্রথম কারণটি কি জানেন? রাজনীতিতে পাকিস্তান বিদ্বেষী মনোভাবের অস্তিত্ব। অবশ্য তিনি আরো খোলাসা করে বলতে গিয়ে বলছেন,

In fact, most of the national days celebrated in Bangladesh are based on anti-Pakistan rhetoric.

এই প্রবন্ধের শেষ দিকে তিনি এই “1971 syndorme” এর থেকে উত্তরণের উপায়ও বলেছেন। তিনি এখানে দু পক্ষকেই গণোহত্যার জন্যে দায়ী করেছেন। তার মতে, গণহত্যার জন্যে যেমন পাকিস্তানীদের শাস্তি দেয়া উচিত, ঠিকই একই ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদেরও শাস্তি দেয়া উচিত।

One plausible way to deal with the 1971 syndrome is to start the process of reconciliation by forming an independent commission to thoroughly investigate excesses committed during the military operation of 1971 by the Pakistan Army as well as the killings of non-Bengalis in East Pakistan by armed Bengalis and the Mukti Bahini.

পাকিস্তানের খেলা দেখার সময় যারা মুখে ফেনা তুলেন এই বলে যে, “আরে খেলার সাথে রাজনীতি মেশান কেন?”, “পাকিস্তানি এই প্রজন্মের দোষ কি?” ইত্যাদি ইত্যাদি, তাদেরকে বলছি উপরের এই আর্টিকেলটা কিন্তু একজন প্রফেসর লিখেছেন। ১৯৭১ নিয়ে এই যদি হয় তার মানসিকতা তাহলে অন্যান্য জনসাধারণের কি অবস্থা সহজেই অনুমেয়। আমি পাকিস্তানি পত্রিকার খবর অনালাইনে পড়ার সময় নিচের মন্তব্য গুলো পড়ছিলাম এই প্রজন্মের চিন্তা ধারা সম্পর্কে একটু ধারনা পেতে। হ্যা, এটা ঠিক, অনেকেই ১৯৭১ এর জন্যে তাদের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেন কিন্তু বেশীরভাগই নিচের ধারণাপুষ্টঃ

Apology for what.? War is a bloody thing. Atrocities were committed on both the sides.Bengalis were fighting a war of liberation while the rest of Pakistan was fighting a war for perserving the nation as an a entity. Now suddenly old scores are being settled by attempting to hang a couple of elderly people whose only fault was loyality to their country—Pakistan.

পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সঙ্ঘঠন ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীর আন্দোলনের বিরুদ্ধে করাচী ও লাহোরের রাস্তায় প্রকাশ্যে বিক্ষোভ মিছিল করে। ১৯ জুলাই “ডন” পত্রিকায় প্রকাশিত সে বিক্ষোভের দুটো ছবি তুলে দিলাম নিচে। এই দুই ছবি পাকিস্তানের নতুন প্রজন্মের অনেক কিছুই তুলে ধরে।

পরিসমাপ্তিঃ

অতঃপর তাহারা মরিয়া আবারো প্রমাণ করিল, ‘একবার যে রাজাকার, মরলেও সে রাজাকার’।

“পাকিস্তানীদের আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও”- হুমায়ুন আজাদ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =