ঢেলে সাজানো হচ্ছে খাদ্য ব্যবস্থাপনা

খাদ্যে একটি শক্তিশালী ভীত স্থাপনের জন্য খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনে দেশে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পল্লী রেশন ব্যবস্থার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি চাল-গম কেনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আর খাদ্য কেনার ক্ষেত্রে উৎপাদনের ব্যয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে দাম ধরা হবে। যেন চাষিরা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। পাশাপাশি খাদ্য বিতরণ ও বিক্রির প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সংস্কার আনার পরিকল্পনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। কৃষি উপকরণে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হবে। সরকার সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পল্লী রেশনের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে খুব শিগগিরই একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। যেখানে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতামত নেয়ার সুযোগ থাকবে। এই পল্লী রেশনের জন্য সরকার ভর্তুকি দিতে প্রস্তুত। সামাজিক সুরক্ষার খাতিরে সামান্য কিংবা বিনা মূল্যে খাদ্য বিতরণ করা যেতে পারে। কিছু ভর্তুকি দিয়ে একটি বৃহত্তর গোষ্ঠীকে খাদ্য সরবরাহ করা প্রয়োজন। এই ভর্তুকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার সরাসরি দেবে। আবার অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে এই ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে আগামীতে আর কোনো খাদ্য গুদাম স্থাপন করা নাও হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। তবে পুরনো গুদামগুলোর উন্নয়ন করা হবে। সরকারি গুদামে শুধুমাত্র সরকারের খাদ্য মজুদ থাকবে। আর সরকারি মজুদ সংগ্রহের জন্য সঠিক সময়ে ও সঠিক মওসুমে খাদ্য কেনার বাধ্যবাধকতা আসছে। কিভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান, চাল, গম কেনা যায় সে ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই মজুদ সংগ্রহের জন্য খাদ্য কেনা একটি উত্তম পন্থা। কারণ এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে পারব। শুধু তাই নয়, যারা খাদ্যের বাজারে অস্থিতিশীল তৈরি করে তাদেরও এই কার্যক্রমের মাধ্যমে মোকাবিলা করা যাবে। এতে কৃষক লাভবান হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

96 − = 89