“আমাদের অগচরেই থেকে গেছে কি ভয়ঙ্কর গণহত্যার উত্তরসুরী আজকের তুরস্ক”

কথায় আছে “চোরে চোরে মাসতুত ভাই”তারাতো পাকিদের পক্ষ নিবেই কারন ১৯৭১ এ পাকিস্থানী বাহিনী আমাদের উপর যে নির্যাতন চালিয়েছিল,ঠিক একই রকম নির্যাতন তুর্কিরা চালিয়েছিল ১৯১৫-১৯১৯ আর্মেনীয় দের উপর।তাই দুই চোর এক হওয়াতে অবাক হইনি
“আমাদের অগচরেই থেকে গেছে কি ভয়ঙ্কর গণহত্যার উত্তরসুরী আজকের তুরস্ক”
কিছুদিন আগেই তো গেল ২৪ এপ্রিল, মাত্র এক বছর আগে, অর্থাৎ গত বছর সারা বিশ্বের আর্মেনীয় জনগোষ্ঠী তাঁদের স্বজনদের গণহত্যার শতবর্ষপূর্তি পালন করছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অটোমান তুর্কিদের হাতে বহু আর্মেনীয় নিহত হয়। বিশ্ববাসী এটাকে গণহত্যা হিসেবে জানে। আর্মেনীয় ‘গণহত্যা’র বিস্তারিত তুলে ধরা হলো
কয়েক শতাব্দীর পারস্য ও বাইজানটাইনের শাসনের পরে ১৯ শতকের মাঝামাঝি নাগাদ রুশ ও তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্যে বাস করছিল আর্মেনীয়রা। বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, অটোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ১৭ থেকে ২৩ লাখ আর্মেনীয় বাস করত। ১৯ শতকের শেষের দিকে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে অটোমান কর্তৃপক্ষ আনুগত্যের প্রশ্নে আর্মেনীয়দের সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, অটোমান শাসক সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের রাজত্বকালে এক থেকে তিন লাখ আর্মেনীয়কে হত্যা করা হয়। ১৯০৫ সালে আর্মেনীয়রা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদকে হত্যার চেষ্টা করে। তিনি অল্পের জন্য বেঁচে যান।
১৯১৪ সালে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের পক্ষ নিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয় তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্য। যুদ্ধ চলাকালে অটোমান কর্তৃপক্ষ আর্মেনীয়দের ‘ঘরের শত্রু’ বলে প্রচারণা চালাতে থাকে। ১৯১৫ সালের ২৪ এপ্রিল অটোমান সরকারের শত্রু বলে সন্দেহে আর্মেনীয় সম্প্রদায়ের কয়েক শ নেতা ও বুদ্ধিজীবীকে কনস্টান্টিনোপলে (বর্তমান ইস্তাম্বুল) বন্দী করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের বেশির ভাগকেই হত্যা ও নির্বাসিত করা হয়। আর্মেনীয়রা এই ২৪ এপ্রিল দিনটিকেই গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে দুটি আইনের মাধ্যমে আর্মেনীয়দের নির্বাসিত ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। তখন হাজার হাজার আর্মেনীয়কে মরুভূমির দিকে (বর্তমান সিরিয়ায়) পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে যারা বেঁচে যায়, তাদের ২৫টি বন্দিশিবিরে নেওয়া হয়। তখনকার বিদেশি কূটনীতিক ও গোয়েন্দা সংস্থার মতে, আগুনে পোড়ানো, পানিতে ডোবানো, বিষপ্রয়োগ এবং টাইফয়েড সংক্রমিত করাসহ বিভিন্ন নৃশংস পদ্ধতিতে আর্মেনীয়দের হত্যা করা হয়। ১৯১৮ সালের ৩০ অক্টোবর অটোমান সাম্রাজ্য মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে। যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নির্বাসিত আর্মেনীয়দের তাদের বাড়িতে ফিরে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়।
১৯১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কনস্টান্টিনোপলের সামরিক আদালত আর্মেনীয়দের হত্যাসহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অটোমান সাম্রাজ্যের কয়েক শীর্ষ কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালত তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে যাঁরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের বিচার করা যায়নি।

১৯১৫ থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে আর্মেনীয়দের ১৫ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়।
২০০০ সালে নোবেল বিজয়ী, ঐতিহাসিক, সমাজবিজ্ঞানীসহ ১২৬ জন বিশেষজ্ঞ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আর্মেনীয় গণহত্যা একটি অকাট্য ঐতিহাসিক ঘটনা। ২০০৫ সালে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের কাছে এক খোলা চিঠিতে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্স বলেছিল, তথ্য-প্রমাণে এটা প্রমাণিত যে অটোমান সরকার ‘তাদের আর্মেনীয় নাগরিকদের ওপর পরিকল্পিত গণহত্যা’ চালায়।
রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর প্রথমবারের মতো এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এটা আর্মেনিয়া ও তুরস্কের অভিন্ন ব্যথা। তবে আর্মেনিয়া এটি নাকচ করে দিয়েছে।
১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের গণহত্যাবিষয়ক কনভেনশনে গণহত্যার সংজ্ঞায় বলা হয়, কোনো জাতি, নৃগোষ্ঠী বা ধর্মীয় সম্প্রদায়কে পুরোপুরি বা আংশিক নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হয়, তা-ই গণহত্যা।

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে তুরস্ক প্রমাণ করেছে যে তারা শুধু ইতিহাসের জঘন্য গণহত্যাকারী নয়, গণহত্যার সমর্থনকারীও।
ছবিটা দেখে আপনিও আতকে উঠতে পারেন বা ভাবতে পারেন এটা কোনো সিনেমার ছবি কি-না। কিন্তু এটা কোনো সিনেমার নয়। এটা আর্মেনিয়ান গনহত্যার ছবি।
১৯১৫ থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত আর্মেনিয়ার বর্বরতম গনহত্যা চালিয়ে প্রায় ১৫ লক্ষ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছিল তুরষ্ক। আর এই গনহত্যার বিচার আজও হয়নি। অথচ, এই তুরষ্কের মুখে বড় বড় কথা।
আসলে শয়তানগুলো রসুনের মতন। একটা জায়গায় তাদের মিল রয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা ও ধর্ষনের মতন বর্বরতার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করায় গণহত্যাকারী তুরষ্কও আজ মায়া কাঁন্নায় দিশেহারা হয়ে তাদের রাস্ট্রদূতকে নিজ দেশে ডেকে নিয়েগেছে।

শুধু তুরষ্কই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে কেউ নাক গলাতে আসলে তাদের নাক থেতলে দেওয়ার জন্য সদা প্রস্তুত বাংলার নতুন প্রজন্ম।
নিউজটা পড়ে আমি দারুন আনন্দিত।যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে গিয়ে আজ বাংলাদেশ অনেক বড় একটা সফলতা অর্জন করল।আমি জানি না,তুরস্কের সাথে আমাদের কতটা ব্যবসায়িক লেন-দেন আছে,তবে এটা জানি তুরস্ক জামায়েতে ইসলামের বড় একটি ঘাঁটি।আমি ব্যক্তিগতভাবে চাইব তুরস্কের সাথে সম্পর্কটা ছিন্ন হয়ে যাক।প্রতি বছর ইস্তাম্বুলে ইসলামিক কনফারেন্স হয়ে থাকে,যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলেমরা একত্রিক হয়।সেখানে বাংলাদেশ থেকেও কয়েকজন দাওয়াত পায়।কিন্তু দূর্ভাগ্যভাবে জামায়তে ইসলাম ও এদের সমমনারাই সেখানে উপস্থিত হয়ে থাকে;যারা বাংলাদেশে ইসলাম নাই বলে সকলকেই অবগত করে।এমনি তুরস্কের রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও এই বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়।তুরস্কসহ অন্যান্য দেশের আগত আলেমরা জানেন যে বাংলাদেশে জামায়তে ইসলামই ইসলাম চর্চা করে।এইজন্যি তারা জামায়েত ইস্যুতে এতটা মর্মাহত।
গতবার আমার পরিচিত একজন আলেম সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন;যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।তিনি তার অভিজ্ঞতায় যা বর্ননা করলেন, তাতে তিনি মর্মাহত।তিনি বলেন, ওরা কিভাবে পারে দেশের বদনাম করতে।
যদি তুরস্ক স্থায়ীভাবে কাঁথা বালিশ গুটিয়ে নেয়,তবে বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য বিপদ থেকেই বাঁচবে।যতটা পাকিস্থান ঝুকিপূর্ণ, তারচেয়েও অনেক বেশি ঝুকিপূর্ণ তুরস্ক।সরকারের উচিত ইস্তাম্বুলের সম্মেলনে এবং তুরস্ক ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা।এটাই হবে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের উপযুক্ত জবাব।কতৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে পারেন।

What is the Armenian Genocide?
The extermination of Armenians in the Ottoman Empire and the surrounding regions during 1915-1923 is called the Armenian Genocide.
Those massacres were masterminded and perpetrated by the government of Young Turks and were later finalized by the Kemalist government.
The First World War gave the Young Turks the opportunity to settle accounts with Armenians living in the Ottoman Empire, thus implementing the decision of the secret meeting of 1911 in Thessaloniki. The plan was to tukify the Muslims and to exterminate the Armenians living in the Ottoman Empire. Talaat Pasha (Interior Minister), Enver Pasha (Minister of Military Affairs), Djemal Pasha (commander of the Palestinian Front), Behaeddin Shakir Bey (Young Turk Central Committee member) and others were among the orchestrators of the project.
Intending to annihilate Armenians, they wanted to eliminate the Armenian Question. Armenia and Armenians were an obstacle on the way of the project of the Yong Turks. Their dream of “Great Turan” was to stretch from the Bosphorus to Altai. During the First World War the Young Turks perpetrated massacres against Assyrians, Greeks and Arabs living in the Ottoman Empire.
In February 1915 the military minister Enver Pasha ordered to eliminate the Armenian soldiers serving in the Army. On April 24 and the following days 800 Armenians were arrested in Constantinople and exiled to the depths of Anatolia. Armenian writers, journalists, doctors, scientists, clergymen, intellectuals including Armenian members of the parliament were among them. A part of them died on the way of the exile, while others died after reaching there. The first international response to the violence resulted in a joint statement by France, Russia and the Great Britain in May 1915, where the Turkish atrocities against the Armenians were defined as “a crime against humanity and civilization”. According to them, Turkish government was responsible for the implementation of the crime.
তথ্য-Collection of the Armenian Genocide Museum & Institute Archive
Collection of the Armenian National Archive
Collection of the “Album of refugees 1915-1916”
Collection of “Armjanski vestnik” weekly
Collection of German Archive
Collection of Near East Relief Society
Collection of Victor Pitchman
Collection of Lasley Davis
Collection of Bodil Biorn
Collection of Maria Jakobsen
Collection of Arab eyewitness
Collection of Armin Wegner Society
Collection of the Russian ethnographic museum
Collection of National Geographic magazine
Collection of the Library of Congress
Collection of st. Lazar Mkhitarian Congregation
Collection Russian language “Iskri” newspaper
Collection of Yereven history museum

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on ““আমাদের অগচরেই থেকে গেছে কি ভয়ঙ্কর গণহত্যার উত্তরসুরী আজকের তুরস্ক”

  1. সুন্দর লিখেছেন। তুর্কী ও
    সুন্দর লিখেছেন। তুর্কী ও পাকিস্তানী—দুইটাই শয়তান। এদের পতন চাই।
    আর আপনাকে শুভেচ্ছা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

63 − = 61