এরা মলে কি!আর বাঁচলে কি!!

আমাদের দেশে কি নাই?সবই আছে।সরকারআছে,মন্ত্রী আছে,আমলা আছে,রাজনীতিবিদ
আছে,গরীব মাইনষ্যের শ্রম
শুষে কোটিপতি বনে যাওয়া কয়েকহাজার গার্মেন্টস মালীক আছে।আরওআছে কবি-সাহিত্যিক,বুদ্ধিজীবী,ডাক্ত­
ার,ইন্জিনিয়র,ব্যারিষ্টার,বগ্লার সহকত চীজ।আরও আছে একদল আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত সেনাবাহিনী,যাদের ­পিছনে এই গরীবদেশের সর্বোচ্চ
বাজেট যায়।যাক সমস্যা নাই,দেশটাতো নিরাপদে আছে।

গত কয়েকবছরে যে পরিমাণ ভবনধ্বস,আর গার্মেন্টেসে আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে সেখানে সর্বোচ্চ প্রাণহানির শিকার
হয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা।তাই
সরকার মহাশয় আর মালীকপক্ষ লাশের বিপরীতে ক্ষতিপূরণ আর আহতদের চিকিত্সা দিয়ে খালাস।

উদ্ধারকাজে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহন অবশ্যই
প্রশংসাযোগ্য,কিন্তু উদ্ধার
কর্মে প্রশিক্ষণহীন এসব মানুষ
কতটা দক্ষভাবে উদ্ধারকাজ
চালাতে পারবে বা নিজেরা ভূল
করে দুর্ঘটনা ঘটাবেনা এর
কি নিশ্চয়তা।সরকার দমকল
বাহিনী বিশেষ করে ঢাকা শহরের মত সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ শহরে কতটা বিশাল পরিমান দক্ষ জনশক্তি এবং উদ্ধার সরঞ্জামে স্বয়ংসম্পূর্ণ
হওয়া জরুরী সাভারের রানা প্লাজার ভবন ধ্বসে আরেকবার প্রমাণিত হল।লজ্জার বিষয় গতকাল সন্ধ্যায় চাঁদা তুলে টর্চলাইট কিনতে হয়ে উদ্ধার কর্মীদের। প্রয়োজনীয় ক্রেন,ড্রিল মেশিন,ও ধ্বংসস্তুপ সরানোর ট্রাকের অভাবে উদ্ধারকাজ
চরমভাবে বাধাগ্রস্থ হয়,ফলে কত
বাঁচার আকুঁতি নিয়ে স্তুপের নিচের
চাপা পড়া মানুষ নিজেই জীবন
ছেড়ে দিয়েছে।সরকার
৮০০০কোটি টাকা দিয়ে অস্ত্র
কিনতে পারে দেশের
দমকলবাহিনীকে জনবল ও উন্নত
ইকুইপমেন্টে সজ্জিত করতে পারেনা?এটা মানতে পারলাম না।আসল কথা হচ্ছে সদ্দিচ্ছার অভাব।

বঙ্গভবন,প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ধ্বসে পড়ার ভয় নেই,যত
সমস্যা গার্মেন্টসের ঝুঁকিপূর্ণ
ভবনে কাজ করা শ্রমিকদের।এদের
আবার কিসের নিরাপত্তা!এরা
মলে কি আর বাঁচলে কি!!
লাশের দামতো মাত্র ১,২০,০০০ এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা মাত্র।তাই এসব
চাপা পড়া শ্রমিকদের জন্য সরকার
কোটি কোটি টাকা খরচ
করে দমকলবাহিনীকে উন্নত
করবে কেন?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “এরা মলে কি!আর বাঁচলে কি!!

  1. একজন ভিক্ষুকও তার থলেটির যত্ন
    একজন ভিক্ষুকও তার থলেটির যত্ন নেয়, কারন থলে দেখিয়েই তাকে ভিক্ষা করতে হয়। আমাদের গার্মেন্টস মালিকেরা এইটুকুও বুঝে না। আজকেই নিউজে দেখলাম মার্কিন এম্বেসেডর বললেন- এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রভাব পড়বে। একসময় এরা কারখানা আর মেশিন নিয়ে বসে থাকবে, কিন্তু বায়ার খুঁজে পাবে না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

66 + = 68