মুমিনদের প্রতি কারন দর্শাও নোটিশ: ১৩ টা বিয়ে করার কারনে নবী মুহাম্মদকে কেন নারী লিপ্সু বা লুইচ্চা বলা যাবে না ?

যারা একই সাথে বহু নারীর সাথে সম্পর্ক রেখে সহবাস করে , বহু বিয়ে করে , একই সাথে বহু স্ত্রী নিয়ে ঘর করে – তাদেরকে আমরা সাধারন ভাষায় লুইচ্চা বলি। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান একজন সেলিব্রিটি লুইচ্চা , কারন তিনি ঘরে বউ থাকতেও বহু নারীর সাথে সম্পর্ক রাখত ও এমনকি বেশ কয়টা বিয়ে করেছিল। ইতিহাসের বহু সম্রাট, রাজা এরাও আসলে লুইচ্চা ছিল কারন তার বহু নারী নিয়ে হেরেম বানাত। আমাদের নবীর ক্ষেত্রেও দেখা যায়, তার প্রকৃতিও সেই রকম ছিল। সে কমপক্ষে ১৩ টা বিয়ে করেছিল , এ ছাড়া দাসীর সাথে সংগম করত। তাহলে তাকে কেন লুইচ্চা বলা যাবে না ?

কোরান বলেছে :

সুরা নিসা -৪: ৩: আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।

অর্থাৎ কোরান এক সাথে চারটা স্ত্রী রাখার অনুমতি দিয়েছে। যার সোজা অর্থ , ইসলাম মুসলমানকে লুইচ্চা হতে উৎসাহিত করেছে অথবা অন্য কথায় , ইসলাম লুইচ্চামিকে বৈধতা দিয়েছে। তবে সাধারন মুসলমানের ক্ষেত্রে সেই সীমা মাত্র চার জন স্ত্রী। সুতরাং তাদের ওস্তাদ , মুহাম্মদের ক্ষেত্রে যে চারজনের বেশী স্ত্রী থাকবে , সেটা বলাই বাহুল্য। কারন ওস্তাদের জন্যে কোন সীমা পরিসীমা থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। বাস্তবে ঘটনাও সেটা ঘটেছে। মুহাম্মদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, আল্লাহ তাকে যেমন ইচ্ছা খূশী বিয়ে করার লাইসেন্স দিয়েছিল। লুইচ্চাদের নেতা বা ওস্তাদ যে মহা লুইচ্চা হবে , সেটার বিধান কোরানেই আছে –
সুরা আহযাব- ৩৩: ৫০: ————- কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে।–———–

অর্থাৎ মুহাম্মদ যত ইচ্ছা খুশী বিয়ে করতে পারবে। কারন সে তো হলো লুইচ্চাদের ওস্তাদ। তার জন্যে কি কোন সীমা থাকা উচিত ? হাদিসে একটা প্রাথমিক ইঙ্গিত আছে মুহাম্মদের কতগুলো স্ত্রী ছিল –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৫ :: হাদিস ২৬৮
মুহাম্মদ ইব্ন বাশ্‌শার (র) ………. আনাস ইব্ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তাঁর স্ত্রীগণের কাছে দিনের বা রাতের কোন এক সময় পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেওয়া হয়েছে।

এই এগারজন স্ত্রী ছিল খাদিজা মারা যাওয়ার ও একজন স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর। তার মানে মুহাম্মদ কমপক্ষে মোট ১৩ জনকে বিয়ে করেছিল। তবে সিরাত ও অন্যান্য ইসলামিক সূত্র ( ইবনে ইসহাক , ইবনে হিসাম , আল তাবারী ও ইবনে সাদ) থেকে জানা যায়, মুহাম্মদের আসলে ২০ জনের বেশী স্ত্রী ছিল। এ ছাড়া তার অনেক দাসী ছিল যাদের সাথে সে নিয়মিত যৌন সঙ্গম করত। তার সকল স্ত্রী ও দাসীর নামের তালিকা পাওয়া যাবে নিচে :

https://wikiislam.net/wiki/List_of_Muhammads_Wives_and_Concubines

এই যখন অবস্থা , তখন মুহাম্মদকে কেন নারী লিপ্সু বা লুইচ্চা বলা যাবে না ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “মুমিনদের প্রতি কারন দর্শাও নোটিশ: ১৩ টা বিয়ে করার কারনে নবী মুহাম্মদকে কেন নারী লিপ্সু বা লুইচ্চা বলা যাবে না ?

  1. নবিরে নারী লিপ্সু বলা যাবে না
    নবিরে নারী লিপ্সু বলা যাবে না কারন স্বয়ং আল্লাহ তাকে বিবাহ করার অনুমতি দিছেন ।

  2. আপনি লুইচ্চা বলতে কি
    আপনি লুইচ্চা বলতে কি বুঝাচ্ছেন?? একাধিক বিয়ে করা লুইচ্চামি নাকি রাস্তা ঘাটে পশুদের মতো যাকে ইচ্ছা তার সাথে………

  3. তোমার নাম এবং লেখনির মধ্যে
    তোমার নাম এবং লেখনির মধ্যে এতো সুন্দর অন্তঃমিল দেখে বড়ই চমৎকৃত হইলাম। কোথায় যেন পড়েছিলাম, গাধাকে যতই বাঘের ছাল পড়ানো হোক না কেন, তার মুখ থেকে গাধার ডাক বৈ বাঘের গর্জন বাহির হইবেনা।
    যা-ই হোক, লেখাটি পড়লাম। বুঝতেই পারছি, তোমাদের চুলকানি কেবল ইসলামকে নিয়ে। এখানে বলা হয়েছে মহানবী (সাঃ) এর ১৩ জন স্ত্রী ছিলো। কিন্তু এটা বলা হয়নি যে কখনো একসাথে চারজনের বেশী ছিলো না।

    আর ১৪০০ বছর আগে একাধিক বিবাহ করার কারনে তাকে লুইচ্ছা বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি সমাজ, পরিবার এবং ধর্মসম্মত ভাবেই তাদের বিয়ে করেছিলেন। অথচ আজ যদি কোন ব্যক্তি একাধিক গার্লফ্রেন্ড রাখে, কিংবা পতিতালয়ে যাতায়াত করে, তোমরা তখন মাথা পশ্চাতদেশে ঢুকিয়ে বসে থাকো।

    যদি মধ্যযুগের দিকে নজর দেই, তাহলে প্রমাণ পাওয়া যায় খোদ বৃটিশ আমলের ভারতবর্ষের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা অনেকে শতাধিক বিয়ে করতো। কই তাদের তো একবারও কিছুই বলা হলোনা। তাছাড়া আমাদের দাদার আমলের লোকেরাও ১০-১২ টি করে বিয়ে করতেন। যদি আধুনিক যুগে নজর ফেরাই, তাহলে বলতে হয় দক্ষিন আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার কথা। তিনি অলরেডি ৫ স্ত্রী নিয়ে সংসার করছেন। কই, এই ব্যাপারে তো কোন পোস্ট দেখলাম না। আবার প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদ স্যার, তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন। এমনকি তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন তার মেয়ের বান্ধবী। তাহলে কারন আগে দর্শাও, তাকে কেন লুইচ্ছা বলা যাবে না। এছাড়া জাফর ইকবাল সাহেব, নিজের ছাত্রীর সাথে যার রগরগে নাচের কথা সর্বজনবিদিত, কই এ ব্যাপারে তো কোন পোস্ট পেলাম না। নাকি এই ব্যাপারে নাক গলাতে গেলে নাকই থাকবেনা?

    এছাড়া জাতীয় কুলাঙ্গার হুমায়ুন আজাদ, যে তার নিজ মেয়ের সাথে নষ্টামি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলো, এই ব্যাপারেও তো তোমাদের কোন মাথাব্যথা নেই। আবার তোমাদের জাত ভাই নারকীয় অনন্ত, আশামনির সাথে যার লুইচ্ছামি সর্বজনবিদিত, কই এই ব্যাপারেও তো কিছুই বলনি।

    দেখ, সময় থাকতে ভালো হয়ে যাও। না না, আমি চাপাতির ভয় দেখাচ্ছিনা। কারন, মাছি মেরে হাত কালো করার কাজ আমাদের করার প্রয়োজন নেই। তোমাদের উপর চাপাতি চালনা তারাই করবে, যারা তোমাদের গড়ে তুলছে। আসলে তোমরা তো গৃহপালিত পশুপাখির মতো; বিশেষ বিশেষ উপলক্ষে তোমাদের পালকেরাই দু একটাকে ধরে জবাই করে আরকি।

    চিত্রঃ নাস্তিকদের প্রতি প্রশ্চিমাদের বাড়িয়ে রাখা সেই লোভনীয় হাড়

    1. গাধাকে যতই বাঘের ছাল পড়ানো

      গাধাকে যতই বাঘের ছাল পড়ানো হোক না কেন, তার মুখ থেকে গাধার ডাক বৈ বাঘের গর্জন বাহির হইবেনা। –

      একেবারে হাচা কথা কইছেন। আর তার প্রমান হলেন আপনি। দেখুন কত সুন্দর করে সব কিছু স্বীকার করেও আবার সব কিছুই অস্বীকার করছেন। অর্থাৎ নিজের সাথে নিজেই প্রতারনা করছেন।

      বুঝতেই পারছি, তোমাদের চুলকানি কেবল ইসলামকে নিয়ে।

      জামাতিরা হুংকার দেয় – তারা দেশে শরিয়া কায়েম করবে। হেফাজতিরা হুংকার দেয় তারা দেশে শরিয়া কায়েম করে আই এস স্টাইলে খেলাফত কায়েম করবে। এত সব হুংকার যখন তারা দেয় ইসলামের ভিত্তিতে , তখন ইসলাম নিয়ে তো ভাবতে হবেই। তাছাড়া সারা দুনিয়া সহিহ মুমিনেরা যেভাবে ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কান্ড করছে , আত্মঘাতী হামলা চালাচ্ছে , সিরিয়া ইরাকে ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে যে বর্বরতার রাজত্ব কায়েম করেছে – এসব দেখে যদি কেউ ইসলাম নিয়ে না ভাবে , তাহলে বুঝতে হবে , সে মিথ্যাবাদী ও মুনাফিক।

      যখন মুহাম্মদের ১৩ টা স্ত্রীর সাথে আমাদের দাদা নানা , জ্যাকব জুমা ইত্যাদির তুলনা করেছেন , তখনই বুঝে গেছি , আপনার ঘিলু মাথায় নয়, পায়ের গোড়ালিতে। আমাদের দাদা নানা , বা জ্যাকব জুমা এরা কি নিজেদেরকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ দাবী করে ? হুমায়ূন আহমদ কি নিজেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ দাবী করেছিলেন ? খেয়াল করুন , জ্যাকব জুমা বা হুমায়ূন আহমদের এইসব কাম কারবারের জন্যে মানুষ তাদেরকে বহু সমালোচনা করে থাকে। আর তারা তখন তাদের ওপর চাপাতি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে না।

      যেহেতু আপনারা দাবী করেন মুহাম্মদ হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ , তাই তার এই ১৩ টা বিয়ে হলো একটা আদর্শ কাজ , কি বলেন ? কিন্তু সমস্যাটা হলো , আমরা যখন তার এই কান্ডকে একটা আদর্শ কাজ বলে প্রচার করি , তখন আপনারাই চাপাতি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েন। তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? মুহাম্মদের মধ্যে নাকি আপনাদের মধ্যে নাকি ইসলামে ?

  4. গাধা কে সেটা পোস্ট দেখেই বুঝা
    গাধা কে সেটা পোস্ট দেখেই বুঝা যায়। তুমি দেখাও, পৃথিবীর কোন দেশের কোন আইনে বা কোন ধর্মে আছে যে একাধিক স্ত্রী রাখা লুইচ্ছামি? অথচ, পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশেই বিবাহপুর্ব দৈহিক সম্পর্ক অনৈতিক।
    জ্বী, মহানবী (সাঃ) পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন, এতে দেশ, ধর্ম এবং সমাজের সম্মতি ছিলো। সুতরাং এতে দোষের কি আছে?
    যদি আমাদের ঘিলূ পায়ের তলায় থাকে, তবে তোমাদের ঘিলু রয়েছে পাছার ভিতরে।
    আর সন্ত্রাসবাদের কথা বলছ? নিচের লিস্টটা একবার দেখোঃ পৃথিবীর শীর্ষ কিছু কিলার
    মাওসেতুং (নাস্তিক)- ৭ কোটি ৮০ লাখ
    হিটলার (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৭০ লাখ
    জোসেফ স্তালিন (নাস্তিক)- ২ কোটি ৩০ লাখ
    লিওপন্ড-২ (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৫০ লাখ
    হাইভেকি তোশো (বৌদ্ধ)- ৫০ লাখ
    পল পট (নাস্তিক)- ৩০ লাখ
    কিম ইন-সাং (নাস্তিক)- ১৬ লাখ
    মেনপিশটু হেইলি মারিয়াম (নাস্তিক)- ১৫ লাখ
    জর্জ ডব্লিও বুশ (খ্রিষ্টান)- ১০ লাখ

    পৃথিবীতে আস্তিকদের হাতে যত মানুষ মরেছে, তার চেয়ে লক্ষকোটি গুন বেশী হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে নাস্তিকদের দ্বারা। এজন্য আমরা বলে থাকি, নাস্তিকরাই হচ্ছে বেজন্মা, জারজ এবং আসল সন্ত্রাসী।

  5. আপনি একটা হাস্যকর মানুষ ।
    আপনি একটা হাস্যকর মানুষ । আপনার পোস্টের শেষ হাদিসটিতে বলা হয়েছে মহানবী (সাঃ) এর গায়ে ৩০ জনের শক্তি ছিলো, আচ্ছা আপনার কাছে প্রশ্ন, আপনি বলেন ইসলাম মিথ্যা ধর্ম , আল্লাহ বলতে কিছু নেই , তাহলে ৩০ জনের শক্তি মহানবী (সাঃ) কোথা থেকে পেলেন?? যুক্তি সহ ব্যাখ্যা চাই!!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 4 =