বিখ্যাত উপন্যাস সোফির জগৎ এর লেখক ইয়স্তাইন গোর্ডার এর সাক্ষাৎকার।

আন্না মেটকাফ নামক এক সাংবাদিক ইয়স্তাইন গোর্ডার এর এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন ২০১০ সালের মে মাসের ৩০ তারিখ।

নরওয়ের ঔপন্যাসিক ইয়স্তাইন গোর্ডার তার ৩য় উপন্যাস সোফির জগৎ লিখে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন, একটি দার্শনিক কাহিনীটি একজন কিশোরীর চোখ দিয়ে উপস্থাপিত হয়েছে,তার এই বইটি ৩০মিলিয়ন এর বেশি কপি বিক্রি হয়েছে,তিনি নরওয়েতে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন সেখানে এবং ১৯৮১ সালে বার্গেন এ চলেয়ান এবং ফুল টাইম রাইটার হওয়ার আগে সেখানে তিনি সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে পড়াশুনা করেন, তিনি স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ত্তস্লো শহরে বসবাস করতেন।

আন্না মেটকাফঃ আপনার নিখুঁত পাঠক কে?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ আমার সম্পাদক, তিনি আমার একজন খুব ভালো বন্ধু বটে।


ইয়স্তাইন গোর্ডার এর বিখ্যাত উপন্যাস সফির জগৎ।

আন্না মেটকাফঃ আপনার পাসে এগুলা কিসের বই?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান এবং পৃথিবীতে জীবনের বিবর্তন ইতিহাস সম্পর্কিত বই- আমি এই বই গুলা পড়ি ঘুমাতে যাওয়ার আগে। আমি এই পৃথিবী সম্পর্কে অনেক বেশি জানতে চাই যতদিন আমি পৃথিবীতে বেঁচে আছি।

আন্না মেটকাফঃ কখন আপনি বুঝতে পারলে আপনি একজন লেখক হতে যাচ্ছেন?
ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ যখন আমার বয়স ১৯, আমি আমার বউয়ের সাথে দেখা করি। এবং আমি কিছু দিন ভাবার পর ঠিক করলাম আমি লেখলেখি করবো। ঠিক তখনি আমি তার প্রেমে পড়ি।


আন্না মেটকাফঃ
কোন সাহিত্যর সাথে আপনার অনেক মিল?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ টমাস ম্যান এর “দ্যা ম্যাজিক মাউন্টেন”। সে ছিল সাদাসিধা এবং বুঝতে চাইত সব কিছু, সে কোন ধরনে প্রশ্ন জিজ্ঞাস করতে মোটেও ভয় পেত না।

আন্না মেটকাফঃ আপনার সাহিত্যিক হওয়ার জন্য কে আপনাকে উৎসাহ যুগিয়েছে?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ হোর্হে লুইস বোর্হেস, Dostoevsky, হারমান হেস এবং Norwegian লেখক Knut Hamsun- এমন না যে আমি মনে করি যে আমি এইসব লেখকদের মত লিখতে পারবো। A. A. Milne, Antoine: Saint-Exupéry, ডিকেন্স, এবং 19 শতকের Norwegian লোককাহিনী দ্বারা আমি আরো অনুপ্রাণিত হয়েছি ছোট এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য বই লিখতে।

আন্না মেটকাফঃ আপনার প্রতিদিনের লেখার রুটিনটা কি?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ আমার নিদিষ্ট রুটিন ছিল না, আমি অনেক কিছুর সাথে যুক্ত, আমি পরিবেশ আন্দোলনে খুব সক্রিয়, সোফির জগত লিখতে আমার তিনমাস লেগেছে, এসময় আমি শুধু লিখতাম আর ঘুমাতাম। আমি যখন কাজ করি তখন একদিনে ১৪ ঘন্টাই করি।

আন্না মেটকাফঃ কোন বইটা আপনার জীবনে পরিবর্তন এনেছে?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ দুইটা বই, Lillelord (১৯৫৫)লিখেছেন জোহান বরগেন এবং ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট লিখেছেন Dostoevsky, আমার বয়স তখন ১৮, এই বই গুলো একটা বালককে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

আন্না মেটকাফঃ আপনি কি নিয়ে ভীত?
ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বড় চ্যালেঞ্জ, আমরা মানুষ এখন এটার সামনে দাঁড়িয়ে আছি।

আন্না মেটকাফঃ এই পৃথিবীর কোন জায়গাটা আপনার সব থেকে প্রিয়?

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ আমার সর্বশেষ উপন্যাস, The Castle in the Pyrenees,জায়গাটা নরওয়ের বৃহত্তম সমুদ্রের খাঁড়ি একটা শাখা। যেখানে একটা পুরনো একটা কাঠের হোটেল আছে। আমি সেখানে লিখতাম।

আন্না মেটকাফঃ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সময় দেওয়ার জন্য।

ইয়স্তাইন গোর্ডারঃ আপনাকেও ধন্যবাদ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

16 + = 20