প্রেমপত্র-৫৭

জানো দেবী ?
তোমার ঐ নয়ন পানে চেয়ে আমি কত যে ভুল করেছি একটির পর একটি পত্র লিখতে গিয়ে।ঐ মায়াবী আঁখিতে ডুব দিয়েছি আহরহ।খুন হয়েছি তার গভীরতায়।খুব ইচ্ছে করে তোমাকে শাড়িতে দেখতে,পাগল হই এই ইচ্ছেতে প্রতিদিন। তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি কতোবার দ্বারস্ত হয়েছি আমি গীতিকবিতার,কতোদিন মুখস্ত করেছি এই নদীর কল্লোল কান পেতে শুনেছি ঝর্ণার গান,বনে বনে ঘুরে আহরণ করেছি পাখির শিস্ উদ্ভিদের কাছে নিয়েছি শব্দের পাঠ;তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি সংগ্রহ করেছি আমি ভোরের শিশির,তোমাকে লেখার মতো প্রাঞ্জল ভাষার জন্য
সবুজ বৃক্ষের কাছে জোড়হাতে দাঁড়িয়েছি আমি-ঘুরে ঘুরে গুহাগাত্র থেকে নিবিড় উদ্ধৃতি সব করেছি চয়ন;তোমাকে লিখবো বলে জীবনের গূঢ়তম চিঠি হাজার বছর দেখো কেমন রেখেছি খুলে বুক।
তুমি কি জানো,মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা না ঘুমিয়ে বসে রই! তারপর চুপচাপ স্বপ্ন গুলোকে তোমার হাতে তুলে দিয়ে আসছে প্রত্যুষে হারিয়ে যাই।যদি তোমার হাতে স্বপ্নের লাল-রং হয়, যদি তুমি মেখে আস সোনালী সময়;আমি পারবোনা হারাতে তোমাকে তাই তুমি আসার আগেই আমি হারিয়ে যাই।
আমি চাই তুমি আমাকে খুঁজে নাও আর তুমি আমাকেই চাও,তুমি জেনে নিও ময়মনসিংহের কলেজ রোডে যে ভিখেরি টা রোজ দাঁড়িয়ে থাকে কিছু পয়সার অপেক্ষায়।আমিও তেমন পরম প্রত্যয়ে তোমার জন্যই অপেক্ষারত।তুমি সেই ভিখেরিকে কিছু খেতে দিও। কসম আল্লাহর, আমি চলে আসবো কোন এক ঝড়ের রাতে,তোমার দরজায় কড়া নাড়বো।
জানো কতো অভিযোগ তোমার কাছে কতো অভিযোগ আমার।এতো কাছে তবু হায় ছুঁয়ে দেখিনি তোমাকে,কেন যে সরাসরি বলিনি তোমায় ভালোবাসি আর আমি নিশ্চুপ চিত্‍কার করে বলতে চাই “ভালোবাসি তো”
তুমি একটা কথা ভাল করে জেনে নিও মেয়ে তুমি কখনও একলা হবেনা কারন এই আমি প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ঠায় দাড়িয়ে পিছন থেকে তোমাকে ডাকে যাব। আমার প্রতিটা ভালবাসার আহবান জানান দিবে তুমি কখনই নিঃসঙ্গ নও।
আচ্ছা তুমি এত মায়াবতী কেন? অামার সাদা পাঞ্জাবীর চেয়ে উজ্জল তোমার দাঁত দোপাটি।অমাবস্যার ভয়ঙ্কর কালো হার মানে তোমার চুলের কাছে এসে তুমি শুধু উজ্জ্বল নও, তোমার শরীরের রঙ মোহনিয়
যা দেখে অামি কেবলই খুন হয়ে যাই!!
তোমারই
আদিত্য

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 2