চালু হচ্ছে আলুর ‘প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার’

বর্তমান সরকার দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন ও তা বাস্তবায়ন করেছেন।দেশের মানুষের সকল প্রকার সমস্যা দূর করতে সরকার সর্বাত্মক সচেষ্ট।দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে প্রয়োজন সর্বপ্রথম দেশের খাদ্য ঘাঁটতি পূরণ করা এবং দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা। সেই আলোকে সরকারী উদ্যোগে কৃষকেরা আরও বেশী সচেতন হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাটের কৃষকরা হিমাগারের বিকল্প হিসেবে তৈরি করেছেন ‘প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার’। কৃষি ইউনিটের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় ও তত্ত্বাবধানে তৈরি করা হয়েছে প্রাকৃতিক আলু সংরক্ষণাগার। চতুর্দিকে ৬ ফিট করে একটি বাঁশের চাটাইয়ের ঘর, উপরে খড়ের ছাউনি। ভেতরে মাচার মতো ৩টি স্তর বা তাক করে তাতে প্রায় এক’শ মণ আলু সাজিয়ে রাখা যায়।আলু সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা প্রকৃত দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আবার আলু লাগানোর সময় হলে ভালো বীজ পাওয়া নিয়ে পড়েন সংকটে। এসব দিক বিবেচনা করে সরকার দু’টি ‘প্রাকৃতিক আলু সংরক্ষণাগার’ গড়ে তুলেছেন পরীক্ষামূলকভাবে।পরবর্তীতে আরও তৈরি করার পরিকল্পনা হচ্ছে। এবং কৃষকরা যেন সঠিক সময়ে ভাল বীজ সরবারহ পায় সেদিকে সরকার সজাগ হচ্ছেন। এভাবে সঠিক সংরক্ষণের সুযোগ ওসঠিক সময়ে ভাল বীজ সরবারহের মাধ্যমে দেশের কৃষি্তে প্রভুত উন্নতি সাধিত হচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 42 = 45