দুই একজন স্যারের গল্প ও একজন হেফাজতী সফি

ঢাবি: অর্থাভাবে ১৪ বছর ধরে একতলায়ই আটকে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের ভবন নির্মাণের কাজ। ক্লাসরুম সংকট, অপরিসর গবেষণাগার, শিক্ষকদের ঠিকমতো জায়গা হয় না। এমন অবস্থায় এগিয়ে এলেন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফি। নিজের সারা জীবনের সঞ্চয় ৪০ লাখ টাকা দান করলেন প্রিয় বিভাগের ভবন নির্মাণের জন্য।

এ যেন আরেক সফি স্যারের গল্প। হেফাজতী সফি আর অধ্যাপক সফির মাঝে পার্থক্য হল,একজন হেফাজতী সফি চিটাগাং রেলওয়ের জমি হাদিয়া পেয়েছেন মাদ্রাসা চালানোর নামে মানুষের কাছ থেকে আল্লার নামে টাকা নিয়ে নিজে সম্পদের পাহাড় গড়ে। আর এক জন অধ্যাপক সফি সারা জীবনের সঞ্চয় তুলেদেন সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, যেখানে প্রথম স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। এবং এই প্রতিষ্ঠানের বেতনের সঞ্চয়ই আবার প্রতিষ্ঠানের কাছে ফিরিয়ে দেন। লোকটাকে দাড়িয়ে একবার সম্মান জানালাম।

হেফাজতী সফি যতটা ঘৃণাপ্রাপ্ত, অধ্যাপক সফি আমার কাছে তারথেকেও বেশী সম্মানিত হয়ে থাকবেন। ঐ ভবনের সামনে দিয়ে যতবার যাওয়া আসা করা হবে ততবার এই হাস্যজ্জ্বল মুখটা চোখের সামনে চলে আসবে
অফ দা টপিক-
পিয়ার সাত্তার স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। কারণ, কমিটির সদস্যরা নিজেদেরকে অযোগ্য প্রমাণ করেছেন। প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করার চিঠি যেই সভার কথা বলে দেয়া হয়েছিলো, সেই সভায় এই বিষয়ে কোনো এজেন্ডাই ছিল না।

প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত বেআইনি ছিল বিধায় তিনি স্বপদে বহাল আছেন।
সরকার বলেছে, শিক্ষকরা মানুষ তৈরি করেন। তাই শিক্ষকতা পেশা থেকেও বেশী। এই পেশার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা বজায় রাখতে হবে। কেউ ব্যক্তিগত ভাবে কোনো অপরাধ করলে সেটার জন্য তো সুনির্দিষ্ট আইন আছে।
এবার মসজিদের মাইকে উস্কানি দেয়া লোকজন আর সেলিম ওসমানকে জনসমক্ষে কানে ধরিয়ে উঠবস করানো হোক।

‪#‎মাননীয়‬ শিক্ষামন্ত্রী ও ১৪ দলকে অশেষ ধন্যবাদ তারা শিক্ষকের মর্যাদা রেখেছেন।যেদিন শ্যামলকান্তি তার দৃঢ় পায়ে তার স্কুল বারান্দায় ঢুকবে আমাদের মনে ৪৫ বছর আগে একজন নেতা দিপ্ত পায়ে পল্টন জনসভায় উঠেছিলেন ।আমাদের মনে পড়বে ৫২ তে সালাম রফিক নিশ্চিত মৃত্যুর কথা জেনেও দৃঢ় ভাবে পা বাড়িয়েছিলেন।
ধর্ম বর্ন সবাই মিলে একজন শ্যামলকান্তি হয় প্রতিবাদ করেছে
জয় অসাম্প্রদায়িক বাংলা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 3